বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১২:০৮ এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য মেধা বৃত্তি, প্রতিরক্ষা বৃত্তি এবং অবৈতনিক অধ্যয়নের সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত একটি কমিটির সভায় আবেদন যাচাই-বাছাই করে মোট ১ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মনোনীত শিক্ষার্থীদের আগামী ২৮ জুনের মধ্যে তাদের নিজ নিজ ইনস্টিটিউট ও বিভাগে ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের তথ্য, সংশ্লিষ্ট শাখার নাম এবং রাউটিং নম্বর জমা দিতে হবে।
এছাড়া আরও জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট, বিভাগ এবং ইউনিট থেকে প্রাপ্ত মোট ১ হাজার ৭৬০টি আবেদন যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে মেধা বৃত্তি ও অবৈতনিক অধ্যয়নের জন্য ১,৫২৮ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৩৩ জন মেধা বৃত্তি এবং ৯৯৫ জন অবৈতনিক অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা বৃত্তির আওতায় মোট ২৬১ জন শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। এখানে ২৫০ জন বৃত্তি এবং ১১ জন অবৈতনিক অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছেন।
গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে, মেধা বৃত্তি ও প্রতিরক্ষা বৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে বৃত্তির অর্থ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের বৃত্তি শাখা থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগে প্রয়োজনীয় তথ্যছক পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘চাকরি মেলা-২০২৬’ ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটি রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (রেইজ) প্রকল্পের আওতায় আয়োজন করা হয়।
কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এই মেলায় বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী যুবক ও যুবতী অংশ নেন।
আজ বুধবার সকাল ১১টা থেকে ফরিদপুরের জসীমউদ্দীন হলে দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের জনবল নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করে।
এভাবে চাকরিপ্রার্থীরা সরাসরি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেয়ে নিজেদের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক এ এস এম মইনুল আহসান, এবং এসডিসি’র নির্বাহী পরিচালক কাজী আশরাফুল হাসান।
এছাড়াও, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, এবং বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রত্যাশী মেলায় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। যুবসমাজকে কর্মমুখী ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের চাকরি মেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তারা আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
আয়োজকরা জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং যুবসমাজকে কর্মবাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতের জন্য এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, ‘চাকরি মেলা-২০২৬’ স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ভেনামি চিংড়ি আগামী দিনে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধিত করার জন্য এর উল্লেখযোগ্য অবদান থাকবে।
আজ রাতে কক্সবাজারের কলাতলীতে পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ভেনামি চিংড়ির উৎপাদন প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তার পুরো কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। আমি বিশ্বাস করি, এ খাত দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এ শিল্প বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। প্রধানমন্ত্রীর সরকার এ খাতের বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিষয়টি সম্পূর্ণ অবগত রয়েছেন। তাঁর সার্বিক দিকনির্দেশনায় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য ভেনামি চিংড়ি চাষে উন্মুক্ত করা হয়েছে।
মৎস্য খাতের উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা নতুন করে ভেনামি চিংড়ি চাষ ও উৎপাদনে এগিয়ে আসবেন, সরকার তাদের সব ধরনের নীতিগত ও কারিগরি সহায়তা দেবে।
তিনি জানান, দেশের মৎস্য খাতের আধুনিকায়ন ও বৈচিত্র্য আনার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর।
এ সময় কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, যুগ্মসচিব মো. হাসানুজ্জামান, মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে সরকারি বিভিন্ন কাজের ফাঁকে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা আকস্মিকভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করছেন। এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটানো, পড়াশোনা এবং পুষ্টির খোঁজ নেওয়া, বিদ্যালয়ের পরিবেশ পর্যবেক্ষণের কাজ করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করছে। সেই সঙ্গে, শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে, গত এক মাসের মধ্যে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াছমিন শিডিউল ছাড়াই সদর উপজেলা এবং অন্যান্য উপজেলার অন্তত অর্ধশত স্কুল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারাও বসে নেই। তারা সকলেই কাজের সুযোগে খুদে শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে যাচ্ছেন। গত এক সপ্তাহে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ১০টি স্কুল পরিদর্শন করেছেন এবং শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতি, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সরকারি স্কুলের এই শিক্ষার্থীর সাথে থাকলে স্বস্তি পাই। তারাই তো আগামী দিনের বাংলাদেশ। তারা পিছিয়ে পড়লে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে না। প্রকৃত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে, আমাদের এই অবহেলিত শিশুদের বেশি সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজন।’
ফরিদা ইয়াছমিন আরও বলেন, ‘দায়িত্ববোধ থেকেই প্রশাসন-এ কাজ করে যাচ্ছি। দায়িত্ব পালনে কাউকে অসৌজন্য আচরণ নয়, ভদ্রতার সাথে অনুরোধ করছি। স্কুলে গিয়ে দেখেছি, আমাদের শিশুরা অনেক মেধাবী। উপযুক্ত পরিবেশ এবং শিক্ষা দিতে পারলে ওরাই দেশের প্রকৃত নাগরিক হয়ে উঠবে।’
কয়েকজন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের সঙ্গে আলাপ করেও জানা গেছে, প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্কলে শিক্ষার্থীদের আনতে শিক্ষকরা সক্রিয় হয়েছেন। স্কুল ফাঁকিতে সাবধান হওয়ার কথাও জানিয়েছেন অনেকেই।
এদিকে পরিদর্শনকালে বেশ কিছু স্কুলের অবস্থা ভালো দেখা গেছে এবং বেশ কিছু স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যার সংকট রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। একইসাথে জানান যে, গ্রামের অনেক শিশু শিক্ষার্থী পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। পুষ্টিহীন এই শিশুদের পরিবারকে জেলা প্রশাসন থেকে সহায়তা করার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় দুইটি পৃথক অভিযানে সশস্ত্র সংগঠনের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। এসব অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি একে-৪৭ রাইফেল, তিনটি ম্যাগাজিন, ১৫৯টি গোলাবারুদসহ বিভিন্ন সামগ্রী। এটি জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার বরকলক এলাকায় এবং আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার হাজাছড়া এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
বুধবার আইএসপিআর থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পানছড়ির বরকলক এলাকায় অভিযানের সময় সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা গুলি ছুড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলির ঘটনা ঘটে। পরে ওই এলাকায় সশস্ত্র সংগঠনের দুই সদস্য আত্মসমর্পণ করেন, তাদের কাছে দুটি একে-৪৭ রাইফেল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১৩২টি গোলাবারুদ ছিল।
অন্যদিকে, রামগড় উপজেলার হাজাছড়া এলাকায় পরিচালিত অপর একটি অভিযানে গুলি বিনিময়ের একপর্যায়ে সশস্ত্র সংগঠনের একজন সদস্য নিহত হয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি ম্যাগাজিন, একটি পাইপগান এবং ২৭ রাউন্ড গোলাবারুদসহ অন্যান্য সামগ্রী।
আইএসপিআর জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ