০৩:০৫ পি.এম
ফ্রান্সে চলমান যুদ্ধকে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির জন্য দায়ী করায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর প্রতি তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি ফ্রান্সজুড়ে চলমান নজিরবিহীন বিক্ষোভকে দেশটির ‘ভবিষ্যৎ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আরাঘচি একটি পোস্টে ফ্রান্সে চলা বিক্ষোভের পর ম্যাক্রোঁর একটি ভাষণের ভিডিও শেয়ার করেন। সেই সঙ্গে গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ম্যাক্রোঁর পাঠানো একটি বার্তার ছবি প্রকাশ করেন। ওই বার্তায় ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, ‘ইরান নিয়ে আমরা দারুণ কিছু করতে পারি।’
আরাঘচি তার পোস্টে লেখেন, ‘তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, ইরানিদের ওপর চালানো নৃশংসতাকে তিনি স্বাগত জানান। এখন ম্যাক্রোঁ নিজেই নিজের পরিণতি ডেকে এনেছেন।’
আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে পরজীবী ও রাহুলকে ব্যর্থ পণ্য আখ্যা দিলেন নরেন্দ্র মোদি
তিনি আরও বলেন, ‘ইরান যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে ম্যাক্রোঁর মতো ব্যক্তিরা ভূমিকা রেখেছেন, এখন তার দায় সেই যুদ্ধের ওপর চাপানোর সময় পেরিয়ে গেছে। ফ্রান্সের জনগণ ব্যাপক পরিবর্তন দাবি করছেন, যার মধ্যে সমাবেশের স্বাধীনতাও রয়েছে।’
ম্যাক্রোঁকে উদ্দেশ্য করে আরাঘচি লেখেন, ‘এখন তার উচিত ফ্রান্সের ভবিষ্যত প্রজন্মের কণ্ঠস্বর শোনা।’
জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ফ্রান্সে শনিবার ও রোববার ব্যাপক সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় প্রায় আড়াই হাজার বিক্ষোভকারী ও এক হাজার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এ পরিস্থিতিতে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এলিসি প্রাসাদ থেকে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া এক ভাষণে বিক্ষোভকারীদের পরিস্থিতি আর উত্তপ্ত না করার আহ্বান জানান ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার পর আমরা সবাই ক্ষোভ ও লজ্জা অনুভব করছি।’
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের গোয়াদরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৩ সন্ত্রাসী
ম্যাক্রোঁ বলেন, বিক্ষোভকারীদের ‘যৌক্তিক দাবি’ এবং যারা ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে, তাদের মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। তিনি বলেন, এ ধরনের লাগামহীন সহিংসতার কোনো যুক্তি নেই। যারা এতে জড়িত, তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন