ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১


কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে রবিবার (১৯ জুলাই) ভোরে রাশিয়া তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এতে একজন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

হামলার ফলে শহরের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের বক্তব্যে এই আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভোরে আকস্মিক হামলার সময় কিয়েভজুড়ে শক্তিশালী ও ধারাবাহিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর ঠিক আগেই ইউক্রেনের বিমানবাহিনী শহরবাসীকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় সতর্ক করে দেয়। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে জানান, রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি ছাত্রাবাস, একটি আবাসিক ভবন এবং একটি সুপারমার্কেটে আগুন লেগে যায়।

আরও পড়ুন: জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না

এছাড়াও হামলায় বেশ কয়েকটি অনাবাসিক ভবন ও বাণিজ্যিক গুদাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কিয়েভের কয়েকটি জেলায় পার্ক করে রাখা গাড়ি এবং অফিস ভবনেও আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিস এবং উদ্ধারকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

কিয়েভের মূল শহরের সঙ্গে সঙ্গে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সামরিক প্রশাসন জানাচ্ছে, কিয়েভ অঞ্চলের হামলায় আরো দুজন আহত হয়েছেন এবং সেখানকার বেশ কিছু মালামালের গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫,১১৯ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫,১১৯ জন

গত মাসের গতিতে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুইটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ১১৯ জনে পৌঁছেছে। শনিবার সরকারের প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, গত শুক্রবারের তুলনায় মৃতের সংখ্যা ৫০ জন বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে।

২৪ জুনে সংঘটিত ওই ভূমিকম্পের ২৪ দিন পরে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে জানানো হয়েছে, পরপর দুটি ভূমিকম্পে রাজধানী কারাকাস-সংলগ্ন উপকূলীয় অঙ্গরাজ্য লা গুয়াইরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। এছাড়া, ভেনেজুয়েলার জাতীয় সংসদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে জানান, ভূমিকম্পের কারণে ১৬ হাজার ৭৪০ জন আহত হয়েছে।

লা গুয়াইরায় ধসে পড়া কয়েক ডজন ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে এখনও মরদেহ উদ্ধারের অভিযান চালানো হচ্ছে। ভূমিকম্পের ফলে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। অনেকেই অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে।

তবে, এখনও কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, সে সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য ভেনেজুয়েলা সরকার প্রকাশ করেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পক্ষে নেতানিয়াহু, মেসিদের জানিয়েছেন শুভ কামনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ এম


বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পক্ষে নেতানিয়াহু, মেসিদের জানিয়েছেন শুভ কামনা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ফাইনালের আগে, আবারও নিজের সমর্থন আর্জেন্টিনার প্রতি জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি উল্লেখ করেছেন, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইকে ‘সত্যিকারের বন্ধু’ বলেই চিহ্নিত করেন এবং দলের প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ জুলাই) ইসরাইলে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত রাব্বি শিমন অ্যাক্সেল ওয়াজনিসের সঙ্গে বৈঠকের সময় নেতানিয়াহু এ বার্তা প্রদান করেন।

রাষ্ট্রদূতকে উদ্দেশ্য করে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হাভিয়ের, তুমি একজন সত্যিকারের বন্ধু। আমরা তোমাকে এবং আর্জেন্টিনাকে নানা দিক থেকে সমর্থন করি এবং আগামীকালের ম্যাচেও আমাদের সমর্থন থাকবে। শুভ কামনা।’

রাষ্ট্রদূত ওয়াজনিস প্রেসিডেন্ট মিলেইর শুভেচ্ছা বার্তা নেতানিয়াহুর কাছে পৌঁছে দেন। মিলেইর উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্রদূত বললেন, ‘আপনি আমার বন্ধু এবং সব সময় আমাদের সমর্থন করেন। জেনে ভালো লাগল যে আপনি আমার কারণেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করছেন।’

এটি প্রথমবার নয়, এর আগেও বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি কমেডিয়ান বেন বেন বারুচের সঞ্চালনায় ‘দ্য মোজো পডকাস্টে’ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি চান আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ শিরোপা জিতুক।

সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে সঞ্চালক জানতে চান, আর্জেন্টিনাকে সমর্থনের কারণ কি লিওনেল মেসি? জবাবে নেতানিয়াহু তাৎক্ষণিকভাবে বলেন, ‘না, মেসির কারণে নন, বরং দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। তিনি একজন সুপারস্টার।’

বাংলাদেশ সময় রোববার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্কের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়াই বছরে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রে মারা গেছেন ১৪০ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


আড়াই বছরে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রে মারা গেছেন ১৪০ জন

মালয়েশিয়ায় ২০২৪ সালে কঠোর অভিবাসন অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটির অভিবাসন আটককেন্দ্রে (ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার) অন্তত ১৪০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

আটককেন্দ্রগুলোর অতিরিক্ত ভিড়, চিকিৎসা সংক্রান্ত অবহেলা এবং অমানবিক পরিবেশকে এই সমস্ত মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ফোর্টিফাই রাইটস অবিলম্বে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

ফোর্টিফাই রাইটস জানায়, পার্লামেন্টে উপস্থাপিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির অভিবাসন আটককেন্দ্রে মোট ৪৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯৩ জন পুরুষ, ৬০ জন নারী এবং ১২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে সম্মিলিতভাবে ১০৯ জন আটক অবস্থায় মারা যান। এছাড়াও, গত ১৪ জুলাই পার্লামেন্টে অন্য একটি তথ্যে জানানো হয়, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত আরও ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ, ২০২৪ সালে অভিযান শুরুর পর থেকে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪০ জনে।

ফোর্টিফাই রাইটসের মতে, ২০২৪ সালে সরকার ব্যাপক অভিবাসন অভিযান শুরু করার পর অনথিভুক্ত অভিবাসী ও শরণার্থীদের গ্রেফতার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ২০২৫ সালে গ্রেফতারের সংখ্যা এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

বর্তমানে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে ২২ হাজার ৪৫ জন আটক রয়েছেন, যেখানে সরকারের ঘোষিত ধারণক্ষমতা ২১ হাজার ৫৩০ জন। ফলে কেন্দ্রগুলো অতিরিক্ত ভিড়ে মানবিক সংকটে পড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আটককেন্দ্রে মৃত্যুর কারণ হিসেবে সেপসিস, লেপ্টোস্পাইরোসিস ও মেনিনজাইটিসের মতো রোগের কথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে।

ফোর্টিফাই রাইটসের ভাষ্য, এসব রোগ অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, দূষিত পানি, অস্বাস্থ্যকর স্যানিটেশন, অতিরিক্ত ভিড় এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে সৃষ্টি হতে পারে অথবা আরও গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। যথাযথ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গেলে এসব মৃত্যুর অনেকগুলোই প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল।

২০২৫ সাল থেকে ফোর্টিফাই রাইটস মালয়েশিয়ার বিভিন্ন অভিবাসন আটককেন্দ্র থেকে মুক্তি পাওয়া কয়েক ডজন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তাদের অভিযোগ, অসুস্থ হলেও অনেক সময় চিকিৎসা দেওয়া হতো না। চিকিৎসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো, এমনকি চিকিৎসা চাইলে শাস্তির মুখেও পড়তে হয়েছে।

বাংলাদেশি এক সাবেক আটক ব্যক্তি, যার ছদ্মনাম হোসেন বলে পরিচিত, জানান, অসুস্থতার কথা জানালে অনেককে মারধর করা হতো। ফলে অধিকাংশ বন্দি অসুস্থ হলেও তা জানাতে ভয় পেতেন। অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুপথযাত্রী না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে নেওয়া হতো না।

আরেক রোহিঙ্গা শরণার্থী জানিয়েছেন, জ্বর, পেটব্যথা কিংবা মাথাব্যথা— অভিযোগ থাকার পরও প্রায় সব ক্ষেত্রেই শুধু একটি প্যারাসিটামল ট্যাবলেট দেওয়া হতো।

মিয়ানমারের এক শরণার্থী জানান, দাঁতের তীব্র ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলেও দাঁত পরীক্ষা না করে কেবল প্যারাসিটামল দিয়ে তাকে ফেরত পাঠানো হয়।

মিয়ানমারের আরেক সাবেক আটক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি আটক অবস্থায় একজন থাই ও একজন ইন্দোনেশীয় বন্দির মৃত্যুও দেখেছেন।

তার ভাষ্য, এক থাই বন্দি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রথমে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। পরে অন্য বন্দিদের চাপের মুখে তাকে একটি প্যারাসিটামল দিয়ে কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন জানা যায়, তিনি মারা গেছেন।

ফোর্টিফাই রাইটস বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী আটক প্রত্যেক ব্যক্তির পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো বৈষম্য ছাড়া সময়মতো চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে, জাতিসংঘের 'নেলসন ম্যান্ডেলা রুলস' অনুযায়ী বন্দিদের সাধারণ নাগরিকদের সমমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং এ সেবা বিনামূল্যে দিতে হবে।

ফোর্টিফাই রাইটসের জ্যেষ্ঠ পরিচালক পিটার বাউকার্ট বলেন, অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোর ভয়াবহ পরিবেশ অপ্রয়োজনীয় মৃত্যুর জন্য দায়ী। নিজেদের হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের মানবিকভাবে রাখা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া মালয়েশিয়ার আইনি দায়িত্ব।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো মৃত্যু না ঘটে, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং অতীতের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ুর জন্য বড় বিপদ ফুটবল বিশ্বকাপ: গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


জলবায়ুর জন্য বড় বিপদ ফুটবল বিশ্বকাপ: গবেষণা

বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো জমকালো ‘মেগা ইভেন্ট’ এখন বৈশ্বিক জলবায়ুর জন্য অন্যতম বড় বিপদ হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্টেডিয়ামের ব্যবস্থাপনা বা আলোর ঝলকানির চেয়ে এই টুর্নামেন্টের সময়ে আসা কোটি কোটি দর্শকের যাতায়াতই মূলত সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণের প্রধান কারণ।

শনিবার (১৮ জুলাই) ইউরো নিউজের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

মেগা ইভেন্টগুলোর এই জলবায়ুগত ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবহারকারী দর্শকদের জন্য টিকিটে বিশেষ ছাড় এবং নানা প্রণোদনা চালুর জন্য জরুরি তাগিদ দিয়েছেন গবেষকেরা।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ৪৮টি দল নিয়ে আয়োজিত ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ থেকে আনুমানিক ৪২ লাখ ৩০ হাজার টন কার্বন নিঃসরণ হবে। এই বিপুল পরিমাণ কার্বন নির্গমন আইসল্যান্ডের মতো এক উন্নত দেশের পুরো এক বছরের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের সমান।

গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বকাপের মোট কার্বন নিঃসরণের প্রায় ৮২ শতাংশই এসেছে দর্শকদের ভেন্যুতে আসা-যাওয়ার পথে। এর মধ্যে শুধু ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ দূরত্বের বিমান ভ্রমণের কারণে প্রায় ৩০ লাখ টন কার্বন বায়ুমণ্ডলে নিঃসৃত হয়েছে।

গবেষণার প্রধান লেখক শন লারকম বলেন, বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টের জলবায়ুগত নেতিবাচক প্রভাব কমাতে শুধু স্টেডিয়ামের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ব্যবহার বা পরিচালনাগত নির্গমন কমানোই যথেষ্ট নয়। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দর্শকদের দূর-দূরান্তের যাতায়াত থেকে সৃষ্ট কার্বন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করা। এই গবেষণায় ফুটবল বিশ্বকাপের পরিবেশগত ধ্বংসের পাশাপাশি ব্রিটিশ রক ব্যান্ড কোল্ডপ্লের ২০২৪ সালের ইউরোপ সফরের উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে তাদের মোট কার্বন নিঃসরণের প্রায় ৯৭ শতাংশই এসেছে দর্শকদের যাতায়াত থেকে।

গবেষকেরা মনে করেন, পরিবেশের ক্ষতি করার পর শুধু ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন বা কার্বন অফসেট প্রকল্পের ওপর নির্ভর করলে তা জলবায়ু সুরক্ষায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে না। বরং ফিফাসহ বড় ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে শুরু থেকেই কার্বন নিঃসরণ সরাসরি কমানোর কার্যকর বাস্তবমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য মেগা ইভেন্টগুলোর জলবায়ুগত হুমকি রোধে তারা বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছেন।

সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—পরিবেশবান্ধব যাতায়াতকারীদের জন্য মূল টিকিটে সরাসরি ছাড়ের ব্যবস্থা করা, দূরপাল্লার রেল ভ্রমণে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া, ভেন্যুতে আসার জন্য গণপরিবহন ও শেয়ার করা যানবাহন ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য এমন সব দেশ বা ভেন্যু যৌথভাবে নির্বাচন করা, যেখানে আন্তর্জাতিক দর্শকদের দীর্ঘ দূরত্বের বিমান ভ্রমণের প্রয়োজন তুলনামূলক কম হবে।

গবেষকদের মতে, বড় ক্রীড়া আয়োজকদের শুধু সুন্দরভাবে খেলা পরিচালনার দায়িত্ব নিলেই চলবে না, ফুটবল বিশ্বকাপের কারণে সৃষ্ট পরোক্ষ কার্বন নিঃসরণের মাধ্যমে জলবায়ুর যে বিপুল ক্ষতি হচ্ছে, তার দায়ও সমানভাবে নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%