শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৪ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকিট দেখতে চাওয়ার কারণে ভারপ্রাপ্ত স্টেশনমাস্টার এবং টিকিট কালেক্টরকে (টিসি) মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যাত্রী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়েছেন ভারপ্রাপ্ত স্টেশনমাস্টার সাকির জাহান এবং টিকিট কালেক্টর সঞ্জিত মণ্ডল। তাদের পরে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে এই ঘটনা ঘটে। স্টেশন কর্তৃপক্ষ এবং রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তনগর মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে পৌঁছায়। এ সময় টিকিট পরীক্ষা করছিলেন টিসি সঞ্জিত মণ্ডল।
১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের প্রধান ফটকে এক যাত্রীর কাছে টিকিট দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এরপর তাকে স্টেশন থেকে বের হওয়ার ফটকে আটকে রাখা হয়। এ নিয়ে ওই যাত্রীর সঙ্গে টিসির বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে সঞ্জিত মণ্ডল ওই যাত্রীকে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে ওই যাত্রী ফোন করে তার সহযোগীদের ডেকে আনেন। কিছুক্ষণের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জন যুবক সেখানে উপস্থিত হন। স্টেশন ও পুলিশ সূত্রের মতে, ওই যাত্রী নিজেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম মিয়া বিষয়টি মীমাংসা করে ওই যাত্রীকে ছেড়ে দেন। স্টেশন কর্মকর্তা ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ফাঁড়ি থেকে ছাড়া পাওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে ওই যাত্রী আরও ৮ থেকে ১০ জন যুবককে সঙ্গে নিয়ে লাঠিসোঁটাসহ স্টেশনে আসেন। এ সময় স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে টিসি সঞ্জিত মণ্ডলকে একা পেয়ে তারা মারধর শুরু করেন।
সঞ্জিত মণ্ডলের চিৎকার শুনে কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন ভারপ্রাপ্ত স্টেশনমাস্টার সাকির জাহান। হামলাকারীরা তার ওপরও চড়াও হন এবং তাকে মারধর করেন। পরে স্টেশনের অন্যান্য কর্মচারীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
ভারপ্রাপ্ত স্টেশনমাস্টার সাকির জাহান বলেন, ‘ট্রেনে বিনা টিকিটে ভ্রমণ করা এক যাত্রীকে আইন অনুযায়ী আটক করায় টিকিট কালেক্টরের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে আমিও হামলার শিকার হই। আমরা এখন চরম আতঙ্কের মধ্যে আছি।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. শাহ আলম মিয়া জানান, বিষয়টি রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্টেশন কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। হামলাকারীরা শহরের কান্দিপাড়া এলাকার মাইমলহাটির বাসিন্দা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের শিবচরে একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের আঘাতে উপজেলা বিএনপির নেতা শহিদুল ইসলাম নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শিবচর পৌরসভার কলেজ মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শহিদুল ইসলাম শিবচর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে কলেজ মোড়সংলগ্ন একটি মসজিদে নামাজ শেষে শহিদুল ইসলাম বাজারের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল তাঁকে ধাক্কা দেয়, ফলে তিনি সড়কে পড়ে যান।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় শহিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে শিবচর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মোটরসাইকেলটি জব্দ করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলচালক পালিয়ে গেলেও মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুরো সিরাজগঞ্জ শহর বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত হয়েছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে শহরের প্রতিটি সড়কে নানা রঙের বাহারি বাতি জ্বলে উঠছে। এই আলোকসজ্জার সৌন্দর্য উপভোগ করতে রাত হলেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন শহরবাসী। পাশাপাশি, পূজার এই আয়োজন দেখতে আসছেন পার্শ্ববর্তী জেলার দর্শনার্থীরাও।
মন্দিরে মন্দিরে দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে সাজসাজ রব চলছে। মৃন্ময়ী প্রতিমা থেকে চিন্ময়ী ত্রিনয়নী দেবী দুর্গা নতুন রূপে সেজে উঠেছেন। প্রতিদিন ঢাক-ঢোল ও কাঁসির বাদ্যে ফুল, ফলসহ নানা নৈবেদ্য দিয়ে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে দেবীর কাছে প্রার্থনা করছেন ভক্তরা।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে শহরের প্রতিটি সড়ক নানা রঙের বাহারি আলোকবাতিতে সাজানো হয়েছে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই এসব বাতি জ্বলে উঠছে। ফলে পুরো সিরাজগঞ্জ শহর উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। পূজা উপলক্ষে শহরজুড়ে এই আলোকসজ্জার আয়োজন দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।
যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার উৎসবের আমেজ বেড়েছে কয়েক গুণ। অনেকেই রাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন এবং মুঠোফোনে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছেন।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু জানান, রাত হলেই দূরদূরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে দর্শনার্থীরা আলোকসজ্জার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মধ্যরাত পর্যন্ত উৎসবের এই আয়োজন উপভোগ করছেন। পাশ্ববর্তী জেলা থেকেও দর্শনার্থীরা পূজার আয়োজন দেখতে আসছেন। পূজা উপলক্ষে নিজের শহরের বাহারি আলোকসজ্জা দেখে সবাই খুশি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আলোকসজ্জায় আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে পুরো শহরজুড়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে প্রতিটি সড়কে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে ট্রাফিক পুলিশ।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, এ বছর সিরাজগঞ্জে ৫৪২টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) একটি সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং একটি কনস্টেবলকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। আটক হওয়া দুই পুলিশ সদস্য হলেন এএসআই ইমরান এবং কনস্টেবল রোহিত।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে ওই দুই পুলিশ সদস্য সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলেন। এ সময় নতুন কনস্টেবল রোহিত রাস্তা চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলার এলাকায় প্রবেশ করে।
পরে স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাকে আটক করে। কনস্টেবল রোহিতকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে এএসআই ইমরানকেও বিএসএফ আটক করে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুই সদস্যকে ফিরিয়ে আনতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন।
প্রাসঙ্গিক:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুরুস বাংলাদেশে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় আলংকারিক ফুলগাছ হিসেবে পরিচিত। গ্রীষ্মকাল থেকে শুরু করে শরৎকালের শেষ পর্যন্ত এই ফুল ফুটে প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তোলে। এর চমৎকার পুষ্পমঞ্জরি, আকর্ষণীয় পাপড়ির গঠন এবং দৃষ্টিনন্দন কাণ্ড উদ্যান কিংবা পথের ধারে এক অনন্য রূপ সৃষ্টি করে। বৈজ্ঞানিক নাম Lagerstroemia indica এবং এটি Lythraceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। ইংরেজিতে একে সাধারণত Crape Myrtle বলা হয়। চলতি বছরের ২৪ জুন নরসিংদী সরকারি কলেজের ক্যাম্পাসে ফুলের ছবিটি তুলেছিলাম।
ফুরুস একটি মাঝারি আকারের পাতাঝরা গুল্ম বা ছোট বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত এটি তিন থেকে ছয় মিটার (১০ থেকে ২০ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এর শাখা-প্রশাখা ঘন এবং চারদিকে ছড়ানো থাকে। ফুরুস গাছের অন্যতম আকর্ষণ হলো এর মসৃণ ও দৃষ্টিনন্দন কাণ্ড। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাছের ছাল বা বাকল পাতলা স্তরে উঠে যায়, ফলে কাণ্ডের গায়ে ধূসর, বাদামি ও গোলাপি রঙের মসৃণ এক মিশ্র আভা তৈরি হয়। এর পাতাগুলো সাধারণত ছোট, ডিম্বাকৃতি বা আয়তকার এবং মসৃণ। বসন্ত ও গ্রীষ্মে পাতাগুলো গাঢ় সবুজ থাকে, তবে শীতের শুরুতে ঝরে পড়ার আগে পাতাগুলো তামাটে বা লালচে-হলুদ রং ধারণ করে।
ফুরুসের ফুল গ্রীষ্মকাল থেকে শরৎকালের শেষ পর্যন্ত ফুটতে থাকে। শাখার ডগায় গুচ্ছাকারে প্রচুর ফুল ফুটে। এর পুষ্পবিন্যাস প্যানিকল। পাপড়িগুলো পাতলা, কোঁচকানো এবং দেখতে ক্রেপ পেপারের (Crepe paper) মতো, যার কারণে এর নাম ক্রেপ মার্টল। ফুরুসের ফুলের রঙে বৈচিত্র্য রয়েছে। গোলাপি, বেগুনি, লাল, সাদা এবং জাম রঙের ফুল সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ফুল ঝরে যাওয়ার পর গাঢ় বাদামি রঙের ছোট ছোট গোলাকার ফল বা ক্যাপসুল তৈরি হয়। ফলের ভেতরে ডানাযুক্ত ছোট বীজ থাকে।
পার্ক, বাড়ির বাগান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাস্তার বিভাজক সাজাতে ফুরুস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। খরা ও অতিরিক্ত তাপ সহ্য করার ক্ষমতার কারণে নগর সৌন্দর্যায়ন ও ল্যান্ডস্কেপিংয়ে এর তুলনা নেই। ফুরুস ফুল মৌমাছি, প্রজাপতি এবং অন্যান্য পরাগায়ণকারী পতঙ্গকে প্রচুর পরিমাণে আকর্ষণ করে, যা স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে। ঐতিহ্যবাহী ভেষজ চিকিৎসায় ফুরুসের ছাল, পাতা ও মূলের সীমিত ব্যবহার রয়েছে। এর ছাল ও পাতায় উচ্চমাত্রায় ট্যানিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান থাকে, যা প্রদাহবিরোধী ও জীবাণুনাশক হিসেবে গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
গাছটি তুলনামূলকভাবে রোগবালাইমুক্ত এবং খুব বেশি যত্নের প্রয়োজন হয় না। রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশ ও সুনিষ্কাশিত মাটিতে এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। কাটিং বা অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে এর চারা তৈরি করা খুব সহজ, যা নার্সারি ব্যবসায়ীদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক। এছাড়া বায়ুদূষণ সহ্য করতে পারায় শিল্পাঞ্চলেও এটি বেশ উপযোগী। ফুরুস শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং তপ্ত গ্রীষ্মে প্রকৃতিকে এনে দেয় স্নিগ্ধতা ও সতেজতার পরশ। উদ্যানপ্রেমীদের কাছে ফুরুসের কদর চিরন্তন।
লেখক : অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, মুমিনুন্নিসা সরকারি কলেজ, ময়মনসিংহ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ