শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৯ এম
জেমস অ্যান্ডারসনের ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে ২৬ বছরের সম্পর্ক এবার শেষ হতে চলেছে। ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পেসারের চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাউন্টি ক্লাবটি আগামী মৌসুমের জন্য। ৪৪ বছর বয়সী অ্যান্ডারসনের পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে যদি অন্য কোনো কাউন্টি বা বিদেশি দলের প্রস্তাব আসে, তাহলে তিনি খেলা চালিয়ে যেতে পারেন।
অ্যান্ডারসনের চুক্তি না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হুসেইন। তাঁর মতে, ল্যাঙ্কাশায়ারের সাম্প্রতিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অ্যান্ডারসন কোনোভাবেই সমস্যা নন। বরং গত মৌসুমে তিনি ৫০ উইকেট নিয়েছেন, যার গড় ছিল মাত্র ১৭। যদিও চোটের কারণে কিছু ম্যাচ মিস করেছেন, তবুও তিনি যখন খেলেছেন, তখন ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
হুসেইন বলেন, অ্যান্ডারসন এখনো ভালো বোলিং করছেন এবং তাঁর নিয়ন্ত্রণ, বলের গতিপথ বদলানোর দক্ষতা, ফিটনেস ও দীর্ঘ ক্যারিয়ার অসাধারণ। তাঁর মতে, ৪৪ বছর বয়সেও ইংল্যান্ডের প্রায় সব কাউন্টিই অ্যান্ডারসনকে দলে নিতে চাইবে। হুসেইনের ধারণা, ল্যাঙ্কাশায়ারের পুনর্গঠনের যাত্রায় অ্যান্ডারসনের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব বরং সম্পদ হিসেবে কাজে লাগানো যেত।
ল্যাঙ্কাশায়ারের নতুন ক্রিকেট পরিচালক পল ফারব্রেস ক্লাবকে নতুন পথে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। চলতি মৌসুমে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় বিভাগে দ্বিতীয়-সর্বশেষ স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে ল্যাঙ্কাশায়ার। সাদা বলের দুই প্রতিযোগিতাতেও দলটি গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি। আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে নতুন খেলোয়াড় নেওয়া ও দল পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে ক্লাবটি।
২০০২ সালে ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক হওয়া অ্যান্ডারসন ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। টেস্টে ৭০৪ উইকেট নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এবং টেস্ট ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে তাঁর প্রথম দলের অভিষেক হয়েছিল ২০০১ সালে। এখন পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর উইকেট ১ হাজার ১৯৩টি, আর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ৪০০-এর বেশি।
অ্যান্ডারসনকে নিয়ে অবসরের গুঞ্জন থাকলেও নাসের হুসেইন তাঁর বিদায়ের সম্ভাবনার চেয়ে বরং ২৬ বছরের অসাধারণ ক্যারিয়ারকে স্মরণ করতে চান। তাঁর মতে, ইংল্যান্ড ও ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে এত দীর্ঘ সময় ধরে অ্যান্ডারসনের অবদানই এখন সবচেয়ে বড় বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস, রিয়াল মাদ্রিদের প্রচার কৌশলকে নাৎসি পার্টির পদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। স্পেনের ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিল (সিএসডি) এবার তার মন্তব্যের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন জানিয়ে স্পেনের স্পোর্টস ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সিএসডি জানায়, তেবাসের মন্তব্য ক্রীড়াঙ্গনের মর্যাদা ও শালীনতা রক্ষার বিধি লঙ্ঘন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ট্রাইব্যুনালকে অনুরোধ করা হয়েছে। স্পেনের ক্রীড়া আইন অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে সতর্কবার্তা, জরিমানা কিংবা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।
গত শুক্রবার, ৬৪ বছর বয়সি তেবাস সামাজিক মাধ্যমে তার মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদে একই দিন লা লিগা সভাপতির পদত্যাগ দাবি করে রিয়াল মাদ্রিদ কড়া বিবৃতি দেয়।
তবে তেবাস দাবি করেছেন, তিনি রিয়ালের আদর্শ কিংবা সমর্থকদের সঙ্গে নাৎসি পার্টির তুলনা করেননি; বরং ক্লাবটির প্রচারণার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সিএসডির পদক্ষেপের পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তেবাস বলেন, প্রতিযোগিতার সুনাম রক্ষা করা তার দায়িত্ব। যারা প্রতিনিয়ত এর সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেন, তাদের জবাব দেয়া সেই দায়িত্বেরই অংশ।
রিয়ালের সঙ্গে তেবাসের বিরোধ নতুন নয়। রেফারিং নিয়ে মতবিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। তেবাস ২০১৩ সাল থেকে লা লিগার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাওয়ালপিন্ডিতে ইংল্যান্ড ৪২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তুলেছিল। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরির ওপর ভিত্তি করে এই রান সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা সেই রান তাড়া করে জিতে গেছে। এই কারণে ইংলিশ অধিনায়ক ব্রুক এই ইনিংসের মূল্যায়নে অনিচ্ছুক, ম্যাচ শেষে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ব্রুক বলেন, ‘ইনিংসটা ভালো ছিল। কিন্তু দিনশেষে তো হেরে যাওয়া দলেই থাকতে হলো! সে কারণে আমার চোখে এই ইনিংসের কোনো মূল্যই নেই।’
ব্রুক এই ম্যাচে একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। তিনি ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করা প্রথম ইংরেজ ক্রিকেটার। ওয়ানডের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ডও তার দখলে। টেস্টে ৩০০, ওয়ানডেতে ২০০ এবং টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা ইতিহাসের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি।
তবে ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে শ্রীলঙ্কা পাল্টা জবাব দেয়। পাভন রত্নায়েকে সেঞ্চুরি করেন। আবিষ্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা ও জানিথ লিয়ানাগে ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরি করেন। এর ফলে ইংল্যান্ড একটি অবিশ্বাস্য হারে পরিণত হয়।
ম্যাচ শেষে ব্রুক মন্তব্য করেন, ‘অবিশ্বাস্য একটি ক্রিকেট ম্যাচ। দুই দলই অসাধারণ খেলেছে। শ্রীলঙ্কা আমাদের পুরোপুরি হারিয়ে দিয়েছে। ৪০০ রান তুলে ফেলতে তারা অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। ইনিংসটা ভালো ছিল। কিন্তু দিনশেষে তো হেরে যাওয়া দলেই থাকতে হলো! সে কারণে আমার চোখে এই ইনিংসের কোনো মূল্যই নেই। আমাদের আবার ড্রয়িং বোর্ডে ফিরতে হবে। ফাইনালে জায়গা পাকা করার সুযোগ আমাদের সামনে আছে। পরের কয়েকটি ম্যাচেই সেটা করতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিঙ্গাপুর গ্রাঁ প্রিতে ফেরারির কৌশলগত নির্দেশ অমান্য করে পিটে না ঢোকার সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছিলেন, সেই বিষয়ে লুইস হ্যামিল্টন এবার বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র গ্রাঁ প্রির আগে অস্টিনে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হ্যামিল্টন স্বীকার করেছেন যে, সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল এবং এর দায় তিনি স্বীকার করেন। তবে তিনি ভবিষ্যতে দলের প্রচলিত কৌশলকে প্রশ্ন করার বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না।
হ্যামিল্টন সিঙ্গাপুরে তৃতীয় স্থান থেকে শুরু করেছিলেন। সতীর্থ শার্ল লেক্লেরের কৌশলের অনুসরণ না করে তিনি মাঝারি ধরনের টায়ার নিয়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করা। হ্যামিল্টনের ধারণা ছিল, রেড বুলের ম্যাক্স ফেরস্টাপেন হয়তো দ্রুততর থাকবেন এবং একই কৌশলে লেক্লেরের সঙ্গে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়ার চেয়ে ভিন্ন কিছু চেষ্টা করাই ভালো। কিন্তু মাঝারি টায়ার নিয়ে প্রথম পর্বে তিনি প্রত্যাশামতো গতি পাননি। পরবর্তীতে নরম টায়ার ব্যবহার করেও তিনি লেক্লেরের পেছনে সময় হারান।
ভার্চুয়াল নিরাপত্তা গাড়ি আসার সময় ফেরারি হ্যামিল্টনকে দ্বিতীয়বার পিটে ঢোকার নির্দেশ দেয়। কিন্তু পিটে ঢোকার মুহূর্তে তিনি লেক্লেরের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন না। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের সিদ্ধান্তে তিনি পিটে না ঢুকে ট্র্যাকে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। পিটে ঢোকার জায়গা পেরিয়ে যাওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন যে, সিদ্ধান্তটি সম্ভবত ভুল ছিল। শেষ পর্যন্ত ক্ষয়প্রাপ্ত টায়ার নিয়ে তিনি ষষ্ঠ স্থানে নেমে যান। সম্ভাব্য পডিয়াম হাতছাড়া করে তিনি তিনটি অবস্থান হারান।
হ্যামিল্টন বলেন, "এমন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হয়।" সিঙ্গাপুরের ঘটনার পর দলের সঙ্গে তাঁর ভালো আলোচনা হয়েছে এবং কীভাবে আরও ভালোভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায়, তা নিয়ে ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। তাঁর মতে, দলকে শুধু অনুসরণ করা তাঁর কাজ নয়; বরং নিজের ও দলের সিদ্ধান্তকে নিয়মিত চ্যালেঞ্জ করে আরও ভালো ফলের পথ খুঁজে বের করাও তাঁর দায়িত্ব।
তবে নিজের সিদ্ধান্তের কারণে দলের পয়েন্ট হারানোয় হতাশ হ্যামিল্টন। তিনি জানিয়েছেন, "এমন ঘটনা খুব বেশি ঘটে না" এবং ভবিষ্যতে যাতে একই ভুল আর না হয়, সে জন্য তিনি দ্বিগুণ পরিশ্রম করবেন। একই সঙ্গে তাঁর বিশ্বাস, কোনো সিদ্ধান্ত সফল না হলে তার দায় দলগতভাবেই বহন করতে হয়।
সিঙ্গাপুরের পর এবার হ্যামিল্টনের সামনে যুক্তরাষ্ট্র গ্রাঁ প্রি। অস্টিনে শুক্রবার শুরু হবে অনুশীলন পর্ব, শনিবার হবে যোগ্যতা নির্ধারণী পর্ব এবং রোববার মূল প্রতিযোগিতা। সিঙ্গাপুরের হতাশা পেছনে ফেলে ফেরারির হয়ে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য হ্যামিল্টনের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার ফলে নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ দেশে ফিরে এসেছে।
মরদেহটি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ