ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার ১৮ দেশের জন্য বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে: বাণিজ্য সচিব


সরকার ১৮ দেশের জন্য বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে: বাণিজ্য সচিব

ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান জানিয়েছেন, দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং তৈরি পোশাকনির্ভরতা কমানোর জন্য পণ্য ও বাজার উভয় ক্ষেত্রেই বৈচিত্র্য আনতে একটি সমন্বিত কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার।

তিনি উল্লেখ করেন, এ লক্ষ্যে বিশ্বের ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক গন্তব্যের বাজার সম্ভাবনা, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, প্রতিযোগী দেশগুলোর অবস্থান এবং বাংলাদেশের করণীয় বিশ্লেষণ করে পৃথক বাজারভিত্তিক রপ্তানি কৌশল তৈরি করা হচ্ছে।

আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ডাইভার্সিফিকেশন স্ট্র্যাটেজি : প্রোডাক্ট অ্যান্ড মার্কেট ডাইভার্সিফিকেশন অ্যাক্রস ১৮ কি ট্রেডিং ডেস্টিনেশনস’ শীর্ষক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: অক্টোবরের ২৬ দিনে দেশে এসেছে ২৪৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

বাণিজ্য সচিব আরও বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি আরো শক্তিশালী ও টেকসই করতে পণ্য ও বাজার— দুই ক্ষেত্রেই বৈচিত্র্য আনার ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে নির্বাচিত ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি গন্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশভিত্তিক প্রোফাইল এবং বাস্তবায়নযোগ্য কৌশল প্রস্তুত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক উইং থেকে সংশ্লিষ্ট বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা, বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পণ্য এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব তথ্য সমন্বয় করে প্রতিটি দেশের জন্য পৃথক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

মো. আতাউর রহমান খান বলেন, বাজার বিশ্লেষণের জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যাট্রিক্স অনুসরণ করা হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির অংশ, নির্দিষ্ট পণ্যে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় এবং বাজার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ বাজার বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় নতুন পণ্য চিহ্নিত করার পাশাপাশি বিদ্যমান পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং নতুন বাজারে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: সার আমদানি কমাতে তিনটি বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ

কর্মশালায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে শুধু পণ্য নয়, সেবা রপ্তানিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি তথ্যপ্রযুক্তি, দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতি ও সক্ষমতাবর্ধক সেবা খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সারদের বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে উৎপাদন ও সেবা খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ভৌগোলিক নৈকট্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ জোরদার করা প্রয়োজন।

কর্মশালায় বিজিএমইএ, ফ্লেক্সা, সিপিডি, ওয়ালটন গ্রুপ, বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন এবং ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা রপ্তানি সম্প্রসারণে তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেন। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: জ্বালানি আমদানির দায় মেটানোর চাপে বাড়ল ডলারের দাম

অংশগ্রহণকারীরা তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, কৃষি ও কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য সেবা খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক গন্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রণীত এ কৌশল বাংলাদেশের রপ্তানির ভিত্তি বিস্তৃত করা, নতুন পণ্য ও বাজার সৃষ্টি, বিদ্যমান বাজারে রপ্তানি বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদে বহুমুখী ও টেকসই রপ্তানি কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিমের তীব্র সমালোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিমের তীব্র সমালোচনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিম হাসনাত আবদুল্লাহর ঘোষিত ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

হামিম সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে আহ্বান জানান যে, কর্মসূচিতে কেউ যেন অর্থ প্রদান না করেন। তিনি হাসনাত ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগও উত্থাপন করেন।

পোস্টে হামিম উল্লেখ করেন, এর আগে বন্যার অনুদানের অর্থ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল এবং বর্তমানে ‘গণভিক্ষা’ কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে হামিম তার অভিযোগের পক্ষে পোস্টে কোনো নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

হামিম আরও দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর হাসনাতদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জীবনযাপনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি পোশাক, মোবাইল ফোন, সাইকেল ও গাড়ির উদাহরণ তুলে ধরেন।

এমন পরিস্থিতিতে কেন অর্থ সংগ্রহের প্রয়োজন হচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলে হামিম বলেন, কেউ যেন কথিত ‘ভিক্ষা কর্মসূচিতে’ টাকা প্রদান না করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এইভাবে অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে অতীতে অর্জিত কথিত ‘কালো টাকা সাদা’ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পোস্টের শেষ দিকে কর্মসূচি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে হামিম লেখেন, ‘সাধু সাবধান।’

এর আগে সোমবার হাসনাত আবদুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ ঘোষণার কথা জানান। তিনি এটিকে চাঁদাবাজির বিকল্প হিসেবে ‘পুনর্বাসন দানবক্স’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বাংলামোটরে বিকেল ৪টায় বিশেষ দানবক্স স্থাপনের কথা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের স্ত্রী ফাতেমা মামুন ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের স্ত্রী ফাতেমা মামুন ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন

অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার ফাতেমা মামুনের মৃত্যু ঘটেছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৫ বছর। তিনি অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের স্ত্রী ছিলেন।

পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ফাতেমা মামুনের মৃত্যু ঘটে।

ফাতেমা মামুন তার মেয়ে রয়া মুনতাসীর, দুই ছেলে মিসবাহউদ্দিন মুনতাসীর ও নাবিল মুনতাসীর এবং পাঁচজন নাতি–নাতনি রেখে গেছেন।

চাঁদপুরের কচুয়ায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত তালিকা প্রণয়ন এবং প্রতিবেদন তৈরির সুপারিশ করেছে স্থায়ী কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত তালিকা প্রণয়ন এবং প্রতিবেদন তৈরির সুপারিশ করেছে স্থায়ী কমিটি

ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঠিক তালিকা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত তালিকা প্রণয়ন করে প্রতিবেদন তৈরির সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিটি আহত জুলাইযোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে দেশের বাহিরে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।

আজ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ ভবনে, যেখানে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. মনিরুল হক চৌধুরী।

বৈঠকে সুপারিশ করা হয়েছে যে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শও দেওয়া হয়। বৈঠকে বিগত বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়।

বৈঠকে গত ৬ মাসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে এবং মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় সম্মান প্রদানের বিষয়ে সচেষ্ট থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, মো. আব্দুল হান্নান এবং রোকেয়া বেগম।

এছাড়া বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন ভাই-বোনের পর নিখোঁজ বাবার ম-র-দে-হ উদ্ধার, নি-হ-তে-র সংখ্যা বেড়ে ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


তিন ভাই-বোনের পর নিখোঁজ বাবার ম-র-দে-হ উদ্ধার, নি-হ-তে-র সংখ্যা বেড়ে ৫

কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার সময় মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের (৫৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে পৌঁছেছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীর শাখা নদী মারিখালীর রতনপুর ব্রিজের নিচ থেকে চার দিন নিখোঁজ থাকার পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহ কামাল বলেন, ‘নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই। ট্রলারডুবির ঘটনায় দুর্ঘটনাজনিত একটি মামলা হয়েছে।’

এর আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ও শনিবার সকালে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদী থেকে একই পরিবারের তিন ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) এবং দুই ছেলে সজীব হোসেন (২৪) ও সামিন হোসেন (৫)। এছাড়া ঘটনার দিন রাশিদা বেগম (৪০) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা।

নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের হাড়িয়া বৈদ্যেপাড়া গ্রামের শাহ পরানের মেয়ে সাজিয়া আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে আসছিলেন ১৩ আত্মীয়স্বজন। ট্রলারটিতে দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল।

সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কম্পানির কারখানার কাছে পৌঁছালে নদীতে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। এতে নদীতে বড় ঢেউ সৃষ্টি হলে ট্রলারে পানি উঠতে শুরু করে। একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

এ সময় কাছাকাছি থাকা আমান সিমেন্ট কারখানার একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে। প্রায় আধাঘণ্টা পর নদী থেকে রাশিদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তখন চারজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে আরো তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলে একজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে আজ সোমবার নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%