ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আড়াই বছরে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রে মারা গেছেন ১৪০ জন


আড়াই বছরে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রে মারা গেছেন ১৪০ জন

মালয়েশিয়ায় ২০২৪ সালে কঠোর অভিবাসন অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটির অভিবাসন আটককেন্দ্রে (ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার) অন্তত ১৪০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

আটককেন্দ্রগুলোর অতিরিক্ত ভিড়, চিকিৎসা সংক্রান্ত অবহেলা এবং অমানবিক পরিবেশকে এই সমস্ত মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ফোর্টিফাই রাইটস অবিলম্বে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলছে, তবে উদ্বেগ রয়ে গেছে

ফোর্টিফাই রাইটস জানায়, পার্লামেন্টে উপস্থাপিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির অভিবাসন আটককেন্দ্রে মোট ৪৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯৩ জন পুরুষ, ৬০ জন নারী এবং ১২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে সম্মিলিতভাবে ১০৯ জন আটক অবস্থায় মারা যান। এছাড়াও, গত ১৪ জুলাই পার্লামেন্টে অন্য একটি তথ্যে জানানো হয়, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত আরও ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ, ২০২৪ সালে অভিযান শুরুর পর থেকে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪০ জনে।

ফোর্টিফাই রাইটসের মতে, ২০২৪ সালে সরকার ব্যাপক অভিবাসন অভিযান শুরু করার পর অনথিভুক্ত অভিবাসী ও শরণার্থীদের গ্রেফতার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ২০২৫ সালে গ্রেফতারের সংখ্যা এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

বর্তমানে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে ২২ হাজার ৪৫ জন আটক রয়েছেন, যেখানে সরকারের ঘোষিত ধারণক্ষমতা ২১ হাজার ৫৩০ জন। ফলে কেন্দ্রগুলো অতিরিক্ত ভিড়ে মানবিক সংকটে পড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আটককেন্দ্রে মৃত্যুর কারণ হিসেবে সেপসিস, লেপ্টোস্পাইরোসিস ও মেনিনজাইটিসের মতো রোগের কথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে।

ফোর্টিফাই রাইটসের ভাষ্য, এসব রোগ অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, দূষিত পানি, অস্বাস্থ্যকর স্যানিটেশন, অতিরিক্ত ভিড় এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে সৃষ্টি হতে পারে অথবা আরও গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। যথাযথ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গেলে এসব মৃত্যুর অনেকগুলোই প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল।

২০২৫ সাল থেকে ফোর্টিফাই রাইটস মালয়েশিয়ার বিভিন্ন অভিবাসন আটককেন্দ্র থেকে মুক্তি পাওয়া কয়েক ডজন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তাদের অভিযোগ, অসুস্থ হলেও অনেক সময় চিকিৎসা দেওয়া হতো না। চিকিৎসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো, এমনকি চিকিৎসা চাইলে শাস্তির মুখেও পড়তে হয়েছে।

বাংলাদেশি এক সাবেক আটক ব্যক্তি, যার ছদ্মনাম হোসেন বলে পরিচিত, জানান, অসুস্থতার কথা জানালে অনেককে মারধর করা হতো। ফলে অধিকাংশ বন্দি অসুস্থ হলেও তা জানাতে ভয় পেতেন। অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুপথযাত্রী না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে নেওয়া হতো না।

আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে

আরেক রোহিঙ্গা শরণার্থী জানিয়েছেন, জ্বর, পেটব্যথা কিংবা মাথাব্যথা— অভিযোগ থাকার পরও প্রায় সব ক্ষেত্রেই শুধু একটি প্যারাসিটামল ট্যাবলেট দেওয়া হতো।

মিয়ানমারের এক শরণার্থী জানান, দাঁতের তীব্র ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলেও দাঁত পরীক্ষা না করে কেবল প্যারাসিটামল দিয়ে তাকে ফেরত পাঠানো হয়।

মিয়ানমারের আরেক সাবেক আটক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি আটক অবস্থায় একজন থাই ও একজন ইন্দোনেশীয় বন্দির মৃত্যুও দেখেছেন।

তার ভাষ্য, এক থাই বন্দি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রথমে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। পরে অন্য বন্দিদের চাপের মুখে তাকে একটি প্যারাসিটামল দিয়ে কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন জানা যায়, তিনি মারা গেছেন।

আরও পড়ুন: গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা

ফোর্টিফাই রাইটস বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী আটক প্রত্যেক ব্যক্তির পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো বৈষম্য ছাড়া সময়মতো চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে, জাতিসংঘের 'নেলসন ম্যান্ডেলা রুলস' অনুযায়ী বন্দিদের সাধারণ নাগরিকদের সমমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং এ সেবা বিনামূল্যে দিতে হবে।

ফোর্টিফাই রাইটসের জ্যেষ্ঠ পরিচালক পিটার বাউকার্ট বলেন, অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোর ভয়াবহ পরিবেশ অপ্রয়োজনীয় মৃত্যুর জন্য দায়ী। নিজেদের হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের মানবিকভাবে রাখা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া মালয়েশিয়ার আইনি দায়িত্ব।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো মৃত্যু না ঘটে, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং অতীতের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

আরও পড়ুন: দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ুর জন্য বড় বিপদ ফুটবল বিশ্বকাপ: গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


জলবায়ুর জন্য বড় বিপদ ফুটবল বিশ্বকাপ: গবেষণা

বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো জমকালো ‘মেগা ইভেন্ট’ এখন বৈশ্বিক জলবায়ুর জন্য অন্যতম বড় বিপদ হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্টেডিয়ামের ব্যবস্থাপনা বা আলোর ঝলকানির চেয়ে এই টুর্নামেন্টের সময়ে আসা কোটি কোটি দর্শকের যাতায়াতই মূলত সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণের প্রধান কারণ।

শনিবার (১৮ জুলাই) ইউরো নিউজের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

মেগা ইভেন্টগুলোর এই জলবায়ুগত ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবহারকারী দর্শকদের জন্য টিকিটে বিশেষ ছাড় এবং নানা প্রণোদনা চালুর জন্য জরুরি তাগিদ দিয়েছেন গবেষকেরা।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ৪৮টি দল নিয়ে আয়োজিত ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ থেকে আনুমানিক ৪২ লাখ ৩০ হাজার টন কার্বন নিঃসরণ হবে। এই বিপুল পরিমাণ কার্বন নির্গমন আইসল্যান্ডের মতো এক উন্নত দেশের পুরো এক বছরের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের সমান।

গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বকাপের মোট কার্বন নিঃসরণের প্রায় ৮২ শতাংশই এসেছে দর্শকদের ভেন্যুতে আসা-যাওয়ার পথে। এর মধ্যে শুধু ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ দূরত্বের বিমান ভ্রমণের কারণে প্রায় ৩০ লাখ টন কার্বন বায়ুমণ্ডলে নিঃসৃত হয়েছে।

গবেষণার প্রধান লেখক শন লারকম বলেন, বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টের জলবায়ুগত নেতিবাচক প্রভাব কমাতে শুধু স্টেডিয়ামের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ব্যবহার বা পরিচালনাগত নির্গমন কমানোই যথেষ্ট নয়। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দর্শকদের দূর-দূরান্তের যাতায়াত থেকে সৃষ্ট কার্বন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করা। এই গবেষণায় ফুটবল বিশ্বকাপের পরিবেশগত ধ্বংসের পাশাপাশি ব্রিটিশ রক ব্যান্ড কোল্ডপ্লের ২০২৪ সালের ইউরোপ সফরের উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে তাদের মোট কার্বন নিঃসরণের প্রায় ৯৭ শতাংশই এসেছে দর্শকদের যাতায়াত থেকে।

গবেষকেরা মনে করেন, পরিবেশের ক্ষতি করার পর শুধু ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন বা কার্বন অফসেট প্রকল্পের ওপর নির্ভর করলে তা জলবায়ু সুরক্ষায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে না। বরং ফিফাসহ বড় ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে শুরু থেকেই কার্বন নিঃসরণ সরাসরি কমানোর কার্যকর বাস্তবমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য মেগা ইভেন্টগুলোর জলবায়ুগত হুমকি রোধে তারা বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছেন।

সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—পরিবেশবান্ধব যাতায়াতকারীদের জন্য মূল টিকিটে সরাসরি ছাড়ের ব্যবস্থা করা, দূরপাল্লার রেল ভ্রমণে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া, ভেন্যুতে আসার জন্য গণপরিবহন ও শেয়ার করা যানবাহন ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য এমন সব দেশ বা ভেন্যু যৌথভাবে নির্বাচন করা, যেখানে আন্তর্জাতিক দর্শকদের দীর্ঘ দূরত্বের বিমান ভ্রমণের প্রয়োজন তুলনামূলক কম হবে।

গবেষকদের মতে, বড় ক্রীড়া আয়োজকদের শুধু সুন্দরভাবে খেলা পরিচালনার দায়িত্ব নিলেই চলবে না, ফুটবল বিশ্বকাপের কারণে সৃষ্ট পরোক্ষ কার্বন নিঃসরণের মাধ্যমে জলবায়ুর যে বিপুল ক্ষতি হচ্ছে, তার দায়ও সমানভাবে নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুবিও’র আহ্বান, কিউবায় ৭০০-র বেশি রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


রুবিও’র আহ্বান, কিউবায় ৭০০-র বেশি রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হোক

মার্কো রুবিও, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কিউবা সরকারের প্রতি উত্থাপন করেছেন যে অবিলম্বে ৭০০-র বেশি রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দিতে হবে।

এদিকে, পাঁচ বছরের কারাভোগ শেষে কিউবার পরিচিত ভিন্নমতাবলম্বী শিল্পী লুইস ম্যানুয়েল ওতেরো আলকান্তারা পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে।

এ খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

শনিবার রুবিও এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন শিল্পী আলকান্তারার যুক্তরাষ্ট্রে আগমনের বিষয়টি। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা দাবি করছি কিউবা সরকারের অন্যায়ভাবে আটকে রাখা ৭০০-র বেশি রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি।’

রুবিও আরো মন্তব্য করেন, ‘কিউবা সরকারের মানবাধিকারের লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আর চোখ বন্ধ করে থাকা উচিত নয়। সকলকে এই দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য একসঙ্গে দাবি জানাতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ২টি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০১ পি.এম


কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ২টি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান

ঢাকা, ১৯ জুলাই, ২০২৬ : রোববার ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে খবর দিচ্ছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতিতে উল্লিখিত হয়েছে, ‘কুয়েতের ক্যাম্প উদাইরিতে অবস্থিত মার্কিন সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার এবং আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রাডার ও আকাশ নজরদারি রাডার লক্ষ্য করে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংককের বারে আগুনে আহত নারীর মৃত্যু, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০২ পি.এম


ব্যাংককের বারে আগুনে আহত নারীর মৃত্যু, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

ঢাকা, ১৯ জুলাই, ২০২৬ : থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি জনপ্রিয় বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহের পর রোববার ২০ বছর বয়সী একজন নারী মারা গেছেন। এই ঘটনাটির ফলে ওই অগ্নিকাণ্ডের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।

গত ১২ জুলাই রাতে, জনপ্রিয় রং বিয়ার না লাত ফ্রাও বার ও রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং লাইভ মিউজিক অনুষ্ঠানের জন্য পরিচিত সেই ভেন্যুটি মুহূর্তের মধ্যে আগুনে গ্রাস হয়ে যায়।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ এএফপিকে জানিয়েছিল, নিহতদের বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে। এছাড়া, কয়েকজন গুরুতর দগ্ধ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং এত বেশি প্রাণহানির পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারীরা। কারণ, অনেক মরদেহ বাথরুমের কাছে পাওয়া যাওয়ায়, তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন যে জরুরি বাহিরে বের হওয়ার পথ বাধাগ্রস্ত ছিল কি না।

এফপিকে এক ভবন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মারফত জানা গেছে, রং বিয়ার না লাত ফ্রাও বারে বিপুল সংখ্যক দর্শক এবং লাইভ মিউজিক অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না বলেই মনে হচ্ছে।

ব্যাংকক নগর কর্তৃপক্ষ পরিচালিত এরাওয়ান জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্র জানিয়েছে, ২০ বছর বয়সী আপিনিয়া সুখথংসা রোববার ভোরে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩ জন এখনও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

থাইল্যান্ডে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিধি, বিশেষ করে বার ও নাইটক্লাবগুলোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ২০০৯ সালে নববর্ষ উদযাপনকালে ব্যাংককের সান্তিকা ক্লাবে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৬৭ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%