শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪১ এম
সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার ফলে নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ দেশে ফিরে এসেছে।
মরদেহটি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দের ৫০ শতাংশ প্রথম দিনেই বিক্রির সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। আইপিও বিধিমালার খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই শেয়ারের ওপর বিদ্যমান ৯০ দিনের লক-ইন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
যদি প্রস্তাবটি কার্যকর হয়, তাহলে নতুন কম্পানির শেয়ারের লেনদেন শুরুর দিনেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বরাদ্দের অর্ধেক বিক্রি করতে সক্ষম হবেন। নতুন শেয়ারের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেলে এতে বড় মুনাফার সুযোগ তৈরি হবে। তবে লক-ইন শিথিল করায় শেয়ারের দামে কারসাজি এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
বিশেষ করে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারের দর নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের মধ্যে কিছু বিনিয়োগকারী বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের অর্ধেক দ্রুত বিক্রি করে দিলে এর প্রভাব সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওপর পড়তে পারে।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের ৫০ শতাংশ বিক্রি করতে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। পরবর্তী ২৫ শতাংশ শেয়ারের লক-ইন ১২০ দিন এবং অবশিষ্ট ২৫ শতাংশে ১৮০ দিন। ২০২৫ সালের বিধিমালা অনুযায়ী এই ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।
নতুন খসড়ায় প্রথম ৫০ শতাংশ শেয়ারের লক-ইন পুরোপুরি তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। বাকি শেয়ারের ক্ষেত্রে লক-ইনের মেয়াদও কমানো হচ্ছে। পরবর্তী ২৫ শতাংশ শেয়ারের জন্য ৬০ দিন এবং শেষ ২৫ শতাংশের জন্য ৯০ দিনের লক-ইন রাখার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রস্তাব কার্যকর হলে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের অর্ধেক বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো অপেক্ষার সময় থাকবে না, এবং বাকি অর্ধেক বিক্রির জন্য আগের তুলনায় কম সময় অপেক্ষা করতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম মনে করেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারে লক-ইন থাকা প্রয়োজন। তাঁর মতে, বিশ্বের উন্নত শেয়ারবাজারেও বিভিন্ন মেয়াদে এ ধরনের বিধি-নিষেধ রয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্ষমতা বিবেচনায় লক-ইনের মেয়াদ কমানো যেতে পারে, তবে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের ৫০ শতাংশ পুরোপুরি লক-ইনের বাইরে রাখা ঠিক হবে না।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, লক-ইন তুলে দেওয়া হলে শেয়ারের দাম নিয়ে কারসাজির সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বেন। অতীতেও লক-ইন না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
লক-ইন ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ারের প্রথম দিনের লেনদেনে সার্কিট ব্রেকার কার্যকর থাকবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেডিং বিধিমালায় একসময় তালিকাভুক্তির পর প্রথম দুই দিন শেয়ারের দামের ওপর কোনো মূল্যসীমা ছিল না। তবে ২০২১ সালের ১৭ জুন বিএসইসির নির্দেশনার পর নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ারের ক্ষেত্রেও সার্কিট ব্রেকার কার্যকর হয়। এর ফলে আগের দিনের দরের তুলনায় শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ ওঠানামার সুযোগ রাখা হয়।
নতুন খসড়া বিধিমালায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে নতুন কম্পানির শেয়ারের লেনদেনে মূল্যসীমা কিভাবে কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
শেয়ারবাজারে নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ার প্রথম দিনেই ইস্যু মূল্যের দুই-তিন গুণ দামে লেনদেন হওয়ার নজির রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রথম দিনের মূল্যসীমা না থাকলে এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা একই দিন বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের অর্ধেক বিক্রি করতে পারলে বড় অঙ্কের মুনাফা তুলে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে শেয়ারের প্রকৃত সরবরাহ, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ও লেনদেনের পরিস্থিতির ওপর দামের গতিপথ নির্ভর করবে।
লক-ইন ব্যবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ার বরাদ্দের কোটা কমানোর প্রস্তাবও রয়েছে খসড়ায়। বিদ্যমান ৪০ শতাংশ কোটা কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। তবে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আগের মতো ১০ শতাংশ কোটা বহাল রাখার প্রস্তাব রয়েছে। উভয় পদ্ধতিতেই মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দের ব্যবস্থা অপরিবর্তিত রাখার কথা বলা হয়েছে।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিডের মাধ্যমে শেয়ারের দর নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। এ কারণে তাঁদের বরাদ্দ, শেয়ার বিক্রির সময়সীমা এবং লেনদেনে মূল্যসীমার মতো বিষয়গুলো আইপিও বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবিত বিধিমালা কার্যকর হলে একদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অর্থ দ্রুত পুনর্বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কতটা বাড়বে, তা নির্ভর করবে চূড়ান্ত বিধিমালা ও বাজার তদারকির কার্যকারিতার ওপর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে নিহত সেনাদের মরদেহের বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে। বেলারুশের সীমান্তবর্তী এলাকায় এই বিনিময় অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর দিয়েছে দেশটির সংবাদ মাধ্যম বেলটা।
সংবাদ সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গোমেল অঞ্চলের নোভায়া গুতা চেকপয়েন্টে দুই দেশের মধ্যে এই মরদেহের বিনিময় ঘটে। এ সময় রাশিয়া ইউক্রেনের কাছে ২৫২টি মরদেহ হস্তান্তর করেছে। এর বিপরীতে, ইউক্রেন রাশিয়ার কাছে ২৫টি মরদেহ ফেরত দেয়।
বেলটা আরও জানায়, বেলারুশের ভূখণ্ডে এ পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি মানবিক সহায়তা এবং মরদেহ বিনিময়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
ঘটনার স্থানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির পর্যবেক্ষকরা মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তদারকি করছেন। সাধারণত যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের ক্ষেত্রে সমানসংখ্যক বন্দি হস্তান্তর করা হয়, তবে মরদেহ ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে সংখ্যা ভিন্ন হওয়া স্বাভাবিক।
যদিও রাশিয়া এবং ইউক্রেন, উভয় দেশই তাদের সামরিক বাহিনীর হতাহতদের পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে না। ইউক্রেনের নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি নিহত সেনাদের যে সংখ্যা উল্লেখ করেছেন, তা কিয়েভপন্থি বিশ্লেষকদের অনেকের কাছে অত্যন্ত কম বলে মনে হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, মানুষের শরীরে গবাদিপশুর রোগ হিসেবে পরিচিত শামোন্ডা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, যা বিশ্বে প্রথমবারের মতো ঘটলো।
এএনআই নিউজের একটি প্রতিবেদনে ডব্লিউএইচওর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, অক্টোবরের শুরুতে ফ্রান্সের লিয়োনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামোন্ডা ভাইরাসে আক্রান্ত এক ব্যক্তি মারা গেছেন।
ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
শামোন্ডা ভাইরাস সাধারণত গরু, ভেড়া, ছাগল ও ঘোড়ার মতো প্রাণীদের আক্রান্ত করে। ধারণা করা হচ্ছে, ছোট মাছির মতো দেখতে একধরনের কীটের কামড়ে প্রাণীদের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়ায়। তবে ভাইরাসটি মানুষের শরীরে কীভাবে প্রবেশ করেছে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস জানান, ফ্রান্সের ওই রোগী এমন একটি অঞ্চলে ছিলেন, যেখানে প্রাণীদের মধ্যে শামোন্ডা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। সেই অঞ্চলে কিউলিকয়ডিস প্রজাতির ক্ষুদ্র কীটও উপস্থিত ছিল।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ভাইরাসটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এবং মানুষের শরীরে এর সম্ভাব্য প্রভাব নির্ধারণে অতিরিক্ত গবেষণা প্রয়োজন।
ফরাসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ডব্লিউএইচও রোগী কীভাবে সংক্রমিত হয়েছেন তা জানার চেষ্টা করছে। সংস্থাটি বলেছে, সংক্রমণের উৎস, ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাব্য পথ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য কোনো ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। বৃহস্পতিবার রাতে নাগচু অঞ্চলের বাৎসেন কাউন্টিতে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানায়। খবরটি বিবিসির পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিনহুয়া স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ভূমিকম্পের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে এবং ৩৩৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। একই সঙ্গে উদ্ধারকাজের জন্য ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।
লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বাৎসেন কাউন্টি দুর্গম ও উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট পাথরধসের ফলে বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে উদ্ধারকর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে।
ভূমিকম্পের তীব্র কম্পন তিব্বতের কামদো ও নিংচি শহরেও অনুভূত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, গভীর রাতে ভবনগুলো প্রবলভাবে কাঁপতে থাকায় গ্রামবাসীরা ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসছেন। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত তিব্বত ও এর আশপাশের পার্বত্য এলাকায় প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। এর আগে ২০২৩ সালে চীনের পার্শ্ববর্তী গানসু প্রদেশের পার্বত্য এলাকায় ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
এছাড়া, দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত ও নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই দুর্যোগে অন্তত ১ হাজার ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সে সময় আরও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ