বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:১০ পি.এম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলমের পদত্যাগের পর এবার চার সহকারী প্রক্টরও তাদের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তাদের অব্যাহতি দিয়েছে।
এছাড়া, নতুন প্রক্টর ও একজন সহকারী প্রক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শামীমা নাসরীন জলি, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবির এবং পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌসকে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এর আগে পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম প্রক্টর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়।
এদিকে গত ২৯ জুলাই জারি করা দুটি পৃথক অফিস আদেশে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মো. জাকির হোসেনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুছ ছাত্তারকে আগামী দুই বছরের জন্য সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, উভয় নিয়োগই ২৯ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা শহরের ইমারত নির্মাণ ও নগর উন্নয়ন সম্পর্কিত বিদ্যমান আইন-বিধিমালা অত্যাধুনিক ও কার্যকর করার জন্য একটি ৩ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। বুধবার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে বিষয়টি সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ঢাকা মহানগরে ইমারত বিধিমালা কার্যকর করার ক্ষেত্রে আইনি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে The Building Construction Act, 1952 এবং The Town Improvement Act, 1953 পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিমার্জন এবং সুপারিশ প্রণয়নের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কমিটির সদস্য হিসেবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই কমিটি বিদ্যমান দুটি আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং পরিমার্জনের সুপারিশ করবে, যাতে ঢাকা মহানগরের ইমারত বিধিমালা কার্যকরীভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে।
কমিটি প্রয়োজন হলে নতুন সদস্যদের কো-অপ্ট করার অধিকার রাখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা অনুষ্ঠিত হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সরকার মালদ্বীপ সরকারকে প্রিমিয়াম মানের সুস্বাদু মৌসুমি আম উপহার দিয়েছে, যা বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কের প্রতীক।
মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে এবং এ উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাম্প্রতিক সরকারি সফরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার, দেশটির বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে উৎকৃষ্ট মানের তাজা মৌসুমী আম আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান প্রটোকল কর্মকর্তা (ডেপুটি চিফ অব প্রটোকল) বাদুরা সাঈদের কাছে এই শুভেচ্ছা উপহার হস্তান্তর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের সুস্বাদু আম উপহার প্রদান দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে গভীর সম্পর্ক, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও কূটনৈক ঐতিহ্যের উজ্জ্বল প্রতীক। এটি উভয় দেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা, আস্থার পরিধি বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক সম্প্রীতিরও বহিঃপ্রকাশ।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে কূটনীতি, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শ্রম ও জনশক্তি, প্রতিরক্ষা, পর্যটন এবং সার্বিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। এ উপহার দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেট ঘোষণাকালে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বলেন, নতুন কোনো কর বৃদ্ধি না করেই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ বৃদ্ধি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং পরিবেশবান্ধব নগর গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাজেট বক্তব্যের শুরুতে প্রশাসক মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদ, ভাষাসৈনিক এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী ব্যক্তিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, ধান, নদী ও খালের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ বরিশাল কেবল দক্ষিণাঞ্চলের নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের গর্ব। প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই নগরীতে বর্তমানে প্রায় ছয় লাখ মানুষের বসবাস।
তিনি আরও বলেন, সীমিত আয় থাকা সত্ত্বেও নগরবাসীর কল্যাণে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। বরিশালকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ঈদ উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নতুন ডাম্প ট্রাক, কম্প্যাক্টর ট্রাক এবং ভ্যাকুয়াম ট্রাক কেনা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নগরীর প্রধান ড্রেন ও খাল থেকে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা ও পলি অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলখাল, আমানতগঞ্জ খাল, সাগরদী খাল ও লাকুটিয়া খালের সংস্কার ও পুনঃখননের জন্য প্রায় ৭৬৯ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিদিন লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
প্রশাসক জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রূপাতলী সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট পুনরায় চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বেলতলা ও কীর্তনখোলা সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নগরবাসীর জন্য অনলাইনভিত্তিক পানি সংযোগ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ফলে আবেদন, অনুমোদন এবং বিভিন্ন ধরনের সেবা গ্রহণ আরও সহজ হয়েছে। আগামী অর্থবছরে একটি পানির এটিএম বুথ স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে নতুন হকার্স মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া চৌমাথা লেকে মিউজিক্যাল ফোয়ারা স্থাপন, বিবির পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধন, বিভিন্ন পার্ক সংস্কার এবং আলোকসজ্জার উন্নয়ন করা হয়েছে।
নারীদের জন্য আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ মার্কেট স্থাপন এবং অসচ্ছল নারীদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শিশুদের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য বিভিন্ন পার্ক ও মাঠ উন্নয়নের পাশাপাশি খেলাধুলার সরঞ্জাম কেনার জন্যও বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের আওতায় টিকাদান কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নারী ও শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া হরিজন ও ডোম সম্প্রদায়ের আবাসন সমস্যা সমাধানের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মজীবী নারীদের জন্য হোস্টেল নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য আগামী অর্থবছরে ৫০ হাজার গাছ লাগানোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নগরীতে একটি ইকো পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতার শেষাংশে প্রশাসক বলেন, ‘বরিশালকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবো বলে বিশ্বাস করি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আজ সচিবালয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অগ্রগতির বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। ছবি : পিআইডি
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অর্জন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম জনগণের সামনে তথ্যভিত্তিক, সংক্ষিপ্ত ও বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ প্রতিটি দপ্তরের কার্যক্রম যেন স্পষ্টভাবে জনগণের কাছে প্রতিফলিত হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী মন্ত্রণালয় বিভাগ কর্তৃক প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অগ্রগতির বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভা শুরুর আগে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার পক্ষ থেকে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি, অর্জন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণে করণীয় বিষয় নিয়ে উপস্থাপনা করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি দপ্তরকে তাদের কর্মপরিধি ও অর্জন সংক্ষিপ্ত কিন্তু তথ্যনির্ভরভাবে উপস্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, নতুন প্রকল্প গ্রহণ, কৃষি উন্নয়ন, ঋণ বিতরণ, উপকারভোগীর সংখ্যা, সমবায় সদস্য বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকারি কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করতে এনজিও, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে উন্নয়নের সুফল জনগণের কাছে আরও দ্রুত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং প্রয়োজনভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অধিকসংখ্যক জনশক্তিকে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জন্য উপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের সব ধরনের সেবা প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য একটি জাতীয় জরিপ পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই জরিপের মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যা, আর্থসামাজিক অবস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এই তথ্য ভবিষ্যতে পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং লক্ষ্যভিত্তিক সেবা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো. সেলিম ফকির, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লার মহাপরিচালক একেএম তারেক, ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লার মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল ইসলাম, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুব্রত কুমার সিকদার, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়ার মহাপরিচালক মো. আব্দুল মজিদ প্রামানিক, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), গোপালগঞ্জের মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন পিএইচডি সহ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন সকল প্রকল্প পরিচালক এবং বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ