আজমিরীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) জলসুকা থেকে মোঃ ফারুক
১২:৩৮ এম
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় নির্মাণাধীন আজমিরীগঞ্জ-শাল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে তিনটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত এবং দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নের জলসুখা ব্রিজ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের চন্দন দাসের ছেলে অন্তর দাস (২৫), বানিয়াচং উপজেলার আমিরখানী মহল্লার ফুল মিয়ার ছেলে তানভীর মিয়া (১৮) এবং একই এলাকার নুরুল লস্করের ছেলে আবিদুল লস্কর (৩০)।
আহতরা হলেন—চুনারুঘাট উপজেলার শেখেরগাঁও গ্রামের আব্দুস শহিদের ছেলে সাহিদুল ইসলাম বাচ্চু (৩৫) এবং একই উপজেলার গোছাপাড়া গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে মো. মিজান মিয়া (২৭)। তারা দুজনই ব্যুরো বাংলাদেশ নামে একটি এনজিওতে কর্মরত বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় জলসুখা ব্রিজ এলাকায় দ্রুতগতির তিনটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই তানভীর মিয়া নিহত হন। পরে গুরুতর আহত চারজনকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অন্তর দাস ও আবিদুল লস্করকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর দুই আহত সাহিদুল ইসলাম বাচ্চু ও মো. মিজান মিয়ার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকবর হোসেন জানান, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে লবণের কারখানায় আগুন লাগার একটি ঘটনা ঘটেছে। এতে দগ্ধ হয়েছে মোট ১০ জন এবং হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা গেছেন। তারা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডের কারখানায় আগুন লেগেছিল।
অন্যদিকে, আইসিইউতে থাকা বাকি তিনজনের অবস্থাও ‘আশঙ্কাজনক’ বলে জানিয়েছে হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন।
নিহতদের মধ্যে ৩২ বছরের দিদারুল আলম বোয়ালখালী উপজেলার পৌর সদরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রুহুল আমিনের ছেলে। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। আরেকজন ৪৫ বছর বয়সি মোহাম্মদ নুরুল আলমের বাড়ি পটিয়া উপজেলার হুলাইন গ্রামে। তার শরীরে ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
১০ জন দগ্ধের মধ্যে পাঁচজন কারখানাটির শ্রমিক এবং অপর পাঁচজন ঠিকদারের নিয়োগ করা শ্রমিক হিসেবে সেখানে মেরামত কাজ করছিলেন। ওই ঘটনার পর বিকালে পাঁচজনকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়, যার মধ্যে দুজন মারা যান।
দগ্ধ বাকি পাঁচজনের মধ্যে তিনজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন, অন্য দুজন প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছেন।
কারখানাটিতে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে পুলিশ বলছে, ওই কারখানার বড় জেনারেটরসহ বেশ কিছু যন্ত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেগুলো ঠিক করতে পাঁচটি ওয়েল্ডিং মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল। তখন শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগে দুটি এসি বিস্ফোরণ ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস বলছে, আগুন লাগার বিষয়টি তাদের কাছে ‘গোপন করা হয়েছে’। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা কিছুই পায়নি। আগেই আগুন নিভিয়ে ফেলা হয় এবং দগ্ধদের সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালখালী থানার ওসি মোজাফফর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন করে এবং কারখানার কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে তিনি বুঝতে পেরেছেন, তাদের বড় জেনারেটরটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেটির পাশাপাশি কয়েকটি মেশিনও নষ্ট ছিল।
সেগুলো মেরামত জন্য পাঁচটি ওয়েল্ডিং মেশিন আনা হয়েছিল। ওয়েল্ডিং মেশিন প্রচুর বিদ্যুৎ টানে, যার ফলে ভোল্টেজ আপ-ডাউনের একটি পর্যায়ে সেখানে আগুন লেগে যায়। এতে থাকা দুটি এসি বিস্ফোরণ ঘটায়, কারণ এসি মানে গ্যাস বোমা। ফলে সেখানে উপস্থিত যারা ছিলেন তারা মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে যান।
ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “আগুন লাগার বিষয়টা আমাদের কেউ কিছু জানায়নি। এটি হাইড করা হয়েছে। আমাদের টিম সেখানে গিয়েও কিছু পায়নি। পরে আমরা শুনলাম, দগ্ধ হয়ে ১০ জন মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম ফাইল ছবির মাধ্যমে পরিচিত।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে একটি বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে।
মন্ত্রী বলেন, জনগণের কল্যাণে সরকারের নানা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আজ মানিকগঞ্জে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিশেষ করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতকে আধুনিক, দক্ষ এবং জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রী জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য হয়রানিমুক্ত ও মানসম্মত বিমানসেবা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলমান রয়েছে।
রথযাত্রা উপলক্ষ্যে উপস্থিত সনাতনী ভক্তবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আস্থার কারণেই আজ আমি আজকের অবস্থানে এসেছি। আমি হিন্দু-মুসলিম সকলের জন্য উন্নত ও নিরাপদ মানিকগঞ্জ প্রতিষ্ঠায় আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করুন, আমি যাতে আপনাদের সকলের স্বপ্ন পূরণে সফল হতে পারি।’
অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত পাঁচ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ, ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকাদান এবং ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বিতরণ করা হবে, জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
আজ রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে পাঁচ জেলায় মৎস্য খাতে ২০০ কোটিরও বেশি এবং প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, বন্যায় ব্যাপক বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকদের পুনর্বাসনে ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ প্রয়োজন হবে। সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বীজ মজুত রয়েছে।
যেসব কৃষকের জমি বীজ বপনের উপযোগী হয়েছে, তাদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে বীজ সরবরাহ করা হবে এবং যাদের জমি এখনও প্রস্তুত হয়নি, তাদের জন্য সরকারী খালি জমিতে জরুরি ভিত্তিতে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেখান থেকে ধানের চারা সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা মন্ত্রী অগ্রাধিকার দিয়ে বলেন, বন্যার পর খুরা রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলায় ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকা দেওয়া হবে। আগামীকাল থেকেই এ কার্যক্রম শুরু হবে এবং ১৫ দিনের মধ্যে তা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যার কারণে খড় ও অন্যান্য পশুখাদ্য নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে এসব গোখাদ্য বিতরণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্ত্রী জানান, সরকার ইউনিয়নভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করেছে। যেখানে ক্ষতির পরিমাণ বেশি, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। কোনো ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি বা খামারি যাতে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় সামরিক অভিযানের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন। তিনি নতুনভাবে বিমান হামলা এবং হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছেন।
মঙ্গলবার রাতে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে ট্রাম্প একটি জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল এবং ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স পাহাড়’-এ বোমা হামলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র আরও দুই দফা বিমান হামলা চালিয়েছে। এদিন বেশ কয়েকটি জাহাজকে ইরানের উপকূলে চলাচল করতে নিষেধ করা হয়। এর মধ্যে খার্গ দ্বীপের দিকে যাত্রা করা একটি জাহাজকে সতর্ক করার পরও ফিরে না যাওয়ায় সেটিতে ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে মার্কিন বাহিনী। যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার পর টানা পঞ্চম দিনের মতো এই হামলা চালানো হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চান। কিন্তু তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়তে রাজি না হওয়ায় আলোচনা থমকে আছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তি ব্যবহারসহ চাপ সৃষ্টি করছে।
সামরিক চাপের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে ‘পিকঅ্যাক্স পাহাড়’। এই পাহাড়ের ভেতরে গ্রানাইট পাথরের ৩০০ থেকে ৪৭৫ ফুট গভীর সুড়ঙ্গ রয়েছে। সেখানে বাঙ্কার-বিধ্বংসী বোমা দিয়েও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো কঠিন। তবে ট্রাম্প বলেছেন, তাদের বোমা অনেক গভীরে পৌঁছাতেও সক্ষম।
অন্যদিকে, খার্গ দ্বীপ বা হরমুজ প্রণালির অন্য দ্বীপগুলো দখল করা হলে ইরানের তেল রপ্তানি বড় ধাক্কা খাবে। এটি ভবিষ্যতের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখবে। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপে মার্কিন সেনারা সরাসরি বিপদে পড়বেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ