১১:৪৩ এম
সামাজিক জবাবদিহিতা (এসএ) এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর প্রতি জবাবদিহিতা (এএপি) ব্যবস্থাপনা বিষয়ক একটি পরিচিতিমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউনিসেফের সহযোগিতায় গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি বলেছেন, সুশাসন নিশ্চিতে প্রত্যেকটি দপ্তরই বিভিন্ন টুলসের সাথে সম্পর্কিত। জলবায়ুগত বা বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে টুলসগুলো সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করার প্রয়োজন রয়েছে।
আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে পাচারের সময় ১৬ বস্তা সার আটক, ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা
২০৩০ সালের মধ্যে অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়ন বাস্তবায়নের জন্য এসডিজি অনুযায়ী জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে ইউনিসেফ বিভিন্ন দপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করছে। তিনি বলেন, "যদি আপনারা চান, আমরা এই সক্ষমতা বৃদ্ধি কার্যক্রমকে একটি এজেন্ডা হিসেবে নিয়ে কাজ করবো। নিয়মিতভাবে আমরা কর্মপরিকল্পা নিয়ে বসবো এবং সাধ্য অনুযায়ী সমাধান করবো। প্রয়োজনে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে সুপারিশ করবো।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমাদের সেবাকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত সহজলভ্য করতে প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংযোগ তৈরি করতে হবে। অনেক দপ্তরে জনবল সংকট বিদ্যমান। সরকার এই জনবল সংকট সমাধানে অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। তিনি বলেন, "যার যার অবস্থান থেকে তথ্য দিয়ে সরকারকে সহায়তা করতে হবে।"
কর্মশালায় বক্তৃতা করেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত ও স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন।
বক্তৃতাকালীন সময়ে ইউনিসেফ খুলনার চিফ মো. কাওসার হোসাইন প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। কর্মশালায় বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে ব্যবসায়ির গড়া "সামারা ভিলা’ দখলের পাঁয়তারা: মেজো ভাইয়ের তাণ্ডব, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন