ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বামীকে হারানোর পরে যান মনোবিদের কাছে! কী ভাবে ধীরে ধীরে শোক কাটিয়ে ওঠেন? মুখ খুললেন মন্দিরা


স্বামীকে হারানোর পরে যান মনোবিদের কাছে! কী ভাবে ধীরে ধীরে শোক কাটিয়ে ওঠেন? মুখ খুললেন মন্দিরা

অনুষ্ঠানে মন্দিরা জানান, ‘থেরাপি’ তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রায় ২০ বছর ধরে প্রয়োজনে মনোবিদের সাহায্য নিচ্ছেন তিনি। ২০ বছর আগে থেকে মনোবিদের সাহায্য কেন নিয়েছিলেন, সেটি প্রথমে জানান মন্দিরা। ২০২১ সালে অভিনেত্রী তথা সঞ্চালিকা মন্দিরা বেদী হারিয়েছেন তাঁর স্বামী রাজ কৌশলকে। সেই সময় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। মনের কথা উজাড় করেছিলেন সমাজমাধ্যমেও। এর পর তিনি মনোবিদের সাহায্য নিয়েছিলেন। সেই সময়ে তাঁর মনের অবস্থা কেমন ছিল, সে সম্পর্কেrecently এক অনুষ্ঠানে মুখ খুললেন মন্দিরা।

অনুষ্ঠানে মন্দিরা বলেন, ‘থেরাপি’ তাঁর জীবনের একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে প্রয়োজনে মনোবিদের সাহায্য নিচ্ছেন। ২০ বছর আগে প্রথম বার প্রয়োজনে মনোবিদের সাহায্য কেন নিয়েছিলেন, সেটিও বিস্তারিতভাবে জানালেন। জানালেন, “প্রায় ২০ বছর আগে প্রথম বারের জন্য থেরাপি নিতে গিয়েছিলাম। যখন আমি মাকে জানালাম যে আমি থেরাপি সেশনে গিয়েছি, মা বলেছিলেন, ‘কেন? তোমার কী হয়েছে?’ আমি বলেছিলাম যে, আমার মনের ভিতরে যা চলছিল, সেটি কাউকে বলতে চাইছিলাম। তখন মা বলেন, ‘আমাকে বলতে পারতে।’ কিন্তু আমি তাতে রাজি হইনি।”

এর পর আবেগপ্রবণ হয়ে মন্দিরা মন্তব্য করেন, “যখনই মনে হয়েছে আমার জীবনে কিছু ঠিক নেই বা ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে, তখনই আমি মনোবিদের সাহায্য নিয়েছি। সব সময়েই উপকার পেয়েছি। আমার স্বামীকে হারানোর পর মনোবিদের সঙ্গে নিয়মিত কথাবার্তাই শোক কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। স্বামীকে হারানোর পরে আবারও আমি থেরাপির আশ্রয় নিয়েছিলাম।”

আরও পড়ুন: শাহরুখের ৬১তম জন্মদিনে ‘মান্নাত’-এ দেখা মিলবে না

মন্দিরা ১৯৯৯ সালে পরিচালক রাজ কৌশলকে বিয়ে করেন। তাঁদের পুত্র বীরের জন্মের পর ২০২০ সালে শিশুকন্যাকে দত্তক নেন, কন্যার নাম তারা। ২০২১ সালের জুন মাসে ৫০ বছর বয়সে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে রাজ কৌশলের মৃত্যু হয়। তাঁর পর থেকেই সন্তানদের একাই মানুষ করছেন মন্দিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ভিত্তিহীন, যা হচ্ছে তা প্রতারণা: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ এম


প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ভিত্তিহীন, যা হচ্ছে তা প্রতারণা: শিক্ষামন্ত্রী

চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মন্ত্রী বলেছেন, কোথাও কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে না। সামাজিক মাধ্যম ও টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে যা ছড়ানো হচ্ছে, সেটি কেবল একটি প্রতারণার অংশ।

গতকাল রোববার, রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চারটি নতুন পাঠ্যবইয়ের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালার উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে দুই মাসের প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ে যোগদান করানো হবে। এ ছাড়া ২০২৮ সাল থেকে নতুন দক্ষতাভিত্তিক জাতীয় শিক্ষাক্রম চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রতিটি বিষয়ের জন্য শিক্ষক গাইড, ওয়র্কবুক, রেমিডিয়াল গাইড ও ভিডিও লেসন চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক শিক্ষামন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে টেলিগ্রামে পরিচালিত ‘রেজাল্ট ফিক্স বিডি’ নামে একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এইচএসসির প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলে ধরেন। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সাইবার অপরাধীরা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সংবাদ পরিবেশনের সময় গণমাধ্যমকে এমনভাবে বিষয়টি তুলে ধরতে হবে, যাতে প্রশ্ন ফাঁসের ভুল ধারণা তৈরি না হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেটি সত্য নয়, সেটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়, যাতে মানুষের মধ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ধারণা তৈরি হয়। দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন করলে প্রতারকদের অপতৎপরতা অনেকটাই ব্যর্থ হবে। মানুষ যদি নিশ্চিতভাবে জানতে পারে– প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, তাহলে তারা অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন কেনার ফাঁদে পা দেবে না।’

এর আগে একই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ, সৃজনশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি অন্যতম হলো নামাজ। এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয়। নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা গুরুত্বপূর্ণ, সেজন্য এটি বেশ জরুরি।

সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নলিখিতভাবে উল্লেখ করা হলো-

জোহর- ১২.০৮ মিনিট

আসর- ৪.৪৩ মিনিট

মাগরিব- ৬.৫৩ মিনিট

এশা- ৮.১৭ মিনিট

ফজর (১৪ জুলাই)- ৩.৫৪ মিনিট

উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের জন্য সময় যোগ এবং বিয়োগ করতে হবে, সেগুলি হলো-

যোগ করতে হবে:

খুলনা: ৩ মিনিট

রাজশাহী: ৭ মিনিট

রংপুর: ৮ মিনিট

বরিশাল: ১ মিনিট

বিয়োগ করতে হবে:

চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট

সিলেট: ৬ মিনিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর মওকুফের অর্থ গবেষণা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যয়ের আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২১ এম


বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর মওকুফের অর্থ গবেষণা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যয়ের আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থের ব্যবহারের বিষয়ে শিক্ষার গুণগত মান ও গবেষণায় ব্যয়ের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, সরকারি নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তদারকি বা ‘সেলফ-রেগুলেশন’ অধিক জরুরি।

রোববার (১২ জুলাই) দি ওয়েস্টিন ঢাকায় বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি আয়োজিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৭ বাস্তবায়নে দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা, উদ্ভাবন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় সভায় এই সব কথা বলেন।

২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের অর্থনৈতিক মূলধারার বাইরে থাকা সমস্ত খাত ও প্রান্তিক জনগণের জিডিপির আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, জিডিপি শুধু শিল্পকারখানার উৎপাদন নির্দেশ করে না; থিয়েটার, মিউজিক, চারুকলা এবং গ্রামীণ কুটিরশিল্পের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে আর্থিক মূল্যায়ন করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষা একটি অলাভজনক খাত, যেখানে মুনাফা করার সুযোগ নেই। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া দুর্বল অর্থনীতি, প্রচুর অভ্যন্তরীণ বকেয়া এবং প্রায় ২৩৫ বিলিয়ন ডলার পাচারের মতো কঠিন পরিস্থিতি কারণে সত্ত্বেও আমরা নীতিগতভাবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী বছর থেকে এই ৫ শতাংশ করের টাকা আপনাদের কাছেই থাকবে। কিন্তু এই সাশ্রয় হওয়া অর্থ যেন শিক্ষার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বেঞ্চমার্ক অর্জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেটিং বৃদ্ধির জন্য গবেষণার কাজে ব্যয় করা হয়।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দল (বিএনপি) জন্মলগ্ন থেকেই বেসরকারি খাত-চালিত প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বাসী। সরকার একা সবকিছু করতে সক্ষম নয়, বরং সরকার কেবল সুবিধা দাতা।’ তাই দেশের টেকসই উন্নয়নে তিনি বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে চান।

বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে সরকারের নীতিমালায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এবারের বাজেটে সবকিছু ৫ বছরের জন্য সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে, যাতে ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে সক্ষম হন। আইসিটি খাতে বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ও স্থানীয় আইসিটি কোম্পানিগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দেশের পুঁজিবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুণগত মান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমাজে যাতে কোনো প্রশ্ন না ওঠে, সেদিকে নজর রাখার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আইন চাপিয়ে দিয়ে রেগুলেশন করতে বিশ্বাসী নয়। বরং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এবং তাদের সমিতিকে ‘সেলফ-রেগুলেশন’ বা আত্ম-নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিজেদের সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। দেশের নৈতিক অবক্ষয় দূর করার জন্য প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মামুন আহমেদ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণার প্রসারের জন্য সরকারের এই সময়োপযোগী এবং বেসরকারি খাত-বান্ধব দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। এছাড়া তারা জাতীয় উন্নয়নে সরকারের সাথে যৌথ অংশীদারিত্বে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় সাঁড়াশি অভিযানে হাজারের বেশি অভিবাসীর নথিপত্র যাচাই, আটক বহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ এম


মালয়েশিয়ায় সাঁড়াশি অভিযানে হাজারের বেশি অভিবাসীর নথিপত্র যাচাই, আটক বহু

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং জেলার হেন্টিয়ান ক্লাং এলাকায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে একটি বিশাল যৌথ অভিযান সম্পন্ন করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

রোববার (১২ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই আকস্মিক অভিযানে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিভিন্ন বাণিজ্যিক দোকানপাট, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং হোস্টেলের ওপর একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকায় বসবাসরত ও কর্মরত ১ হাজারেরও বেশি বিদেশি নাগরিকের নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে নিরাপত্তা বাহিনী।

এছাড়া, পুত্রাজায়া ও সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ, মালয়েশিয়া কোম্পানি কমিশন এবং সেলাঙ্গর অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রায় ২৫০ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে এই বিশেষ যৌথ অভিযানটি পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী আটককৃত প্রত্যেক ব্যক্তির ভ্রমণ নথিপত্র যাচাই করেন। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর আওতাধীন অতিরিক্ত সময় অবস্থান (ওভারস্টে) বা বৈধ নথিপত্র না থাকার মতো লঙ্ঘনগুলো শনাক্ত করা হয়। বিশেষত বাংলাদেশ, নেপাল, মিয়ানমার, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়।

এছাড়া, অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়দাতা এবং অবৈধ নিয়োগকর্তাদের চিহ্নিত করার ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরিচালিত এই তল্লাশির সময় বেশ কয়েকটি অস্থায়ী আবাসন থেকে অনৈতিক কার্যকলাপের প্রমাণ এবং নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রির মতো নানা অবৈধ কর্মকাণ্ডও উন্মোচন করেছে কর্তৃপক্ষ।

অভিযানে আটককৃত সকল বিদেশি নাগরিককে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এবং বিশদ তদন্তের জন্য ইতিমধ্যে সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অভিযানের চূড়ান্ত ফলাফল, মোট আটকের সংখ্যা এবং সুনির্দিষ্ট অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ আগামীকাল পুত্রজায়ায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান ওই সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের সার্বিক চিত্র তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%