০৪:৪১ পি.এম
যুবদের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সুযোগ সৃষ্টি হলে সামাজিক অপরাধের প্রবণতা কমে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকরী রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, বরং সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে যুবসমাজকে দক্ষ এবং কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।’
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) আয়োজিত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ৮ নভেম্বর
এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। এতে সহযোগিতা করেছে কেয়ার বাংলাদেশ এবং এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘শুধুমাত্র উচ্চশিক্ষার ডিগ্রি নিয়ে যুবকেরা যেন বেকার বসে না থাকেন, সে জন্য কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন দক্ষতায় পারদর্শী করে তোলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা স্বাবলম্বী হতে পারেন।’
প্রতিমন্ত্রী তরুণ সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে মুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প উপায় হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সরকার খেলাধুলাকে একটি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ শুরু করেছে। যেখানে খালি স্থান পাওয়া যাবে, সেখানেই খেলার মাঠ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করতে আহ্বান ল্যানসেটের
এ ছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে শিক্ষার অংশ হিসেবে বাধ্যতামূলক করা হবে।’
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সরকার দেশ এবং বিদেশের চাহিদা বিবেচনায় করে প্রশিক্ষিত জনগণের গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি, মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, ক্রীড়া ভাতা প্রদান এবং মাঠ আধুনিকায়নের মতো বহুমুখী পদক্ষেপ তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
‘দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি গুরুত্বপূর্ণ’ শীর্ষক এই ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী এবং বিজিত দলের হাতে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাওয়া প্রান্তে পদ্মায় গোসলে নেমে নিখোঁজ রাসেলের মরদেহ উদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন