বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:২০ এম
কারিতাস বাংলাদেশ, ময়মনসিংহ অঞ্চল, মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়িত্বশীল আর্থসামাজিক ক্ষমতায়ন-সীডস (ঝঊঊউঝ) প্রকল্পের উদ্যোগে বন্যহাতি প্রতিরোধে টাস্ক ফোর্স কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
মঙ্গলবার (৭ই জুলাই) শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সমশ্চূড়া ক্যাথলিক প্রাথমিক বিদ্যালয় হল রুমে দিনব্যাপি এই প্রশিক্ষণে বিট কর্মকর্তা মো. কাউছার হোসেন, সমশ্চূড়া বিট, কারিতাস উপজেলা কো অর্ডিনেটর হিলারিউশ রিছিলসহ টাস্ক ফোর্স কমিটির ২২ জন সদস্য অংশগ্রহণ করে।
তাস সীডস ও স্ট্রমী ফাউন্ডেশন সম্পর্কে ধারণা প্রদানসহ টাস্ক ফোর্স কমিটির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রগতি, বন্যহাতি প্রতিরোধে বন আইন সম্পর্কে ধারণা, ঊজঞকমিটিতে টাস্কফোর্স সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিকরণ ও বন্যহাতি প্রতিরোধের টাস্কফোর্স কমিটির করণীয় এবং বনবিভাগের সাথে অ্যাডভোকেসি বিষয়ে প্রশিক্ষনার্থীদের সাথে আলোচনা করা হয়।
প্রশিক্ষণের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করে কারিতাস ময়মনসিংহ অঞ্চল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুর ডায়াবেটিস জেনারেল হাসপাতালে চরম অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও রোগীদের হয়রানী বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনটি জামালপুর ডায়াবেটিস জেনারেল হাসপাতালের সেবা গ্রহনকারী রোগীর পাশাপাশি স্থানীয় এলাকাবাসী দ্বারা আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে জামালপুর পৌরশহরের ফৌজদারী মোড় এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন চলেছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে দেখা যায়, বাংলাদেশ কংগ্রেস জামালপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু সায়েম মোহাম্মদ সাদাত উল করীম, ডায়াবেটিস হাসপাতালে সেবা গ্রহীতা মো. কামাল হোসেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলতাফ হোসেন, ও মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ ব্যক্তিদের। বক্তারা তারা বলেন, গত ২০ বছর ধরে জামালপুর ডায়াবেটিস জেনারেল হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিস্ত আওয়ামী লীগের দোসর সৈয়দ তরিকুল ইসলাম একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন। বিগত সময়ে সৈয়দ তরিকুল ইসলাম তার সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে বিপুল অর্থের মালিক হয়ে গেছেন।
বর্তমান বিএনপি সরকারের সময়ে দুর্নীতিবাজ সৈয়দ তরিকুল ইসলামের হাতে হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ থাকার ফলে অনিয়ম যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে দুর্নীতিবাজ তরিকুলের অপসারণ দাবি করেছেন। এছাড়া তারা অন্যথায় তার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য হুঁশিয়ারী দিয়েছেন। মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেছেন, সুবিধাবাদী ও সুচতুর এই ব্যক্তি যেন বিএনপির আশ্রয় প্রশ্রয় না পায়, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য বিএনপির নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)-এর পৃথক অভিযান চালানোর ফলে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী ও ৪৭ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ৭ জুলাই) ভোর রাতে ৩৯ বিজিবির কর্ণজোড়া বিওপির টহল দল বৈষ্টমপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। তারা মালিকবিহীন একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ ৪৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে। এই অভিযানটি পরিচালনা করেন টহল কমান্ডার নায়েক বিশ্বরঞ্জন সূত্রধর। জানা গেছে, নায়েক নাজমুল হোসেনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
একই দিন সকালে, কর্ণজোড়া বিওপির হাবিলদার মনির হোসেনের নেতৃত্বে আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়। সেই অভিযানে বৈষ্টমপাড়া পাহাড়ি এলাকা থেকে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী ও কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
কর্ণজোড়া বিওপি সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া কসমেটিকস সামগ্রীর সিজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৫২ হাজার ৮৭০ টাকা। একই সঙ্গে ৪৭ বোতল মদ ও জব্দকৃত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সিজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা। কর্ণজোড়া বিওপির ইনচার্জ হাবিলদার মনির হোসেন উদ্ধার অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর উদ্ধারকৃত মদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে এবং কসমেটিকস সামগ্রী বিজিবির ময়মনসিংহ সেক্টর সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, 'সার্বভৌম গ্যারান্টি' থাকার কারণে বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিগুলো চাইলেই বাতিল করা সম্ভব নয়।
তিনি বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য প্রদান করেন। মারদিয়া মমতাজের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বটি অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বললেন, “যেসব বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিকে বিদ্যুৎকেন্দ্র অতীতে দেওয়া হয়েছিল, তাদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে সার্বভৌম গ্যারান্টি আছে। এটা রাষ্ট্রের গ্যারান্টি। এই গ্যারান্টি বাতিল করতে অনেক সময় লাগে।”
তিনি বলেন, চুক্তিগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে বিলম্বিত অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রের অতিরিক্ত ফি কমানোর বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। ফলপ্রসূ সমাধানে পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মন্ত্রী আরও জানান, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে সচল রাখতে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। তাই বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম কমানোর ও জনগণকে সহনীয় মূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের জিজ্ঞাসার জবাবে জ্বালানি মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে দৈনিক প্রায় ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে বর্তমানে প্রায় ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে।
গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির কারণে ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানগুলোতে চাহিদার তুলনায় কম গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রছুলের প্রশ্নের উত্তরে বিদ্যুৎমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিদ্যুতের সঞ্চালন লস ছিল ৩ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং বিতরণ লস ছিল ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত সঞ্চালন লস দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং বিতরণ লস ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।
রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। তবে বর্তমান দাম এখনও ব্রেক-ইভেন পর্যায়ের ওপরে থাকায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোল বিক্রিতে প্রতিদিন প্রায় ৭৮ কোটি টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে।
তিনি জানান, গত মার্চ থেকে জুনের ২৩ তারিখ পর্যন্ত বিপিসির মোট লোকসান হয়েছে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও কমে যায় তাহলে দেশের বাজারেও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের প্রশ্নের উত্তরে বিদ্যুৎমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে কোনো কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু নেই এবং তাদের সঙ্গে কোনো চুক্তি কার্যকর নেই।
তিনি বলেন, দুটি রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে। কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু না থাকায় কোনো ক্যাপাসিটি চার্জ প্রদান করা হচ্ছে না।
এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
তিনি জানান, ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন যুগোপযোগী করে প্রেস কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার জন্য সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রস্তাবিত সংশোধনীতে সাংবাদিকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ, বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানা এবং গুজব, ভুয়া খবর ও ঘৃণামূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোক্তার আলীর প্রশ্নের উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে মোট ৩ হাজার ৩৩৮টি নিবন্ধিত পত্রিকা রয়েছে।
সংবাদ বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এর মধ্যে দৈনিক পত্রিকা ১ হাজার ৪৩৬টি, সাপ্তাহিক ১ হাজার ২৩১টি, মাসিক ৪৫২টি, পাক্ষিক ২১৫টি এবং অর্ধ-সাপ্তাহিক, দ্বিমাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক ও বার্ষিক পত্রিকা ৫৪টি।
সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের উত্তরে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৮৪টি শিল্পনগরী বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এসব শিল্পনগরীতে মোট ১৩ হাজার ৩৬৪টি শিল্পপ্লট রয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৬৮৭টি প্লটে ৬ হাজার ৩৫৮টি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ও যুদ্ধবিরতি শেষের ঘোষণায় পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ছে।
ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্বজ্ঞানহীন কথাবার্তা গোটা পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ‘আগুন ধরানোর ঝুঁকি’ তৈরি করছে।
ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতাবা খামেনির উর্ধ্বতন উপেদেষ্টা আলি আকবর বেলায়েতি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, “এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দুঃসাহসিক অভিযানের তাৎক্ষণিক পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিক শান্তিচুক্তি বাতিল নিয়ে ট্রাম্প যে নতুন উস্কানিমূলক মৌখিক ঘোষণা দিয়েছেন, তা এ অঞ্চলকে আগুন জ্বলে ওঠার দিকে ঠেলে দিয়েছে।”
বেলায়েতি জানান, পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ইরানের প্রতিরোধের অক্ষ (ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন গোষ্ঠী ও মিত্রদের নেটওয়ার্ক) ‘ট্রিগারে আঙুল দিয়ে রেখেছে।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার অর্ন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তি ‘শেষ হয়ে গেছে’ বলে এর আগে মৌখিক ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তুরস্কের আঙ্কারায় নেটো সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সাফ জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে যাওয়াটা কেবল সময়ের অপচয় এবং তিনি আর তাদের সাথে কোনও চুক্তি চান না।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "আমার কাছে মনে হয়, এই যুদ্ধবিরতি শেষ।" তিনি সরাসরি ইরানের নেতাদের “অসুস্থ, সহিংস ও পাগলও” আখ্যা দেন।
ট্রাম্পের এসব মন্তব্যের জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বলেছে, “আমরা ইতরামির জবাব ইতরামি দিয়ে দেইনা, বরং নির্ভয়ে এবং বাহাদুরির সঙ্গে কাজ করে দেখানোর মাধ্যমে দেই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ