ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সবচেয়ে ব্যয়বহুল চুক্তি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় স্বাধীন তদন্ত শুরু


সবচেয়ে ব্যয়বহুল চুক্তি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় স্বাধীন তদন্ত শুরু

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা প্রকল্প ‘আউকাস সাবমেরিন চুক্তি’ নিয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত শুরু হয়েছে।

জনঅর্থায়নে পরিচালিত এই তদন্ত কমিশনের নেতৃত্ব দেবেন দেশের সাবেক পরিবেশমন্ত্রী এবং জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ‘মিডনাইট অয়েলের’ সাবেক প্রধান গায়ক, পিটার গ্যারেট।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানাচ্ছে, এই তদন্তে আউকাস চুক্তির অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা এবং কৌশলগত প্রভাব খতিয়ে দেখা হবে।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিটার গ্যারেট বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও এটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা, বিতর্ক করা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সংসদ এবং জনগণের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’

প্রায় ৩৬৮ বিলিয়ন (৩৬ হাজার ৮০০ কোটি) অস্ট্রেলীয় ডলারব্যয়ের এই প্রকল্পটির আওতায় অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন কিনে তাদের পুরোনো নৌবহর প্রতিস্থাপন করবে।

পাঁচ মাসব্যাপী এই তদন্ত কমিশনে গ্যারেটের সঙ্গে রয়েছেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্স (এডিএফ) প্রধান অ্যাডমিরাল ক্রিস ব্যারি, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রিমিয়ার কারমেন লরেন্স এবং আদিবাসী অধিকারকর্মী কারেন লেস্টারসহ মোট ৫ জন কমিশনার।

তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের কথা আগামী অক্টোবর মাসে রয়েছে।

আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল

এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ডেভিড পকক ও অ্যান্ড্রু উইলকি। পাশাপাশি সাবেক সংসদ সদস্য, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, মানবাধিকার আইনজীবী এবং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারাও তদন্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন সংগ্রহ সত্যিই অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা বাড়াবে কি না, চুক্তি অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত সাবমেরিনগুলো আদৌ পাবে কি না, পারমাণবিক বর্জ্য কোথায় সংরক্ষণ করা হবে এবং এই চুক্তি দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কি না।

এছাড়া আউকাস চুক্তির প্রভাব অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ওপরও থাকবে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে আউকাস নিরাপত্তা জোট ঘোষণা করা হয়। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। চীন এই চুক্তিকে ‘চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে সমালোচনা করে আসছে।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ার পাহাংয়ে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকার চুক্তিতে কিছু পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশটি তিনটি ব্যবহৃত সাবমেরিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনবে। এর আগে অন্তত একটি নতুন সাবমেরিন পাওয়ার যে পরিকল্পনা ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া ২০২৭ সাল থেকে চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থে সীমিত সংখ্যক পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েন করতে পারবে।

একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের লেবার সরকার ২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর আউকাস চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও গত জুনে এই চুক্তির পৃথক পর্যালোচনা শুরু করেছিল। এখন অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হওয়া স্বাধীন তদন্ত আউকাসের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

আরও পড়ুন: নেলসন ম্যান্ডেলাকে বন্দি রাখা সেই কারাগার পরিদর্শন করলেন ড. ইউনূস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিআর কঙ্গোর প্রধান বিমানবন্দর পুনরায় চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


ডিআর কঙ্গোর প্রধান বিমানবন্দর পুনরায় চালু

ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রে অবস্থিত ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের প্রধান বিমানবন্দর মঙ্গলবার পুনরায় চালু করা হয়েছে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে সাম্প্রতিক ১০ দিন বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকার পর সরকার কর্তৃক জানানো হয়েছে যে বিমানবন্দরটি আবার চালু হয়ে গেছে।

ডিআর কঙ্গোর বুনিয়া থেকে বার্তা সংস্থা এই খবরটি জানাচ্ছে।

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) বর্তমানে একটি মারাত্মক রক্তক্ষরণজনিত জ্বর ইবোলার বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের মোকাবিলা করছে। আফ্রিকান ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সংস্থা আফ্রিকা সিডিসির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই রোগের কারণে দেশটিতে ও প্রতিবেশী উগান্ডায় অন্তত ২৪৬ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ২৩ মে, কর্তৃপক্ষ ইতুরি প্রদেশের রাজধানী বুনিয়ার বিমানবন্দর থেকে সমস্ত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করার আদেশ জারি করে। সংঘাতপ্রবণ পূর্বাঞ্চলীয় ডিআর কঙ্গোর এই বিমানবন্দরে তখন শুধুমাত্র চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা নিয়ে আসা বিমান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যামুয়েল রজার কাম্বা জানান, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই কর্তৃপক্ষকে এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।

মঙ্গলবার দেশের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানায়, ইবোলা ভাইরাসের পরিস্থিতি কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে তা কর্তৃপক্ষ মূল্যায়ন করেছে। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন ধাপে ধাপে এবং নিরাপদে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমারে পাচারের সময় ১ হাজার ৭০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করেছে কর্তৃপক্ষ, আটক ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


মিয়ানমারে পাচারের সময় ১ হাজার ৭০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করেছে কর্তৃপক্ষ, আটক ২০

মায়ানমারে পাচারের সময় ১ হাজার ৭০০ বস্তা সিমেন্টসহ দুটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে। এ ঘটনায় পাচারকারী চক্রের ২০ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সমুদ্রসীমায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার এবং সমুদ্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সেন্টমার্টিন লাইট হাউস থেকে প্রায় ১৯ মাইল দূরে সন্দেহজনক দুটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের ফিশিং বোটের গতিবিধি নজরে আসে নৌবাহিনীর টহলরত জাহাজের।

ধাওয়া শেষে ‘মা-২’ ও ‘নিশান-২’ নামের বোট দুটি আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে ‘মা-২’ বোট থেকে ৯০০ বস্তা এবং ‘নিশান-২’ বোট থেকে ৮০০ বস্তা সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় বোট দুটিতে থাকা ২০ জনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অধিক মুনাফার আশায় সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল বলে স্বীকার করেন।

অভিযান শেষে জব্দ করা সিমেন্ট ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান ও ইরাকে নাগরিকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করল বাহরাইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


ইরান ও ইরাকে নাগরিকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করল বাহরাইন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নিরাপত্তার উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে নাগরিকদের ইরান ও ইরাক ভ্রমণে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাহরাইন।

মঙ্গলবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এটি জানিয়ে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, দেশের নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের সুরক্ষার দিকটি বিবেচনায় নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কোনো নাগরিককে ইরান এবং ইরাকে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না। যদি কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেন, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে নাগরিকদের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য বিবৃতিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র : আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের টেকসই কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দিতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


নারীদের টেকসই কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দিতে হবে

নারীদের স্থায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও বাজারে প্রবেশের পুরো প্রক্রিয়া সমন্বিতভাবে সম্পন্ন করা অপরিহার্য।

ইরানের নারী ও পরিবারবিষয়ক সহ-সভাপতি জাহরা বেহরুজআযার বলেছেন, নারীদের কর্মদক্ষতা যাতে টেকসই কর্মসংস্থানে রূপ নেয়, সে জন্য প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন থেকে শুরু করে উৎপাদন, বিপণন, বিক্রয় এবং বাজারে প্রবেশাধিকার পর্যন্ত পুরো শৃঙ্খলের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

নারী ও পরিবারবিষয়ক সহ-সভাপতির দপ্তরের বরাতে তিনি “কারাফান” চেইন স্টোরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, কারাফানের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং নারীদের বিকাশ ও অগ্রগতির প্রতিবন্ধকতা দূর করার লক্ষ্যে ঘোষিত নীতিমালার বাস্তবায়নের একটি অংশ।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করলেই নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয় না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, কিন্তু কর্মসংস্থান ও উৎপাদনের পরিবেশ যদি নারীদের অংশগ্রহণের উপযোগী না হয়, তাহলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন ও বিকাশ অর্জন সম্ভব হবে না।

তার মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে দক্ষ ও সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও কাঠামোগত বাধার কারণে অনেক নারী হতাশার মুখে পড়তে পারেন।

বেহরুজআযার জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের নীতি হলো কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও উদ্যোক্তা পরিবেশে বিদ্যমান বাধা দূর করে নারীদের ক্ষমতায়ন করা। তিনি বলেন, নারীদের অর্জিত দক্ষতাকে টেকসই কর্মসংস্থানে রূপ দিতে হলে প্রশিক্ষণ, উৎপাদন, বিপণন, বিক্রয় এবং বাজারে প্রবেশাধিকার সব ধাপকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি জানান, “কারাফান” প্রকল্পটি দক্ষতা, উৎপাদন ও বাজারব্যবস্থার প্রধান অংশীদারদের চিহ্নিত করতে কয়েক মাসের গবেষণা ও পর্যালোচনার ফল। এতে পুরো প্রক্রিয়ার প্রভাবশালী সব অংশকে একত্রে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম, সহায়তামূলক প্রতিষ্ঠান, অর্থনৈতিক সংস্থা এবং চেইন স্টোরগুলোর ভূমিকাও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে দক্ষতাকে সহজে কর্মসংস্থান ও স্থায়ী আয়ে রূপান্তর করা যায়।

সহ-সভাপতি বিক্রয় বাজার সম্প্রসারণকে দক্ষতাভিত্তিক ব্যবসার সাফল্যের অন্যতম শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, গৃহভিত্তিক, পরিবারকেন্দ্রিক ও দক্ষতাভিত্তিক ব্যবসার উন্নয়নের কথা বলা যাবে না, অথচ সেগুলোর সঙ্গে বৃহত্তর বাজারের সংযোগ উপেক্ষা করা যাবে না।

ইরানি পণ্যের বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরান থেকে রপ্তানিকৃত প্রতিটি পণ্য শুধু একটি পণ্য নয়; বরং তা ইরানের সংস্কৃতি, পরিচয়, ঐতিহ্য ও সভ্যতার বাহক। ইরানি নারীদের উৎপাদিত পণ্য বিশ্ববাজারে দেশের সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে কাজ করতে পারে এবং ইরানি সৃজনশীলতা ও শিল্পকলার পরিচয় তুলে ধরতে পারে।

তিনি জানান, গ্রামীণ ও যাযাবর নারীদের অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি, গৃহভিত্তিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ, স্থানীয় উৎপাদনকে সহায়তা এবং স্থানীয় পণ্যের মূল্যশৃঙ্খল শক্তিশালী করা সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে নারী ও পরিবারবিষয়ক সহ-সভাপতি এবং সমবায়, শ্রম ও সামাজিক কল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর মন্ত্রীর উপস্থিতিতে কারাফান চেইন স্টোরের লোগো ও পরিকল্পনা উন্মোচন করা হয়।

এছাড়া নারী ও পরিবারবিষয়ক সহ-সভাপতির দপ্তর, সমবায়, শ্রম ও সামাজিক কল্যাণ মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণ সংস্থা-এর মধ্যে “দক্ষতাভিত্তিক, ক্ষুদ্র ও গৃহভিত্তিক ব্যবসার জাতীয় কৌশলগত সহায়তা জোট” শীর্ষক একটি যৌথ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই সহযোগিতা চলতি বছরের ফারভারদিন মাসে নারী ও পরিবারবিষয়ক সহ-সভাপতির দপ্তর এবং জাতীয় কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণ সংস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতা। এর লক্ষ্য হলো দক্ষতাভিত্তিক পেশা, ক্ষুদ্র ও গৃহভিত্তিক ব্যবসাকে সহায়তা করা, টেকসই কর্মসংস্থান জোরদার করা এবং “কারাফান” প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদকদের বাজারে প্রবেশ সহজ করা।

সূত্র: ইরনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%