ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নরসিংদীতে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে ১ জন গ্রেপ্তার


নরসিংদীতে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে ১ জন গ্রেপ্তার

নরসিংদীর মনোহরদীতে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলায় এসআরবি কর্তৃক শরিফুল ইসলাম শাকিল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে মনোহরদী থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া শাকিল উপজেলার চালাকচর ইউনিয়নের হাফিজপুর গ্রামের কাজী নজরুল ইসলাম বাদশাহর পুত্র।

মামলার সূত্রে জানা যায়, চালাকচর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য রোকেয়া আক্তারের স্বামী জাকির হোসেন চালাকচর বাজারে একটি ভাড়া দোকানে ব্যবসা করতেন। দোকানের মালিক সাজ্জাদ আলী বাহার দোকানটি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত জানালে, জাকির হোসেন দোকানটি কেনার জন্য তাঁকে ১৮ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে দোকান বুঝিয়ে না দেওয়া এবং টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

অভিযোগ রয়েছে, এই বিরোধের মধ্যে শাকিল দোকান মালিকের পক্ষে দাঁড়িয়ে রোকেয়া আক্তার ও তাঁর স্বামীকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি ও চাপ দিতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের আগস্টে শাকিল তাঁদের দোকানে গিয়ে সমস্যা সমাধানের কথা বলে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাঁদের মানহানি করার হুমকি দেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে রোকেয়া আক্তারের নামে ফেসবুকে চাঁদাবাজির অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শাকিলের বিরুদ্ধে। রোকেয়া অভিযোগ করেন, এসব পোস্ট স্থানীয় কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় তিনি নরসিংদী জজ কোর্টে শাকিলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মানহানির মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। পরে শাকিল আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এর প্রেক্ষিতে এসআরবি অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

রোকেয়া আক্তার বলেন, "শাকিল বিভিন্ন মানুষের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পোস্ট করে মানহানি করেন।" এসব কর্মকাণ্ডের বিচার দাবি করেন রোকেয়া।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাকিল বিভিন্ন পেশার মানুষের কাছ থেকে নানা অজুহাতে অর্থ দাবি করেন। দাবি অনুযায়ী অর্থ না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিয়ে হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ তাঁদের। এ বিষয়ে শাকিলের ফেসবুক পোস্ট ও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে টাকা চাওয়ার অডিও রেকর্ড রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, "শাকিলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আরো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা ও স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন বিতরণ,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ পি.এম


কিশোরীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা ও স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন বিতরণ,

Climate Resilient Campus Initiative-এর আওতায় জেলা প্রশসন ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কিশোরীদের স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি ও শিক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “আজকের যত্ন, আগামীর সুস্থতা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির এবং সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এস এম ফয়েজ উদ্দিন। এ সময় কিশোরীদের স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সেবা নিশ্চিত করতে স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন বিতরণ করা হয়।

কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও মর্যাদা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজ ছাড়াই ৯১ লাখ টাকার বিল, দুই প্রকৌশলীকে শোকজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


কাজ ছাড়াই ৯১ লাখ টাকার বিল, দুই প্রকৌশলীকে শোকজ

পটুয়াখালী সদর উপজেলায় কাজ না করেই ঠিকাদারকে বিল দেওয়ার সুপারিশ এবং সম্পন্ন কাজের তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলজিইডি (পটুয়াখালী) সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশার ও সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে।

সম্প্রতি এলজিইডির পটুয়াখালী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়ালিয়ার রহমানের সই করা পৃথক নোটিশ জারি করা হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, পত্র পাওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে হবে। পাশাপাশি বাস্তবে সম্পন্ন না হওয়া কাজের বিপরীতে দেওয়া প্রায় ৯১ লাখ টাকার বিল ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, পটুয়াখালী সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে দুই প্রকৌশলী দুটি উন্নয়ন প্যাকেজের কাজ তদারকি ও বিল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট কাজের বিল, পরিমাপ বই (এমবি) ও প্রকল্পের নথিপত্র পর্যালোচনার পর বাস্তব কাজের সঙ্গে বিলের অসংগতি পাওয়া গেছে।

নোটিশ অনুযায়ী, সিএএফডিআরআইআরপি/পটুয়াখালী/ভিআর/ইআর/ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজের আওতায় মরিচবুনিয়া চাটুয়া স্লুইস-পূর্ব মরিচবুনিয়া হয়ে উত্তর বিরাজলা কমিউনিটি স্কুল সড়কের ৫ কিলোমিটার পুনর্বাসন কাজ ছিল।

অন্যদিকে সিএএফডিআরআইআরপি/পটুয়াখালী/ইউএনআর/ইআর/ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজের আওতায় লোহালিয়া ইউপিসি-ভূরিয়া বাজার-দারান্দি লঞ্চঘাট হয়ে মিয়ারহাট সড়কের ৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং জৈনকাঠি ইউপিসি থেকে ভূরিয়া বাজার হয়ে এম. ধরান্দি কলেজ সড়কের ৭ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার পুনর্বাসন কাজ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এলজিইডির নোটিশে বলা হয়েছে, এসব প্যাকেজের কিছু কাজ বাস্তবে বাস্তবায়িত না হলেও ‘আনস্পেসিফাইড’ কাজের খাতে ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

নোটিশের তথ্য অনুযায়ী, ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রথম ও দ্বিতীয় চলতি বিল বাবদ মোট ৩ কোটি ৫৩ লাখ ১২ হাজার ৫২৭ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। অপরদিকে ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রথম চলতি বিল বাবদ ৯৮ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪৪ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অতিরিক্ত বিলের পাশাপাশি দুটি প্যাকেজে বাস্তবে সম্পন্ন না হওয়া কাজের বিপরীতে প্রায় ৯১ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়ার অভিযোগও করেছে এলজিইডি। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা এবং ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রায় ৪৪ লাখ টাকা কাজ না করেই বিল হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

মো. আতিকুর রহমানের নামে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলায় উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ওই দুটি প্যাকেজের কাজ তদারকি ও বিল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলা এলজিইডিতে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী (উপজেলা প্রকৌশলী অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত।

নোটিশে সংশ্লিষ্ট বিল ও বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বাস্তবায়িত কাজের তুলনায় অতিরিক্ত বিল সুপারিশ করা হয়েছে। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে কাজটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে ‘প্রতীয়মান’ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

একইভাবে সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশারের নামে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, তিনি ওই দুটি প্যাকেজের কাজ তদারকি এবং ঠিকাদারের বিল পরিশোধের জন্য সুপারিশ করেন। পরবর্তী সময়ে বিল ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনায় কাজের একটি অংশ বাস্তবায়িত না হলেও বিল পরিশোধের বিষয়টি ধরা পড়ে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এলজিইডির নোটিশে আরো বলা হয়েছে, দুটি প্যাকেজে ইচ্ছাকৃত ভুলের মাধ্যমে নিজে ও ঠিকাদারকে আর্থিকভাবে লাভবান করার জন্য যথাক্রমে প্রায় ৪৭ লাখ ও ৪৪ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোন বিভাগীয় তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা শাস্তির তথ্য নোটিশে উল্লেখ নাই।

দুই প্রকৌশলীর কাছেই জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন ঠিকাদারকে ‘আনস্পেসিফাইড’ ও অতিরিক্ত বিলের সুপারিশ করা হয়েছে এবং ইচ্ছাকৃত ভুলের মাধ্যমে ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়ার অভিযোগে তাদের কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে না।

নোটিশে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৯১ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নোটিশ দুটির অনুলিপি এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন), পটুয়াখালী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশার বলেন, ‘আপনাকে কাল-এর উত্তর লিখে (হোয়াটসঅ্যাপে) পাঠাব। আর কোনো কথা না বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।

অন্যদিকে সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ করেননি তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু অধিকার দিবস ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহ 2026 উদযাপিত হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পারভীন আক্তার, স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা,

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


শিশু অধিকার দিবস ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহ 2026 উদযাপিত হলো

শিশু অধিকার দিবস ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহ-২০২৬ এবং
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে সমাপনী অনুষ্ঠান, আলোচনা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনের , সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট আবুল কালাম, এবং নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট, মোঃ রায়হান কবির, নারায়নগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ - এনডিএ'র চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক "মাসুকুল ইসলাম রাজিব"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুয়া তথ্য দিয়ে জন্ম নিবন্ধনের চেষ্টা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


ভুয়া তথ্য দিয়ে জন্ম নিবন্ধনের চেষ্টা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজনের কারাদণ্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে জন্ম নিবন্ধন করার চেষ্টা করার অভিযোগে মো. আবুল কালাম (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ৪ নম্বর খাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্তকে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামের তোরাফ আলীর ছেলে। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম তিনটি জন্ম নিবন্ধনের আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করার চেষ্টা করেন। আবেদনে একজন ব্যক্তিকে তাঁর পিতা এবং দুই নারীকেই তাঁর মেয়ে হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে আবেদনের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।

খাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান যাচাই করে দেখতে পান, আবেদনে পিতা হিসেবে উল্লেখ করা ব্যক্তির কোনো ছেলে সন্তান নেই। একইভাবে, মেয়ে হিসেবে উল্লেখ করা দুই নারীর নামেও তাঁর কোনো কন্যাসন্তান নেই।

পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তাঁর নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। যাচাইয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় আবুল কালাম নিজের অপরাধ স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সঠিক ও যথাযথ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%