বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৪০ পি.এম
বর্তমান সরকার যে বৃক্ষরোপণ ও খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, তা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস, পরিবেশ মেলা, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সব সৃষ্টি থেকে উপকার ভোগ করতে হলে, মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্যই কিছু দায়িত্ব এবং কর্তব্য রয়েছে। যথানিয়মে সব সৃষ্টির যত্ন এবং পরিচর্যা করা মানব সমাজের দায়িত্ব। বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে এটি প্রমাণিত সত্য যে, বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেমের সঙ্গে মানব সমাজের সম্পর্ক গভীর এবং অবিচ্ছেদ্য। বাস্তুতন্ত্রের নিরাপদ লালন এবং বিকাশের সঙ্গে মানব সমাজের নিরাপদ বেড়ে ওঠা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুতরাং, আজকের এই পরিবেশ মেলা কিংবা বৃক্ষমেলার আয়োজন, এটি কিন্তু বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য একটি নিরাপদ বিনিয়োগ বলেই আমি মনে করি।
তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বেশি কিছু বলার নেই। বৃক্ষরোপণ কিংবা সবুজায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি অবগত। আপনাদের এবং আমার আগামী প্রজন্মের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি। একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে, আসুন আমরা একটি করে গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে প্রতিটি প্রাণের জন্মকে উদযাপন করি, স্মরণীয় করে রাখি। একজন নবজাতকের পাশাপাশি একটি গাছও বেড়ে উঠুক। এভাবেই এগিয়ে যাক সবুজায়নের জন্য সামাজিক আন্দোলন।
তারেক রহমান বলেন, সবুজায়নের সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারিভাবেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালু করার পদক্ষেপ নিয়েছে। এছাড়াও, ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ চালু এবং এনভায়রনমেন্ট স্টার্ট-আপ ফান্ডসহ বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমান সরকার পাঁচ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সবুজ বাংলাদেশ গঠন অসম্ভব নয়। তবে, ইচ্ছেমতো গাছ রোপণ করলেই উদ্দেশ্য সাধিত হবে না। বরং কোন পরিবেশে, কোন প্রকারের মাটিতে, কি ধরনের আবহাওয়ায়, কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা দরকার, এগুলো-পরীক্ষা নিরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যেমন ইউক্যালিপটাস কিংবা আকাশমণি প্রজাতির গাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে, কিন্তু এ ধরনের গাছ আমাদের পরিবেশের জন্য কতটা উপযোগী তা অবশ্যই গবেষণার দাবি রাখে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রজাতির গাছ যেমন ওষুধি, অর্কিড, বাঁশজাতীয়, বনজ, ফলদ, অর্থকরী এবং বিপন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণ অবশ্যই জরুরি, তবে রোপিত গাছ নিরাপদে বেড়ে উঠছে কিনা কিংবা বেড়ে উঠতে পারছে কিনা, সেটি নিশ্চিত করা তার চেয়েও বেশি জরুরি। আর যুগ যুগ ধরে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের অংশ হয়ে যাওয়া, বিদ্যমান গাছগুলোকে কেটে না ফেলে, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আমি আশা করি, বনবিভাগ সেটি নিশ্চিত করবে। সরকার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ম্যানগ্রোভ ধ্বংস এবং বন্যপ্রাণী নিধনের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত-এটি এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কার বিষয় নয়। বরং এটিই এখন আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ কিংবা দাবদাহ, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, আমাদের কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি সর্বোপরি জন জীবনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। এই বাস্তবতায় বর্তমান সরকার পরিবেশকে কোনো আলাদা খাত হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে, এমন একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন, জলবায়ু-সহনশীল টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণ পাশাপাশি এগিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি বর্তমান সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন ও পুনঃখননের যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে, সেটি শুধুমাত্র কৃষকদের জন্য বছর জুড়ে কৃষি সেচ সুবিধাই নিশ্চিত করবে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে, পরিবেশের উন্নয়ন শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ কিংবা খাল খননের ওপরই নির্ভর করে না। রাজধানীসহ বিশেষ করে সারাদেশের সব নগর বন্দর এবং শহরতলির বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও আমূল পরিবর্তন আনার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে। একইসঙ্গে জৈব সার উৎপাদন, পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং রিডিউস-রিইউজ-রিসাইকেল এই থ্রিআরএস নীতিকে সরকার জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে আনতে হলে এটি শুধুমাত্র নগর প্রশাসন কিংবা পুলিশ দিয়ে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন ছোট বড় প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ। প্রতিটি নাগরিকের প্রতি উদাত্ত আহ্বান, অনুগ্রহ করে যেখানে সেখানে বর্জ্য কিংবা উচ্ছিষ্ঠ ফেলবেন না। ঘরে কিংবা বাইরে সবসময় সব বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। নিজে সুস্থ থাকুন-নিজের পরিবারের জন্যও পরিবেশ সুন্দর রাখুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্ত্রীর মৃত্যুর পর নিজ মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শহীদুল ইসলাম দেওয়ান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে।
বুধবার (৯ জুলাই) রাতে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের পাঁচক গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে মায়ের মৃত্যুর পর থেকে ঘরে একা থাকার সুযোগে বাবা বিভিন্ন সময়ে মেয়েটিকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করতেন। দীর্ঘদিন বিষয়টি কাউকে না বললেও, কিছুদিন আগে কৌশলে মেয়েটি বাবার এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের কয়েকটি ভিডিও ধারণ করেন। পরে ঘটনাটি স্থানীয়দের জানালে তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
নড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৯ জুলাই, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা ৪ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে পুনরায় শুরু হয়েছে।
অধিবেশন শুরু হয় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরের ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে মিতালী খাতুন নামে এক অভিভাবক।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ফার্মপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মিতালী খাতুন হলেন ওই পাড়ার সামসউর রহমান শুভর স্ত্রী।
জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি সমাবেশ চলাকালে প্রধান শিক্ষিকা কাবেরী করিম কানে হাত দেওয়ার কারণে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্যকে শাসন করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর দুপুরে ওই ছাত্রীর অভিভাবক সামসউর রহমান শুভ ও তার স্ত্রী মিতালী খাতুন বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষিকার কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় প্রধান শিক্ষিকার শাসনের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রীর বাবা শুভ প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর করেন। ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে রাতে প্রধান শিক্ষিকা থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মামলার দ্বিতীয় আসামি মিতালী খাতুনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে, তার স্বামী শুভ পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট হামেদিয়া কামিল এমএ মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কার্যালয়ে রাজনৈতিক যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ৭ নং হাজিরহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা আক্তার হোসেন মিলন মিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের উপস্থিতি তার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লক্ষ্মীপুর জেলা সেক্রেটারির এআর হাফিজ উল্লাহ, মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জায়েদ হোসাইন আল ফারুকী, মাতাব্বর দারুস সুন্নাত আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোসাইন, হামেদিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হুমায়ুন কবিরসহ জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে নবাগত সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যালয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের দাবি, সরকারি বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো দলীয় কার্যক্রমে ব্যবহার করা বিধিবহির্ভূত এবং শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
স্থানীয় আইনজ্ঞরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
কমলনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবুল খায়ের এই যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক ইসলামী দল। কেউ যদি এই সংগঠনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে আসতে চায়, জামায়াতে ইসলামী তাকে অবশ্যই স্বাগত জানাবে।”
তবে এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে, স্থানীয় এক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতার দল পরিবর্তন এবং অনুষ্ঠানস্থল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কমলনগরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ