ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁয় পাটচাষিরা সর্বোচ্চ বাজারমূল্য পাওয়ায় আনন্দে উচ্ছ্বসিত


নওগাঁয় পাটচাষিরা সর্বোচ্চ বাজারমূল্য পাওয়ায় আনন্দে উচ্ছ্বসিত

নওগাঁ, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চলতি মৌসুমে বৃষ্টির সঠিক সময়ে হওয়া এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সোনালি আঁশ হিসেবে পরিচিত পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলস্বরূপ, খরিপ-১ মৌসুমে উৎপাদিত পাটের বাজারমূল্য আশাতীত হওয়ায় জেলার কৃষকরা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন।

বিগত ৫ বছর ধরে পাট চাষের পরিমাণ কমে গেলেও এই বছর ভালো দাম, সরকারি প্রণোদনা এবং পাটের তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহারের কারণে কৃষকরা আগামী মৌসুমে পাট চাষে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠবেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২০২২ মৌসুমে জেলায় পাটের আবাদ হয়েছিল ৫,৭২৫ হেক্টর জমিতে, যার ফলস্বরূপ উৎপাদন হয়েছিল ১৫,৫৬০ মেট্রিক টন পাট। পরবর্তী মৌসুমে, ২০২২-২০২৩ এ পাটের আবাদ হয়েছিল ৫,৩৩০ হেক্টর জমিতে, উৎপাদন ১৪,৬৫০ মেট্রিক টন। ২০২৩-২০২৪ মৌসুমে পাটের আবাদ হয়েছে ৪,৫৬০ হেক্টর জমিতে, উৎপাদন ১২,৭১০ মেট্রিক টন। ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে আবাদ হয়েছিল ৩,৫৫০ হেক্টর জমিতে, উৎপাদন ৯,৯৬৫ মেট্রিক টন। চলতি ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে পাটের আবাদ হয়েছে ৩,১৭০ হেক্টর জমিতে, সম্ভাব্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৮,৯৪০ মেট্রিক টন পাট।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

এখন পর্যন্ত জেলার কৃষকরা জমি থেকে পাট কেটে জাগ দিয়ে আঁশ ছাড়িয়ে শুকিয়ে বাজারজাত করতে শুরু করেছেন। মৌসুমের শুরুতেই ভালো দাম পেয়ে কৃষকরা সন্তুষ্ট।

জেলার বিভিন্ন বাজারে শুকনা পাটের প্রতি মণ মূল্য ৩ হাজার ৮শ’ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে। প্রতি বিঘা পাট চাষে জমি চাষ, বীজ, সার পরিচর্যা, পাট কাটা, জাগ দেয়া, ধোয়া এবং শুকাতে গড়ে খরচ হয়েছে ১৬ হাজার টাকা থেকে ১৭ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি নিট লাভ হচ্ছে ৩০ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা।

গত ৫-৬ বছরের মধ্যে পাট চাষ করে কৃষকরা এ বছরই সবচেয়ে ভালো লাভ অর্জন করছেন। পাট যে সোনালি আঁশ, সেই ধারণা আবার ফিরে আসতে শুরু করেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অধিক পাট ফলনের মাধ্যমে।

বদলগাছী উপজেলার কাষ্টডোব গ্রামের কৃষক মোবারক আলী শঙ্কা নিয়ে এ বছর ১ বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছেন। তিনি বাসস’কে জানান, সব মিলিয়ে তার খরচ হয়েছে ১৭ হাজার টাকা। তার এক বিঘা জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছে ১২ মণ, যার বর্তমান বাজারমূল্য ৪৮ হাজার টাকা। এতে তার নিট লাভ হয়েছে ৩১ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

মান্দা উপজেলার বড় বেলালদহ গ্রামের আজিমুদ্দিন কাজী ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। তিনি মোট পাট পেয়েছেন ২২ মণ। ৪ হাজার টাকা দর হিসেবে তার পাটের মোট বাজারমূল্য ৮৮ হাজার টাকা। ২ বিঘা পাটের আবাদ করতে মোট খরচ হয়েছে ৩২ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে তিনি দুই বিঘা জমিতে নিট মুনাফা করেছেন ৫৬ হাজার টাকা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৮শ’ জন কৃষকের প্রত্যেককে ২৩০ টাকা মূল্যের ১ কেজি করে বীজ, ৯৫ টাকা মূল্যের ৫ কেজি ডিএপি সার, ৯০ টাকা মূল্যের ৫ কেজি এমওপি সার, পরিবহন বাবদ নগদ ১৬.৫০ টাকা দেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রণোদনার আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ৪৪২.৫০ টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সেই হিসেবে চলতি মৌসুমে পাট চাষিদের ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ’র উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান বাসস’কে বলেন, কৃষি বিভাগ পাটকে আবার সোনালি আঁশ হিসেবে সুপরিচিত করতে পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করছে। এ প্রান্তিক চাষিদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় ৮শ’ জন পাটচাষিকে বিনামূল্যে বীজ, সারসহ পরিবহন খরচ ও আনুষাঙ্গিক ও অপ্রত্যাশিত ব্যয়ের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বালিয়াডাঙ্গীতে পতিলাভাষা যুব সমাজের উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধের আহ্বান মীর শাহে আলমের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধের আহ্বান মীর শাহে আলমের

ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ডেঙ্গু সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মীর শাহে আলম বলেছেন, "যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সময়ে অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; বরং সারা বছর নিয়মিতভাবে সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করতে হবে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করেছেন। আজ সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী এই অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই প্রতিমন্ত্রী মাঠপর্যায়ে চলমান কার্যক্রম পরিদর্শনে বের হন। তিনি ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়ক ও রাপা প্লাজা এলাকায় পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল এবং আশপাশের পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এসময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর সেচ ভবনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রতিমন্ত্রী আবারও বলেন, "যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে।" তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সময়ে অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; বরং সারা বছর নিয়মিতভাবে সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একটি ধারাবাহিক সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।" সরকারি সংস্থার পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মীর শাহে আলম বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী তিন মাসের এ বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।" তিনি বলেন, এই কর্মসূচির লক্ষ্য শুধু মশা নিধন নয়; বরং পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ বন্ধ করা এবং নাগরিকদের মধ্যে স্থায়ী সচেতনতা গড়ে তোলা।

তিনি আরও বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।" এডিস মশা যাতে বংশবিস্তার করতে না পারে, সেজন্য বাড়ি-ঘর, নির্মাণাধীন ভবন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পরিধি ও সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নির্মাণাধীন ভবনকে এডিস মশার প্রজননের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ স্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, "নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।" নির্মাণসামগ্রী, ড্রাম, বালতি, গর্ত বা অন্য কোনো স্থানে পানি জমে থাকলে সেখানে এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। তাই ভবন মালিক, নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়মিতভাবে এসব স্থান পরিষ্কার রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "সংশ্লিষ্টদের সচেতন ও সতর্ক করার পরও কেউ যদি দায়িত্বে অবহেলা করেন এবং এডিস মশার প্রজননের পরিবেশ সৃষ্টি করেন, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড এবং প্রয়োজনে কারাদণ্ডের মতো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" তবে তিনি সবাইকে শাস্তির পরিবর্তে সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং অন্যান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত এলাকার কুখ্যাত দুই মাদক কারবারি ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


সীমান্ত এলাকার কুখ্যাত দুই মাদক কারবারি ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার
 
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্তবর্তী পাগলারহাট চর এলাকা থেকে দুই কুখ্যাত মাদক কারবারিকে ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
 
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে সহকারী পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন–এর নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
 
গ্রেপ্তাররা হলেন, পাগলারহাট এলাকার ওমর আলী (৪৩), পিতা: মৃত রহিম উদ্দিন এবং মানিক মিয়া (৩৬), পিতা: বাবুর আলী।
 
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ভারতীয় ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি বাটন মোবাইল ফোন এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য প্রায় ৯ হাজার টাকা।
 
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২২ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান, ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২২ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান, ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ
 
কুড়িগ্রাম সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (২২ বিজিবি) পরিচালিত সাঁড়াশি অভিযানে ২০ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
 
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক।  গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
 
 বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় প্যান্ট পিস, বিদেশি মদ, চোরাচালানি গবাদিপশুসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য। সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
 
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বলেন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২২ বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তে মাদক, চোরাচালান ও সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে আমাদের অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন করে আরও একটি উপজেলা গঠনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


নতুন করে আরও একটি উপজেলা গঠনের উদ্যোগ

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার আংশিক ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন একটি উপজেলা গঠন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব প্রস্তুত করে বিভাগীয় কমিশনারের সুপারিশসহ স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণের জন্য চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা পরিষদ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ১০ সেপ্টেম্বর তারিখে জারি করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) সংসদীয় আসনের আওতাধীন সাতকানিয়া উপজেলার আংশিক ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন একটি আলাদা উপজেলা গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ উদ্যোগটি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জসীম উদ্দীন আহমেদের পাঠানো ডিও পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রহণ করা হয়েছে।

নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০০৮ সালের ২৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্রে নির্ধারিত শর্ত ও নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসককে প্রস্তাবটি প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তসহ স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করে বিভাগীয় কমিশনারের সুপারিশসহ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে অনুরোধ করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন উপজেলা গঠনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সুবিধা, জনসংখ্যা, ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, আয়তন, স্থানীয় জনগণের সুবিধা এবং বিদ্যমান প্রশাসনিক কাঠামোসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হবে।

জেলা প্রশাসনের প্রস্তাব পাওয়ার পর নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তা যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

চিঠির অনুলিপি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য, চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক ও উপপরিচালক, সাতকানিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের সুপারিশসহ প্রস্তাবটি স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর পর নতুন উপজেলা গঠনের বিষয়ে পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%