প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৯ জুলাই, ২০২৬ : থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি জনপ্রিয় বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহের পর রোববার ২০ বছর বয়সী একজন নারী মারা গেছেন। এই ঘটনাটির ফলে ওই অগ্নিকাণ্ডের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।
গত ১২ জুলাই রাতে, জনপ্রিয় রং বিয়ার না লাত ফ্রাও বার ও রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং লাইভ মিউজিক অনুষ্ঠানের জন্য পরিচিত সেই ভেন্যুটি মুহূর্তের মধ্যে আগুনে গ্রাস হয়ে যায়।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ এএফপিকে জানিয়েছিল, নিহতদের বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে। এছাড়া, কয়েকজন গুরুতর দগ্ধ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং এত বেশি প্রাণহানির পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারীরা। কারণ, অনেক মরদেহ বাথরুমের কাছে পাওয়া যাওয়ায়, তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন যে জরুরি বাহিরে বের হওয়ার পথ বাধাগ্রস্ত ছিল কি না।
এফপিকে এক ভবন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মারফত জানা গেছে, রং বিয়ার না লাত ফ্রাও বারে বিপুল সংখ্যক দর্শক এবং লাইভ মিউজিক অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না বলেই মনে হচ্ছে।
ব্যাংকক নগর কর্তৃপক্ষ পরিচালিত এরাওয়ান জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্র জানিয়েছে, ২০ বছর বয়সী আপিনিয়া সুখথংসা রোববার ভোরে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩ জন এখনও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
থাইল্যান্ডে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিধি, বিশেষ করে বার ও নাইটক্লাবগুলোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ২০০৯ সালে নববর্ষ উদযাপনকালে ব্যাংককের সান্তিকা ক্লাবে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৬৭ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন