ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় পে স্কেল-২০২৬: আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো


জাতীয় পে স্কেল-২০২৬: আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জাতীয় পে স্কেল-২০২৬ কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। বুধবার (৭ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রশাসন শাখা থেকে একটি চিঠি জারি করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতাভুক্ত স্বশাসিত (পাবলিক বডিজ) ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা গেজেটের কপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতায় স্বশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গেজেট জারি করে অর্থ বিভাগ। ওই গেজেটের ভিত্তিতে বর্তমানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘন্টায় ডিএমপি’তে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২১১১টি মামলা

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব সারমিন সুলতানার সই করা চিঠিটি রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি। এসব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে গেজেটের কপি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স একাডেমির পরিচালককেও গেজেটের কপি প্রদান করা হয়েছে।

চিঠিতে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেটের দুটি কপি সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

এভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার মূল দর্শন অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো: রাষ্ট্রপতি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১ উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১ উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য ৪১টি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে, যেখানে বৈদেশিক উৎস থেকে প্রকল্প সাহায্যের পরিমাণ ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা। সরকারি অর্থায়নের (জিওবি) পরিমাণ ৪ হাজার ৭১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন হিসেবে ৩ হাজার ৩৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

আজ শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, যেখানে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, বর্তমানে দেশে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট, কিন্তু প্রকৃত উৎপাদন ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬ হাজার ৯২৭ মেগাওয়াট, যেখানে প্রকৃত উৎপাদন ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। তরল জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট, এবং প্রকৃত উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস,এম, জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও মো. আবুল হাসনাত অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দের সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং বাজেট বরাদ্দ নিয়ে বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌর ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহকরা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত গ্রিডে দেওয়া উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটে ১০ দশমিক ৫০ টাকা পাবেন।

এছাড়া, কমিটি রুফটপ সোলার প্যানেল থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া বিদ্যুতের পরিমাণ আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে।

কমিটি কর্তৃক কিছু প্রশ্ন সম্বলিত লিখিত পেপার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়, যা আগামী বৈঠকে উত্তরসহ উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-সিলেটের বিকল্প সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শুরু, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


ঢাকা-সিলেটের বিকল্প সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শুরু, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-সরাইল-নাসিরনগর ও হবিগঞ্জের লাখাই সংকোচিত আঞ্চলিক সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত করার উদ্দেশ্যে প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই দৃশ্যমান কার্যক্রম শুরু হয়।

সড়ক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সড়কটির প্রশস্তকরণের কাজ সম্পন্ন হলে বিকল্প এই সড়ক ব্যবহার করে সিলেটের সাথে দূরত্ব অন্তত ৪০ কিলোমিটার কমে যাবে। এর ফলে হাওড়াঞ্চলের গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নত হবে।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব ২২০ কিলোমিটার। অন্যদিকে, ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের কোট্টা পাড়ার মোড় পর্যন্ত দূরত্ব অন্তত ১০০ কিলোমিটার। বর্তমানে সরাইলের কোট্টাপাড়া থেকে নাসিরনগর ও হবিগঞ্জের লাখাই হয়ে চলমান ১৫ থেকে ১৮ ফুটের সড়কটি ৩৪ ফুটে উন্নীত করে আঞ্চলিক মহাসড়কে রূপ দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কটি সংকোচিত হওয়ায় সরাইলের কোট্টাপাড়া মোড়, সদরের উচালিয়া পাড়া, কালিকচ্ছ, নাসিরনগর উপজেলার কলেজ মোড়, লাখাই উপজেলার বাজার বাস স্ট্যান্ড, বামৈ বাজার, বুল্লা বাজার, কালাউক বাজার, লোকড়া বাজার, ধল বাজার ও রিচি বাজারে নিয়মিত যানজট লেগে থাকে।

জানা যায়, সড়কটির প্রশস্তকরণের কাজ শেষ হলে সরাইল, নাসিরনগর ও লাখাই হবিগঞ্জ হয়ে সিলেটে চলাচলের ক্ষেত্রে অন্তত ৪০ কিলোমিটার সড়ক পথ কমে যাবে। এর ফলে যানবাহন দ্রুত চলবে এবং যাতায়তের ক্ষেত্রে সময় কমবে অন্তত ১ ঘণ্টা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইমরান মন্তব্য করেন, "আমাদের নাসিরনগর হাওড় বিস্তৃত এলাকা। আমরা অনেক অবহেলিত মানুষ। সড়কটির প্রশস্ত করা হলে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাটা অনেক ভালো হবে।"

হাওড়াঞ্চলের বাসিন্দা আতিকুর রহমান জানান, "সড়কটি প্রশস্ত করার মাধ্যমে আমাদের জমিনের উৎপাদিত ফসল আমরা সহজে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেতে পারবো।"

সিএনজি অটো রিক্সা চালক রহিম মিয়া বলেন, "রাস্তার যে অবস্থা আছে, এই রাস্তায় সিএনজি অটোরিকশা বা বাস চলাচলের জন্য উপযোগী না। যত দ্রুত সম্ভব এখানে ফোর লেনের কাজটা দ্রুত করা হোক। কারণ প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত প্রচুর জ্যাম লেগে থাকে নাসিরনগর কলেজ মোড় এলাকায়।"

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইউনূস আলী জানিয়েছেন, "সড়কটির প্রশস্ত করা হলে জনসাধারণের ট্রাভেল টাইম কমবে। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল-কলেজ এবং রোগীদের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিতে জেলাশহর কিংবা রাজধানীর হাসপাতালে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে সময় কমে আসবে। এছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।"

সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোফাজ্জল হায়দার বলেন, "এই সড়কটি হওয়ার পরে ঢাকা-সিলেটের এই অঞ্চলে যারা আছেন, নাসিরনগর, সরাইল এবং লাখাইর উপজেলাবাসী যারা আছেন, তাদেরকে আর মূল যে সড়কটি ঢাকা-সিলেটের অংশে ঢুকতে হচ্ছে না। তারা এই সংযোগ সড়ক দিয়ে সহজে সিলেটে চলে যেতে পারবেন। কারণ এটা আঞ্চলিক মহাসড়কে রূপান্তর হবে। ঢাকা সিলেটের যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ কমে আসবে। সময়ও বাঁচবে অন্তত এক ঘণ্টা।"

তিনি আরও জানান, "এই প্রকল্পটির নির্মাণের সময়সীমা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত। সরাইলের কুট্টা পাড়া থেকে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বলভদ্র সেতু পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার সড়কে ভূমি অধিগ্রহণের ঝামেলা নেই। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মোটামুটি ৯০ থেকে ১০০ ভাগ কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে।"

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান বলেন, "এই কাজটা একপাশে করার পর বৃহত্তর সিলেটের সাথে নাসিরনগরের সরাসরি ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকা যেতে আমাদের ৪০ কিলোমিটারের দূরত্ব কমে যাবে এবং এই অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমে যাবে। আমরা আশা করি আমরা নাসিরনগর থেকে ৩ ঘণ্টা নির্বিঘ্নে রাজধানীর সাথে যোগাযোগ করতে পারব এবং আমাদের জেলা সদরের সাথে নিঃসন্দেহে একটা বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হবে। এটা বৃহত্তর সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকা পর্যন্ত সকলে একটা ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়ে যাবেন। আশা করছি এই মহাসড়কটি আমাদের দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে।"

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশে ২৫ কিলোমিটার সড়কটি প্রশস্তকরণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৬ কোটি টাকা। আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ঠিকাদারির প্রতিষ্ঠান মেসার্স ভাওয়াল কনস্ট্রাকশন কাজটি শেষ করার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : ধর্মকে রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে, বরং ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার- এই নীতিতে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান-ধর্মীয় পরিচয় যাই হোক, এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা সমান।’

শনিবার রাজধানীর স্বামীবাগ শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম ও মন্দিরে অনুষ্ঠিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, সব ধর্মেই মানবিকতা, নৈতিকতা ও ভালো কাজের শিক্ষা বিদ্যমান। শুধু ধর্মীয় বাণী উচ্চারণ করলেই হবে না, বরং সেগুলোকে ব্যক্তিজীবনে চর্চা করতে হবে। সমাজ থেকে অনৈতিকতা, মাদক ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার বিকল্প নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

হিন্দু সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে আবদুস সালাম মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্তন ক্যান্সার, নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী বড় হুমকি: অধ্যাপক সিদ্দিকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


স্তন ক্যান্সার, নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী বড় হুমকি: অধ্যাপক সিদ্দিকী

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী মন্তব্য করেছেন যে, স্তন ক্যান্সার কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং এটি বিশ্বব্যাপী নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি গুরুতর হুমকি। প্রতিবছর এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার নারী আমাদের দেশে। তবে একটি আশার বিষয় হলো, স্তন ক্যান্সার কোনো অসাধ্য রোগ নয়। যদি প্রাথমিক পর্যায়ে এটি শনাক্ত করা যায়, সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এটি সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। এ সময় তিনি নারীদের লজ্জা ও দ্বিধা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানান।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলন হলে ‘স্তন ক্যান্সারের বৈশ্বিক ও জাতীয় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম এবং বিএমইউর অনকোলজি বিভাগ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। আলোচনা সভা শেষে শাহবাগ থেকে কাওরানবাজার পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য গোলাপি শোভাযাত্রা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বেসরকারিভাবে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। দেশের স্তন ক্যান্সার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়ের বার্তা নিয়ে এবার ১৪তম স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস পালিত হলো।

বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিনের সঞ্চালনায় সংলাপে বক্তারা সচেতনতার পাশাপাশি সঠিক পরিসংখ্যানের জন্য জনগোষ্ঠীভিত্তিক ক্যান্সার নিবন্ধন, ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মূল বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, ‘এই প্রথম সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ রোগ প্রতিরোধের ওপর প্রাধান্য দিয়ে নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা বলছেন, তাই আমরা আশাবাদী হতে চাই।’ তিনি প্রতিরোধ ও সূচনায় রোগ নির্ণয়ের জন্য স্বাস্থ্য বাজেটের অন্তত শতকরা চল্লিশ ভাগ বরাদ্দের দাবি জানান। পাশাপাশি সরকারি ক্যান্সার চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে দরিদ্র রোগীদের সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার ও দেশের বিত্তবানদের প্রতি অলাভজনক ও সেবামূলক ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ার আহ্বান জানান ডা. রাসকিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন বলেন, দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার সংকট বিদ্যমান। তবে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সীমিত সুবিধার মধ্যেই প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করে অধিক সংখ্যক রোগীর সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি ও বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. হালিদা হানুম আখতার, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি অনকোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাবেরা খাতুন ও বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস জোনাকি, সিসিপিপির চেয়ারপারসন মোছাম্মত জাহান সৌরভ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল, ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ হুমায়ুন কবীর, হীলের প্রতিষ্ঠাতা জেবুন্নেছা এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক মসিহউদ্দিন শাকেরসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%