বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৪৫ পি.এম
আবারও সোনার বাজারে মন্দাভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মূল্যবান এই হলুদ ধাতুর দামে ঘটেছে বড় ধরনের পতন।
এদিন বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ৩৩ মিনিটে মার্কিন সোনার দাম এক লাফে ০ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৯১ দশমিক ২৪ ডলারে নেমে গেছে স্পট মার্কেটে। আর আগামী আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে নেমে গেছে ৪ হাজার ৯৩ দশমিক ৮০ ডলারে। খবর রয়টার্সের।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ায় তেলের দাম বেড়ে গেছে। এতে করে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তেমনি মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরের শেষের দিকে সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হতে পারে—এমন উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। আর এর ফলে মন্দা দেখা যাচ্ছে সুদবিহীন সম্পদ সোনার বাজারে।
ট্রাডু.কম-এর সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট নিকোস জাবুরাস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, তেলের উচ্চমূল্য এবং দীর্ঘ সময় ধরে সুদের হার বেশি থাকার সম্ভাবনা স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি করেছে। আগামী দিনে মূল্যবান এই ধাতুর দাম আরও কমে ৩ হাজার ৯০০ ডলারে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
সোনার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে পতন ঘটেছে অন্যান্য ধাতুর দামেও। এর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৫৮ দশমিক ৮৫ ডলার, প্ল্যাটিনামের দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬২৯ দশমিক ৬৩ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৭২ দশমিক ০৩ ডলারে নেমে এসেছে।
এদিকে দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা চেয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
তিনি বৃহস্পতিবার ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ৩৩তম আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম-এআরএফ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য প্রদানকালে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা খুবই জরুরি।
তার বক্তব্যে এআরএফের বিভিন্ন অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নেতৃত্ব নিয়ে প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে।
এর মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
ড. খলিলুর রহমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদীয়মান প্রযুক্তির মানবকেন্দ্রিক এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের জন্য এআরএফের আওতায় একটি প্রযুক্তি শাসন কাঠামো গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানান।
এছাড়া, তিনি আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণভাবে সামুদ্রিক বিরোধ নিষ্পত্তির গুরুত্বের ওপরও জোর দেন।
৩৩তম এআরএফ সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, শান্তি, প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে অভিযান চালিয়ে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর) একটি চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে, যার কাছে ২০০ পিস ইয়াবা ছিল। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ডিবির (উত্তর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ধামরাই পৌরসভার আমিন মডেল টাউন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হাবিবুর রহমান বাবু (৩০) ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে আমিন মডেল টাউন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি উত্তরের একটি দল। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার কাছ থেকে তল্লাশি চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ধামরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন থানায় ছয়টি মাদক মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য যোগাযোগ করতে গিয়ে ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি। নিরাপত্তার দিক থেকে কর্তৃপক্ষের কারণ দেখিয়ে প্রবেশে বয়সসীমা নির্ধারণ করে ইসরাইলি পুলিশ তাদের প্রবেশে বাধা দেয়। তাই অনেককেই মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। একই সময়ে, ইহুদিদের বার্ষিক শোক দিবস উপলক্ষে ইহুদি দর্শনার্থীদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইহুদিদের ধর্মীয় দিবস 'তিশা ব'আভ' উপলক্ষে বুধবার সন্ধ্যা থেকে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে শত শত ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী প্রবেশ করেন।
জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ জানিয়েছে, ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর পাহারার মধ্যে ২ হাজার ৩০০-এর বেশি বসতি স্থাপনকারী আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। এ সময়, ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, ইসরাইলি বাহিনী আল-আকসার প্রবেশপথে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। এতে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি মুসল্লিকে প্রবেশে বাধা দেন, শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে দেন এবং কয়েকজন মুসল্লির ওপর হামলা চালান।
জেরুজালেম গভর্নরেট এক বিবৃতিতে, বেন-গভিরের এই প্রবেশকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের অভিযোগ, এটি এমন কর্মকাণ্ডের প্রতি ইসরাইলি সরকারের আনুষ্ঠানিক সমর্থনের সঙ্কেত যা আগে কেবল উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল।
এদিকে, আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইতামার বেন-গভির ২ হাজারের বেশি বসতি স্থাপনকারীর প্রবেশের ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জর্ডান।
জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাষ্ট্রদূত ফুয়াদ মাজালি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি বিদ্যমান অবস্থার স্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা জেরুজালেমের ইসলামি ও খ্রিস্টিয়ান পবিত্র স্থানগুলোর বিরুদ্ধে চলমান লঙ্ঘন বন্ধে ইসরাইলের ওপর চাপ প্রয়োগ করে।
একই রকম নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, 'এই প্রকাশ্য আগ্রাসনের পরিণতি ভোগ করতে হবে দখলদার ইসরাইল এবং তাদের বসতি স্থাপনকারীদেরই।'
জেরুজালেমের পুরোনো শহরে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত। একই স্থানে ইহুদিরা তাদের সবচেয়ে পবিত্র ধর্মীয় স্থান মনে করেন। দশকের পর দশক ধরে স্থিতিশীল স্ট্যাটাস কো ব্যবস্থার অধীনে আল-আকসা প্রাঙ্গণের দেখভাল করে জর্ডানের ইসলামিক ওয়াকফ কর্তৃপক্ষ। এই ব্যবস্থায়, ইহুদিরা সেখানে প্রবেশ করতে পারে কিন্তু প্রার্থনা করার অনুমতি নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর এশিয়ান গেমসের ২০তম আসরের পর্দা উঠবে। মর্যাদাপূর্ণ এই ক্রীড়াযজ্ঞে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল দ্বিতীয়বারের মতো মাঠে নামবে। এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল দুই কোরিয়ার গ্রুপে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছে নারী ফুটবল ইভেন্টের ড্র। যেখানে ‘বি’ গ্রুপে স্থান পাওয়া লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের লড়তে হবে দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং চেনা প্রতিপক্ষ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে, যারা এশিয়ার শীর্ষ পরাশক্তি।
বাংলাদেশের মেয়েদের এশিয়ান গেমসে অভিজ্ঞতা খুব বেশি দিনের নয়। ২০২২ সালে চীনের হাংজুতে অনুষ্ঠিত আসরে তারা প্রথমবার অংশ নিয়েছিল। সেই সময় গ্রুপ পর্বে তারা তিন ম্যাচে এক ড্র ও দুই পরাজয়ে মিশন শেষ করেছিল।
এবারের আসরে ঋতুপর্ণা-মারিয়া মান্ডাদের সামনে অপেক্ষা করছে একটি আরও বড় পরীক্ষা। গ্রুপ পর্বে তাদের মুখোমুখি হতে হবে এশিয়ার দুই পরাশক্তি—উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার। দক্ষিণ কোরিয়া ১০ বার এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে ৩টি ব্রোঞ্জ জিতেছে।
অপরদিকে, উত্তর কোরিয়া টুর্নামেন্টের অন্যতম সফল দল, যাদের রয়েছে ৩টি স্বর্ণপদক। এর আগে, মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে বাংলাদেশের দল উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে হেরেছিল। গ্রুপের অপর দল মিয়ানমারও বাংলাদেশের মতোই এশিয়ান গেমসে একবার অংশ নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল।
এবারের আসরে অংশগ্রহণকারী মোট ১২টি দলকে ৩টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।
গ্রুপ ‘এ’: স্বাগতিক জাপান, চাইনিজ তাইপে, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড।
গ্রুপ ‘বি’: উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ।
গ্রুপ ‘সি’: চীন, ফিলিপাইন, উজবেকিস্তান ও হংকং।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ