বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৯ এম
প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ইতিহাস চিন্তাচেতনা ও প্রেরণার উৎস। ইতিহাসই আমাদের পথ দেখায় নতুন নতুন দিগন্তের। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন অনেক জ্ঞানী-গুণী। বিশ্বজুড়ে ঘটেছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঘটনা।
আজ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বুধবার)। নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটিও গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জেনে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
ঘটনাবলি :
১৮১২ - মস্কো শহরে এক অগ্নিকাণ্ডে এক দিনে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ শহর পুড়ে গিয়েছিল।
১৯০৮ - জেনারেল মোটরস করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২০ - ওয়াল স্ট্রিটে জেপি বিল্ডিংয়ের সামনে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ হলে ৩৮ জন মারা যান এবং প্রায় ৪০০ লোক আহত হন।
১৯৩১ - হিজলি জেলে রাজবন্দিদের ওপর পুলিশ গুলি চালায়।
১৯৩১ - লিবিয়ায় ইতালির উপনিবেশবিরোধী স্বাধীনতাকামী নেতা ওমর মুখতারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।
১৯৩৯ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর প্রথম মাসে জার্মানির সেনারা পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশো অবরুদ্ধ করে ফেলে।
১৯৪০ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়স্ক পুরুষদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়।
১৯৪১ - ইরানের রেজা শাহ পাহলভি সিংহাসন পরিত্যাগ করেন।
১৯৫৩ - যুক্তরাষ্ট্রের রক্সি থিয়েটারে বিশ্বের প্রথম সিনেমাস্কোপ চলচ্চিত্র ‘দ্য রোব’ প্রদর্শিত।
১৯৫৫ - আন্তর্জাতিক কপিরাইট কনভেনশন চালু হয়।
১৯৭৫ - পাপুয়া নিউ গিনি স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৭৮ - রিখটার স্কেলে ৭.৫-৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ইরানের তারা শহরে প্রায় ২৫ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।
১৯৮৭ - বিশ্বের ২৭টি দেশ ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলকে রক্ষা করার জন্য ক্লোরোফ্লোরো কার্বন গ্যাস ব্যবহারে বিধিনিষেধ প্রয়োগে চুক্তিবদ্ধ হয়।
জন্ম :
১৫০৭ - জিয়াজিং ছিলেন চীন সম্রাট।
১৭৪৫ - মিখাইল কুটুযোভ ছিলেন রাশিয়ান ফিল্ড মার্শাল।
১৮৫৩ - লুডউইগ কার্ল মার্টিন লিওনার্দ অ্যালব্রেচ্ট কোসেল, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান প্রাণরসায়ন বিজ্ঞানী ও জিনতত্ত্ব অধ্যয়নের অন্যতম পথিকৃৎ।
১৮৫৮ - বোনার ল ছিলেন কানাডিয়ান স্কটস-মহাজন, রাজনীতিবিদ ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।
১৮৫৯ - ইউয়ান সিকাই ছিলেন চীনা রাজনীতিবিদ ও চীন প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি।
১৮৮৮ - ফ্রান্স ঈমিল সিল্লানপা ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিনিশ লেখক।
১৮৯৩ - আলবার্ট সযেন্ট-গায়র্গী ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান শারীরবিজ্ঞানী ও প্রাণরসায়নবিদ।
১৮৯৩ - গিরিজাপতি ভট্টাচার্য ছিলেন বিজ্ঞান গবেষক ও সাহিত্যিক।
১৯২৩ - লি কুয়ান ইউ ছিলেন সিঙ্গাপুরের আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
১৯২৭ - পিটার ফক আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক ও প্রযোজক।
১৯৩২ - মিকি স্টুয়ার্ট ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ।
১৯৫২ - মিকেয় রউরকে আমেরিকান মুষ্টিযোদ্ধা, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৫৯ - ডেভিড জন রিচার্ডসন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার, ম্যানেজার ও আইনজীবী।
১৯৬৬ - অশঙ্কা প্রদীপ গুরুসিনহা শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার।
১৯৬৮ - ওয়াল্ট বেকার আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৬৮ - মার্ক এন্থনি আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা ও প্রযোজক।
১৯৭১ - এমি পোয়েহলের আমেরিকান অভিনেত্রী, কৌতুক অভিনেতা ও প্রযোজক।
১৯৭৬ - টিনা বারেট ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী।
১৯৮১ - ফ্যান বিংবিং চীনা অভিনেত্রী, গায়ক ও প্রযোজক।
১৯৮১ - অ্যালেক্সিস বলেডেল আমেরিকান অভিনেত্রী।
১৯৮৪ - সেরগিনহ কাটারিনেন্সে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮৪ - কেটি মেলুয়া জর্জিয়ান বংশোদ্ভূত ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও গিটার।
১৯৯২ - নিক জোনাস আমেরিকান গায়ক, গীতিকার ও গিটারিস্ট।
মৃত্যু :
১৭৩৬ - ড্যানিয়েল গ্যাব্রিয়েল ফারেনহাইট, তিনি ছিলেন পোলিশ ডাচ পদার্থবিদ, প্রকৌশলী ও থার্মোমিটার উদ্ভাবক।
১৭৮২ - ফারিনেলি, তিনি ছিলেন ইতালীয় গায়ক।
১৯২৫ - আলেক্সান্দ্র আলেক্সান্দ্রোভিচ ফ্রিদমান, তিনি ছিলেন রাশিয়ান পদার্থবিদ ও গণিতবিদ।
১৯৩১ - ওমর মুখতার, তিনি ছিলেন প্রখ্যাত লিবীয় স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা।
১৯৩২ - রোনাল্ড রস, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ চিকিৎসক।
১৯৪৪ - গুস্টাভ বাউয়ের, তিনি ছিলেন জার্মান সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১১তম চ্যান্সেলর।
১৯৪৬ - জেমস হপউড জিনস, তিনি ছিলেন প্রখ্যাত ইংরেজ প্রাবন্ধিক ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি লেখক।
১৯৫৭ - কই বাইসই, তিনি ছিলেন চীনা চিত্রশিল্পী।
১৯৬৫ - ফ্রেড কুইম্বি, তিনি ছিলেন প্রখ্যাত মার্কিন এ্যানিমেশন নির্মাতা।
২০০৭ - রবার্ট জর্ডান, তিনি ছিলেন আমেরিকান প্রকৌশলী ও ‘হুইল অব টাইম’ সিরিজ বইয়ের লেখক।
২০০৯ - টিমোথি বেটসন, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেতা।
দিবস :
আজ বিশ্ব ওজোন স্তর রক্ষা দিবস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে তিনটি পরিবারকে ‘অবরুদ্ধ’ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে দুর্ভোগে রয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের বিকল্প একটি রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
সম্প্রতি ভৈরব পৌর শহরের চণ্ডীবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন—মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির মাঝখানের চলাচলের উঠান/রাস্তার অংশটি বাঁশ ও টিন দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবার এই পথ ব্যবহার করে আসছিল। হঠাৎ করে পথটি বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। এখনো ভাইদের মধ্যে কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ কয়েকজন আমাদের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা করেন। পরে তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা নিজেদের পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল ইসলামসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে বেড়া দিয়ে আমাদের চলাচল বন্ধ করে রেখেছে। প্রতিবাদ করতে গেলে তারা ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে বলে, তাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলে তাদের নামও নেই।”
তিনি অভিযোগ করেন, মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে কয়েকজন ব্যক্তি তাদের চলাচলের পথ বন্ধ করেছেন। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চলাচলের পথটি উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ ছাড়া বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি। ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গাও করে দেওয়া হয়েছে।”
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিওনেল মেসি ঘরের মাঠে তার বর্ণময় ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটানোর সুযোগ পাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পরেও, দেশের হয়ে শেষবার মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছেন এই বিশ্বকাপজয়ী তারকা।
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) আগামী ৬ অক্টোবর বেনিনের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচে মেসিকে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
এএফএ সভাপতি ক্ল Claudio তাপিয়া সামাজিক মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, “বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়, আমাদের দলের প্রতীক, অধিনায়ক লিওনেল আন্দ্রেস মেসিকে ৬ অক্টোবর আর্জেন্টিনার মাটিতে তার প্রাপ্য বিদায়ের জন্য খেলতে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।”
তাপিয়া আরও বলেন, “লিওনেল আমাদের এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তাই কাতার বিশ্বকাপে তার সঙ্গে শিরোপাজয়ী সকল সতীর্থ ও তাদের পরিবারকেও আমরা আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। যাতে সবাই এই অবিস্মরণীয় ম্যাচের অংশ হতে পারেন। বিশ্বসেরা খেলোয়াড়ের শেষ পারফরম্যান্সের সাক্ষী হওয়ার জন্য আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সব সমর্থককে স্বাগত।”
ফিফার আন্তর্জাতিক সূচির ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবরের মধ্যে ঘরের মাঠে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। এটি বিশ্বকাপের পর তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচের সিরিজ হবে।
সূচি অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর কর্দোবার মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। এরপর ৩ অক্টোবর বুয়েনস আয়ার্সে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে খেলবে তারা। আর ৬ অক্টোবর একই শহরের ঐতিহাসিক মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই ম্যাচেই মেসিকে বিদায়ী ম্যাচ খেলতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
তবে বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিতে দর্শক উপস্থিতি থাকবে ৫০ শতাংশ কম। বিশ্বকাপ চলাকালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কারণে ফিফার নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এএফএ জানিয়েছে, ৬ অক্টোবরের শেষ প্রীতি ম্যাচে মেসির সঙ্গে থাকবেন রদ্রিগো দি পল ও জিওভানি লো সেলসো। এদিকে স্থানীয় লিগের খেলোয়াড়দের নাম আগামী শুক্রবার ঘোষণা করা হবে।
গত মাসেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। তবে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের জন্য ৬ অক্টোবরের ম্যাচটি ৩৮ বছর বয়সি এই তারকার সঙ্গে দেশের জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠ ভাগ করে নেওয়ার সম্ভাব্য সুযোগ হতে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বিদায় এখনও বাকি। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেও জাতীয় দলের হয়ে আনুষ্ঠানিক বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক। আগামী ৬ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শেষবারের মতো আকাশি-নীল জার্সিতে মাঠে নামবেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক ঘোষণায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বিদায়ী ম্যাচ উপলক্ষে মেসিকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এএফএর সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া জানান, মেসির সঙ্গে আলোচনা করেই তাকে এই বিশেষ ম্যাচে খেলার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
তাপিয়া বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়, আমাদের অধিনায়ক ও আইকন লিওনেল আন্দ্রেস মেসিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি, যাতে তিনি নিজের দেশের মাটিতে প্রাপ্য সম্মান নিয়ে জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে পারেন।’
মেসির বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে বিশেষ আয়োজনও করছে এএফএ। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের সব সদস্য ও তাদের পরিবারকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে জাতীয় দলের দীর্ঘ ও গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি সতীর্থদের সঙ্গেই উদযাপন করতে পারবেন মেসি।
ফিফার আন্তর্জাতিক উইন্ডো উপলক্ষে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবরের মধ্যে ঘরের মাঠে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। ৩০ সেপ্টেম্বর কর্দোবার মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে দলটি। এরপর ৩ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।
সবশেষে ৬ অক্টোবর মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে মেসির বিদায়ী ম্যাচ। এএফএ জানিয়েছে, এই ম্যাচে তার সঙ্গে থাকবেন রদ্রিগো দে পল ও জিওভানি লো সেলসো।
গত আগস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দেন মেসি। ২০২৬ বিশ্বকাপের পর আর জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন না বলে জানিয়েছিলেন তিনি। সেই ঘোষণার পর বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটিই হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনার হয়ে তার আনুষ্ঠানিক শেষ ম্যাচ।
বিদায়ী ম্যাচের জন্য ঘোষিত দলে মেসির পাশাপাশি রয়েছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো দে পল, জুলিয়ান আলভারেজ এবং লাওতারো মার্তিনেজের মতো তারকা ফুটবলাররা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনের কবল থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশে বর্তমানে গণতন্ত্র একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে শুরু করেছে। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় আসার পর গণতন্ত্রহীন মানুষ আবারও গণতন্ত্রের স্বাদ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে দেশে গুমের ঘটনা নেই, নেই ক্রসফায়ার। বাকস্বাধীনতা এখন অবারিত।
গণমাধ্যম এখন পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে। সংসদে এবং রাজপথে বিরোধীদল অবাধে কথা বলার এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ পাচ্ছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আদালতে আর ফরমায়েশি রায় দেওয়া হয় না। নিয়োগ ও পদোন্নতি এখন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হচ্ছে, দলীয় বিবেচনা নয়।
দেশে সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন পর তাদের মালিকানা ফিরে পেয়েছে। বছরের পর বছর গণতন্ত্র থেকে বঞ্চিত থাকার পর জনগণ এখন গণতন্ত্রের প্রকৃত মূল্য অনুধাবন করতে পারছেন।
তবে বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক পথচলার ইতিহাস সহজ ছিল না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে। তার শাসনামলে দীর্ঘ সময় ধরে দমন-পীড়ন ও রক্তক্ষয়ী রাজনৈতিক ইতিহাসের সাক্ষী ছিল এই দেশ।
শেখ হাসিনার শাসনামলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছিল; রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও জনআস্থা তলানিতে ঠেকেছিল। নির্বাচনগুলো বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছিল। বিরোধী রাজনীতি ছিল প্রচণ্ড চাপের মুখে। গণমাধ্যমের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের বদলে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও গণতন্ত্র পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো শেখ হাসিনার শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, নাগরিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের চরম অবনতির কথা নথিভুক্ত করেছে।
২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্ত ছিল সবচেয়ে বিতর্কিত। এর ফলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করে। ওই নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি। অন্যদিকে, ২০১৮ সালের নির্বাচন ‘মধ্যরাতের নির্বাচন’ হিসেবে পরিচিতি পায়। ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনকে ‘ডামি নির্বাচন’ বলা হয়।
হাসিনার আমলে বিরোধী দলগুলো—বিশেষ করে বিএনপি গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা, সভা-সমাবেশে বাধা ও রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছে। বিএনপির দাবি অনুযায়ী, প্রায় দেড় লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ৬০ লাখের কাছাকাছি মামলা দায়ের করা হয়। রাজনৈতিকভাবে প্রভাব খাটিয়ে অনেক বিরোধী নেতাকে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড ও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
শুধু রাজনৈতিক নেতারা নন, সাংবাদিক এমনকি গণমাধ্যমের সম্পাদক কিংবা সাধারণ নাগরিকরাও সরকারের সমালোচনা করায় আইনি চাপের মুখে পড়েন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ ছিল বিরোধী কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করার নিষ্ঠুর এক হাতিয়ার।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ৫২০ জনকে এই আইনের আওতায় অভিযুক্ত করা হয় এবং অন্তত ৯৭ জন সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের গুমের ঘটনা ছিল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ভয়াবহ রূপের একটি প্রতীক। করোনা মহামারীকালে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর ও লেখক মুশতাক আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে মুশতাক আহমেদ কারাবন্দী অবস্থায় মারা যান। অনলাইন টক শোতে নিজের মতপ্রকাশের কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী খাদিজাতুল কুবরাকে এক বছরের বেশি সময় কারাবন্দি থাকতে হয়।
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার শাসনামলে গণমাধ্যমের ওপরও অব্যাহত চাপ ছিল। আমার দেশ, দৈনিক দিনকাল, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি ও চ্যানেল ১-এর মতো বেশ কিছু গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন ছিল নিত্যনৈমিত্তিক। সরকারি তদন্ত কমিশন ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ১ হাজার ৫৬৯টি গুমের অভিযোগ পেয়েছে; যার মধ্যে ২৫১ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। লাশ উদ্ধার হয়েছে ৩৬ জনের। ‘আয়নাঘর’ ছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আতঙ্কের নাম।
এই দীর্ঘ নির্যাতন-নিপীড়নে তৈরি হওয়া জনরোষের চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের সেই আন্দোলন অচিরেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণে রূপ নেয়। সরকার শক্তি প্রয়োগ করলে এটি মৌলিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে পরিণত হয়। জাতিসংঘের তথ্য বলছে, জুলাই বিপ্লবে সহিংসতায় কমপক্ষে ১ হাজার ৪০০ মানুষ শহীদ হয়েছেন।
চব্বিশের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। কোটি কোটি বাংলাদেশির জন্য দিনটি ছিল একদিকে স্বৈরাচারের পতন এবং নতুন বাংলাদেশের সূচনার দিন।
তবে হাসিনার স্বৈরাচার সরকার অপসারণই শেষ কথা ছিল না। মূল চ্যালেঞ্জ ছিল গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পুনরুদ্ধার করা এবং ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন সেই পথ তৈরি করে দেয়। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করে। ১৭ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
নতুন সরকারের প্রাথমিক কর্মসূচিগুলো গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তারেক রহমানের আচরণে সরলতা, সংযম ও সেবার মানসিকতা ফুটে উঠেছে। তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ভোগের বিষয় হিসেবে নয়, দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন। প্রতিশোধমুক্ত রাজনীতির চর্চার ওপর তার গুরুত্ব আরোপ দেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে এমন একটি রাষ্ট্র গড়ার কথা বলেছেন, যেখানে রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার পাবে।
গণতন্ত্র কেবল ভোটপ্রাপ্তির সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। ভোটের পর সরকার কীভাবে আচরণ করে, তার ওপরও গণতন্ত্রের মূল্যায়ন হয়। সমালোচকদের সরকার কীভাবে দেখে, এটির মধ্যেই সরকারে গণতান্ত্রিক চরিত্রের প্রমাণ মেলে। অবশ্যই বিরোধী দলকে কথা বলার, সাংবাদিকদের অনুসন্ধান করার এবং নাগরিকদের সমালোচনা করার অধিকার সরকারকে দিতে হবে। ভিন্নমত মানেই রাষ্ট্রদ্রোহিতা নয়, আর সমালোচনা কোনো অপরাধও নয়। নতুন বাংলাদেশে এই ধারণাগুলো এখন দৃশ্যমান। সংসদেও বিরোধী কণ্ঠস্বর সোচ্চার রয়েছে; রাজনৈতিক দলগুলো সভা-সমাবেশ করছে। গণমাধ্যম আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাধীন। জনগণও এখন প্রকাশ্যে সমালোচনা করার সুযোগ পাচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের এই পরিবর্তন আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হতে পারে। কিন্তু প্রায় দীর্ঘ দেড় যুগের ভয় আর উৎকণ্ঠার পর এসব পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক গুরুত্ব অপরিসীম। ক্ষমতা গ্রহণের পর বিএনপি সরকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও জনআস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করছে। এই সময়ে গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনো ঘটনা ঘটেনি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গণমামলা নেই, নেই গণমাধ্যম বন্ধের কোনো নজিরও। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ভিন্নমতের অধিকার এখন জনপরিসরের অংশ।
দেশ এখন রাজনৈতিক ভয়ের সংস্কৃতি থেকে গণতান্ত্রিক আশার আলোয় ফিরছে। তবে যাত্রা এখনও শেষ হয়নি, সামনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে লক্ষ্য স্পষ্ট, তাই নির্বাচন এখন অর্থবহ। বিরোধী রাজনীতির দাবি-দাওয়া জানানোর অধিকার ফিরে এসেছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার বদল হচ্ছে ভোটের মাধ্যমে। আর দায়িত্ব নেওয়া নতুন নেতৃত্ব সরলতা, সহনশীলতা ও সংযমকে শাসনের গুণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।
তাহলে আজকের বাংলাদেশের গল্প কেবল একটি সরকারের পতন বা অন্য কারও উত্থানের গল্প নয়। এটি একটি জাতির তার গণতান্ত্রিক সত্তাকে নতুন করে গড়ার গল্পও।
দীর্ঘ গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণের পর বাংলাদেশ এখন ফের সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে কেবল গণতন্ত্রই ফেরেনি, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শক্তিশালী ভিত্তিও স্থাপিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ