০৫:১৯ পি.এম
শিল্পের পতন, বেকারত্ব, জলবায়ু অভিঘাত, আবাসন ও গণপরিবহনের সংকটের মধ্যেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পনগরী খুলনা নতুন করে জেগে ওঠার স্বপ্ন দেখছে। এটি বন্দর, বিনিয়োগ, তরুণ জনগোষ্ঠী এবং আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।
একসময় খুলনার সকাল শুরু হতো কলকারখানার সাইরেনে, শ্রমিকের পদচারণায় এবং শিল্পাঞ্চলের কর্মচাঞ্চল্যে। কিন্তু বর্তমানে খুলনার অনেক শিল্পচত্বর নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে। কিছু স্থানে বন্ধ কারখানার মরচে ধরা ফটক, পরিত্যক্ত যন্ত্রপাতি এবং জীবিকার তাগিদে পেশা বদল করা মানুষের দীর্ঘশ্বাস দেখা যায়। তবে, এই শহরের বুকেই নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর অমিত সম্ভাবনা এখনও বিদ্যমান। মোংলা বন্দরের বিস্তৃত অর্থনৈতিক বলয়, পদ্মা সেতুর মাধ্যমে যোগাযোগের নতুন বাস্তবতা, তরুণ জনগোষ্ঠী, কৃষি ও মৎস্যসম্পদ এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যের হাতছানি খুলনাকে নতুন অর্থনৈতিক পরিচয় দিতে পারে।
খুলনার বর্তমান চিত্র যেন এক শহরের দুই মুখ। একদিকে শিল্পের পতন, বেকারত্ব, জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, আবাসন ও গণপরিবহনের সংকট। অন্যদিকে বিনিয়োগ, শিল্প পুনরুজ্জীবন, কর্মসংস্থান এবং আধুনিক নগর হয়ে ওঠার সম্ভাবনা। সংকট ও সম্ভাবনার এই সন্ধিক্ষণে খুলনার সামনে একটি বড় প্রশ্ন রয়েছে- খুলনা কি কেবল অতীতের শিল্পঐতিহ্য আঁকড়ে ধরে থাকবে, নাকি সেই ঐতিহ্যের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নতুন অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবে?
আরও পড়ুন: নওগাঁ জেলা পুলিশের ঝটিকা অভিযান গত সন্ধ্যায় মহাদেবপুরের ০৯ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা ছিনতাই, রাতের মধ্যেই ৩ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত ০৯ লক্ষ ৩ হাজার টাকা উদ্ধার
খুলনার ইতিহাস কেবল একটি জনপদের নগর হয়ে ওঠার গল্প নয়। এটি শিল্পায়নকে কেন্দ্র করে একটি শহরের জন্ম, বিকাশ ও পরিবর্তনের ইতিহাস। একসময় খুলনা পাট, নিউজপ্রিন্ট, কাগজ, টেক্সটাইল, দেশলাইসহ নানা শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল। ভৌগোলিক অবস্থান, নদীপথের যোগাযোগ, মোংলা বন্দরের নৈকট্য এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও প্রাকৃতিক সম্পদ শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
বিশেষ করে খালিশপুর, দৌলতপুর ও আশপাশের শিল্পাঞ্চল একসময় কর্মচাঞ্চল্যের প্রতীক ছিল। ১৯৫০ ও ৬০-এর দশকে গড়ে ওঠা বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল শ্রমিক আবাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বাজার, সড়ক ও নাগরিক সুবিধা। একসময় এসবের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক কাজ করতেন। তবে, সময়ের পালাবদলে সেই চিত্র বদলে গেছে। একের পর এক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। উৎপাদন কমেছে, কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়েছে এবং বহু পরিবারের আয়ের ভিত্তি দুর্বল হয়েছে। ২০২০ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শিল্পনগরী খুলনার অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে।
শিল্পের পতন কেবল কয়েকটি কারখানার দরজায় তালা পড়ার ঘটনা নয়। এর অভিঘাত পুরো নগরজীবনে ছড়িয়ে পড়েছে। শ্রমিকের আয় কমেছে, ক্ষুদ্র ব্যবসার বাজার সংকুচিত হয়েছে এবং শিল্পাঞ্চলকেন্দ্রিক আবাসিক এলাকাগুলোতে অর্থনৈতিক স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। যে শহর একসময় কর্মসংস্থানের আশায় মানুষকে টানত, সেই শহর থেকেই এখন অনেক তরুণ কাজের সন্ধানে অন্যত্র পাড়ি জমাচ্ছেন।
শিল্পের চাকা থেমে গেলেও মানুষের জীবন থেমে থাকে না। খুলনার অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন বাস্তবতা, অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের বিস্তার। কেউ ফুটপাতে পণ্য বিক্রি করছেন, কেউ অটোরিকশা চালাচ্ছেন, কেউ ছোট দোকান খুলেছেন। আবার কেউ ঘরে বসে ক্ষুদ্র উদ্যোগ পরিচালনা করছেন, কেউ দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন। একসময় শিল্পকারখানায় কাজ করা মানুষের একটি অংশও এখন জীবিকার প্রয়োজনে পেশা পরিবর্তন করেছেন।
আরও পড়ুন: দুদক মহাপরিচালকের কাছে বরিশালের বাকেরগঞ্জের সাবেক কৃষি অফিসার রাসেল সিকদারসহ তিন জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ
জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক অভিঘাত খুলনার সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলার পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনপদগুলোতে জীবিকার অনিশ্চয়তা আরও প্রকট হয়ে ওঠে। লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, কৃষিজমির উৎপাদনক্ষমতা হ্রাস এবং ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবন-জীবিকাকে দুর্বল করেছে। বিশেষ করে কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা, বটিয়াঘাটা, সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর, বাগেরহাটের শরণখোলা, মংলা ও আশপাশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের একটি অংশ জীবিকার বিকল্প খুঁজতে খুলনা শহরমুখী হয়েছেন।
এতে শহরের ওপর বাড়ছে আবাসন, পানি, পয়োনিষ্কাশন, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবহনব্যবস্থার চাপ। অপরিকল্পিতভাবে শহরতলি বিস্তৃত হচ্ছে। কৃষিজমি, নিচু জমি ও জলাশয় ভরাট করে তৈরি হচ্ছে নতুন বসতি ও স্থাপনা। এর ফলে শহরের আয়তন বাড়ছে, অথচ অর্থনীতির পুরোনো ভিত্তি সংকুচিত হচ্ছে। ফলে প্রায় ১৮ লাখ মানুষের শহর হিসেবে পরিচিত খুলনায় গণপরিবহন সংকট এখন নগরজীবনের অন্যতম বড় দুর্ভোগ। শিক্ষার্থী, কর্মজীবী নারী, প্রবীণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সহজলভ্য, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহনব্যবস্থা নিশ্চিত করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।
এত সংকটের মধ্যেও খুলনার সামনে সম্ভাবনার সবচেয়ে বড় দুয়ারগুলোর একটি মোংলা বন্দর। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ হিসেবে এই বন্দরের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। পদ্মা সেতুর মাধ্যমে রাজধানী ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। ফলে মোংলা বন্দরকে ঘিরে আমদানি-রপ্তানি, পরিবহন, গুদামজাতকরণ, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও লজিস্টিকস খাতে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে, শুধুমাত্র বন্দরের সক্ষমতা বাড়লেই খুলনার অর্থনীতি বদলে যাবে না। প্রয়োজন বন্দর, শিল্প, কৃষি, মৎস্য, পরিবহন ও বিপণনব্যবস্থার মধ্যে কার্যকর সংযোগ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষিপণ্য, মাছ, চিংড়ি ও অন্যান্য উৎপাদিত পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে দেশি-বিদেশি বাজারে পৌঁছে দেওয়ার বিশাল সুযোগ রয়েছে। কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, হিমাগার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, রপ্তানিমুখী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং পরিবহনসেবায় বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে খুলনা আবারও উৎপাদন ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন: সাদামাটির স্বর্গভূমি দুর্গাপুর: অতীত, আদিবাসী জীবন ও আগামীর উন্নয়ন ভাবনা
একই সঙ্গে অব্যবহৃত শিল্পাঞ্চলগুলোকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। পুরোনো শিল্পজমিতে আধুনিক কারখানা, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের শিল্পকেন্দ্র, কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং সহায়ক বাণিজ্যিক অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব।
খুলনার আরেকটি বড় সম্পদ এর তরুণ জনগোষ্ঠী। বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোকে ঘিরে এখানে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ রয়েছে। কিন্তু শিক্ষিত তরুণদের সামনে বড় প্রশ্ন হলো-পড়াশোনা শেষে কাজ কোথায়? স্থানীয়ভাবে মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত থাকায় অনেকেই রাজধানী কিংবা দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলে চলে যাচ্ছেন।
কৃষিজমি শুধু ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্র নয়; এটি খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং শহরের সঙ্গে গ্রামের অর্থনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। একইভাবে খাল, জলাশয় ও প্রাকৃতিক জলাধার শহরের পানি নিষ্কাশন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য।
খুলনার উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে মাস্টারপ্ল্যান, স্ট্রাকচার প্ল্যান ও ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রণীত হয়েছে। কিন্তু এসব পরিকল্পনার কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে? কোন প্রস্তাব কার্যকর হয়েছে, কোনটি কাগজে রয়ে গেছে এবং কেন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি?
আরও পড়ুন: নিয়ামতপুর থেকে গোমস্তাপুরে সার পাচারের সময় ১৬ বস্তা সার আটক, ১৫ হাজার টাকা জরিমানা
শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ), খুলনা সিটি করপোরেশন, জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা এবং আশপাশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জরুরি। প্রয়োজন একটি সমন্বিত মহানগর ব্যবস্থাপনা কাঠামো, যেখানে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট থাকবে। পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন সময়সীমা, অর্থায়ন, দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ও পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, পরিকল্পনা প্রণয়নে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। শ্রমিক, নারী, শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, জলবায়ু অভিবাসী, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও নাগরিক সমাজের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। শহরের উন্নয়ন যেন কেবল জমির দাম বাড়ানো কিংবা বড় অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং কর্মসংস্থান, জীবনমান ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতিফলন ঘটায়।
খুলনার সামনে এখন দুটি বাস্তবতা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। একদিকে শিল্পের পতন, বেকারত্ব, জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, গণপরিবহন ও আবাসন সংকট। অন্যদিকে মোংলা বন্দর, আঞ্চলিক যোগাযোগ, কৃষি ও মৎস্যসম্পদ, তরুণ জনগোষ্ঠী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নতুন বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা। এই দুই বাস্তবতার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারলেই খুলনার অর্থনৈতিক ও নগরজীবনে নতুন অধ্যায় সূচিত হতে পারে।
এ জন্য প্রয়োজন এমন একটি উন্নয়ন দর্শন, যেখানে শিল্পায়ন হবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির হাতিয়ার, নগর পরিকল্পনা হবে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যম, পরিবেশ সংরক্ষণ হবে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার ভিত্তি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল পৌঁছাবে সমাজের সব স্তরে।
আরও পড়ুন: রহনপুরে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার বিক্রি, ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ম্যানেজারের ৭ দিনের কারাদণ্ড
খুলনার পুরোনো শিল্পঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার অর্থ অতীতের হুবহু পুনরাবৃত্তি নয়। বরং সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর ও বহুমুখী অর্থনীতির ভিত্তি নির্মাণ করা।
যে শহরের বুক থেকে শিল্পের সাইরেন হারিয়ে গেছে, সেই শহরেই আবার নতুন কর্মচাঞ্চল্যের শব্দ ফিরে আসতে পারে। খালিশপুরের বন্ধ শিল্পাঞ্চলে জ্বলতে পারে নতুন উৎপাদনের আলো। মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ছড়িয়ে পড়তে পারে নগরের অলিগলি থেকে গ্রামীণ জনপদে। তরুণদের মেধা ও শ্রম হয়ে উঠতে পারে অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি। খুলনাকে তাই আর শুধু একসময়ের শিল্পনগরী হিসেবে পরিচয় দিলে চলবে না। তাকে হয়ে উঠতে হবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আধুনিক অর্থনীতি, বাণিজ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব নগর উন্নয়নের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে।
কারণ খুলনার ভবিষ্যৎ কেবল তার হারিয়ে যাওয়া শিল্পের স্মৃতিতে নয়, বরং নতুন সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহস, পরিকল্পনা ও সক্ষমতার মধ্যেই লুকিয়ে আছে। সংকটের ধূসর ক্যানভাসে সম্ভাবনার রঙ ছড়িয়ে খুলনা আবারও জেগে উঠুক-শিল্পের নগরী থেকে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ এক ভবিষ্যতের খুলনা হয়ে।
আরও পড়ুন: ৭ই নভেম্বরের র্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতির ঘোষণা বিএনপির সভায়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন