ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণে বৃদ্ধ নিহত


আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণে বৃদ্ধ নিহত

শরীয়তপুরের জাজিরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মারা গেছেন ৭০ বছর বয়সী মান্নান সরদার। তার মৃত্যু ছাড়াও আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। আহতদের মধ্যে একজনের হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ সংঘর্ষ সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের লাউখোলা এলাকায় সংঘটিত হয়। নিহত মান্নান সরদার সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুর চরকান্দি এলাকার একজন বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে এবং পুলিশ সদস্যদের কাছে জানা গেছে, লাউখোলা এলাকায় রেজাউল শিকদার ও তার সমর্থকদের সঙ্গে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তমিজ খাঁ ও তার সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে ইসলামী আন্দোলনের জেলা মজলিসে শুরার বৈঠক অনুষ্ঠিত

এ বিরোধের জেরে সোমবার সন্ধ্যায় উভয় পক্ষ  করে। এই সংঘর্ষের সময় একাধিক ককটেল নিষ্ফোঁটিত হয়ে ঘটে। বিস্ফোরণের ফলে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মান্নান সরদারকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

একই সময় তমিজ খাঁর পক্ষের সমর্থক রিপন মোল্লা ককটেল বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন। তাঁর হাতের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।

জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোমান বাদশাহ বলেন, ককটেল বিস্ফোরণের আঘাত নিয়ে দুজন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে একজনের হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে, অপরজনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আরও পড়ুন: বাড়িতে ফিরল সৌদিতে নিহত সাহেদের নিথর দেহ, স্ত্রী-সন্তানের আহাজারি

এ ঘটনার ব্যাপারে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, জাজিরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১১১, জরুরি অবস্থা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ এম


কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১১১, জরুরি অবস্থা জারি

কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১ জনে। এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির জন্য কলম্বিয়া সরকার দেশে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ বা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এই ভূমিকম্পটি সোমবার, ১০ আগস্টে ঘটে এবং উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট আবেলাদো দে লা এস্প্রিয়েলা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এই শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮৭ জন আহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৬১টি ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে এবং ১ হাজার ৫৭৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিস অব কলম্বিয়া জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠকের পর এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেওয়া হয়। জরুরি অবস্থার ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অতিরিক্ত সম্পদ ও সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।

এর আগে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানায়, সোমবার রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্প ঘটেছে। প্রথমে নিহতের সংখ্যা ৪৭ জন করা হয়েছিল। পেরেইরা শহরে ১৮ জন, মানিজালেস শহরে দুজন এবং ভ্যালে দে কাউকায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এএফপির সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের কারণে বোগোটায় বিভিন্ন ভবন থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

চোকো প্রদেশের গভর্নর নুবিয়া কর্ডোবা এক্সে দেওয়া পোস্টে জানান, ‘আমরা এইমাত্র চোকো বিভাগে একটি বড় ভূমিকম্প অনুভব করেছি। আমরা আফটারশক নিয়ে উদ্বিগ্ন।’ তিনি জানান, রাজধানী কুইবদোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উল্লেখ্য, জুনের শেষের দিকে ভেনিজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৬ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল, তার কয়েক সপ্তাহ পরেই কলম্বিয়ায় এই ঘটনার অবতারণা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণন কার্যক্রম

প্রতিযোগিতামূলক বাজার গড়তে প্রয়োজন বেসরকারি বিনিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ এম


প্রতিযোগিতামূলক বাজার গড়তে প্রয়োজন বেসরকারি বিনিয়োগ

দেশে নিরবচ্ছিন্ন এবং নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা-২০২৬’-এর একটি খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টির যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরাও এ বিষয়ে মন্তব্য করছেন যে, দেশের পুরো চাহিদা মেটানোর জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে তেল আমদানির সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছেন, সারা পৃথিবীতে বেসরকারি এবং সরকারি খাতের মধ্যে প্রতিযোগিতা বিদ্যমান। ভারতে ইন্ডিয়ান ওয়েল এবং রিলায়েন্স দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে জ্বালানি তেল বিক্রি করছে। এর মধ্যে রিলায়েন্সের তেলের দাম বেশি এবং ইন্ডিয়ান ওয়েলের তেলের দাম কম। ফলে ক্রেতাদের কাছে কোন কোম্পানির তেল কিনবে, সে ক্ষেত্রে বিকল্প সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম সরকারের, অর্থাৎ বিপিসি ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দ্বারা নির্ধারিত হয়। এখানে তেলের দাম কমবেশি হওয়ার সুযোগ নেই। ভারতে জ্বালানি নিরাপত্তা বেশ শক্তিশালী, যেখানে সরকারি এবং বেসরকারি উভয় পক্ষই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বেসরকারি খাতে তেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে। এই উদ্দেশ্যে একটি নীতিমালা তৈরি হচ্ছে যা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। যাদের কাছে অর্থ আছে তারা এই নীতি অনুসরণ করে তেল আমদানি করতে পারবেন। বর্তমানে বিষয়টি যাচাইবাছাই পর্যায়ে রয়েছে। নীতিমালা তৈরি হলে এটি অর্থনৈতিক কমিটিতে যাবে, সেখানে পাস হলে পরবর্তীতে পারচেস কমিটিতে যাবে, পাস হলে তা কেবিনেটে যাবে। কেবিনেটে পাস হলে এর সঙ্গে সম্পর্কিত পলিসিগুলো ঘোষণা করা হবে। কিন্তু এর আগেই কিছু মানুষ বিষয়টি বুঝে না নিয়েই অনুমাননির্ভর মন্তব্য করছেন।

জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, দেশের জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং অখণ্ড সরবরাহ ব্যবস্থাকে বজায় রাখতে, স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য এবং জরুরি ও সংকটকালীন পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগকে কাজে লাগাতে এই নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত এবং পরামর্শ নিয়েই এ নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি এবং বিপণন কার্যক্রম এককভাবে পরিচালনা করে থাকে। বর্তমানে সরকার দেশের জ্বালানি তেলের বিশাল চাহিদা মেটানোর জন্য এবং শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বেসরকারি খাতকে এ কার্যক্রমে যুক্ত করার চিন্তাচিন্তা করছে। কারণ, সরকার বা বিপিসির একার পক্ষে দেশের জ্বালানি তেলের বৃহৎ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবারে বিষয়টি নিয়ে আরও স্পষ্ট হতে দেখা গেছে। সেইসাথে বিপিসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় দুর্নীতি এবং অদক্ষতার অভিযোগও উঠেছে। এই প্রতিষ্ঠানের সিস্টেম লস ২০ শতাংশের বেশি। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্টদের মতে, বেসরকারি খাতকে জ্বালানি আমদানির সুযোগ দিলে, বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। যা পরে দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হতে পারে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের একমাত্র জ্বালানি তেলের পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি অনেক পুরোনো। বর্তমানে এর পরিশোধন সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই দেশের মোট চাহিদার ৭৫ শতাংশের বেশি পরিশোধিত জ্বালানি তেল উচ্চ দামে বাইরে থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। পাশের দেশ ভারতও কম দামে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে তা পরিশোধন করে নিজেদের চাহিদা পূরণ করে এবং রপ্তানি করে। এ ক্ষেত্রে দেশের বড় বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা রিফাইনারি স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা নিলে এ খাতের জন্য তা একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হবে। যদি বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করেন এবং সরকার জমি এবং অন্যান্য লজিস্টিক সহায়তা দিতে পারে, তাহলে বিষয়টি আরও সহজ হবে। প্রয়োজন হলে সরকার এখানে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলেও যেতে পারে। তবে এটি করতে হলে কিছু শর্ত মেনে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের তেল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের যদি নিজস্ব জেটি বা জাহাজ থাকে, তেল খালাস ও সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকে, নিজস্ব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এবং পর্যাপ্ত মূলধন থাকে, এসব বিষয়গুলোর যাচাই করা প্রয়োজন।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছেন, তেল আমদানি এবং বিপণন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে রেগুলেশনই হচ্ছে মূল বিষয়। এ খাতে প্রতিযোগিতা করতে হলে উন্মুক্ত বাজার পদ্ধতির মাধ্যমে এটি পরিচালনা করতে হবে। এখানে প্রতিযোগিতার উপাদান রাখতে হবে। যদিও এটি বেসরকারি খাতে দেওয়া হচ্ছে, তবুও কিছু শর্ত রাখা দরকার আমাদানির জন্য। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ভারতের ক্ষেত্রে ভারত পেট্রোলিয়াম এবং রিলায়েন্সের পাম্পও রয়েছে। ভারতে এ-সংক্রান্ত অনেক নীতিমালা বিদ্যমান।

অর্থনীতিবিদ এবং পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি যখন বড় হচ্ছে, তখন পুরোনো কাঠামোর প্রতি নিজেদের আটকে রাখা যাবে না। জ্বালানি খাতেও এখন সময় এসেছে সরকারি একচেটিয়া নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার। কারণ দক্ষ অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে, বিনিয়োগ প্রয়োজন এবং বিনিয়োগ আনতে হলে বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিতে হবে এবং সেই বিনিয়োগ নিরাপদ ও জনস্বার্থমুখী রাখতে হলে সরকারকে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক হিসেবে থাকতে হবে। এই সমন্বয় তাই হতে পারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে গভীর রাতেও মুষলধারে বৃষ্টি, নগরবাসী ভোগান্তিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ এম


রাজধানীতে গভীর রাতেও মুষলধারে বৃষ্টি, নগরবাসী ভোগান্তিতে

রাজধানীতে সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতও হচ্ছে।

টানা বৃষ্টির ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা ও যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ঘরমুখো মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

সন্ধ্যার পর রাজধানীর কাওরান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ, পল্টন, মতিঝিল, ধানমণ্ডি এবং মিরপুর রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির প্রভাবের কারণে যানবাহনের গতির উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে। নিচু সড়কের কিছু অংশে পানি জমে থাকার কারণে যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মতিঝিলে এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী জানিয়েছেন, অফিস শেষে বের হয়েই তিনি বৃষ্টির সম্মুখীন হন। বাসের কোনো দেখা মিলছে না, আর যা বাস পাওয়া যাচ্ছে, তা ওঠার জন্য আদর্শ অবস্থায় নেই। সিএনজি এবং রাইড শেয়ারিংয়ে অতিরিক্ত ভাড়ার দাবি করা হচ্ছে।

তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। এদিকে, সড়কের কিছু অংশে পানি জমে থাকার কারণে যান চলাচলে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বৃষ্টির মধ্যেও সড়ক সচল রাখার চেষ্টা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌরভ গাঙ্গুলী ও তার স্ত্রীকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ এম


সৌরভ গাঙ্গুলী ও তার স্ত্রীকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ

ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এবং ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রাক্তন সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী এবং তাঁর স্ত্রী দোনা গাঙ্গুলীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ধারাবাহিক চিঠির মাধ্যমে প্রতিটি বার্তা তাদের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। সোমবার কলকাতা পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, গত কয়েক মাস ধরে অব্যাহতভাবে আসা হুমকিচিঠির পর সম্প্রতি সৌরভ ও তার স্ত্রীকে সরাসরি হত্যার হুমকি প্রদান করা হয়।

এই ঘটনার বিষয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই)-এর বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, পুলিশ চিঠিগুলোর উৎস ও প্রেরকের পরিচয় শনাক্ত করতে ইতিমধ্যেই ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে। বর্তমানে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করা সৌরভ গাঙ্গুলীর কার্যালয়ে সোমবার সবশেষ হুমকিচিঠিটি পৌঁছানোর পরপরই দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাস ধরে সাবেক এই ভারতীয় অধিনায়কের নামে এমন একাধিক হুমকিচিঠি এসে পৌঁছালেও শুরুতে বিষয়টি খুব গুরুত্ব পাওয়া যায়নি। তবে সোমবার সৌরভের কার্যালয়ে পাওয়া দুটি চিঠিতে চরমতার একটি নতুন মোড় দেখা গেছে। ওই চিঠিতে সৌরভ ও দোনা গাঙ্গুলীকে সরাসরি প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ঘনিষ্ঠজনদের ক্ষতি করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

উদ্ভূত এই অবস্থায় ভারতের সাবেক ক্রিকেট তারকা ও অধিনায়কের ম্যানেজারের মাধ্যমে ঠাকুরপুকুর থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে। খবর পাওয়ার পর কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা তৎপর হয়ে পুরো বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছেন। চিঠিগুলোর বিষয়বস্তু ও প্রেরকের আসল উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গুরুতর এই ঘটনাটি নিশ্চিত করে এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্তে নেমেছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রেরক এবং মূল অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করতে চিঠির বিষয়বস্তু, প্রাপ্তির মাধ্যম ও কুরিয়ার ট্রেইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, চিঠিগুলো কোনো নিবন্ধিত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে এবং এটি সম্ভবত উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বেলঘড়িয়া এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে এসেছে।

অভিযুক্তকে চিহ্নিত করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কুরিয়ার কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। প্রেরকের কথিত সিম কার্ডটির গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, তারা কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে একটি সন্দেহভাজন মোবাইল নম্বর চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছেন, যার অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। সবকটি হুমকিচিঠি একই ব্যক্তি পাঠিয়েছে কিনা বা এর পেছনে অন্য কোনো দল বা মতলব রয়েছে, তা নিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%