১২:০৬ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরান কর্তৃক হামলার আশঙ্কার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চারটি দেশে অবস্থিত দূতাবাসে জনবল কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই দেশগুলো হলো—জর্ডান, লেবানন, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক জে ক্লেটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পাঠানো এক স্মারকে উল্লেখ করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন নাগরিকদের ওপর হামলার লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ইরানের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, হামলার পরিকল্পনা ইতোমধ্যে অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরান ও ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের হুমকির কারণে দূতাবাসগুলোতে জনবল কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, এই দূতাবাসগুলো বন্ধ হচ্ছে না এবং সংশ্লিষ্ট চারটি দেশ থেকে মার্কিন কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়নি। সৌদি আরবে অবশ্য অপ্রয়োজনীয় মার্কিন কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে তালেবানের হামলায় ১ নিহত, ৫ আহত
এদিকে, মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য নতুন হামলার সঙ্গে জনবল কমানোর সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত থাকলে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনী।
যুদ্ধের অচলাবস্থার মধ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় ফিরিয়ে আনার জন্য মধ্যস্থতাকারীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়লে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বিশ্ব অর্থনীতি আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
সূত্র: বার্তা সংস্থা এপি
আরএ
আরও পড়ুন: দুর্লভ ডাইনোসর ‘জোডি’ ৪৭.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি, বিজ্ঞানীদের অসন্তোষ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন