ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংবিধান সংশোধন কমিটির বিশেষ বৈঠক সংসদে শুরু


সংবিধান সংশোধন কমিটির বিশেষ বৈঠক সংসদে শুরু

সংবিধান সংশোধন কমিটির বিশেষ বৈঠক শুরু হয়েছে সংসদে বিরোধী জোটের অংশগ্রহণ ছাড়াই। শনিবার সকালে বৈঠকটি শুরু হয়।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে, যেখানে সভাপতিত্ব করছেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

কমিটি আলোচনা করছে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নারী নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি, সংবিধান বিষয়ক বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ও আইনজীবী, শিক্ষক, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার ৫ লাখ টাকা ছিনতাই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফজলু হত্যার অভিযোগপত্র সাত মাসেও আদালতে পেশ হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


ফজলু হত্যার অভিযোগপত্র সাত মাসেও আদালতে পেশ হয়নি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যা মামলার সাত মাস অতিক্রম করেছে, কিন্তু বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করলেও মামলার অভিযোগপত্র এখনও দাখিল করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের কিছু কাজ এখনও সম্পন্ন হওয়া বাকি রয়েছে। অন্যদিকে, মামলার প্রধান আসামি কর্মচারী ফজলু এখন নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন, স্বীকারোক্তি বদলে।

চলতি বছরের ৪ মার্চ, বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের দ্বিতীয় তলায় সমাজকল্যাণ বিভাগের নিজ অফিসকক্ষে আসমা সাদিয়া রুনাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

এই ঘটনায়, নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন, যেখানে ফজলুর রহমান ফজলুকে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে সাবেক কর্মচারী উপরেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস এবং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান রয়েছেন। প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হলেও অন্য তিনজন এখনও পলাতক রয়েছে।

ঘটনার পর, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফজলু হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলির ক্ষোভ থেকেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন। কিন্তু কারাগারে যাওয়ার পর, তিনি তার পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা কারাগারে গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ফজলুর সাক্ষাৎকার নেন। কমিটির কাছে লিখিত জবাবে ফজলু দাবি করেন, থিসিস পেপার চাইতে রুনার কক্ষে গিয়ে তিনি দুই মুখোশধারীকে শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাত করতে দেখেন। বাধা দিতে গেলে তারা তাকে আঘাত করে পালিয়ে যায়। এরপর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন বলে দাবি করেন।

তবে ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিকাল ৪টা ১ মিনিটে তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে পলিথিনে মোড়ানো বস্তু নিয়ে বের হন ফজলু। ৪টা ১০ মিনিটে তাকে দ্বিতীয় তলায় রুনার কক্ষের দিকে যেতে দেখা যায়। এর কিছুক্ষণ পর শিক্ষিকার ‘বাঁচাও বাঁচাও’ চিৎকার শুনে আনসার সদস্য ও শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে দরজা ভেঙে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনাস্থলে ফজলুকে নিজের গলায় ছুরি চালাতে দেখা যায়।

ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, কারাগারে ফজলুর সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় তিনি মুখে বলতে না পারায় লিখিতভাবে উত্তর দেন। হত্যার কথা অস্বীকার করার পর বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি।

পরে সিন্ডিকেটের ২৭৪তম সাধারণ সভার সিদ্ধান্তে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন জানান, আগের কমিটির প্রতিবেদন, সিসিটিভি ফুটেজ ও সাক্ষীদের তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। আসামি স্বীকার করুন বা না করুন, প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই তারা কাজ করছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইবি থানার ওসি এসএম মামুনুর রশীদ আমার দেশকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন আলামত অনেক আগেই ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো শেষ হলে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের চেষ্টা করা হবে। তদন্ত শেষ করতে আরো কয়েক মাস সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান।

এদিকে, ৭ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে। ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২৯ জুন সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে অধিকতর তদন্তের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হয়। তবে প্রশাসনিক তদন্তের এসব উদ্যোগের মধ্যেও মামলার অভিযোগপত্র দাখিল ও বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি এখনো অপেক্ষমাণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দূতাবাসে জনবল কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


ইরান হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দূতাবাসে জনবল কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরান কর্তৃক হামলার আশঙ্কার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চারটি দেশে অবস্থিত দূতাবাসে জনবল কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই দেশগুলো হলো—জর্ডান, লেবানন, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পাঠানো এক স্মারকে উল্লেখ করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন নাগরিকদের ওপর হামলার লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ইরানের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, হামলার পরিকল্পনা ইতোমধ্যে অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরান ও ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের হুমকির কারণে দূতাবাসগুলোতে জনবল কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, এই দূতাবাসগুলো বন্ধ হচ্ছে না এবং সংশ্লিষ্ট চারটি দেশ থেকে মার্কিন কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়নি। সৌদি আরবে অবশ্য অপ্রয়োজনীয় মার্কিন কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য নতুন হামলার সঙ্গে জনবল কমানোর সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত থাকলে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনী।

যুদ্ধের অচলাবস্থার মধ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় ফিরিয়ে আনার জন্য মধ্যস্থতাকারীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়লে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বিশ্ব অর্থনীতি আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

সূত্র: বার্তা সংস্থা এপি

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল নগরীতে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আসছে সাড়ে পাঁচ হাজার মিটার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৭ পি.এম


বরিশাল নগরীতে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আসছে সাড়ে পাঁচ হাজার মিটার

বরিশাল নগরীর বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সাশ্রয়ী করতে বিদ্যুৎ বিভাগ প্রিপেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে নগরীতে নতুন করে সাড়ে পাঁচ হাজার প্রিপেইড মিটার স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে প্রথম ধাপে এক লাখ গ্রাহকের পোস্টপেইড মিটার পরিবর্তন করে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে বাকি ৫০ হাজার গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন করা হবে। নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পোস্টপেইড মিটারের পরিবর্তে প্রিপেইড মিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে নগরীর সব গ্রাহককে প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা বিদ্যুৎ বিভাগের রয়েছে।

জেলা বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া সব গ্রাহককে প্রিপেইড মিটার দেওয়া হচ্ছে। গ্রামাঞ্চল ছাড়া কোনো গ্রাহককে পোস্টপেইড মিটার দেওয়া হচ্ছে না। একই সঙ্গে বিভাগীয় শহরের গ্রাহকদের পোস্টপেইড মিটার পর্যায়ক্রমে তুলে নেওয়ার কাজ চলছে। প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থার সম্প্রসারণের ফলে মাঠপর্যায়ে মিটার রিডার ও বিল প্রস্তুতকারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার রিডিং নেওয়া, বিল তৈরি ও বিতরণের জন্য বিপুল জনবল ও যাতায়াত ব্যয়ের প্রয়োজন হতো। ডিজিটাল ব্যবস্থার কারণে এখন সেই ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি শতভাগ অগ্রিম রাজস্ব আদায় নিশ্চিত হওয়ায় বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর আর্থিক তারল্য সংকট কমেছে। বকেয়া বিল আদায়ে সরকারের যে বিপুল অর্থ ও আইনি ব্যয় হতো, তা এখন শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এ কারণে সরকার গ্রাহকদের কাছে প্রিপেইড মিটার পৌঁছে দিতে কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রিপেইড মিটার চালুর অন্যতম বড় সাফল্য হলো সিস্টেম লস বা বিদ্যুৎ চুরি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়া। অবৈধ সংযোগ ও মিটার টেম্পারিংয়ের মতো নন-টেকনিক্যাল ক্ষতি রোধ হওয়ায় উৎপাদিত বিদ্যুতের সঠিক মূল্য সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে। পাশাপাশি অগ্রিম রিচার্জের অভ্যাস গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে উদ্বুদ্ধ করছে, যা জাতীয় গ্রিডের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে সহায়ক।

গ্রাহক ভোগান্তি ও অসন্তোষ কমাতে সরকার প্রিপেইড মিটারের মাসিক অতিরিক্ত চার্জ ও ভাড়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে। এতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আরো জনবান্ধব করা হয়েছে বলে মনে করছেন গ্রাহকরা।

গ্রাহকদের মতে, প্রিপেইড মিটারের অন্যতম সুবিধা হলো বিদ্যুৎ ব্যবহারের খরচ সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা পাওয়া যায়। মিটারে থাকা ব্যালান্স দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফলে মাস শেষে হঠাৎ বড় অঙ্কের বিল আসার আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।

আগের পোস্টপেইড ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ে বিল হাতে পাওয়া, মিটার রিডিং এবং বিলের পরিমাণ নিয়ে নানা ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হতো। প্রিপেইড মিটারে সেই আশঙ্কা নেই। বিভিন্ন মাধ্যমে রিচার্জ করার সুযোগ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বিল পরিশোধের প্রয়োজন হয় না। এতে সময় ও যাতায়াতের ঝামেলা কমে। এছাড়া ব্যালান্স কমে গেলে গ্রাহক আগে থেকেই তা জানতে পারেন।

ফলে অপ্রয়োজনীয় বাতি, ফ্যান বা অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহার কমিয়ে খরচ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

এ বিষয়ে বরিশাল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, যারা প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছেন, তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রিপেইড মিটারে যেমন ভৌতিক বিলের সুযোগ নেই, তেমনি বিল বকেয়া রাখারও সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বর্তমানে বরিশাল নগরীতে দেড় লাখ পোস্টপেইড মিটার রয়েছে। ইতোমধ্যে নতুন সাড়ে পাঁচ হাজার প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই এক লাখ পোস্টপেইড মিটার প্রিপেইড মিটারে প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বাকি ৫০ হাজার পোস্টপেইড মিটারও প্রিপেইড মিটারে প্রতিস্থাপন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ বছর পলাতক থেকে ২ বছরের সাজা থেকে বাঁচতে ছিলেন মাসুদ, হয়নি শেষ রক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৭ পি.এম


৪ বছর পলাতক থেকে ২ বছরের সাজা থেকে বাঁচতে ছিলেন মাসুদ, হয়নি শেষ রক্ষা

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও একাধিক মামলার পলাতক আসামি মো. মাসুদ ওরফে মাছুমকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি চার বছর ধরে পলাতক ছিলেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) উপজেলার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ তেঁতাভূমি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মাছুম দক্ষিণ তেঁতাভূমি গ্রামের মৃত আবদুল বারেক ওরফে বারু মিয়ার ছেলে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মাছুমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে একটি সাজা পরোয়ানা ও একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

মাছুমের বিরুদ্ধে একটি মামলায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ব্রাহ্মণপাড়া, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রয়েছে।

শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সীমান্তবর্তী শশীদল ইউনিয়নের দক্ষিণ তেঁতাভূমি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক মো. সাইফুল আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো ফারুক হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%