ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী


২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের সমবায় ভবনে আয়োজিত একটি সভায় এই তথ্য প্রকাশ করেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার যদি এই বিদ্যুৎ কিনতে সক্ষম হয়, তাহলে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদার ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াটের যে ব্যবধান রয়েছে, তা পূরণ করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনাটি সফল হলে ফেব্রুয়ারির পর দেশে আর লোডশেডিং থাকবে না বলে সরকারের আশা।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এই সুবিধাটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরপর বিদ্যুতের দাম কমে ইউনিটপ্রতি ৬ থেকে ৭ টাকা হতে পারে।

তিনি আরও জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডে দিয়ে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্বেগ, আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্য আইনশৃঙ্খলার পরিপন্থী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছেন ড. আসিফ নজরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছেন ড. আসিফ নজরুল

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল মন্তব্য করেছেন, "অনেকের মতো আমিও মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি।"

শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।

আসিফ নজরুল তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "তেলাপোকাদের কামড়ে মো-দি দিশেহারা। মনে হয় না টিকতে পারবে বেশিদিন।"

মোদির পতন হলে ভারতের পরিস্থিতি কিভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি লেখেন, "মোদির পতন হলে কি তার দেশ বদলে যাবে? কিছুটা তো বদলাবেই।"

তার মতে, মোদির পতন হলে ভারতে মুসলিমবিদ্বেষী রাজনীতির কিছুটা বাধার সম্মুখীন হতে পারে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র কমে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আসিফ নজরুল বাংলাদেশের মানুষের ওপর মোদি ও তার রাজনীতির প্রভাবের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, "মোদি আর তার রাজনীতির বলি হয়ে এ দেশের মানুষ নানাভাবে ভুক্তভোগী হয়েছিল। তারা ও তাদের পরিবার কিছুটা সান্ত্বনা পাবে।"

তিনি আরও বলেন, "মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি আরও অনেকের মতো আমিও।"

এছাড়া, ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পে স্কেল-২০২৬: আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


জাতীয় পে স্কেল-২০২৬: আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জাতীয় পে স্কেল-২০২৬ কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। বুধবার (৭ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রশাসন শাখা থেকে একটি চিঠি জারি করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতাভুক্ত স্বশাসিত (পাবলিক বডিজ) ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা গেজেটের কপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতায় স্বশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গেজেট জারি করে অর্থ বিভাগ। ওই গেজেটের ভিত্তিতে বর্তমানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব সারমিন সুলতানার সই করা চিঠিটি রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি। এসব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে গেজেটের কপি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স একাডেমির পরিচালককেও গেজেটের কপি প্রদান করা হয়েছে।

চিঠিতে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেটের দুটি কপি সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

এভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১ উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১ উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য ৪১টি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে, যেখানে বৈদেশিক উৎস থেকে প্রকল্প সাহায্যের পরিমাণ ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা। সরকারি অর্থায়নের (জিওবি) পরিমাণ ৪ হাজার ৭১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন হিসেবে ৩ হাজার ৩৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

আজ শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, যেখানে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, বর্তমানে দেশে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট, কিন্তু প্রকৃত উৎপাদন ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬ হাজার ৯২৭ মেগাওয়াট, যেখানে প্রকৃত উৎপাদন ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। তরল জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট, এবং প্রকৃত উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস,এম, জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও মো. আবুল হাসনাত অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দের সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং বাজেট বরাদ্দ নিয়ে বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌর ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহকরা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত গ্রিডে দেওয়া উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটে ১০ দশমিক ৫০ টাকা পাবেন।

এছাড়া, কমিটি রুফটপ সোলার প্যানেল থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া বিদ্যুতের পরিমাণ আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে।

কমিটি কর্তৃক কিছু প্রশ্ন সম্বলিত লিখিত পেপার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়, যা আগামী বৈঠকে উত্তরসহ উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-সিলেটের বিকল্প সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শুরু, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


ঢাকা-সিলেটের বিকল্প সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শুরু, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-সরাইল-নাসিরনগর ও হবিগঞ্জের লাখাই সংকোচিত আঞ্চলিক সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত করার উদ্দেশ্যে প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই দৃশ্যমান কার্যক্রম শুরু হয়।

সড়ক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সড়কটির প্রশস্তকরণের কাজ সম্পন্ন হলে বিকল্প এই সড়ক ব্যবহার করে সিলেটের সাথে দূরত্ব অন্তত ৪০ কিলোমিটার কমে যাবে। এর ফলে হাওড়াঞ্চলের গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নত হবে।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব ২২০ কিলোমিটার। অন্যদিকে, ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের কোট্টা পাড়ার মোড় পর্যন্ত দূরত্ব অন্তত ১০০ কিলোমিটার। বর্তমানে সরাইলের কোট্টাপাড়া থেকে নাসিরনগর ও হবিগঞ্জের লাখাই হয়ে চলমান ১৫ থেকে ১৮ ফুটের সড়কটি ৩৪ ফুটে উন্নীত করে আঞ্চলিক মহাসড়কে রূপ দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কটি সংকোচিত হওয়ায় সরাইলের কোট্টাপাড়া মোড়, সদরের উচালিয়া পাড়া, কালিকচ্ছ, নাসিরনগর উপজেলার কলেজ মোড়, লাখাই উপজেলার বাজার বাস স্ট্যান্ড, বামৈ বাজার, বুল্লা বাজার, কালাউক বাজার, লোকড়া বাজার, ধল বাজার ও রিচি বাজারে নিয়মিত যানজট লেগে থাকে।

জানা যায়, সড়কটির প্রশস্তকরণের কাজ শেষ হলে সরাইল, নাসিরনগর ও লাখাই হবিগঞ্জ হয়ে সিলেটে চলাচলের ক্ষেত্রে অন্তত ৪০ কিলোমিটার সড়ক পথ কমে যাবে। এর ফলে যানবাহন দ্রুত চলবে এবং যাতায়তের ক্ষেত্রে সময় কমবে অন্তত ১ ঘণ্টা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইমরান মন্তব্য করেন, "আমাদের নাসিরনগর হাওড় বিস্তৃত এলাকা। আমরা অনেক অবহেলিত মানুষ। সড়কটির প্রশস্ত করা হলে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাটা অনেক ভালো হবে।"

হাওড়াঞ্চলের বাসিন্দা আতিকুর রহমান জানান, "সড়কটি প্রশস্ত করার মাধ্যমে আমাদের জমিনের উৎপাদিত ফসল আমরা সহজে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেতে পারবো।"

সিএনজি অটো রিক্সা চালক রহিম মিয়া বলেন, "রাস্তার যে অবস্থা আছে, এই রাস্তায় সিএনজি অটোরিকশা বা বাস চলাচলের জন্য উপযোগী না। যত দ্রুত সম্ভব এখানে ফোর লেনের কাজটা দ্রুত করা হোক। কারণ প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত প্রচুর জ্যাম লেগে থাকে নাসিরনগর কলেজ মোড় এলাকায়।"

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইউনূস আলী জানিয়েছেন, "সড়কটির প্রশস্ত করা হলে জনসাধারণের ট্রাভেল টাইম কমবে। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল-কলেজ এবং রোগীদের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিতে জেলাশহর কিংবা রাজধানীর হাসপাতালে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে সময় কমে আসবে। এছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।"

সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোফাজ্জল হায়দার বলেন, "এই সড়কটি হওয়ার পরে ঢাকা-সিলেটের এই অঞ্চলে যারা আছেন, নাসিরনগর, সরাইল এবং লাখাইর উপজেলাবাসী যারা আছেন, তাদেরকে আর মূল যে সড়কটি ঢাকা-সিলেটের অংশে ঢুকতে হচ্ছে না। তারা এই সংযোগ সড়ক দিয়ে সহজে সিলেটে চলে যেতে পারবেন। কারণ এটা আঞ্চলিক মহাসড়কে রূপান্তর হবে। ঢাকা সিলেটের যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ কমে আসবে। সময়ও বাঁচবে অন্তত এক ঘণ্টা।"

তিনি আরও জানান, "এই প্রকল্পটির নির্মাণের সময়সীমা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত। সরাইলের কুট্টা পাড়া থেকে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বলভদ্র সেতু পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার সড়কে ভূমি অধিগ্রহণের ঝামেলা নেই। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মোটামুটি ৯০ থেকে ১০০ ভাগ কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে।"

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান বলেন, "এই কাজটা একপাশে করার পর বৃহত্তর সিলেটের সাথে নাসিরনগরের সরাসরি ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকা যেতে আমাদের ৪০ কিলোমিটারের দূরত্ব কমে যাবে এবং এই অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমে যাবে। আমরা আশা করি আমরা নাসিরনগর থেকে ৩ ঘণ্টা নির্বিঘ্নে রাজধানীর সাথে যোগাযোগ করতে পারব এবং আমাদের জেলা সদরের সাথে নিঃসন্দেহে একটা বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হবে। এটা বৃহত্তর সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকা পর্যন্ত সকলে একটা ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়ে যাবেন। আশা করছি এই মহাসড়কটি আমাদের দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে।"

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশে ২৫ কিলোমিটার সড়কটি প্রশস্তকরণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৬ কোটি টাকা। আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ঠিকাদারির প্রতিষ্ঠান মেসার্স ভাওয়াল কনস্ট্রাকশন কাজটি শেষ করার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%