ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

গভর্নর নিউসমের ক্ষমতা ছাড়ার আগে ৫৪৮ বন্দির মৃত্যুদণ্ড বাতিল


গভর্নর নিউসমের ক্ষমতা ছাড়ার আগে ৫৪৮ বন্দির মৃত্যুদণ্ড বাতিল

ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র দুই মাস আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়, গভর্নর গ্যাভিন নিউসম ৫৪৮ বন্দির মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের ঘোষণা দিয়েছেন। আধুনিক মার্কিন ইতিহাসে একসঙ্গে এতসংখ্যক মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তনের নজিরবিহীন উদ্যোগ এটিই প্রথম। যদি এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি কার্যকর হয়, তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অপেক্ষায় থাকা বন্দির সংখ্যা দেশে প্রায় ৩০ শতাংশ কমে যাবে।

কারাগারের চার দেয়ালে মৃত্যুর প্রহর গোনা শত শত বন্দির জীবনে যেন হঠাৎই নতুন করে বেঁচে থাকার আশার আলো জ্বলে উঠেছে। মৃত্যুদণ্ডে লেখা জীবনের শেষ পরিণতি এবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্নে রূপান্তরিত হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার, গভর্নর গ্যাভিন নিউসম ক্যালিফোর্নিয়ার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫৪৮ বন্দির সাজা পরিবর্তন করে আমৃত্যু কারাদণ্ডে রূপান্তরের ঘোষণা দেন। তবে এই পরিবর্তনের ফলে বন্দিদের মুক্তির কোনো সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না। তাদের বাকি জীবন কারাগারের চার দেয়ালেই কাটাতে হবে।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ার পাহাংয়ে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি

মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫২৯ জন পুরুষ এবং ১৯ জন নারী রয়েছেন। তবে ৩৮২ বন্দির সাজা পরিবর্তনের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন।

নিউসমের আট বছরের গভর্নর মেয়াদ আগামী ৪ জানুয়ারি শেষ হচ্ছে। বিদায়ের আগে, তার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে মার্কিন নাগরিক অধিকার সংগঠন এসিএলইউ। অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডে স্বজন হারানো পরিবারের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গাইবান্ধার স্মৃতি খাতুনের সাফল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ এম


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গাইবান্ধার স্মৃতি খাতুনের সাফল্য

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে স্মৃতি খাতুন বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর করপোরাল পদে কর্মরত আছেন। সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি, জাতীয় পর্যায়ে অ্যাথলেটিকসে সাফল্য অর্জনের পর ২০২৬ সালে তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদান করেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়া এই নারী এখন গোবিন্দগঞ্জের গর্ব হিসেবে পরিচিত।

গোবিদগঞ্জ উপজেলার সোনারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা স্মৃতি খাতুন সাধারণ একটি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। অদম্য ইচ্ছাশক্তি, দৃঢ় আত্মবিশ্বাস এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে করপোরাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সামরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি, ক্রীড়াক্ষেত্রেও তার সাফল্য রয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হয়ে জাতীয় পর্যায়ের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তিনি নিজের দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। ২০২৬ সালে তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেন।

শিক্ষাজীবনে স্মৃতি খাতুন শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। এরপর, নিজের কর্মজীবন এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি সেনাবাহিনীতে স্থান করে নেন। সামরিক দায়িত্ব, ক্রীড়াচর্চা এবং আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ তার বহুমুখী অর্জনকে আরো সমৃদ্ধ করেছে।

গাইবান্ধার একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন, জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে স্মৃতি খাতুন তার সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। তার পথচলা দেখিয়েছে যে, লক্ষ্য স্থির রেখে পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে গেলে নানা সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে সাফল্য অর্জন সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধুনটে পাঁচ কোটি টাকার সড়ক কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ এম


ধুনটে পাঁচ কোটি টাকার সড়ক কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া সাতটি গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের কাজ নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে থমকে গেছে। যদিও কাজের অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ, তবে দীর্ঘ সময় ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে, কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। কৃষিপণ্য পরিবহন এবং স্বাভাবিক যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ধুনট উপজেলায় সাতটি সড়ক উন্নয়নকাজ শুরু হয়। এসব কাজের চুক্তিমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চৌকিবাড়ি হয়ে সোনামুখী-নয়া চান্দিয়াড় সড়ক, ঈশ্বরঘাট হয়ে কান্তনগর-বেড়েরবাড়ী ঘাট সড়ক, বেড়েরবাড়ী গ্রামের সড়ক, বুড়িরভিটা স্কুল হয়ে বিলচাপড়ী ঘাট-বেড়েরবাড়ী সড়ক, রুদ্রবাড়িয়া-সাগাটিয়া সড়ক এবং বড়িয়া পাকা সড়ক থেকে নদীর ঘাট সড়ক। প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদনে প্রতিটি সড়কের ভৌত অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কগুলোর উন্নয়নকাজ শুরু হলেও দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের আংশিক নির্মাণকাজের কারণে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক ও কর্মজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন। কৃষিপণ্য পরিবহনেও বাড়তি সময় ও খরচ গুনতে হচ্ছে।

ঠিকাদারদের মতে, রড, সিমেন্ট, পাথর ও বিটুমিনসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। কার্যাদেশ দেওয়ার সময় নির্ধারিত রেট শিডিউল অনুযায়ী কাজ নেওয়া হলেও বর্তমান বাজারদরে নির্মাণকাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই কারণে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন জানান, প্রকল্পগুলোর কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে ঠিকাদারদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচবিবির গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ, সরকারি সহযোগিতার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ এম


পাঁচবিবির গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ, সরকারি সহযোগিতার দাবি

সরকারি দপ্তরে বছরের পর বছর ঘুরে কোনো প্রতিকার মেলেনি, বরং হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। অবশেষে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের বাসিন্দারা দেশপ্রেমের এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তারা নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ও স্বেচ্ছাশ্রমে ছোট যমুনা নদীর ওপর একটি সরু সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। তবে অর্থ সংকটে মাঝপথে এসে নির্মাণ কাজ থমকে গেছে, তাই স্থানীয়রা সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সরকারি সহযোগিতার আবেদন করেছেন।

রতনপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট যমুনা নদী, যা উপজেলা বাগজানা ও আটাপাড়া সেতুর দক্ষিণে অবস্থিত। নদীর দুই পাড়ে ঘনবসতি এবং কৃষকদের ফসলি জমি রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বাড়লে ওপারে যাতায়াত, ফসল আনা-নেওয়া এবং বাজারঘাটে যেতে গ্রামবাসীদের দীর্ঘ পথ ঘুরতে হয়। এতে অর্থ ও সময়ের অপচয় ঘটে। স্বাধীনতার পর থেকে চলমান এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলামসহ এলাকাবাসী বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দপ্তরে ধরনা দিয়েও কোনো বরাদ্দ পাননি। উপায়ান্তর না দেখে গ্রামের মানুষ চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমে কংক্রিটের পিলার স্থাপন করে তার ওপর বাঁশ ও কাঠের কাঠামো দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করছেন। তবে অর্থাভাবে নির্মাণকাজ এখনও অসমাপ্ত রয়ে গেছে।

রতনপুর গ্রামের কৃষক কেরামত আলী বলেন, "টাকার অভাবে কাজ শেষ করতে পারছি না। সরকার যদি একটু সহযোগিতা করত, তাহলে আমাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের কষ্ট দূর হতো।" সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অসমাপ্ত সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা দেবে, এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানাল ৫০০ জনের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ এম


ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানাল ৫০০ জনের মানববন্ধন

ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মানববন্ধন করেছেন পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ। তারা একইসাথে খনি বাস্তবায়নের পূর্বে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার পার্বতীপুর উপজেলার ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম চার রাস্তার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ‘ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচিতে বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. জাকারিয়া নয়ন। তিনি বলেন, "ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরু করতে হবে। তবে খনি বাস্তবায়নের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।"

জাকারিয়া নয়ন আরও বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম এলাকায় ফুলবাড়ী কয়লাখনির মুখ রয়েছে। সেখান থেকে কয়লা উত্তোলনের দাবি জানান তিনি। তার মতে, দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ফুলবাড়ীর কয়লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই দ্রুত খনি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

মানববন্ধনে ফুলবাড়ী ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাস্তবায়নের পক্ষে আরো বক্তব্য দেন মো. আব্দুল কাদের, মো. আব্দুল আজিজ, মো. বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%