ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিখোঁজ মোশরাফুল: তদন্তে নজর এখন স্ত্রীর দিকে


নিখোঁজ মোশরাফুল: তদন্তে নজর এখন স্ত্রীর দিকে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের ডুমুরগাছা গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত নাছের উদ্দিন আকন্দের ছেলে মো. মোশরাফুল আকন্দ গত ২০ জুলাই থেকে নিখোঁজ রয়েছেন

পরিবারের দাবি, গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের ভৌরাঘাটা এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে অবস্থানকালে তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মোশরাফুলের কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এদিকে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোশরাফুলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অংশ হিসেবে তার স্ত্রীর বক্তব্য ও ভূমিকার বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

আরও পড়ুন: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যেমন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পাশে ছিলেন, তেমনি ২০২৪ সালের আন্দোলনেও তাঁরা পাশে ছিলেন : প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে সব দিক বিবেচনায় রেখে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ক্ষুব্ধ তরুণদের হাতে হামলার শিকার ‘গোদি মিডিয়ার’ সাংবাদিকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৪ এম


ভারতে ক্ষুব্ধ তরুণদের হাতে হামলার শিকার ‘গোদি মিডিয়ার’ সাংবাদিকরা

ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন টেলিভিশন সাংবাদিক দেব কোটাক। তিনি বিক্ষোভকারীদের দ্বারা সরকারপন্থী ‘গোদি মিডিয়া’ বলা অভিযোগের সম্মুখীন হন। দেব কোটাক, যিনি ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল টাইমস নাও এর প্রতিবেদক, অভিযোগ করেন যে তিনি ভারতের প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান বিক্ষোভ কাভার করতে গিয়েছিলেন। তার পরিকল্পনা ছিল ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি সম্প্রচার করার। এর পরে, অনেক বিক্ষোভকারী ‘গোদি মিডিয়া’ স্লোগান দিতে দিতে তার ওপর আক্রমণ করে এবং মারধর শুরু করে। এই হামলার ঘটনাটি মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে অনেকে পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

দেব কোটাকের ওপর শারীরিক হামলার ঘটনা ব্যতিক্রমী হলেও, গত সপ্তাহ থেকে জোরালো হওয়া আন্দোলনে ভারতের মূলধারার প্রায় সকল টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদকর্মীদেরও বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। অনেককে সরকারপন্থী এবং ‘বিক্রি হয়ে যাওয়া’ গনমাধ্যমের প্রতিনিধি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩৬ বছর বয়সী দেব কোটাক বলেন, ‘উত্তেজিত জনতা আমাকে প্রায় মেরেই ফেলত। তারা ক্ষুব্ধ ছিল। তাদের ধারণা, গণমাধ্যম তাদের বক্তব্য তুলে ধরেনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে চড়, লাথি ও ঘুষি মারা হয়েছে। পানির বোতলও ছুড়ে মারা হয়। আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তখন শুধু জীবিত অবস্থায় সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছি।’

সোমবার সংসদ ভবনের দিকে বিক্ষোভকারীদের পদযাত্রায় পুলিশ দমন-পীড়ন করে। এই দমন-পীড়নে বহু শিক্ষার্থী আহত হন। কোটাক বলেন, ‘তারা বারবার বলছিল, আমরা তাদের বক্তব্য দেখাইনি। কিন্তু এটি ঠিক নয়। আমি উভয় পক্ষের আহত হওয়ার ঘটনাই প্রতিবেদনে তুলে ধরেছি।’ টাইমস নাওয়ের প্রধান সম্পাদক নাভিকা কুমারের কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য চাওয়া হলে তিনি কোনো সাড়া দেননি।

সাংবাদিকদের প্রতি এই বৈরী আচরণকে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে চলমান বিতর্কের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ) এর বিশ্ব সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ভারতের অবস্থানের উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে। ২০১০ সালে দেশের অবস্থান ছিল ১২২তম, যা ২০২৬ সালে ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫৭তম স্থানে নেমে এসেছে।

প্যারিসভিত্তিক সংস্থাটি বলেছে, সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা, সরকারঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক গোষ্টীর হাতে গণমাধ্যমের মালিকানা কেন্দ্রীভূত হওয়া এবং রাজনৈতিক মেরুকরণ বৃদ্ধির কারণে এই অবনতি ঘটেছে। এদিকে, এডিটরস গিল্ড অব ইন্ডিয়া সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ বলে বিবেচিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ওপর ক্ষোভ ও হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তবে সংগঠনটি বলেছে, ‘ত্রুটিপূর্ণ ও পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ পরিবেশন শুধু পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করে না, বরং এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সমাজের ওপর পড়ে।’

ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক মুখপাত্রও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক রবীশ কুমারকে ‘গোদি মিডিয়া’ শব্দটির প্রবর্তক হিসেবে ধরা হয়। সমালোচকদের মতে, সরকারের প্রতি জবাবদিহি না করা, মোদিকে অতিরিক্ত ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা এবং ভিন্নমতকে উপেক্ষা করার কারণে ভারতের প্রায় সব টেলিভিশন চ্যানেল ও কয়েকটি জাতীয় দৈনিককে এখন ‘গোদি মিডিয়া’ বলা হয়। রবীশ কুমার বলেছেন, ‘গোদি মিডিয়া গণতন্ত্রবিরোধী, জনবিরোধী এবং বিরোধীদলবিরোধী।’

বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ২০১৪ সালের পর সংবাদ পরিবেশনে বড় পরিবর্তন ঘটেছে। ১৯৯৯ সালের এশিয়ার নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক মনীষা পাণ্ডের মতে, মূলধারার টেলিভিশন সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের অবিশ্বাস বহু বছরের হতাশার ফল। তিনি বলেন, ‘যখন গণমাধ্যম সরকারকে প্রশ্ন করা বন্ধ করে দেয়, তখনই বিকল্প ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের উত্থান ঘটে।’

কলকাতায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে, যেখানে প্রতিবেদকরা হামলার শিকার হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানান এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। কলকাতা প্রেস ক্লাবও হামলার নিন্দা জানিয়ে তাদের বিচারের দাবি করেছে। তবে, বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচন স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৫ এম


শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচন স্থগিত

অনিবার্য কারণবশত, আগামী ২৫ জুলাইয়ে অনুষ্ঠাতব্য ঢাকার ডেমরার শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডি নির্বাচন-২০২৬ বর্তমানে স্থগিত করা হয়েছে।

শুক্রবার, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডি নির্বাচনের পিসাইডিং অফিসার শামীমা সুলতানার স্বাক্ষরিত একটি নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে অনিবার্য কারণবশত, আগামী ২৫ জুলাইয়ে অনুষ্ঠাতব্য রাজধানীর ডেমরার শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডি নির্বাচন-২০২৬ স্থগিত করা হল।

এ প্রসঙ্গে অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নোটিশটির একটি কপির শিক্ষামন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব, ঢাকা মহানগর পুলিশের পুলিশ কমিশনার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাকা ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (গোপনীয়), শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এবং ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুপ্পুকে পালিয়ে যাবার সুযোগ দেওয়া যাবে না: নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩২ এম


চুপ্পুকে পালিয়ে যাবার সুযোগ দেওয়া যাবে না: নাহিদ ইসলাম

 

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চীপ হুয়িপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, বিএনপি চুপ্পুকে অসুস্থতার নাম করে পদত্যাগের সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু বিএনপির উচিত ছিল, ক্ষমতায় এসে ফ্যাসিস্টের দোসর এই দুর্নীতিবাজ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে তাকে গ্রেপ্তার করা এবং তার বিচার করা। নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করে তার বিচার করতে হবে এবং তাকে বিদেশে পালিয়ে যাবার সুযোগ দেওয়া যাবে না।

শুক্রবার নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরি, মোহনগঞ্জ উপজেলায় পদযাত্রা শেষে রাত ৯ টায় নেত্রকোনা পুরাতন ডিসি অফিস মাঠে তিনি আরও বক্তব্য রাখেন।

তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগে বিএনপি ৩১ দফা কর্মসূচি দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছিল। তারা বলেছিল সবার আগে বাংলাদেশ। কিন্তু তারা ক্ষমতায় এসে সব কিছু ভুলে গিয়েছে। এখন তাদের সবার আগে চাই ক্ষমতা। সবার আগে চাদাবাজি, সবার আগে দখলদারিত্ব এবং সবার আগে লুটপাট। ক্ষমতায় আসার পর তাদের দলের লোকজন জমি দখল, ভূমি দখল, টেন্ডারবাজি শুরু করে দিয়েছে। জেলাগুলোতে ভূয়া মামলা দিয়ে তারা বাণিজ্য করছে।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণভোট ও জুলাই সনদের বিরুদ্ধে কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। ওসমান হাদি হত্যার বিচার করতে হবে। সীমান্ত হত্যার ঘটনা বন্ধ করার জন্য ভারতকে বাধ্য করতে হবে। পুশ ইন বন্ধ করতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, আমরা সংসদে মাত্র ৬ জন। তবে এই নিয়ে আমরা ন্যায্যতার জন্য আন্দোলন করে যাব। সংসদের ভিতর ও বাহিরে সবখানেই আমরা আন্দোলনে থাকবো।

নাহিদ ইসলাম আস্ফালন করেন, আমরা আর কাউকে ফ্যাসিস্ট হতে দেব না। সকল ফ্যাসিস্টের বিচার করতে হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তারা তার লোকজনকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ দখল করেছে। কিন্তু দেশকে যে ভাবে চালানোর দরকার ছিল, সেটি তারা করেনি। সারা দেশে এখন মাদকের ব্যবসা চলছে। দিনে যারা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলে, তারা রাতের বেলা মাদকের ব্যবসা করে। এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে আমাদের লড়তে হবে।

নেত্রকোনা জেলা এনসিপির আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইফতিকার শামীমের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্য বক্তারা বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সংগঠক সোহাগ মিয়া প্রীতম, সদস্য সচিব ফাহিম রহমান খান পাঠান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতার রাজপথে ছাত্রদের উপস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ এম


কলকাতার রাজপথে ছাত্রদের উপস্থিতি

 

ভারতের চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে চলমান বিতর্ক এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতার দাবিতে এবার কলকাতার রাজপথে দেখা গেল বড় ধরনের ছাত্রসমাবেশ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বামপন্থি ছাত্রসংগঠনগুলোর ডাকা মিছিলে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, যুবক এবং বিভিন্ন আন্দোলনের সমর্থকেরা অংশ নেন। পৃথক কর্মসূচির অনুমতি না পেলেও বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলনকারীরা শেষ পর্যন্ত এ মিছিলে যোগ দিয়ে একসঙ্গে অবস্থান নেন।

দিল্লিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রভাব দেশের অন্য শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে, কলকাতার এ কর্মসূচি তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং সাম্প্রতিক অনিয়মের অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও তাঁদের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়।

শুক্রবার সকাল থেকেই শিয়ালদহ স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের জমায়েত শুরু হয়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মিছিলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী ছাড়াও সাধারণ মানুষও এতে অংশ নেন। মিছিলটি শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলার দিকে অগ্রসর হলে রাজপথজুড়ে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ জনস্রোত।

মিছিলে অংশ নেওয়া অনেকের হাতে ছিল বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদী ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড। কেউ কেউ মুখোশ পরে অংশ নেন। নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিছিল। আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, দিল্লিতে যে আন্দোলন চলছে তা শুধু একটি শহরের বিষয় নয় বরং দেশের লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত। তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদেরও এ বিষয়ে সরব হওয়া প্রয়োজন।

জানা গেছে, আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকটি সংগঠন পৃথকভাবে মিছিল করার অনুমতি চাইলেও পুলিশ তা দেয়নি। এরপর তারা বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর ঘোষিত কর্মসূচির সঙ্গেই যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে একাধিক সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে মিছিলটি আরও বড় আকার ধারণ করে। এ কর্মসূচিতে দিল্লিতে আন্দোলনরত সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনশন কর্মসূচির প্রতিও সংহতি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং পরীক্ষা পরিচালনায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। মিছিলকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শান্তিপূর্ণভাবেই কর্মসূচি শেষ হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার রাজপথে এত বড় ছাত্রসমাবেশ খুব কমই দেখা গেছে। দিল্লির আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিভিন্ন মত ও সংগঠনের শিক্ষার্থীদের এক মঞ্চে আসা ভবিষ্যতে আন্দোলনের বিস্তৃতির ইঙ্গিত বহন করতে পারে। শিক্ষা নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই এই ছাত্রসমাবেশ নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনা তৈরি করেছে।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%