ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের নেতৃত্ব দেবেন রাজা


আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের নেতৃত্ব দেবেন রাজা

আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়ের নেতৃত্বে থাকবেন সিকান্দার রাজা।

নিয়মিত অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা পিঠের চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে দীর্ঘ সফরের জন্য অধিনায়কত্বের দায়িত্ব এই অলরাউন্ডারের ওপর অর্পিত হয়েছে। ত্রিদেশীয় সিরিজের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে আলাদা দ্বিপাক্ষিক সিরিজে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

জিম্বাবুয়ে সাদা বলের দুই দলের জন্য অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা দুই খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করেছে। তারা হলেন ৩২ বছর বয়সী উইকেটকিপার-ব্যাটার তাফাদজওয়া সিগা এবং ২৯ বছর বয়সী লেগ স্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ হকি দলের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মিশন শুরু

ওয়ানডে দলে গ্রায়েম ক্রেমারকে বাদ দিয়ে নতুন খেলোয়াড়দের জন্য জায়গা তৈরি করেছে জিম্বাবুয়ে। গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে তিনি মাত্র এক ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেটি ছিল তার প্রথম ওয়ানডে আট বছর পর। তবে এবার তিনি আবারও দলে স্থান পাননি।

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে ইনোসেন্ট কাইয়া ঊরুর চোটে মাঠের বাইরে চলে যান, তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে তিনি ফিট হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই সিরিজটি ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হবে।

এ বছর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সিগা তিনটি সেঞ্চুরি করেছেন এবং জিম্বাবুয়ের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটেও অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, লোগান কাপে মাউন্টেনিয়র্সের হয়ে ২৫টি উইকেট নিয়ে তিনি দলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন। উইকেটপ্রতি তার গড় ছিল ২৯.৯২। এরপর সিলেটে বাংলাদেশের ইমার্জিং দলের বিপক্ষে একটি ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই লেগ স্পিনার।

জিম্বাবুয়ে লাল বলের ক্রিকেটে দুজনের পারফরম্যান্সকে সাদা বলের ক্রিকেটে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে খেলতে আজারবাইজানে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল

ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞতা যোগান দেবেন সিকান্দার রাজা, ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলর। সাদা বলের সব ম্যাচে বোলিং আক্রমণের নেতৃত্বে থাকবেন ব্লেসিং মুজারাবানি। তার সঙ্গে থাকবেন ব্র্যাড ইভান্স। তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ইভান্সের পরিবর্তে খেলবেন কুন্দাই মাতিগিমু।

জিম্বাবুয়ের ওয়ানডে দল: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), বেন কারেন, ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স, ব্রেন্ডন টেলর, ব্রায়ান বেনেট, ক্রেইগ আরভিন, আর্নেস্ট মাসুকু, নিউম্যান নিয়ামহুরি, রায়ান বার্ল, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, তাফাদজওয়া সিগা, ভিনসেন্ট মাসেকেসা, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ওয়েসলি মাধেভেরে।

জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি দল: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), বেন কারেন, ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স, ব্রায়ান বেনেট, ইনোসেন্ট কাইয়া, কুন্দাই মাতিগিমু, নিউম্যান নিয়ামহুরি, রায়ান বার্ল, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, তাফাদজওয়া সিগা, ভিনসেন্ট মাসেকেসা, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ওয়েসলি মাধেভেরে।

আরও পড়ুন: হ্যারির অনন্য রেকর্ড, ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

রাঙ্গামাটি, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে জেলায় আজ তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের জন্য দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জেলা সমাজ সেবা বিভাগের উদ্যোগে শনিবার সকালে জেলা পরিষদ এনেক্স ভবন সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং জেলা বিএনপি’র সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও পরিষদ সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা পরিষদ সদস্য শ্বাসত চাকমা রিংকু, বিটু চাকমা, সুপর্ণ দেব বর্মনসহ পরিষদের অন্যান্য সদস্য এবং সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ। জেলার ১০ উপজেলার প্রশিক্ষণার্থীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনকালে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দিপু মন্তব্য করেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকার জনবান্ধব সরকার। নির্বাচনের পূর্বে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনগণের কল্যাণে যে সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকার গঠনের পর থেকে প্রতিটি ওয়াদা পূরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম।" তিনি সকলকে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সততা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভা শেষে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে জরিপ কাজে ব্যবহারের জন্য ট্যাব বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোজাম্বিক থেকে ফেরার পথে বিমানে বাংলাদেশির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


মোজাম্বিক থেকে ফেরার পথে বিমানে বাংলাদেশির মৃত্যু

মোজাম্বিক থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে বিমানে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৩৮) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু ঘটেছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মাপুতো থেকে দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের কিউআর ১৩৭৬ ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটে।

জসিমের বড় ভাই মো. ইউসুফ জানিয়েছেন, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে মোজাম্বিকের রাজধানী মাপুতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন জসিম। দোহায় যাত্রাবিরতি শেষে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু দোহা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু ঘটে। বিমানে তার পাশের আসনে থাকা একই এলাকার বাসিন্দা মহিব উল্লাহ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, জসিম উদ্দিন পূর্ব থেকেই হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত বছর বাংলাদেশে অবস্থানকালে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তার হৃদযন্ত্রে একটি স্টেন্ট বসানো হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে চলতি বছরের এপ্রিলে তিনি মোজাম্বিকে ফিরে যান। সেখানে প্রায় ছয় মাস ব্যবসা করার পর দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে আবার যাত্রা করেন। তবে স্বজনদের কাছে ফেরার আর সুযোগ মিলল না তার।

জসিম উদ্দিন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব চাম্বল এলাকার ছড়ারকূল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বান্ডুবর বাড়ির ছৈয়দ মিয়ার তৃতীয় ছেলে। তিনি চার ভাই ও চার বোনের মধ্যে ষষ্ঠ। দেশে তার মা-বাবা, স্ত্রী এবং দুই ছেলে-মেয়ে রয়েছে।

২০১৬ সালে মোজাম্বিকে যান জসিম উদ্দিন। সেখানে তার চার ভাই ব্যবসা করতেন। ২০২১ সালের ৭ আগস্ট করোনায় তার ভাই মো. ইদ্রিস মারা যান। বর্তমানে বড় ভাই মোহাম্মদ ইউনুস ও ছোট ভাই ফেরদৌস উদ্দিন মোজাম্বিকের জাম্বেজিয়া প্রদেশের মুলোমবো কুরুমানায় বসবাস করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী প্রকল্পের প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন। প্রকল্পটির গবেষকরা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি, গবেষণার অগ্রগতি এবং দেশে বাণিজ্যিকভাবে জ্বালানি তেল উৎপাদনের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রকল্পটির গবেষক কুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীর কাছে মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য এবং কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রযুক্তি ও গবেষণার বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী গবেষকদের উদ্ভাবিত প্রকল্পটি প্রত্যক্ষ করেন এবং এর কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত শোনেন। প্রকল্পটির সম্ভাবনা বিবেচনায় এটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রায় ১০ বছর ধরে পরিচালিত এ গবেষণায় ‘হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন’ (HTL) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য থেকে জৈব অপরিশোধিত তেল বা বায়োক্রুড উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন কুয়েটের গবেষকরা। গবেষণাগারের পরীক্ষায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বায়োক্রুড উৎপাদনের ফলাফল পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ডিজেলসমৃদ্ধ বায়োক্রুড উৎপাদনেও সাফল্য এসেছে বলে গবেষকরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান।

গবেষকরা জানান, পরবর্তী ধাপে প্রতিদিন ১ থেকে ৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ সক্ষম একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, উৎপাদন ব্যয় এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

তারা জানান, প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হলে ভবিষ্যতে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ প্রতিস্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বছরে আনুমানিক ৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে। তবে এ সম্ভাবনা বাস্তবায়নে প্রযুক্তিটির বৃহৎ পরিসরে কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই প্রয়োজন।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট গবেষকদের প্রত্যাশা, সরকারি সহায়তায় প্রযুক্তিটি সফলভাবে বাণিজ্যিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলে দেশের জ্বালানি তেলের সংকট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানো, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, পরিবেশদূষণ হ্রাস এবং দেশীয় জ্বালানি শিল্প বিকাশের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পাবলিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সদস্য অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাছুদ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নায়িকা নিশা নূরের জীবনের গল্প: রজনীকান্তের নায়িকা থেকে নিঃসঙ্গ মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২২ পি.এম


নায়িকা নিশা নূরের জীবনের গল্প: রজনীকান্তের নায়িকা থেকে নিঃসঙ্গ মৃত্যু

আশির দশক ও নব্বইয়ের দশকের শুরুতে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় অভিনেত্রী নিশা নূর ছিলেন একটি পরিচিত নাম। তিনি রজনীকান্ত, কমল হাসান, মামুটি এবং মোহনলালের মতো তারকাদের সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগি করেছেন। একসময় অভিনয় ও সৌন্দর্যের মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করলেও জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি কঠিন সময়ের সম্মুখীন হন। তাঁর জীবনের গল্প আজও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, যেখানে আর্থিক সংকট, নিঃসঙ্গতা এবং অসুস্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

১৯৮০ সালে তামিল সিনেমা ‘মঙ্গলা নায়াগি’র মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন নিশা। এরপর তিনি তামিল, মালয়ালম, তেলেগু এবং কন্নড় ভাষার চলচ্চিত্রে কাজ করে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন। ‘টিক টিক টিক’, ‘ইলামাই কোলাম’, ‘ইনিমাই ইধো ইধো’ এবং ‘দেবসুরম’-এর মতো সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শকদের মনে জায়গা করে নেয়। দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের একাধিক জনপ্রিয় তারকার সঙ্গে কাজ করার সুযোগও তিনি পেয়েছিলেন।

কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অভিনয়ের প্রস্তাবগুলো কমতে থাকে। কাজের সুযোগ হ্রাস পাওয়ায় নিশা আর্থিক সংকটে পড়েন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক চলচ্চিত্র প্রযোজকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার ফলে তিনি তার সঞ্চয় হারান। পরে সেই প্রযোজক তাঁকে ছেড়ে চলে যাওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে তাঁর জীবনে আরও কঠিন সময় নেমে আসে।

একসময় যিনি ছিলেন দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু, জীবনের শেষ দিকে নিশা চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তামিলনাড়ুর একটি দরগার আশপাশে অসহায় অবস্থায় তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়। পরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর এইচআইভি সংক্রমণের বিষয়টি প্রকাশ পায় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিকিৎসা চললেও নিশা নূর শেষ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। ২০০৭ সালে, মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। একসময়ের পরিচিত এই অভিনেত্রীর জীবন যেন খ্যাতির আড়ালে লুকিয়ে থাকা অসহায়তার একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও অসুস্থতা নিয়ে প্রচারিত কিছু তথ্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরশীল, তাই সেগুলোকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%