ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাবুগঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে ১৫ আগস্টের ব্যানার


বাবুগঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে ১৫ আগস্টের ব্যানার

 

বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে দেখা গেছে, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়-এর নাম সংবলিত একটি ব্যানার ঝুলতে। ব্যানারটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সহধর্মিণীর ছবি রয়েছে এবং সেখানে লেখা রয়েছে ‘শোক থেকে জাগরণ, জাগরণ থেকে প্রত্যাবর্তন’।

বুধবার ২৬ আগস্ট সকালে, দিনের আলোতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে এই ব্যানারটি ঝুলতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে এভাবে ব্যানারটি প্রকাশ্যে কিভাবে টানানো হলো, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আরও পড়ুন: লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চরফ্যাশনে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

স্থানীয় সূত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল থেকেই বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ব্যানারটি দৃশ্যমান ছিল। তবে এটি কে বা কারা টানিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক আল আমিন বলেছেন, "নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তারা রাতের আঁধারে এসব নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করে। আমরা এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছি। প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দ্রুত শনাক্ত করা হবে।"

বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের একটি তথ্য ও ভিডিও দেখতে পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, "তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিষয়টি উঠে এসেছে, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।"

বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. আলাউল হাসান বলেন, "এ ধরনের তথ্য আমার কাছে জানা নেই। তবে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে কেউ দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।" তিনি আরও জানান, ঘটনা খতিয়ে দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে প্রকাশ্যে এমন ব্যানার টানানোর ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা এবং প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ব্যানারটি কারা, কখন এবং কী উদ্দেশ্যে টানিয়েছে, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নোয়াখালী সদর উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বৃষ্টিতেই উঠে গেল স্টেডিয়ামের রাস্তার কার্পেটিং

রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

নতুন রাস্তার কার্পেটিং সামান্য বৃষ্টিতেই উঠে যাচ্ছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে, কার্পেটিংয়ের নিচে খোয়া বা পাথরের স্তর নেই; অভিযোগ উঠেছে যে, মাটির ওপর ডুমার বালুর সাথে বিটুমিন মিশিয়ে কাজ করা হচ্ছে। গ্যালারির রং নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ এসেছে। এসব কারণে রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী নগরীর তেরোখাদিয়ায় অবস্থিত স্টেডিয়ামটির রং, নতুন রাস্তা নির্মাণ ও পুরোনো রাস্তা সংস্কারে মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ টাকা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তত্ত্বাবধানে এসব কাজ চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্টেডিয়ামের প্রধান প্রবেশপথের রাস্তা সংস্কারের পরপরই বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গেছে। রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব ও বিসিবির কাউন্সিলর মোজাদ্দেদ জামানী রাস্তার কার্পেটিং আঁচড়ে দেখান যে, কার্পেটিং এর নিচে খোয়া বা পাথরের অস্তিত্ব নেই। তিনি দাবি করেন, মাটির ওপর ডুমার বালুর সাথে বিটুমিন মিশিয়ে কার্পেটিং করা হয়েছে।

মোজাদ্দেদ জামানী বলেন, "এনএসসি’র প্রকৌশলীদের মাধ্যমে কাজটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।" তিনি জানান, নিম্নমানের কাজের বিষয়টি জানালে তাঁদের পক্ষ থেকে বিষয়টি গণমাধ্যমে না জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, "দিনের কাজ রাতে করা হলে মান নিশ্চিত করা কঠিন।" তিনি ডুমার বালু দিয়ে কার্পেটিং করার অভিযোগের তদন্তের দাবি করেন।

স্টেডিয়ামের ভেন্যু ব্যবস্থাপক সাইফুল্লাহ খান জেম জানান, কাজের মান নিয়ে আপত্তির বিষয়টি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমানকে জানানো হয়েছিল। কাজের ছবি পাঠানো হয়েছে। তবে তখন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ক্রীড়া পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, স্টেডিয়ামের ভেতরে নতুন আরসিসি রাস্তা নির্মাণ এবং সামনের পুরোনো রাস্তা সংস্কারের কাজ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকায় পেয়েছে সুবর্ণা এন্টারপ্রাইজ। রং করা ও গ্যালারিতে শৌচাগার নির্মাণের কাজ পেয়েছে দেশবন্ধু এন্টারপ্রাইজ।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার রেজাউল কবির জানান, গত শনিবার সন্ধ্যার আগে রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করা হয়। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি হলে কয়েকটি স্থানে কার্পেটিং উঠে যায়। তবে ডুমার বালু ব্যবহার করে কার্পেটিং করার অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এদিকে স্টেডিয়ামের গ্যালারির রংয়ের কাজেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, কোথাও রং করা হয়েছে, কোথাও রং করা হয়নি। আবার কিছু স্থানের রং ইতিমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। সীমানাপ্রাচীর রং করতে আসা শ্রমিকদের কাছে শিডিউলে নির্ধারিত ব্র্যান্ডের পরিবর্তে অন্য কোম্পানির রং পাওয়ার পর তাঁদের কাজও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

রংমিস্ত্রি ফিরোজ ইসলাম জানান, শিডিউলে বার্জার রং ব্যবহারের কথা থাকলেও তাঁদের অন্য কোম্পানির রং সরবরাহ করা হয়েছিল। তাই তাঁরা সেটিই ব্যবহার করছিলেন।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান নিম্নমানের কাজের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "ঠিকাদারদের এখনো বিল দেওয়া হয়নি।" কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁদের চাপ দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ ঠিক হয়ে যাবে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এ বি এম এহছানুল মামুন বলেন, "নিম্নমানের কাজের অংশগুলো ঠিক করে প্রতিবেদন দিতে প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।" এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রায় দুই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া স্থাপনার সংস্কারে এ ধরনের অভিযোগ ওঠায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তদন্তের মাধ্যমে কারিগরি মান, ব্যবহৃত উপকরণ এবং কাজের পরিমাণ যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘লাশ পড়লেও চেয়ার ছাড়ব না’, প্রকৌশলী সুব্রতর হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


‘লাশ পড়লেও চেয়ার ছাড়ব না’, প্রকৌশলী সুব্রতর হুমকি

 

বরিশালের উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়, যিনি উন্নয়নকাজের অনিয়মের জন্য সমালোচনার সম্মুখীন, এবার নতুন গুরুতর অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়ে বলেছেন, “প্রয়োজনে লাশ পড়বে, তবু চেয়ার ছাড়ব না।”

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। এর ফলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় সাংবাদিক বশির হোসেন খানের প্রতি প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে। সুব্রত রায়কে ফোন করার পর তিনি সাংবাদিকদের প্রতি উত্তেজিত হয়ে বলেন, “সংবাদ প্রকাশ করে আমার কিছুই করতে পারবি না। আগে আওয়ামী লীগকে ম্যানেজ করে চলেছি, এখন বিএনপিও আমার ম্যানেজে।”

তিনি দাম্ভিকতার সাথে উল্লেখ করেন, “টাকা দিয়ে এই চেয়ার কিনেছি। এখান থেকে আমাকে সরানো যাবে না।” তিনি দাবি করেন যে, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে এবং সকল কাজ তার পরামর্শে করেন। “বড়স্যার দের আশির্বাদ নিয়েই এখানে আছি। তাই চাইলেও আমাকে কেউ কিছু করতে পারবে না,” বলেন তিনি। “যতো পারেন লেখেন। আপনাকে মামলা দিয়ে জেলের ভাত খাইয়ে ছাড়বো। আমি সুব্রত রায় ঠুনকো না। আমার মাথার উপরে আশীর্বাদের হাত আছে। তাই কিছুই ভয় পাই না। স্থানীয় সাংবাদিকও আমার হাতের মুঠোই।”

প্রকৌশলী সুব্রতকে ঘিরে এসব অভিযোগের মধ্যে গত সোমবার তার এবং তিন সাংবাদিকের কথিত গোপন বৈঠকের ঘটনা নতুন প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।

জানা গেছে, উজিরপুরে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাবেক এমপি শাহ আলমের হাত ধরে তিনি উজিরপুরে যোগদান করেন। এরপর থেকে ঠিকাদারদের জিম্মি করে ‘পার্সেন্টেজ’ নিয়ে সাবেক এমপির সাথে ভাগ বাটোয়ারা করতেন। ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ হরিলুটের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে তার নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, এলজিইডির আওতায় সড়ক, কালভার্ট, সেতু, ড্রেনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে তিনি অর্থ লোপাটের সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে অপরাধ বিশেষজ্ঞ রাজু আহমেদ শাহ বলেন, “সাংবাদিক হচ্ছে জাতির বিবেক, সাংবাদিক যদি সাংবাদিকতা না করে তাহলে দেশ ও জাতি চরম ক্ষতিগ্রস্থ হবে। কিন্তু দুর্নীতিবাজরা সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজ করে, কারণ সাংবাদিকদের লিখনির মাধ্যমে এই দেশ ও জাতির শত্রুদের মুখোশ উন্মোচিত হয়। তাই বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেখলে দুর্নীতিবাজরা মারমুখি হয়ে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের চেষ্টা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীর ১৪ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেফতার ও বিপুল পরিমান মদ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


রাজশাহীর ১৪ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেফতার ও বিপুল পরিমান মদ জব্দ

রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার পৃথক সিআর মামলায় ১০ বছরের অধিক সাজাপ্রাপ্ত এবং ১৪টি ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ রবিউল ইসলামকে (৫২) ঢাকার রমনা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-৩।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার বিকালে র‌্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতার রবিউল ইসলাম রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ৪৪ দেবিসিংপাড়া এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় সাজা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। এর মধ্যে মহানগর দায়রা-৫৩/২৫, সিআর-১৫৪৮/২৩, সিআর সাজা রিসিভ নং-৪০১/২৬ এবং কোর্ট প্রসেস নং-৬৩/২৬ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া একই ধারায় আরও ১৩টি সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

গ্রেফতারের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫৩ দশমিক ১ লিটার দেশীয় চোলাই মদ জব্দ করেছে র‌্যাব-৫।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সোয়া ৬টার দিকে শাহমখদুম থানাধীন নওদাপাড়া বাইপাস সড়কের পাশে অভিযান চালিয়ে মহাসড়কের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫৩ দশমিক ১ লিটার দেশীয় চোলাই মদ করা হয়।

জব্দকৃত চোলাই মদ সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে মহানগরীর শাহমখদুম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়ানগরে ৭০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পলাতক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


জিয়ানগরে ৭০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পলাতক

জিয়ানগরে ৭০ পিস ইয়াবাসহ লিজা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জিয়ানগর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের ঢেপসাবুনিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জিয়ানগর থানার একটি পুলিশ দল লিজা আক্তারের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে তাকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে ৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে তার স্বামী মনির হাওলাদার ঘরের পেছন দিয়ে পালিয়ে যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, লিজা আক্তার ও তার স্বামী মনির হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকদ্রব্য বিক্রির সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে ইয়াবা কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে।

জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহাব্বত খান বলেন, “৭০ পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (বুধবার) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%