প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চীনের তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। বৃহস্পতিবার রাতে নাগচু অঞ্চলের বাৎসেন কাউন্টিতে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানায়। খবরটি বিবিসির পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিনহুয়া স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ভূমিকম্পের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে এবং ৩৩৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। একই সঙ্গে উদ্ধারকাজের জন্য ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।
লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বাৎসেন কাউন্টি দুর্গম ও উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট পাথরধসের ফলে বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে উদ্ধারকর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে।
ভূমিকম্পের তীব্র কম্পন তিব্বতের কামদো ও নিংচি শহরেও অনুভূত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, গভীর রাতে ভবনগুলো প্রবলভাবে কাঁপতে থাকায় গ্রামবাসীরা ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসছেন। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত তিব্বত ও এর আশপাশের পার্বত্য এলাকায় প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। এর আগে ২০২৩ সালে চীনের পার্শ্ববর্তী গানসু প্রদেশের পার্বত্য এলাকায় ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
এছাড়া, দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত ও নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই দুর্যোগে অন্তত ১ হাজার ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সে সময় আরও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন