০৩:২৭ পি.এম
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছেন যে, "ভারতের জনগণ একদিকে, আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল অন্যদিকে অবস্থান করছেন।" তিনি এই মন্তব্যটি সোমবার (১২ অক্টোবর) দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে এক সংবাদ সম্মেলনে করেন।
রাহুল গান্ধী প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, "নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে দিল্লিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন চলছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ইস্যুতে বিরোধী দলগুলো ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে।
তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগও রয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন: এনআইডি সার্ভারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন
রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, "জ্ঞানেশ কুমারকে যত বেশি আড়াল করা হবে, ততই এই প্রক্রিয়ার পেছনে কারা রয়েছেন, তা স্পষ্ট হবে।"
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলে সোমবার বিরোধী দলগুলোর সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মিছিল করার কর্মসূচি ছিল। মিছিলের মাধ্যমে ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়, যাতে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি তোলা হবে।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার কেন্দ্রীয় দিল্লির ছয়টি মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয় এবং বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, রয়টার্স
আরও পড়ুন: জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় থমকে গেল বিলাসবহুল প্রমোদতরি, কম্বোডিয়ায় আটকা ২০০ যাত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন