মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৪ পি.এম
Climate Resilient Campus Initiative-এর আওতায় জেলা প্রশসন ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কিশোরীদের স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি ও শিক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “আজকের যত্ন, আগামীর সুস্থতা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির এবং সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এস এম ফয়েজ উদ্দিন। এ সময় কিশোরীদের স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সেবা নিশ্চিত করতে স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন বিতরণ করা হয়।
কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও মর্যাদা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী সদর উপজেলায় কাজ না করেই ঠিকাদারকে বিল দেওয়ার সুপারিশ এবং সম্পন্ন কাজের তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলজিইডি (পটুয়াখালী) সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশার ও সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে।
সম্প্রতি এলজিইডির পটুয়াখালী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়ালিয়ার রহমানের সই করা পৃথক নোটিশ জারি করা হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, পত্র পাওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে হবে। পাশাপাশি বাস্তবে সম্পন্ন না হওয়া কাজের বিপরীতে দেওয়া প্রায় ৯১ লাখ টাকার বিল ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, পটুয়াখালী সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে দুই প্রকৌশলী দুটি উন্নয়ন প্যাকেজের কাজ তদারকি ও বিল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট কাজের বিল, পরিমাপ বই (এমবি) ও প্রকল্পের নথিপত্র পর্যালোচনার পর বাস্তব কাজের সঙ্গে বিলের অসংগতি পাওয়া গেছে।
নোটিশ অনুযায়ী, সিএএফডিআরআইআরপি/পটুয়াখালী/ভিআর/ইআর/ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজের আওতায় মরিচবুনিয়া চাটুয়া স্লুইস-পূর্ব মরিচবুনিয়া হয়ে উত্তর বিরাজলা কমিউনিটি স্কুল সড়কের ৫ কিলোমিটার পুনর্বাসন কাজ ছিল।
অন্যদিকে সিএএফডিআরআইআরপি/পটুয়াখালী/ইউএনআর/ইআর/ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজের আওতায় লোহালিয়া ইউপিসি-ভূরিয়া বাজার-দারান্দি লঞ্চঘাট হয়ে মিয়ারহাট সড়কের ৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং জৈনকাঠি ইউপিসি থেকে ভূরিয়া বাজার হয়ে এম. ধরান্দি কলেজ সড়কের ৭ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার পুনর্বাসন কাজ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এলজিইডির নোটিশে বলা হয়েছে, এসব প্যাকেজের কিছু কাজ বাস্তবে বাস্তবায়িত না হলেও ‘আনস্পেসিফাইড’ কাজের খাতে ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
নোটিশের তথ্য অনুযায়ী, ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রথম ও দ্বিতীয় চলতি বিল বাবদ মোট ৩ কোটি ৫৩ লাখ ১২ হাজার ৫২৭ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। অপরদিকে ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রথম চলতি বিল বাবদ ৯৮ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪৪ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিল দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অতিরিক্ত বিলের পাশাপাশি দুটি প্যাকেজে বাস্তবে সম্পন্ন না হওয়া কাজের বিপরীতে প্রায় ৯১ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়ার অভিযোগও করেছে এলজিইডি। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ডব্লিউ-৩৫/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা এবং ডব্লিউ-৩৬/২০২৩-২৪ প্যাকেজে প্রায় ৪৪ লাখ টাকা কাজ না করেই বিল হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
মো. আতিকুর রহমানের নামে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলায় উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ওই দুটি প্যাকেজের কাজ তদারকি ও বিল প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলা এলজিইডিতে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী (উপজেলা প্রকৌশলী অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত।
নোটিশে সংশ্লিষ্ট বিল ও বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বাস্তবায়িত কাজের তুলনায় অতিরিক্ত বিল সুপারিশ করা হয়েছে। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে কাজটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে ‘প্রতীয়মান’ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
একইভাবে সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশারের নামে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, তিনি ওই দুটি প্যাকেজের কাজ তদারকি এবং ঠিকাদারের বিল পরিশোধের জন্য সুপারিশ করেন। পরবর্তী সময়ে বিল ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনায় কাজের একটি অংশ বাস্তবায়িত না হলেও বিল পরিশোধের বিষয়টি ধরা পড়ে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলজিইডির নোটিশে আরো বলা হয়েছে, দুটি প্যাকেজে ইচ্ছাকৃত ভুলের মাধ্যমে নিজে ও ঠিকাদারকে আর্থিকভাবে লাভবান করার জন্য যথাক্রমে প্রায় ৪৭ লাখ ও ৪৪ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোন বিভাগীয় তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা শাস্তির তথ্য নোটিশে উল্লেখ নাই।
দুই প্রকৌশলীর কাছেই জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন ঠিকাদারকে ‘আনস্পেসিফাইড’ ও অতিরিক্ত বিলের সুপারিশ করা হয়েছে এবং ইচ্ছাকৃত ভুলের মাধ্যমে ‘ভূতুড়ে বিল’ দেওয়ার অভিযোগে তাদের কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে না।
নোটিশে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৯১ লাখ টাকার ‘ভূতুড়ে বিল’ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশ দুটির অনুলিপি এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন), পটুয়াখালী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাশার বলেন, ‘আপনাকে কাল-এর উত্তর লিখে (হোয়াটসঅ্যাপে) পাঠাব। আর কোনো কথা না বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।
অন্যদিকে সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ করেননি তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিশু অধিকার দিবস ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহ-২০২৬ এবং
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে সমাপনী অনুষ্ঠান, আলোচনা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনের , সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট আবুল কালাম, এবং নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট, মোঃ রায়হান কবির, নারায়নগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ - এনডিএ'র চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক "মাসুকুল ইসলাম রাজিব"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে জন্ম নিবন্ধন করার চেষ্টা করার অভিযোগে মো. আবুল কালাম (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ৪ নম্বর খাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্তকে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির।
দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামের তোরাফ আলীর ছেলে। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম তিনটি জন্ম নিবন্ধনের আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করার চেষ্টা করেন। আবেদনে একজন ব্যক্তিকে তাঁর পিতা এবং দুই নারীকেই তাঁর মেয়ে হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে আবেদনের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।
খাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান যাচাই করে দেখতে পান, আবেদনে পিতা হিসেবে উল্লেখ করা ব্যক্তির কোনো ছেলে সন্তান নেই। একইভাবে, মেয়ে হিসেবে উল্লেখ করা দুই নারীর নামেও তাঁর কোনো কন্যাসন্তান নেই।
পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তাঁর নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। যাচাইয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় আবুল কালাম নিজের অপরাধ স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সঠিক ও যথাযথ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত চাপ এবং হুমকি সত্ত্বেও, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার থেকে সরে আসবে না এবং নিজেদের সঞ্চিত ইউরেনিয়ামের মজুদ কারও হাতে হস্তান্তর করবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে ইরান।
ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার (এইওআই) প্রধান মোহাম্মদ এসলামি এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শিল্প এবং সামগ্রিক পরমাণু প্রক্রিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নীতি ও নির্দেশিকার আওতায় পরমাণু অপ্রসারণ চুক্তি (এনপিটি)-র অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করার আলোচনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসলামি বলেন, “আরও একবার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের বিষয়টি তোলা হয়েছে এবং এটিকে আলোচনার এজেন্ডায় রাখার দাবি করা হচ্ছে। তবে সমৃদ্ধকরণ পরমাণু প্রক্রিয়ার এমন একটি অঙ্গ, যা আলাদা করা সম্ভব নয়। সমৃদ্ধকরণ না থাকলে পরমাণু শিল্পের অস্তিত্বই থাকে না।”
মার্কিন প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, “এমনকি খোদ আমেরিকানরাও তাদের জাতীয় উন্নয়ন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত নথিপত্রে পারমাণবিক প্রযুক্তিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে দেশগুলো যখন এটি অনুসরণ করছে, তখন ইরানের বিষয়ে তাদের এই দাবিগুলো মূলত প্রতারণা ও মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।”
ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় পরমাণু খাত একটি চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে উল্লেখ করে মোহাম্মদ এসলামি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ইরানিদের এই অধিকার থেকে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ