ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মুস্তাকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মুস্তাকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মুনিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে, লাশ বক্স খাটের নিচে লুকিয়ে রাখার ঘটনায় স্বামী মুস্তাককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ মোঃ হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামী মুস্তাক গোপালপুর উপজেলার বাগুয়াটা গ্রামের মৃত হাজী আজমত আলীর ছেলে। তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে, অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে আলামত গোপন ও লাশ গুম করার অপরাধে আরও ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

রাষ্ট্রপক্ষে সরকারি কৌশুলি মোঃ শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, নিহত জান্নাতুল ফেরদৌস মুনিয়া ও আসামী মুস্তাকের প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের সংসারে দুটি পুত্রসন্তান রয়েছে। মুস্তাক দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন এবং ঘটনার প্রায় ১০ মাস আগে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পর থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ও নির্যাতন চলতে থাকে। তারা ভূঞাপুর থানাধীন ঘাটান্দি গ্রামের জহুরুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর বিকালের মধ্যে যেকোনো সময় আসামী মুস্তাক তার স্ত্রী মুনিয়াকে ঘরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে ঘরের উত্তর-পশ্চিম কোণায় থাকা বক্স খাটের তোশক ও পাটাতন তুলে তার নিচে লাশ লুকিয়ে রাখেন।

ঘটনার দিন সকালে আসামী মুস্তাক তার ছোট ছেলেকে নিয়ে শ্যালিকা নাসরিনের বাসায় রেখে বাজার করার কথা বলে সরে পড়েন। অন্যদিকে বড় ছেলে আল-মাসুদকে নিজ ঘরে বাইরে থেকে ছিটকিনি আটকে আটকে রেখে যান। সকালে বাসার কেয়ারটেকার ছিটকিনি খুলে দিলে বড় ছেলে তার খালার বাসায় যায়। সারাদিন ধরে মুনিয়ার খোঁজ না পেয়ে এবং আসামী মুস্তাকের ফোন বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে বিকাল ৫টার দিকে স্বজনরা ভাড়া বাসায় তল্লাশি চালিয়ে বক্স খাটের নিচ থেকে মুনিয়ার তোশক ও পাটাতন সরিয়ে লাশ উদ্ধার করেন।

মোঃ শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই মোঃ আমিনুল ইসলাম খান বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার এস.আই মোঃ মেহেদী হাসান তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর আসামী মুস্তাকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলা চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৩ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ ও যুক্তিযুদ্ধ শেষে আদালত আসামী মুস্তাকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় প্রদান করেন।

তিনি আরও জানান, মামলা চলাকালীন আসামী মুস্তাক জামিন নিয়ে আত্মগোপন করেন। তিনি বর্তমানে পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন এবং তার জামানত বাজেয়াপ্ত করেছেন। আসামী গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে তার এই কারাদণ্ড কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ ঢাকায় ১ হাজার ৭৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


দক্ষিণ ঢাকায় ১ হাজার ৭৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) পরিকল্পিত, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব দক্ষিণ ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে বড় পরিসরের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের দিকে এগোচ্ছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চলমান ও প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পের সমন্বয়ে ১ হাজার ৭৪ কোটি ৮ লাখ টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই উন্নয়ন পরিকল্পনায় সড়ক যোগাযোগ, ড্রেনেজ, ফুটপাত, খাল পুনরুদ্ধার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক পার্কিং, সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র এবং বিনোদন অবকাঠামোসহ নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ খাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ডিপিপিভুক্ত চলমান সরকারি প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৫৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

এছাড়া, প্রক্রিয়াধীন ডিপিপিভুক্ত সরকারি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ফলে, দুই পর্যায়ের প্রকল্প মিলিয়ে দক্ষিণ ঢাকার অবকাঠামো ও নাগরিকসেবার উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

ডিএসসিসির প্রশাসক বাসস’কে জানান, এই উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে দক্ষিণ ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ। ইনার সার্কুলার রিং রোডের বেড়িবাঁধ রায়েরবাজার দুই নম্বর গেট থেকে লোহার ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৩৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের উন্নয়ন হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় গতি আসবে এবং নগরীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে অন্যান্য এলাকার সড়ক যোগাযোগ আরও কার্যকর হবে।

আবদুস সালাম বলেন, দক্ষিণ ঢাকার পরিবেশ ও জলাবদ্ধতা ব্যবস্থাপনায়ও রয়েছে বড় উদ্যোগ। খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৫৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। খাল পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি এর আশপাশের পরিবেশকে নান্দনিক করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নগরীর জলাধার ও পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য সুন্দর পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি জানান।

নগরবাসীর বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশুপার্ক প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯৬ কোটি টাকা। দীর্ঘদিনের পরিচিত এই বিনোদনকেন্দ্রের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের জন্য আরও আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগও বাড়বে।

আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনাকেও উন্নয়ন পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অধিভুক্ত এলাকায় বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা, সড়ক মেরামতে ব্যবহৃত আধুনিক যানযন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও ম্যাকানাইজড পার্কিং স্থাপনের মাধ্যমে যানজট নিরসনকরণ প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৬ কোটি টাকা।

আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পার্কিং ব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তন আনার উদ্যোগ রয়েছে এ প্রকল্পে।

নগরবাসীর সামাজিক ও পারিবারিক কার্যক্রমের জন্যও অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত পর্যায়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে নগরবাসীর সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চলমান প্রকল্পের পাশাপাশি নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনাতেও বড় অঙ্কের বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বাসসকে বলেন, ডিএসসিসির অঞ্চল-২, ৪ ও ৭-এর আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাতের উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা। একইভাবে অঞ্চল-৩-এর আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা ও নর্দমা উন্নয়ন কাজে রাখা হয়েছে ২০ কোটি টাকা।

দক্ষিণ ঢাকার সম্প্রসারিত এলাকাগুলোর উন্নয়নেও রয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। ডিএসসিসির অন্তর্ভুক্ত নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৯০ কোটি টাকা।

নতুনভাবে যুক্ত হওয়া এলাকাগুলোকে পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে সড়ক ও ড্রেনেজ অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে এসব এলাকার নাগরিক সুবিধা আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

এ ছাড়া ডিএসসিসির ছয়টি সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রের সংস্কার, উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২০ কোটি টাকা। এসব কেন্দ্র আধুনিকায়নের মাধ্যমে নাগরিকদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য আরও উন্নত পরিবেশ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধান সড়কগুলোর উন্নয়নেও বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ডিএসসিসির আওতাধীন প্রধান সড়কসমূহের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাতের সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৮০ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর চলাচলব্যবস্থা আরও উন্নত করার পাশাপাশি পথচারীদের জন্য ফুটপাত ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নও সম্ভব হবে।

প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ ঢাকার উন্নয়নকে শুধু সড়ক নির্মাণ বা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। বরং যোগাযোগ, পরিবেশ, পানি নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পার্কিং, বিনোদন ও সামাজিক অবকাঠামো- এই সবকিছুকে একটি সমন্বিত উন্নয়ন কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডকে উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নেওয়ার ফলে ডিএসসিসির সম্প্রসারিত এলাকাগুলোতেও অবকাঠামো উন্নয়নের গতি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে পুরোনো এলাকার পাশাপাশি নতুনভাবে যুক্ত হওয়া এলাকাগুলোর সড়ক, ড্রেনেজ ও নাগরিক সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে পুরো দক্ষিণ ঢাকাকে একটি সমন্বিত নগর কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার পথ তৈরি হচ্ছে।

সব মিলিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ডিএসসিসির সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে ১ হাজার ৭৪ কোটি ৮ লাখ টাকার কর্মপরিকল্পনা দক্ষিণ ঢাকার অবকাঠামো উন্নয়নে একটি বড় উদ্যোগ হিসেবে সামনে এসেছে।

সড়ক থেকে খাল, ড্রেনেজ থেকে ফুটপাত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে পার্কিং, শিশুপার্ক থেকে সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র- নগরবাসীর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন খাতে একযোগে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশ, নাগরিকসেবা ও অবকাঠামোতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসার পাশাপাশি একটি আরও পরিচ্ছন্ন, আধুনিক, বাসযোগ্য ও নাগরিকবান্ধব দক্ষিণ ঢাকা গড়ে তোলার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে মনে করছেন প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণপিটুনিতে নিহত সেলিম ও শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


গণপিটুনিতে নিহত সেলিম ও শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ

চাঁদপুরের আলোচিত সেলিম খান এবং তার পুত্র চিত্রনায়ক শান্ত খানের মরদেহ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলন করা হবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের জন্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কাছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন করেছেন। জেলা প্রশাসক আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন। মরদেহ উত্তোলনের নির্দিষ্ট সময় পরে জানানো হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণপিটুনিতে নিহত সেলিম খান ও তার ছেলে শান্ত খানের মরদেহ চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে তাদের নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছিল।

সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সেলিম খান ও শান্ত খান এলাকা ছেড়ে পালানোর সময় বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজারে জনরোষের সম্মুখীন হন। তারা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হলেও পরে বাগড়া বাজার এলাকায় জনতার হাতে ধরা পড়েন। সেখানে গণপিটুনিতে তাদের মৃত্যু ঘটে। স্থানীয়রা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরিস্থিতির কারণে তখন তাদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল।

সেলিম খান ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘শাপলা মিডিয়া’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার পুত্র শান্ত খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

সেলিম খানের বিরুদ্ধে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলমান ছিল বলে জানা গেছে।

আদালতের নির্দেশের পর সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে। মৃত্যুর কারণ এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য এই ময়নাতদন্তের আয়োজন করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ট্যানলেকের চোটে অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে দলে এডওয়ার্ডসের অন্তর্ভুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


স্ট্যানলেকের চোটে অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে দলে এডওয়ার্ডসের অন্তর্ভুক্তি

নিউ সাউথ ওয়েলসের অলরাউন্ডার জ্যাক এডওয়ার্ডসকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিলি স্ট্যানলেকের চোটের কারণে। অস্ট্রেলিয়া, ওয়ার্কলোড ব্যবস্থাপনার জন্য স্পেন্সার জনসনকে ছেড়ে দিয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়া দলে এডওয়ার্ডসের অন্তর্ভুক্তি হয়েছে। স্ট্যানলেকের চোটের কারণে তাঁর জায়গায় এডওয়ার্ডসকে ডাকা হয়েছে। অন্যদিকে, স্পেন্সার জনসনকে স্কোয়াড থেকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি নিউ সাউথ ওয়েলসের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এডওয়ার্ডস। রাজ্যটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তিনি নিজের খেলায় আরও মনোযোগ দিতে চান বলেই অধিনায়কত্ব থেকে সরে এসেছেন। চলতি বছরের শুরুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটে। তবে ওয়ানডেতে এখনও তাঁর অভিষেক হয়নি। গত মৌসুমে ভারতের বিপক্ষে সিরিজে অল্প সময়ের জন্য তিনি অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে স্কোয়াডে ছিলেন।

ভারতে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের সঙ্গে ছিলেন এডওয়ার্ডস। ভারত ‘এ’র বিপক্ষে দুই ম্যাচের চার দিনের সিরিজের প্রস্তুতির সময় তিনি মূল দলে ডাক পান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বৃহস্পতিবার ডারবানে শুরু হতে যাওয়া সিরিজে তাঁর ওয়ানডে অভিষেক হতে পারে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্ট্যানলেক পাশের পেশিতে চোট পান। চোটের কারণে তাঁকে মাঝপথে মাঠ ছাড়তে হয়। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয়। সিরিজের শেষ ম্যাচে তারা এক উইকেটের নাটকীয় জয় পায়।

জিম্বাবুয়ে সিরিজের তিন ম্যাচের মধ্যে দুইটিতে খেলেছেন জনসন। শেষ ম্যাচে নাথান এলিসের সঙ্গে শেষ উইকেটে ২৭ রানের জুটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের আগে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এরপর ভারত ‘এ’ সফরের ৫০ ওভারের অংশে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বাঁহাতি এই পেসার।

২০২৫ ও ২০২৬ সালের শুরুতে পিঠের চোটের কারণে জনসন দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে ছিলেন। তাই তাঁর কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এডওয়ার্ডসকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। গ্রিন কাঁধের সমস্যার কারণে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পুরোটা মিস করেছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর চোট নিয়ে উদ্বেগ কমেছে এবং হারারেতে দলের সঙ্গে অনুশীলনও করেছেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ আরও শক্তিশালী হবে প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ক যোগ দেওয়ায়। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন জশ হ্যাজলউড ও নাথান এলিস। বহু সংস্করণে খেলা পেসারদের সিরিজে প্রয়োজন অনুযায়ী ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ব্যবহার করা হতে পারে। জিম্বাবুয়ে সফরে হ্যাজলউড খেলেছেন মাত্র একটি ম্যাচ।

অস্ট্রেলিয়া সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২৪ সেপ্টেম্বর ডারবানে শুরু হবে। পরবর্তী দুটি ম্যাচ ২৭ সেপ্টেম্বর জোহানেসবার্গ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ানডে সিরিজের পর দুই দলের মনোযোগ টেস্ট সিরিজের দিকে যাবে।

এদিকে, এডওয়ার্ডস অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দল থেকে মূল দলে চলে যাওয়ায় ভারত ‘এ’র বিপক্ষে মঙ্গলবার শুরু হতে যাওয়া প্রথম চার দিনের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের অধিনায়কত্ব করবেন পিটার হ্যান্ডসকম্ব। নাথান ম্যাকসুইনিকে ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ দিতে ৩৫ বছর বয়সী হ্যান্ডসকম্বকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এডওয়ার্ডসের অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের সাত নম্বর ব্যাটিং অলরাউন্ডারের জায়গাটি নেবেন লিয়াম স্কট। ওপেন করবেন স্যাম কনস্টাস ও ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে। দুই অফস্পিনার টড মার্ফি ও কোরি রোচিওচিওলির সঙ্গে পেস আক্রমণে থাকবেন ফার্গাস ও'নিল ও ব্রেন্ডন ডগেট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে জমি নিয়ে বিরোধে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের পা ভাঙার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নাজমুল হাসান নিরব, ফরিদপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


ফরিদপুরে জমি নিয়ে বিরোধে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের পা ভাঙার অভিযোগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পৈতৃক জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে অবসরপ্রাপ্ত এক সেনা সদস্য ও তাঁর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ওই সেনা সদস্যের একটি পা ভেঙে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁর স্বজনরা। আহত দুজনকে প্রথমে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনাটি উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের। এ ঘটনায় বোয়ালমারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. আব্দুর রহমান (৪৮)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত আজাহার শেখের ছেলে আব্দুর রহমানের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই মো. মিজানুর শেখ ও আমিনুর শেখসহ পরিবারের কয়েকজনের পৈতৃক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে মিজানুর শেখ (৪০), ইয়াসিন শেখ (২২), আমিনুর শেখ (৩৮) ও ওমর শেখ (১৮)সহ আরও ৩-৪ জন আব্দুর রহমানের মালিকানাধীন জমিতে গিয়ে একটি বড় নিমগাছ কাটতে শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ সময় আব্দুর রহমান বাধা দিলে তাঁকে গালিগালাজ করা হয় এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তিনি ওইদিনই বোয়ালমারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ পাওয়ার পর থানার এসআই মো. ফয়সাল আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেন। পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর সকালে কেটে রাখা নিমগাছ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে পুলিশ খবর পেয়ে গাছের গুঁড়িগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

অভিযোগকারীর দাবি, গাছের গুঁড়ি থানা হেফাজতে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দিন বিকেলে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়।

এ সময় তাঁর চিৎকার শুনে স্ত্রী সেলিনা বেগম এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। হামলায় লাঠি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আব্দুর রহমানের একটি পা ভেঙে যায় বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পরে প্রতিবেশীরা আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, পৈতৃক সম্পত্তি থেকে তাঁকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জমিতে থাকা গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় তাঁকে মারধর করে পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর বাড়াবাড়ি করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে তিনি ও তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে আমিনুর শেখের বক্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বোয়ালমারী থানার এসআই মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পরদিন গাছ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে খবর পেয়ে গাছের গুঁড়িগুলো উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%