ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাভাবিপ্রবিতে নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান


মাভাবিপ্রবিতে নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুলের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক এবং দর্শন ডিসিপ্লিনের কারিকুলাম কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বরত রেজিস্ট্রার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর স্নাতকোত্তর গবেষণার বিষয় ছিল "Environmental Ethics: A Creative Synthesis"। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে তিনি অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকসহ বিভিন্ন একাডেমিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের বক্তব্য প্রত্যাহার করে আইজিপির জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি টিআইবির

উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য, বিভিন্ন পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সদস্য এবং সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদের জার্নালের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিক্ষা উপকরণ প্রস্তুত, টিউটর প্রশিক্ষণ, সেমিনার আয়োজন ও একাডেমিক প্রশাসনে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান আছে। দেশে বিদেশে উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষা, শিক্ষা উপকরণ উন্নয়ন, শিক্ষামাধ্যম নির্মাণ, সৃজনশীল শিক্ষণ-পদ্ধতি এবং একাডেমিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তিনি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।

অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেও তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের সমন্বয়ে অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার আশা প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন: ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি, নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে ফেসবুকে যা বললেন আনোয়ার ইব্রাহিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে ফেসবুকে যা বললেন আনোয়ার ইব্রাহিম

বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগের কথা জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন তিনি। এ সময় দুই নেতা জ্বালানি, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ফোনালাপের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, আলোচনায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি ও বিনিয়োগ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত।

আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, আলোচনায় বাংলাদেশের চলমান প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ সংকট এবং তা মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়টি উঠে আসে।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পেট্রোনাসের মাধ্যমে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যাতে বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়তা করা যায়।

ফেসবুক পোস্টে আনোয়ার ইব্রাহিম লিখেছেন, “আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি ও বিনিয়োগ খাতে পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।”

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, ফোনালাপে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ও গুরুত্ব পায়। তিনি বলেন, টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান অ্যাক্সিয়াটার চলমান বিনিয়োগ কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এমএমসি পোর্টের সঙ্গে সম্ভাব্য কৌশলগত সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

আনোয়ারের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং নতুন বিনিয়োগ ও কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ফোনালাপে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন আনোয়ার ইব্রাহিম।

তিনি বলেন, “পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বাস্তভিত্তিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের ভিত্তিতে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

এই ফোনালাপ এমন এক সময়ে হলো, যখন মাত্র এক মাস আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফর করেন।

গত ২১ থেকে ২২ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সরকারি সফরে কুয়ালালামপুর যান তিনি। পরে সেখান থেকে চার দিনের সরকারি সফরে চীন সফরে যান। মালয়েশিয়া সফরকালে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এছাড়া তিনি মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি আলমারহুম সুলতান ইস্কান্দারের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে মালয়েশিয়ার শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের সময় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে একাধিক সমঝোতা ও সহযোগিতা-সংক্রান্ত দলিলে স্বাক্ষর হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সরকারি বিদেশ সফর এবং কোনও বিদেশি সরকারপ্রধানের সঙ্গে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা, দ্রুত সমাধান চান শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা, দ্রুত সমাধান চান শিক্ষার্থীরা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে, তবে এর মধ্যেও অ académিক কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও অন্যান্য অ্যাকাডেমিক ভবনের তালা খুলে দেওয়া হলেও শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচিতে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকও ঠিক এখনো বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলনের দাবির পুরোপুরি বাস্তবায়ন চান এবং দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে দ্রুত পরীক্ষা ও ক্লাস শুরুর প্রত্যাশা করছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে- নারী শিক্ষার্থীদের ভিডিওধারণের ঘটনায় অভিযুক্ত ক্যানটিনকর্মী ইমাম হাসানের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় আনা, যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রুবেল আনছার এবং অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা এবং ‘স্পন্দন-২৪’ ক্লাবের নিবন্ধন বাতিল করা। ইতোমধ্যে এসব দাবির কয়েকটির বিষয়ে প্রশাসন পদক্ষেপ নিয়েছে। অভিযুক্ত ক্যানটিনকর্মী ইমাম হাসানকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ‘স্পন্দন-২৪’ ক্লাবের নিবন্ধনও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার, সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট বডির জবাবদিহিসহ তদন্ত শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়গুলো বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চলমান আন্দোলনের কারণে বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি স্কুলের প্রথম বর্ষের প্রথম টার্ম পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়া যেমন জরুরি, তেমনি অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকা কাম্য নয়। গণিত ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর এটাই আমাদের প্রথম টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা। আন্দোলন শুরু হওয়ায় পরীক্ষাগুলো দিতে পারিনি। তারা পরীক্ষা দিতে চান কারণ সেশনজট বা অ্যাকাডেমিক ক্ষতির মুখে পড়তে চান না। কিন্তু তাদের দাবি, একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হোক। একই ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষের ছাত্র মো. সাহেদ মন্তব্য করেছেন যে, প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার নিয়ে তাদের অনেক স্বপ্ন ও প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু আন্দোলনের কারণে পরীক্ষা মাঝপথে বন্ধ হয়ে গেছে। তারা চান যত দ্রুত সম্ভব পরীক্ষা শুরু হোক এবং প্রশাসন যেন শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি করেছে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়নে অগ্রগতি হচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক মো. সালাউদ্দিন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রশাসনের প্রতিশ্রুতির কাজের অগ্রগতি ভালো। মেডন, ইনশাআল্লাহ, নিদিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজগুলো সম্পন্ন হবে। ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষক ও প্রশাসনের অংশ হিসেবে আমরা এতে চরমভাবে দুঃখিত। তদন্ত এবং বিচার হতে হবে। বিচার একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং প্রশাসন এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতিও পালনের চেষ্টা করছে। অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীর স্বার্থ সবসময় তাদের প্রাধান্য। বিচার প্রক্রিয়া চলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ক্ষতি যেন না হয়, সেটাও তাদের লক্ষ্য। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বছরের কোর্সের সুনাম ধরে রাখতে শিক্ষক ও ডিসিপ্লিনগুলো প্রস্তুত। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ রাখার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ছাত্রবিষয়ক পরিচালক বলেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের জন্যই ক্যাম্পাসে আসেন। কিন্তু মূল ফটক বন্ধ থাকায় তাদের সাব-গেট দিয়ে আসতে হয়। এতে অনেক শিক্ষক অসম্মানিত বোধ করছেন। তারp মতে, শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ, মূল ফটকটি খুলে দেওয়া হোক যেন সবাই একটি স্বাভাবিক ও সম্মানজনক পরিবেশে থাকে। তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে তারা সংবেদনশীল আছেন এবং সব সমস্যা সমাধানের জন্য আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকালের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


সকালের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

দেশের ৮টি অঞ্চলের ওপর বুধবার সকালে ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য যে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে এ তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার সয়াবিন তেলে মিলল ভয়াবহ মাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


এবার সয়াবিন তেলে মিলল ভয়াবহ মাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক

সয়াবিন তেলে ভয়াবহ মাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেল, যা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বড় বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, সেখানে উদ্বেগজনক হারে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি দেখা গেছে। গবেষকরা তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি লিটার তেলে গড়ে ৫৩ হাজার ৯২২টি প্লাস্টিক কণার সন্ধান পেয়েছেন। এছাড়া বোতলজাত তেলের তুলনায় খোলা তেলে দূষণের এই মাত্রা আরও বেশি দেখা গেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) একটি যৌথ গবেষণায় এই জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। এই গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিস’-এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণার জন্য ঢাকার তেজগাঁও, উত্তরা ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বিভিন্ন সুপারশপ এবং খোলা বাজার থেকে মোট ৬০টি সয়াবিন তেলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। গবেষকরা বলছেন যে, আধুনিক স্পেকট্রোস্কোপিক ও রাসায়নিক পদ্ধতিতে এগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছিল।

গবেষণায় দেখা গেছে, বোতলজাত তেলের তুলনায় খোলা সয়াবিন তেলে দূষণের পরিমাণ অন্তত ১.২৪ গুণ বেশি, যেখানে প্রতিটি লিটারে গড়ে ৫৯ হাজার ৭৭৮টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। তেজগাঁও এলাকা থেকে সংগৃহীত খোলা তেলের নমুনায় প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি সর্বাধিক ছিল। শিল্পকারখানার আধিক্য, টেক্সটাইল ও প্লাস্টিক কারখানার নিকটবর্তী অবস্থান এবং খোলা তেল সংরক্ষণে ব্যবহৃত পাত্রের বারবার ব্যবহারই এর কারণ হতে পারে বলে গবেষকরা মনে করছেন।

ল্যাবরেটরি বিশ্লেষণে, এই তেলের নমুনাগুলোতে ছয় ধরনের প্লাস্টিক পলিমার শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো—লো-ডেনসিটি পলিইথিলিন (এলডিপিই), হাই-ডেনসিটি পলিইথিলিন (এইচডিপিই), পলিপ্রোপিলিন (পিপি), পলিইথিলিন টেরেফথালেট (পিইটিই), পলিইউরেথেন (পিইউ) ও নাইলন। গবেষকরা জানিয়েছেন, ভোজ্যতেলে পলিইউরেথেন ও নাইলনের উপস্থিতির বিষয়টি বিশ্বে এবারের মতো প্রথম কোনো গবেষণায় উঠে এসেছে। শনাক্ত হওয়া কণাগুলোর ৮২.৫ শতাংশই আঁশ বা ফাইবারজাতীয়। একই সঙ্গে ৫৬.২৯ শতাংশ কণা স্বচ্ছ প্রকৃতির এবং ৩৫.৮৪ শতাংশ কণার আকার ১০১ থেকে ৫০০ মাইক্রোমিটারের মধ্যে।

দৈনন্দিন খাদ্যগ্রহণের হিসাব অনুযায়ী, মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশের একটি প্রাক্কলনও তুলে ধরা হয়েছে গবেষণায়। এতে দেখা যায়, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতিদিন গড়ে ১৭.৬৫টি এবং বছরে প্রায় ৬ হাজার ৪৪১টি প্লাস্টিক কণা প্রবেশ করছে। তবে কম ওজনের কারণে শিশুদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও ভয়াবহ। তারা প্রতিদিন গড়ে ৭৭.২১টি এবং বছরে প্রায় ২৮ হাজার ১৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণ করছে। গবেষণায় পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে, একটি শিশু তার জীবনদ্দশায় প্রায় ২০ লাখ ৯০ হাজার প্লাস্টিক কণা গ্রহণ করতে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে এসব ক্ষুদ্র কণা মানুষের পরিপাকতন্ত্রের জটিলতা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, প্রদাহ এবং কোষের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করতে পারে। বিশেষভাবে ১৩০ মাইক্রোমিটারের চেয়ে ছোট কণাগুলো কোষের দেয়াল ভেদ করে সরাসরি রক্তে মিশে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

গবেষণার প্রধান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শফি মুহাম্মদ তারেক জানিয়েছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক বর্তমানে একটি উদীয়মান দূষক, যা মানবদেহে প্রজননতন্ত্র ও বিপাকীয় ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্লাস্টিক পুরোপুরি বর্জন করা এই মুহূর্তে বাস্তবসম্মত নয়। তাই প্লাস্টিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিংয়ের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।’

গবেষকরা খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণের প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি, মানসম্মত ফিল্টারের ব্যবহার এবং খোলা তেল বিক্রির ক্ষেত্রে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার তাগিদ দিয়েছেন। দেশে খাদ্যপণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক পর্যবেক্ষণের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এখনো আগে দেশের বাজারে প্রচলিত টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছিল। পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)-এর এক বছরব্যাপী পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্ট নমুনার মধ্যে ২৬টিতে (৭৬.৫ শতাংশ) প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

ইএসডিওর ওই গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছিল। এর মধ্যে সর্বাধিক ৩২০টি কণা ছিল মেডিপ্লাস ফ্লুরাইড জেলে। এছাড়াও ক্লোজআপ রেড হট ও ক্লোজআপ মেনথল ফ্রেশে ১৬০টি করে, কোদোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টিতে ১২০টি এবং পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট ও হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার-এ ১০০টি করে কণা শনাক্ত হয়েছে। শিশুদের জন্য তৈরি ছয়টি টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতেই এই দূষক পাওয়া গেছে। তবে প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি ও কোদোমো অরেঞ্জ টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক মেলেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%