প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুরো সিরাজগঞ্জ শহর বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত হয়েছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে শহরের প্রতিটি সড়কে নানা রঙের বাহারি বাতি জ্বলে উঠছে। এই আলোকসজ্জার সৌন্দর্য উপভোগ করতে রাত হলেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন শহরবাসী। পাশাপাশি, পূজার এই আয়োজন দেখতে আসছেন পার্শ্ববর্তী জেলার দর্শনার্থীরাও।
মন্দিরে মন্দিরে দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে সাজসাজ রব চলছে। মৃন্ময়ী প্রতিমা থেকে চিন্ময়ী ত্রিনয়নী দেবী দুর্গা নতুন রূপে সেজে উঠেছেন। প্রতিদিন ঢাক-ঢোল ও কাঁসির বাদ্যে ফুল, ফলসহ নানা নৈবেদ্য দিয়ে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে দেবীর কাছে প্রার্থনা করছেন ভক্তরা।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে শহরের প্রতিটি সড়ক নানা রঙের বাহারি আলোকবাতিতে সাজানো হয়েছে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই এসব বাতি জ্বলে উঠছে। ফলে পুরো সিরাজগঞ্জ শহর উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। পূজা উপলক্ষে শহরজুড়ে এই আলোকসজ্জার আয়োজন দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।
যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার উৎসবের আমেজ বেড়েছে কয়েক গুণ। অনেকেই রাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছেন এবং মুঠোফোনে ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছেন।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু জানান, রাত হলেই দূরদূরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে দর্শনার্থীরা আলোকসজ্জার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মধ্যরাত পর্যন্ত উৎসবের এই আয়োজন উপভোগ করছেন। পাশ্ববর্তী জেলা থেকেও দর্শনার্থীরা পূজার আয়োজন দেখতে আসছেন। পূজা উপলক্ষে নিজের শহরের বাহারি আলোকসজ্জা দেখে সবাই খুশি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আলোকসজ্জায় আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে পুরো শহরজুড়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে প্রতিটি সড়কে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে ট্রাফিক পুলিশ।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, এ বছর সিরাজগঞ্জে ৫৪২টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন