ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপি ভারতের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে: জাগপা


বিএনপি ভারতের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে: জাগপা

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন মন্তব্য করেছেন, বিএনপি ভারতের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। তিনি বলেন, "ভারতের কোলে বসে দেশ ধ্বংস করা বিএনপির আরেক নাম এখন আওয়ামী লীগ।" সম্প্রতি বিএনপি সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে যে, ভারতের প্রতি আওয়ামী লীগের অসমাপ্ত দায়িত্ব পালন করতে ইচ্ছুক বিএনপি সরকার।

বৃহস্পতিবার পল্টনে মরহুম শফিউল আলম প্রধান মিলনায়তনে জাগপার প্রয়াত সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ইকবাল হোসেন অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য বিএনপির সঙ্গে ভারতীয় সরকারের গোপন চুক্তি অনুযায়ী সারা দেশে আওয়ামী লীগের ব্যাপক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেন, বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাতে আওয়ামী লীগের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বিএনপি সরকার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের মতো এড়িয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: রিজভী: বিএনপি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে, এবারের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ

তিনি আরো বলেন, "ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব মানেই বিএনপি-আওয়ামী লীগের গোলামি।" নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পাশেই নতুন সেনাঘাঁটি নির্মাণ করছে। তিনি জানান, ভারত বাংলাদেশকে নেতাশূন্য ও সেনাশূন্য করতে আবারও পুরোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে দেশবাসীকে হুঁশিয়ার থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জাগপার সাধারণ সম্পাদক বলেন, বৈষম্য ও অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। কিন্তু জুলাই-পরবর্তী সরকার এখনো বৈষম্য ও অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পথে হাঁটতে শুরু করেছে। অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যথায় নিজেদের খোঁড়া গর্তে নিজেদেরই পড়তে হবে।

জাগপা ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদুর রহমান বাবলা, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, পঞ্চগড় জেলা জাগপার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, রংপুর মহানগর সভাপতি মাছুম বিল্লাহ ও যুব জাগপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন: বগুড়ার অবকাঠামো খাতে মেগা উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসবেন না-রাহুলকে অমিত শাহর কটাক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসবেন না-রাহুলকে অমিত শাহর কটাক্ষ

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছেন যে কংগ্রেস আগামী ৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হবে না। তিনি বলেন, পরাজয়ের কারণ হিসেবে তারা ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ উত্থাপন করছে। এই বক্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।

অমিত শাহের মতে, কংগ্রেস অনুপ্রবেশকারীদের ভোটাধিকার দিতে চায়, এবং এজন্য তারা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে।

এসআইআর বাতিলের দাবিতে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের জন্য কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ আন্দোলনে নেমেছে। গত ১৩ অক্টোবর, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে দিল্লিতে বিরোধীরা বিক্ষোভ করেছে। একই দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) বিক্ষোভ করেছে। তবে উৎসবের মৌসুম শুরু হওয়ায় আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়েছে।

অমিত শাহ রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আগামী ৩০ বছরেও আপনি ক্ষমতায় আসাতে পারবেন না।’

অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনি (রাহুল) শুধু ভোট চুরি নিয়ে কথা বলেন। কারণ, আপনি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটাধিকার দিতে চান। তাদের ভোটগুলোকে আগলে রাখতে চান।’

বিরোধীদের আন্দোলনকে কটাক্ষ করে ভারতের এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘মানুষের ভোটের রায় আপনারা এভাবে রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করে এবং জনরোষ সৃষ্টি করে বদলাতে পারবেন না। শুধু আন্দোলন করে, অবস্থানে বসে ভোটে জেতা যায় না।’

সূত্র: আন্দবাজার অনলাইন

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের খুলনায় গুলিতে যুবক নিহত, ঘটনাস্থলে নম্বরপ্লেটবিহীন আর-১৫ বাইক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

খুলনা প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


ফের খুলনায় গুলিতে যুবক নিহত, ঘটনাস্থলে নম্বরপ্লেটবিহীন আর-১৫ বাইক

খুলনাতে একাধিক হত্যাকাণ্ডে উদ্বেগ, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন:

খুলনা নগরীতে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। এরই মধ্যে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় মো. তুষার (২৭) নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর আনসার উদ্দিন লেন থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি আর-১৫ মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে। ধারাবাহিক অপরাধের ঘটনায় নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

নিহত মো. তুষার খুলনার লবণচরা থানার জিন্নাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁকে কী কারণে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে নগরীর পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় একটি মাদ্রাসার সামনে ধস্তাধস্তি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর তুষার মোটরসাইকেলে করে পালানোর সময় আনসার উদ্দিন লেনে পৌঁছালে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বলে জানা গেছে। তবে ধস্তাধস্তি, ছুরিকাঘাত ও গুলির ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন আর-১৫ মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়। মোটরসাইকেলটির মালিকানা, এটি কারা ব্যবহার করছিল এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

নগরীতে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে প্রকাশ্য স্থানে গুলি চালিয়ে হত্যার মতো ঘটনা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। এসব ঘটনায় অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করা, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।

এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং ঘটনার নেপথ্যের রহস্য উন্মোচনে তদন্তের অগ্রগতি এখন গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য, জড়িতদের পরিচয় কিংবা কাউকে আটক করার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে ইতিহাসের সেরা পূজা উদযাপন, পশ্চিমবঙ্গে ধুলোয় মিশেছে ঈদ আনন্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


বাংলাদেশে ইতিহাসের সেরা পূজা উদযাপন, পশ্চিমবঙ্গে ধুলোয় মিশেছে  ঈদ আনন্দ

সরকারের পরিবর্তন এবং রাজনীতির নতুন মেরুকরণের ফলে বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী ভারতের ধর্মীয় উৎসবগুলোর পরিবেশে এসেছে অভূতপূর্ব বৈচিত্র্য ও বৈপরীত্য। একদিকে, বিএনপি সরকারের অধীনে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উদযাপন করেছেন দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও আনন্দমুখর দুর্গাপূজা। অন্যদিকে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পরিবর্তনের পটভূমিতে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকার গঠনের পর থেকে রাজ্যটির বৃহত্তম সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ চরম সংকট ও নিপীড়নের মুখে পড়েছে।

বাংলাদেশে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। বিজয়া দশমীতে ওয়াইজঘাটসহ সারাদেশের হাজারো জলাশয়ে মূর্তি বিসর্জনের মাধ্যমে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয় পাঁচ দিনের এই উৎসব। ঢাকঢোল, কাঁসর-ঘণ্টার বাদ্য এবং ভক্তদের প্রার্থনায় বিসর্জনের আয়োজন সর্বজনীন রূপ নেয়। ভক্তরা বিষাদ ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান এবং নিজ নিজ বিশ্বাস অনুযায়ী দেশ ও পরিবারের মঙ্গল কামনা করেন।

এ বছরের দুর্গাপূজাকে দেশীয় গণমাধ্যম, সামাজিক মাধ্যম এবং সাধারণ নেটিজেনরা এক বাক্যে "এ যাবৎকালের সেরা ও নিরাপদ পূজা" বলে আখ্যায়িত করেছেন। এমনকি বাংলাদেশে বেড়াতে আসা ভারতীয় পর্যটকরা এবারের শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন উৎসব-আয়োজনের ভূইসী প্রশংসা করেছেন। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সার্বিক তদারকিতে কেবল ঢাকায় নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশে কোথাও কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেনি।

গণমাধ্যমে বাংলাদেশে পূজার এই অভূতপূর্ব সাফল্যের পেছনে প্রধানত ৭টি ঐতিহাসিক অর্জনের কথা উঠে এসেছে:

১. রেকর্ডসংখ্যক পূজামণ্ডপ: পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যমতে, সারাদেশে মণ্ডপের সংখ্যা ৩২ হাজার ৩৫১টি থেকে বেড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টিতে উন্নীত হয়, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড় হাজার বেশি।

২. সর্বোচ্চ সরকারি বাজেট ও অনুদান: পূজার সরকারি বাজেট আগের ৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে বিশেষ বরাদ্দে উন্নীত করা হয়। অসচ্ছল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে নতুন বস্ত্র ও অনুদান বিতরণ করা হয়।

৩. রেকর্ড সরকারি ছুটি: পূর্বে দুর্গোৎসবে ছুটি ১ দিন থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে টানা ৩ দিন করা হয়। সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে টানা ৫ দিনের দীর্ঘ অবকাশ মেলে, যা সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উৎসবের নতুন আমেজ তৈরি করে।

৪. সরকার ও প্রশাসনের সর্বোচ্চ তদারকি: মাঠপর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও ইউএনওদের নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের কারণে মণ্ডপগুলোতে ভক্তদের ঢল নামে। বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৫. রাজনৈতিক দলগুলোর মানবঢাল ও পাহারা: তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা মন্দির পাহারা ও সার্বিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন, যা চাঁদাবাজি ও উসকানিমুক্ত আনন্দময় পরিবেশ নিশ্চিত করে।

৬. শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি ও অভয়: বিভিন্ন বিভাগের মণ্ডপগুলোতে সরেজমিনে পরিদর্শন করে পূজার সর্বজনীনতা জোরদার করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, সংবিধানের চোখে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকারের অধিকারী।

৭. সর্বোচ্চ সাজসজ্জা ও আন্তর্জাতিক প্রশংসা: সারাদেশের প্রধান প্রধান মণ্ডপগুলোতে ছিল চোখধাঁধানো রোশনাই ও সাজসজ্জা। রাজধানীর বনানীর পূজামণ্ডপ ও ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের ব্যবস্থাপনা দেখে বিদেশি কূটনীতিক ও ভারতীয় দর্শনার্থীরাও মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ভারতীয় পর্যটক এবং সনাতন ধর্মীয় দর্শনার্থী অকপটে স্বীকার করেছেন যে, এ বছর বাংলাদেশে যে মাত্রায় নিরাপদ, আনন্দময় ও বৈচিত্র্যময় পরিবেশে পূজা উদযাপিত হয়েছে, তা তাদের প্রত্যাশাকে বহুগুণ ছাড়িয়ে গেছে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান: ধুলোয় মিশেছে মুসলিমদের ঈদ আনন্দ

বাংলাদেশের এই সম্প্রীতি ও উৎসবমুখরতার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটে নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি ক্ষমতার মসনদে বসার পর থেকেই রাজ্যের বৃহত্তম সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতায় বড় ধরনের আঘাত এসেছে।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর রাজ্যের শাসনভারের ধরন বদলে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী সম্প্রীতির পরিবেশ ধসে পড়েছে। সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে মুসলিমদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসব—ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায়:

বিজেপি প্রতিবেশী রাজ্যটিতে সরকার গঠনের পর থেকেই কুরবানির ঈদে গরু জবাইয়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও আইনি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। গো-সুরক্ষার নামে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তথাকথিত ‘গোরক্ষক’ বাহিনীর তাণ্ডব চরম আকার ধারণ করে। পশু বেচাকেনা ও পরিবহনকে কেন্দ্র করে সাধারণ ডেইরি ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক মুসলিমদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও হয়রানি নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়, যার ফলে গেল ঈদুল আজহার স্বাভাবিক আনন্দ আতঙ্কে রূপ নেয়।

কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে গত এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। কিন্তু হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির প্রভাবে নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রশাসনিক অজুহাত দেখিয়ে ১০০ বছরের দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী এই বিশাল ঈদের জামাত আয়োজনে নজিরবিহীন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়। রেড রোডের নামাজে এ ধরনের সরকারি বাধা এবং কড়াকড়ির ঘটনা রাজ্যের মুসলিম ধর্মাবলম্বী ও সুশীল সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও গভীর বিষাদের সৃষ্টি করে। যদিও কলকাতার এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি টানা চার দিন বন্ধ রেখে এবার পূজা উদযাপন করে শুভেন্দু সরকার।

বিস্ময়কর ঘটনা হলো, বাংলাদেশের যখন এই রেকর্ড ভাঙা উৎসবমুখর চিত্র, ঠিক বিপরীত রূপ দেখা গেছে শুভেন্দুর পশ্চিমবঙ্গে। চলতি বছরের অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে কলকাতার গিরিশ পার্কের চোরবাগানের উৎসবে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১৯ জনের করুণ মৃত্যু ঘটে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে মন্দিরে প্রবেশ করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ও শ্বাসরোধে এই প্রাণহানির ঘটনায় উৎসবের আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্যও এ বছরের পূজা হয়ে ওঠে বিষাদের।

একদিকে কলকাতায় উৎসবে বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থাপনা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিষাদের সুর, অন্যদিকে বাংলাদেশে রেকর্ডসংখ্যক মণ্ডপে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের এই প্রেক্ষাপটে দুই বাংলার রূপ স্পষ্ট—বাংলাদেশে যেখানে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উৎসব পেয়েছে নতুন মাত্রা ও অভূতপূর্ব নিরাপত্তা, সেখানে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্ববাদী চরমপন্থী শাসনব্যবস্থার কারণে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ও ঈদের আনন্দ আজ চরম অবদমন ও ধুলোয় মিশে যাওয়ার করুণ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি।

ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা ও আনন্দের এই বৈপরীত্যের মধ্যেই আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা আইএমএফ-এর সর্বশেষ 'ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক'-এর তথ্য সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বাংলাদেশকে পিছনে ফেলে ভারতের কিছুটা অবক্ষয় ঘটেছে, যেখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়িয়েছে ২,৮৮৬ মার্কিন ডলারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপীয় ফুটবলে ধনী ক্লাবগুলোর আর্থিক বৈষম্য বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


ইউরোপীয় ফুটবলে ধনী ক্লাবগুলোর আর্থিক বৈষম্য বাড়ছে

ইউরোপের ধনী ফুটবল ক্লাবগুলো একটি বাণিজ্যিক কাঠামো তৈরি করেছে, যা বর্তমানে তাদের মোট আয়ের প্রায় অর্ধেকের উৎস হিসেবে কাজ করছে। এই পরিস্থিতির ফলে ফুটবলের আর্থিক অভিজাত শ্রেণি আরও শক্তিশালী হয়েছে। আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও, এই অভিজাত গোষ্ঠীতে নতুন সদস্যদের প্রবেশ আগের তুলনায় কঠিন হয়ে পড়েছে, এমনটি একটি গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে।

ফুটবল বেঞ্চমার্ক এবং ওয়ার্ল্ড ফুটবল সামিট-এর প্রতিবেদনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, সর্বোচ্চ আয়কারী ক্লাবগুলোর প্রধান আয়ের উৎস হিসেবে সম্প্রচার (ব্রডকাস্টিং) আয়কে ছাড়িয়ে গেছে বাণিজ্যিক আয়। দ্বিতীয়ত, ইউরোপীয় ফুটবলের সামগ্রিক আর্থিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও ধনী এবং অপেক্ষাকৃত কম ধনী ক্লাবগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য অপরিবর্তিত রয়ে গেছে।

বাণিজ্যিক আয়ের আধিপত্য

২০২৪/২৫ মৌসুমে সর্বোচ্চ আয়কারী ১০ ক্লাবের মোট পরিচালন আয়ের ৪৯ শতাংশ এসেছে বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উৎস থেকে, যেখানে ২০০৮/০৯ মৌসুমে এই হার ছিল ৩২ শতাংশ। একই সময়ে সম্প্রচার আয়ের অংশ ৪২ শতাংশ থেকে কমে ৩২ শতাংশে নেমেছে এবং ম্যাচডে ও স্টেডিয়াম আয়ের অংশ ২৭ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশে নেমেছে।

তবে, আয়ের এই অংশীদারিত্বের হ্রাস মানে মোট অর্থের পরিমাণের হ্রাস নয়। বরং, শীর্ষ ১০ ক্লাবের সম্মিলিত পরিচালন আয় ১৬ বছরে তিন গুণেরও বেশি বেড়ে ২.৭ বিলিয়ন ইউরো থেকে ৮.৪ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

এই পরিবর্তন দুটি ধাপে ঘটেছে

২০১০-এর দশকের শুরুতে বাণিজ্যিক আয় সম্প্রচার আয়কে ছাড়িয়ে যায়। ২০১৮/১৯ মৌসুম পর্যন্ত বাণিজ্যিক আয়ের অংশ বৃদ্ধির মূল উৎস ছিল ম্যাচডে আয়ের অংশের হ্রাস। ওই সময় ম্যাচডে আয়ের অংশ ১৬ শতাংশে নেমে আসে, আর সম্প্রচার আয়ের অংশ তুলনামূলকভাবে সামান্য কমে ৪০ শতাংশে দাঁড়ায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফুটবলের ডিজিটালাইজেশন ও আন্তর্জাতিক বিস্তারের ফলেই এই পরিবর্তন ঘটেছে।

মহামারির পর পরিস্থিতি আবার বদলায়। ২০২১/২২ মৌসুমে ৩৮ শতাংশ থাকা সম্প্রচার আয়ের অংশ ২০২৪/২৫ সালে ৩২ শতাংশে নেমে আসে, আর ম্যাচডে আয় পুনরুদ্ধার হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাণিজ্যিক আয়ের মধ্যে অন্যান্য আয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাই এটিকে শুধু স্পনসরশিপ আয় হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

আয় বৃদ্ধি হলেও কমেনি বৈষম্য

গবেষণাটি উয়েফার আর্থিক প্রতিবেদন, ডেলয়েট ফুটবল মানি লিগ এবং ফুটবল বেঞ্চমার্কের নিজস্ব তথ্যভান্ডার ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

ইউরোপের প্রায় ৭০০টি শীর্ষ বিভাগের ক্লাবের মোট পরিচালন আয় ২০০৮/০৯ মৌসুমে ১১.৬ বিলিয়ন ইউরো থেকে বেড়ে ২০২৩/২৪ মৌসুমে ২৮.৬ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। প্রতিবেদনের হিসাবে, ২০২৪/২৫ মৌসুমে এই অঙ্ক প্রথমবারের মতো ৩০ বিলিয়ন ইউরো অতিক্রম করেছে।

আগে যেসব আয় কেবল ব্যতিক্রমী ক্লাবগুলোর ছিল, এখন আরও বেশি ক্লাব সেই পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০২৪/২৫ মৌসুমে ৩৩টি ক্লাব ২০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় করেছে, যেখানে ২০০৮/০৯ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র আট। একই সময়ে ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় করা ক্লাবের সংখ্যা বেড়ে তিন থেকে ১৭ হয়েছে।

আর্থিক শক্তির কেন্দ্র আরও বেশি করে ইংল্যান্ডের দিকে ঝুঁকেছে। ২০২৩/২৪ মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর মোট আয়ের ২৬ শতাংশ এসেছে প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবগুলোর কাছ থেকে, যেখানে ২০০৮/০৯ সালে এই হার ছিল ২১ শতাংশ।

২০২৪/২৫ মৌসুমে সর্বোচ্চ আয়কারী শীর্ষ ১০ ক্লাবের মধ্যে ছয়টি ছিল ইংল্যান্ডের, যেখানে ১৬ বছর আগে ছিল চারটি। বিপরীতে ইতালির প্রতিনিধিত্ব তিন থেকে শূন্যে নেমে এসেছে।

ধনীরা আরও ধনী

ফুটবল বেঞ্চমার্কের পরামর্শ বিভাগের পরিচালক আন্তোনিও দি চিয়ানি বলেন, “এই প্রবৃদ্ধি সমানভাবে ঘটছে না। ধনী ক্লাবগুলো অন্যদের তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে আরও ধনী হয়ে উঠছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সমর্থক গোষ্ঠীর কারণে এই ক্লাবগুলো এখন বিশাল মিডিয়া শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তাদেরকে আর শুধু ফুটবল ক্লাব বলা যায় না।”

চিয়ানি মনে করেন, নতুন ফরম্যাটের চ্যাম্পিয়ন্স লিগও এই বৈষম্য বাড়িয়েছে। কারণ টুর্নামেন্টের আয় বেড়েছে এবং সাধারণত বড় ঘরোয়া ক্লাবগুলোরই এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ বেশি থাকে।

তার ভাষায়, “দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করে এটি একটি ইতিবাচক বা নেতিবাচক চক্র। ক্লাবগুলোর আয় যত বাড়ে, তারা তত ভালো দল গড়তে পারে। ভালো দল মানে মাঠে ভালো ফলাফল, আর সেটি আবার আয় বাড়াতে সাহায্য করে।”

টেলিভিশনের গুরুত্ব এখনো আছে

যদিও বাণিজ্যিক ও অন্যান্য আয়ের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে দ্রুত হয়েছে, ছোট ও মাঝারি ক্লাবগুলোর জন্য সম্প্রচার আয়ের গুরুত্ব এখনো অনেক বেশি।

২০১৪/১৫ থেকে ২০২৩/২৪ সময়ে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে বাণিজ্যিক ও অন্যান্য আয় গড়ে বছরে ৭ শতাংশ হারে বেড়ে ১২.৬ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। মহামারির সময় বহু বছরের চুক্তির কারণে এই আয় সবচেয়ে স্থিতিশীল ছিল।

একই সময়ে ঘরোয়া সম্প্রচার আয় ৫.৮ বিলিয়ন ইউরো থেকে বেড়ে ৮.৫ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। আর উয়েফার বিতরণকৃত অর্থ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৩.২ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

ম্যাচডে আয়ও মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে ২০২০/২১ মৌসুমের ৫০০ মিলিয়ন ইউরো থেকে ২০২৩/২৪ মৌসুমে ৪.৪ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে, যা মহামারির আগের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে।

মূল্য বেড়েছে, বদলায়নি শীর্ষস্থান

ফুটবল বেঞ্চমার্কের হিসেবে, ২০২৬ সালে ইউরোপের সবচেয়ে মূল্যবান ৩২টি ক্লাবের সম্মিলিত এন্টারপ্রাইজ ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৭২.৬ বিলিয়ন ইউরো, যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি।

তবুও শীর্ষ পর্যায়ে নতুন ক্লাবের উত্থান খুবই সীমিত। গত এক দশকে সবচেয়ে মূল্যবান ১০ ক্লাবের তালিকায় মাত্র ১১টি ভিন্ন ক্লাব জায়গা করে নিতে পেরেছে। অর্থাৎ, ইউরোপীয় ফুটবলের আর্থিক পরিসর যতই বড় হোক না কেন, এর ক্ষমতাকেন্দ্র খুব কমই বদলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%