প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিঙ্গাপুর গ্রাঁ প্রিতে ফেরারির কৌশলগত নির্দেশ অমান্য করে পিটে না ঢোকার সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছিলেন, সেই বিষয়ে লুইস হ্যামিল্টন এবার বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র গ্রাঁ প্রির আগে অস্টিনে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হ্যামিল্টন স্বীকার করেছেন যে, সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল এবং এর দায় তিনি স্বীকার করেন। তবে তিনি ভবিষ্যতে দলের প্রচলিত কৌশলকে প্রশ্ন করার বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না।
হ্যামিল্টন সিঙ্গাপুরে তৃতীয় স্থান থেকে শুরু করেছিলেন। সতীর্থ শার্ল লেক্লেরের কৌশলের অনুসরণ না করে তিনি মাঝারি ধরনের টায়ার নিয়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করা। হ্যামিল্টনের ধারণা ছিল, রেড বুলের ম্যাক্স ফেরস্টাপেন হয়তো দ্রুততর থাকবেন এবং একই কৌশলে লেক্লেরের সঙ্গে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়ার চেয়ে ভিন্ন কিছু চেষ্টা করাই ভালো। কিন্তু মাঝারি টায়ার নিয়ে প্রথম পর্বে তিনি প্রত্যাশামতো গতি পাননি। পরবর্তীতে নরম টায়ার ব্যবহার করেও তিনি লেক্লেরের পেছনে সময় হারান।
ভার্চুয়াল নিরাপত্তা গাড়ি আসার সময় ফেরারি হ্যামিল্টনকে দ্বিতীয়বার পিটে ঢোকার নির্দেশ দেয়। কিন্তু পিটে ঢোকার মুহূর্তে তিনি লেক্লেরের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন না। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের সিদ্ধান্তে তিনি পিটে না ঢুকে ট্র্যাকে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। পিটে ঢোকার জায়গা পেরিয়ে যাওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন যে, সিদ্ধান্তটি সম্ভবত ভুল ছিল। শেষ পর্যন্ত ক্ষয়প্রাপ্ত টায়ার নিয়ে তিনি ষষ্ঠ স্থানে নেমে যান। সম্ভাব্য পডিয়াম হাতছাড়া করে তিনি তিনটি অবস্থান হারান।
হ্যামিল্টন বলেন, "এমন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হয়।" সিঙ্গাপুরের ঘটনার পর দলের সঙ্গে তাঁর ভালো আলোচনা হয়েছে এবং কীভাবে আরও ভালোভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায়, তা নিয়ে ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। তাঁর মতে, দলকে শুধু অনুসরণ করা তাঁর কাজ নয়; বরং নিজের ও দলের সিদ্ধান্তকে নিয়মিত চ্যালেঞ্জ করে আরও ভালো ফলের পথ খুঁজে বের করাও তাঁর দায়িত্ব।
তবে নিজের সিদ্ধান্তের কারণে দলের পয়েন্ট হারানোয় হতাশ হ্যামিল্টন। তিনি জানিয়েছেন, "এমন ঘটনা খুব বেশি ঘটে না" এবং ভবিষ্যতে যাতে একই ভুল আর না হয়, সে জন্য তিনি দ্বিগুণ পরিশ্রম করবেন। একই সঙ্গে তাঁর বিশ্বাস, কোনো সিদ্ধান্ত সফল না হলে তার দায় দলগতভাবেই বহন করতে হয়।
সিঙ্গাপুরের পর এবার হ্যামিল্টনের সামনে যুক্তরাষ্ট্র গ্রাঁ প্রি। অস্টিনে শুক্রবার শুরু হবে অনুশীলন পর্ব, শনিবার হবে যোগ্যতা নির্ধারণী পর্ব এবং রোববার মূল প্রতিযোগিতা। সিঙ্গাপুরের হতাশা পেছনে ফেলে ফেরারির হয়ে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য হ্যামিল্টনের।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন