রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩১ পি.এম
দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ১৩টি করে মসজিদ নির্ধারণের মাধ্যমে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
আজ রবিবার সকালে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, "এ বছর ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড আমাদের মায়েদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া ৪৩ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।" ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, "এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে ১৩টি করে মসজিদ নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা ভাতা পাবেন।"
তিনি বলেন, "বিএনপি সরকার গঠনের ছয় মাস হলো। আপনারা দেখবেন, বিশেষ করে সরকার গঠনের ঠিক ১০ দিনের মাথায় ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। সেই যুদ্ধের কারণে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বেই তেলের সংকট তৈরি হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "সে সময় প্রতিটি দেশেই তেলের দাম বেড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী তেলের দাম বাড়াননি।"
বিরোধী দলের লংমার্চ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "বিরোধী দল আজ লংমার্চ করছে। আপনারা করতেই পারেন। কিন্তু এই লংমার্চ করতে গিয়ে হাজার হাজার লিটার তেল খরচ হয়, সেই তেল আপনারা কোথায় পান? কাজেই আজকের বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে।"
তিনি বলেন, "আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গায় সারের তেলেসমাতি করা হচ্ছে এবং আমাদের সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার মধ্যে পঞ্চগড়ে কোনো সারের সংকট নেই। তবে বেশ কিছু ডিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় স্থানীয় জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় তা রোধ করা সম্ভব হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "স্বচ্ছতার সঙ্গে আরও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে, যাতে আমাদের কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার নিতে পারেন এবং হয়রানির শিকার না হন।"
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সার নিয়ে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এটি এই মাসেই বাস্তবায়িত হবে। তখন আর সার নিয়ে হয়রানি হতে হবে না, সংকটও সৃষ্টি হবে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইনি পরামর্শ, মামলা সম্পর্কিত তথ্য এবং বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে গত আট মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের হেল্পলাইনে ৬ হাজার ৫৫৪টি কল এসেছে। এই তথ্য সুপ্রিম কোর্টের হেল্পলাইন মনিটরিং সেল প্রকাশ করেছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশ ও বিদেশ থেকে আইনি পরামর্শ, মামলা সম্পর্কিত তথ্য এবং অভিযোগের জন্য মোট ৬ হাজার ৫৫৪টি কল এসেছে। এর মধ্যে আইনি পরামর্শের জন্য ৮৭০টি কল এসেছে। মামলার তথ্য জানার জন্য ১ হাজার ১৩০টি কল এসেছে। কলগুলোর তথ্য সেবাগ্রহীতাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়।
মনিটরিং সেলের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৭৮৪টি কল এসেছে। তবে, এসব অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ারবহির্ভূত হওয়ায় হেল্পলাইন থেকে কোন পরামর্শ প্রদান করা হয়নি।
হেল্পলাইন নম্বর ১০৩-তে সেবা গ্রহণের জন্য কল করা সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ৩ হাজার ৬৫২টি কলের জন্য কোনো প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি। এই সময়ে সুপ্রিম কোর্ট এবং জেলা আদালতের বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, বিলম্বে সেবা প্রাপ্তি এবং অসদাচরণ সম্পর্কিত ১১৮টি অভিযোগ এসেছে।
এসব অভিযোগের মধ্যে বিলম্বে আইনি সেবা প্রাপ্তি, রায়ের কপি না পাওয়া, নথি নিখোঁজ এবং দ্রুত নিষ্পত্তি সংক্রান্ত ৯৯টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং ১২টি অভিযোগের নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা এবং অসদাচরণ সম্পর্কিত অবশিষ্ট ৭টি অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইন সেন্টার উদ্বোধন করা হয় এবং হেল্পলাইন ‘১০৩’ চালু করা হয়। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইন নম্বর (০১৩১৬-১৫৪২১৬ ও ০১৭৯৫-৩৭৩৬৮০) কল এবং হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভিস ও ‘১০৩’-তে অনলাইন সার্ভিস চালু রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অভিনয় করেছেন সালমান শাহর জীবন ও ক্যারিয়ার অবলম্বনে নির্মিত ওয়েব সিরিজ ‘বুকের মধ্যে আগুন’-এ। এই সিরিজের মাধ্যমে সালমান শাহকে ঘিরে তৈরি গল্পে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি, যা তাকে কিংবদন্তি অভিনেতার নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে জানার সুযোগ করে দেয়।
সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনা সম্প্রতি আবারও আলোচনায় এসেছে। তিন দশক পর মামলাটিতে নতুন আইনি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে মামলার আসামিদের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এমন একটি সমসাময়িক ইস্যুর প্রেক্ষাপটে অপূর্বর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, সালমান শাহকে তিনি কিভাবে দেখেন। এ প্রশ্নের জবাবে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘উনি এত সুদর্শন ছিলেন, মনে রাখার মতো এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধারণ করে রাখার মতো একজন ছিলেন সালমান শাহ।
তিনি ছিলেন স্টাইল আইকন। যদি কেউ তার অর্ধেকও ক্যারি করতে পারে, তাহলে মানুষ ওই ব্যক্তিকে স্টাইলিশ বলে। সালমান শাহের মধ্যে সেই ধরনের অরা ছিল। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তার সেই অরাটাকে ক্যারি করে গেছে এবং আরও অনেক দিন করবে।
এটা থেকেই বোঝা যায় যে, তিনি কত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন।
অপূর্বর মতে, সালমান শাহ শুধু একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ছিলেন না, বরং তার নিজস্ব স্টাইল, ব্যক্তিত্ব ও পর্দায় উপস্থিতি তাকে সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে অনন্য এক তারকায় পরিণত করেছে। মৃত্যুর তিন দশক পরও নতুন প্রজন্মের কাছে তার আবেদন এতটুকু কমেনি। বরং সময়ের সঙ্গে তার প্রভাব আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
‘বুকের মধ্যে আগুন’ ওয়েব সিরিজে সালমান শাহর জীবনের নানা অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে।
সেই চরিত্র ও গল্পের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা অপূর্বর ক্যারিয়ারে একটি আলাদা অধ্যায় হয়ে আছে। সালমান শাহকে নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে—বাংলা চলচ্চিত্রে তার প্রভাব কতটা গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী।
উল্লেখ্য, আজকের এই দিনে (৬ সেপ্টেম্বর) তিন দশক আগে ঢালিউডে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। মাত্র ২৪ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ঢাকাই চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ। তার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে তৈরি হয়েছিল এক অপূরণীয় শূন্যতা। সময়ের হিসাবে আজ সেই শূন্যতার তিন দশক পূর্ণ হলো। অথচ এত বছর পরও দর্শকের হৃদয়ে সালমান শাহ রয়ে গেছেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী এক রাজপুত্র হয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউ ইয়র্ক কসমস ইউএসএল লিগ ওয়ানের ম্যাচে শমিত সোমের অসাধারণ মিডফিল্ড পারফরম্যান্সের মাধ্যমে একটি বড় জয় অর্জন করেছে। ফোর্ট ওয়েন এফসিকে ৪-২ গোলে পরাজিত করার এই ম্যাচে শমিত জোড়া অ্যাসিস্ট করে দলের সেরা পারফর্মার হিসেবে আবির্ভূত হন।
ম্যাচের শুরু থেকেই কসমস নিজেদের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল, যেখানে শমিতের নিখুঁত পাসিং এবং আক্রমণ তৈরির দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে, তার নিখুঁত থ্রু বল থেকে গোল করে ফরোয়ার্ড জাওনেহ লামিন দলকে এগিয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন মুহূর্তটি ঘটে, যখন শমিতের চমৎকার থ্রু বল থেকে লামিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন, যা দলকে ৩-০ গোলের নিরাপদ ব্যবধানে নিয়ে যায়।
স্বাগতিকরা শেষ দিকে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও, লামিনের হ্যাটট্রিক এবং শমিতের নিয়ন্ত্রিত মাঝমাঠের পারফরম্যান্সের কারণে নিউ ইয়র্ক ৪-২ গোলের জয় নিশ্চিত করে।
শমিত শুধু আক্রমণ গড়াতেই নয়, পরিসংখ্যানেও নজর কেড়েছেন। তিনি ম্যাচে ৪৫ বার বলের স্পর্শ নিয়েছেন এবং ৩৬টি পাসের মধ্যে ৩০টি সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন, যার ফলে তার পাস সাফল্যের হার ছিল ৮৩ শতাংশ। এছাড়া, ৫টি লং বলের ৪টিতেও তিনি সফল হন এবং দুটি গোলের সহায়তার পাশাপাশি একটি বড় সুযোগ তৈরি করেন।
এই মিডফিল্ডার রক্ষণেও সমান কার্যকর ছিলেন—৩টি ট্যাকল, ২টি ক্লিয়ারেন্স, ২টি বল রিকভারি ও ১টি শট ব্লক করে প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্লাবের হয়ে শমিত এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ খেলেছেন এবং প্রতিটিতেই শুরুর একাদশে ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া ৬১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল অনুসন্ধান শুরু করে। ধারাবাহিক প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানের মাধ্যমে মোবাইল ফোনগুলোর অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৬১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধার করা ফোনগুলোর প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে মালিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের কার্যক্রমের প্রশংসা করে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইকবাল হোছাইন, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. তারেক সেকান্দার, কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীন, সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের ইনচার্জ এইচ.এম. মাহমুদসহ সেলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নাগরিকদের সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ দমন ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ তদন্তে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ