বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৪১ পি.এম
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্ত্রীর মৃত্যুর পর নিজ মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শহীদুল ইসলাম দেওয়ান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে।
বুধবার (৯ জুলাই) রাতে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের পাঁচক গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে মায়ের মৃত্যুর পর থেকে ঘরে একা থাকার সুযোগে বাবা বিভিন্ন সময়ে মেয়েটিকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করতেন। দীর্ঘদিন বিষয়টি কাউকে না বললেও, কিছুদিন আগে কৌশলে মেয়েটি বাবার এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের কয়েকটি ভিডিও ধারণ করেন। পরে ঘটনাটি স্থানীয়দের জানালে তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
নড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৯ জুলাই, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা ৪ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে পুনরায় শুরু হয়েছে।
অধিবেশন শুরু হয় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরের ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে মিতালী খাতুন নামে এক অভিভাবক।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ফার্মপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মিতালী খাতুন হলেন ওই পাড়ার সামসউর রহমান শুভর স্ত্রী।
জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি সমাবেশ চলাকালে প্রধান শিক্ষিকা কাবেরী করিম কানে হাত দেওয়ার কারণে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্যকে শাসন করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর দুপুরে ওই ছাত্রীর অভিভাবক সামসউর রহমান শুভ ও তার স্ত্রী মিতালী খাতুন বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষিকার কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় প্রধান শিক্ষিকার শাসনের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রীর বাবা শুভ প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর করেন। ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে রাতে প্রধান শিক্ষিকা থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মামলার দ্বিতীয় আসামি মিতালী খাতুনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে, তার স্বামী শুভ পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট হামেদিয়া কামিল এমএ মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কার্যালয়ে রাজনৈতিক যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ৭ নং হাজিরহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা আক্তার হোসেন মিলন মিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের উপস্থিতি তার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লক্ষ্মীপুর জেলা সেক্রেটারির এআর হাফিজ উল্লাহ, মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জায়েদ হোসাইন আল ফারুকী, মাতাব্বর দারুস সুন্নাত আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোসাইন, হামেদিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হুমায়ুন কবিরসহ জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে নবাগত সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যালয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের দাবি, সরকারি বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো দলীয় কার্যক্রমে ব্যবহার করা বিধিবহির্ভূত এবং শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
স্থানীয় আইনজ্ঞরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
কমলনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবুল খায়ের এই যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক ইসলামী দল। কেউ যদি এই সংগঠনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে আসতে চায়, জামায়াতে ইসলামী তাকে অবশ্যই স্বাগত জানাবে।”
তবে এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে, স্থানীয় এক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতার দল পরিবর্তন এবং অনুষ্ঠানস্থল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কমলনগরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে যৌতুকের কারণে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় স্বামী আনোয়ার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানার শাস্তি প্রদান করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় প্রদান করেন। আসামি আনোয়ার হোসেন এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানিয়েছেন, ২০১২ সালের ১১ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ি লম্বা পাড়া গ্রামে স্বামী আনোয়ার হোসেনের বাড়ি থেকে স্ত্রীর মরদেহ, ইসমতারা বেগম, উদ্ধার করা হয়। যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময়ে ইসমতারা বেগমকে নির্যাতন করা হতো। যৌতুকের জন্যই তিনি স্বামী আনোয়ার হোসেনের দ্বারা হত্যার শিকার হন। নিহতের ভাই মজনু মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর পর মামলায় ৬ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর ১৩ বছর ৭ মাস পর এই রায় ঘোষণা করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ