বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৫ পি.এম
সিরিয়ার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য বর্তমানে সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য হুমকি হচ্ছে ইসরায়েল—এমন মন্তব্য করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি সিরিয়া সফর শেষে সাংবাদিকদের সামনে এই সতর্কবার্তা দেন।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই দিনের দামেস্ক সফরের সময় তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার সঙ্গে দুই ঘণ্টাব্যাপী একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকের সময় দু দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং ইসরায়েল প্রসঙ্গে বৈঠক শেষে হাকান ফিদান জানান, গত দুই বছরে নিষেধাজ্ঞামুক্ত হওয়া এবং সন্ত্রাসবাদী তালিকা থেকে বাদ পড়ার মাধ্যমে সিরিয়া একটি ইতিবাচক পথে ফিরেছে। তবে, এই অগ্রগতির প্রধান বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে প্রতিবেশী ইসরায়েল।
ফিদান বলেন, "ইসরায়েল কখনোই তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অবস্থায় দেখতে চায় না। এ কারণেই তারা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।"
ইসরায়েলকে একটি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ইসরায়েলকে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান মেনে নিতে হবে, নাহলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও একঘরে হয়ে পড়ার ঝুঁকি নিতে হবে।
'মক্কা জোট' ও আঞ্চলিক সুরক্ষা
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নতুন উদীয়মান শক্তির জোট সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়ে ফিদান জানান, তুরস্ক, সউদী আরব এবং পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত হতে যাওয়া নতুন 'মক্কা জোট' (Mecca Alliance)-এর কাঠামো তৈরির কারিগরি কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এই জোটের পরিধি এবং সদস্য সংখ্যা সামনে আরও বৃদ্ধি করা হবে।
একই সঙ্গে সৌদি আরবের সুরক্ষার বিষয়ে আঙ্কারার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। ইরান ভিত্তিক বা যেকোনো স্থান থেকে সউদী আরবের ওপর হামলা সম্পূর্ণভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে সতর্ক করেন তিনি। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের যেকোনো ধরনের হুমকির মুখে সউদী আরবের সঙ্গে তুরস্কের পূর্ণ সংহতি বজায় থাকবে বলেও স্পষ্ট জানান তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগে মাদারীপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের নাজির কাম ক্যাশিয়ার শেখ মঞ্জু এলাহিকে গ্রেপ্তার করেছে ডাসার থানার পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তারির আগে, ডাসার উপজেলার গোপালপুর এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত শেখ মঞ্জু এলাহি গোপালপুর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মঞ্জু এলাহি তাঁকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এই ঘটনার পর তাঁর প্রথম স্ত্রী সোমা এলাহি বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত ওই মামলায় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার রাতে ডাসার থানার একটি পুলিশ দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান মাহমুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আদালতের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয় এবং সেখান থেকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগের সময় দ্রুত সাড়া দেওয়া, আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে সহায়তার জন্য নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৩০ জন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) হাতিয়ার দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার প্রশিক্ষণকক্ষে প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শেষ হয়। ইভিসিআর প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে চর ঈশ্বর ইউনিয়ন, চর কিং ইউনিয়ন ও হাতিয়া পৌরসভার ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন।
দুই দিনের প্রশিক্ষণে দুর্যোগ প্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা, আগাম পদক্ষেপ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র, অনুসন্ধান ও উদ্ধার এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। দুর্যোগের সময় মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে কাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং কীভাবে দ্রুত ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়েও স্বেচ্ছাসেবকদের ধারণা দেওয়া হয়।
এছাড়াও স্ফিয়ার কী, স্ফিয়ারের মানবিকতার ঘোষণাপত্র, সুরক্ষা নীতিমালা ও মানবিকতার মূলমান বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অনুসন্ধান ও উদ্ধার বিষয়ে আহত বা বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে নিরাপদে উদ্ধারের বিভিন্ন কৌশলও শেখানো হয়।
বিশেষভাবে নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ অধিক ঝুঁকিতে থাকা মানুষের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি প্রশিক্ষণে তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সাইক্লোন শেল্টার ম্যানেজমেন্ট কমিটির ভূমিকা এবং দুর্যোগের আগে, দুর্যোগকালীন ও পরবর্তী সময়ে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আয়োজকেরা জানান, দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় এলাকায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরাই অনেক ক্ষেত্রে মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি থেকে কাজ করেন। তাই দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি, সময়মতো সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে তাঁদের জ্ঞান ও সক্ষমতা বাড়ানো এ প্রশিক্ষণের অন্যতম উদ্দেশ্য।
স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশের সহযোগিতায় নোয়াখালীর হাতিয়ায় ইভিসিআর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে নজরুল স্মৃতি সংসদ (এনএসএস) ও পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক-প্রান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের উন্নয়ন, ইতালির বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সম্ভাব্য ইতালি সফর নিয়ে আলোচনা করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরও উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মন্তব্য করেছেন যে, সম্ভাব্য ইতালি সফরের মূল উদ্দেশ্য হবে নতুন বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং বাংলাদেশের চামড়া শিল্পে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের পরিধি সম্প্রসারণ করা।
বৈঠকে ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের সক্ষমতা, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরার জন্য মিলান, ফ্লোরেন্স এবং রোম সফরের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, মিলানে ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক, ফ্লোরেন্সে টাসকানি অঞ্চলের চামড়া শিল্প এলাকা পরিদর্শন এবং রোমে সরকারি পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলে দুই দেশের কোম্পানির মধ্যে পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে।
সাভার চামড়া শিল্প নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বড় কারখানাগুলোকে নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুবিধা গড়ে তুলতে উৎসাহিত করা হবে এবং ছোট কারখানার জন্য কেন্দ্রীয় সুবিধা বজায় রাখা হবে। পাশাপাশি শিল্পবর্জ্য পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশে ইতালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নিবন্ধন প্রক্রিয়াও আলোচিত হয়। বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং শিল্প সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এবং দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল)-এর মধ্যে পৃথক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতার উদ্দেশ্য হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত মৌলিক পাঠ্যবই প্রণয়ন, গবেষণালব্ধ, একাডেমিক ও অনুবাদধর্মী প্রকাশনা কার্যক্রমকে জোরদার করা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানে এসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। দুপুরে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের কনফারেন্স হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ আজম সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে রাজধানীর ফার্মগেটের আরএইচ হোম সেন্টারে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর আমানুল্লাহ এবং ইউপিএলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহরুখ মহিউদ্দীন স্বাক্ষর করেন।
তৃতীয় সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয় রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) কার্যালয়ে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর আমানুল্লাহ এবং পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ এতে স্বাক্ষর করেন।
এই সমঝোতাগুলোর ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের একাডেমিক এবং গবেষণাকর্ম বই আকারে প্রকাশের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে। বাংলা একাডেমির সাহিত্য, ভাষা ও গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনা-অভিজ্ঞতা, পিআইবির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমবিষয়ক প্রকাশনা দক্ষতা এবং ইউপিএলের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমিক প্রকাশনা অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন বই ও গবেষণাধর্মী প্রকাশনা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য বই প্রকাশ নয়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে গবেষণা, অনুবাদ, জ্ঞানচর্চা ও একাডেমিক প্রকাশনার একটি শক্তিশালী পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এর ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর কাছে নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত জ্ঞানভিত্তিক উপকরণ পৌঁছানোর পাশাপাশি শিক্ষক-গবেষকদের সৃজনশীল ও গবেষণা দিয়ে প্রকাশনা তৈরি করা সহজ হবে।
সমঝোতা স্বাক্ষর বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আমানুল্লাহ মন্তব্য করেন, "আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ৪ হাজার কোর্স চালু থাকলেও মানসম্মত মূল পাঠ্যবইয়ের চরম সংকট রয়েছে। এমনকি ১০টি ভালো মৌলিক পাঠ্যবই খুঁজে পাওয়াও কঠিন। একটি করে পাঠ্যবই প্রকাশ করা হলে ৪ হাজার বই প্রকাশ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সুনির্দিষ্ট প্যাডাগোজি বা শিক্ষণপদ্ধতিও গড়ে ওঠেনি।"
তিনি আরও বলেন, "বাজারে এখন নিম্নমানের গাইড বইয়ের সয়লাব। এর ফলে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় মূল পাঠ্যবই থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিজেই মানসম্মত মৌলিক পাঠ্যবই তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।"
ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, "একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দিয়ে নির্ধারিত হয় না; মানসম্মত পাঠ্যবই, গবেষণা এবং জ্ঞানভিত্তিক প্রকাশনাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সেই জায়গাটিকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে। বাংলা একাডেমি, পিআইবি ও ইউপিএলের সঙ্গে এই সহযোগিতা আমাদের সেই উদ্যোগকে আরও কার্যকর ও টেকসই করবে।"
সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা ও বিপণন দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. ফারুক আহম্মেদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ