ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মুহাম্মদ বিন সালমানের জন্য কিছুই ভালো যাচ্ছে না


মুহাম্মদ বিন সালমানের জন্য কিছুই ভালো যাচ্ছে না

অন্য যেকোনো বছরে মুহাম্মদ বিন সালমান এই সময়ে নিজেকে মূল আকর্ষণে পরিণত করার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন। ২৬ অক্টোবর সৌদি রাজধানী রিয়াদে ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এফআইআই)’ শুরু হওয়ার কথা ছিল। এই সম্মেলনকে অনেকে ‘মরুভূমির ডাভোস’ বলেও অভিহিত করেন। এই সপ্তাহে ক্রাউন প্রিন্স বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, বড় বড় অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং অন্যান্য মহারথীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত থাকতেন। কারণ তারা সবাই সৌদির সঙ্গে ব্যবসা করার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকেন।

কিন্তু এই বছর পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হুথিরা কয়েক সপ্তাহ ধরে রিয়াদকে লক্ষ্য করে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। পরপর কিছু প্রাণঘাতী হামলার পর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। পশ্চিমা দেশগুলোর অনেকেই তাদের নাগরিকদের সৌদি সফর না করতে পরামর্শ দিয়েছে। রিয়াদের হোটেল বা অন্যান্য আয়োজনস্থলে হামলার আশঙ্কায় ব্যবসায়ী ও করপোরেট নির্বাহীরা উদ্বিগ্ন ছিলেন। বহু চিন্তাভাবনার পর ১৯ অক্টোবর আয়োজকেরা সিদ্ধান্ত নেন—এবারের সম্মেলনটি স্থগিত রেখে আগামী বছর আয়োজন করা হবে।

এক দশক আগে ক্ষমতায় আসার সময় প্রিন্স মুহাম্মদ বড় কিছু বাজি ধরেছিলেন। তিনি আশা করেছিলেন যে তিনি হুথিদের পরাজিত করবেন, সৌদি অর্থনীতিকে আমূল পরিবর্তন করবেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্ভরযোগ্য মিত্র হবেন। কিন্তু বর্তমানে তার এসব বাজি একসঙ্গে ভেঙে পড়েছে। এফআইআই বাতিলের সিদ্ধান্তটি প্রিন্স মোহাম্মদের দুর্ভাগ্যের বছরের একটি বাহ্যিক প্রতীক। বর্তমানে তিনি একের পর এক জটিল সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন, যেগুলোর কোনোটির সমাধান তার হাতে নেই।

আরও পড়ুন: ইয়েমেন যুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করল ইরান

সৌদি সরকার হুথিদের দমন করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি দিয়ে তারা আশা করেছিল যে হুমকিটি চেপে রাখা যাবে। কিন্তু এই গ্রীষ্মে আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সর্বব্যাপী যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় সেই যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে শুরু করে। হুথিরা ইয়েমেনে আরও এলাকা দখল করেছে এবং সৌদিতে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। ক্রাউন প্রিন্সের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা এখন শুধুমাত্র অশুভ বিকল্প দেখতে পাচ্ছেন। সৌদি সরকারকে হয় নতুন করে পদাতিক সৈন্য পাঠাতে হবে, নয়তো বিমান হামলা চালিয়ে যেতে হবে, অথবা ইয়েমেনে হুথিদের শাসনকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার মতো একটি চুক্তি করতে হবে।

দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত প্রিন্সের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সম্পূর্ণরূপে ভেস্তে দেবে। ২০২৬ সালের আগেই সেই পরিকল্পনায় টান পড়েছিল। সরকারি তহবিলে টান পড়ায় বেশ কিছু বড় প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষের বেতন বাড়েনি। বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা প্রিন্স ধরেছিলেন, বাস্তবে আসছে তার মাত্র তিন ভাগের এক ভাগ। এক বছর আগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ধারণা করেছিল ২০২৬ সালে সৌদি অর্থনীতি চার শতাংশ বাড়বে। এখন তারা বলছে, উল্টো ৩.৩ শতাংশ সংকুচিত হবে।

২০২৭ সালে অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াবে কি না, তা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরে আসার ওপর নির্ভর করছে। আর সেই শান্তি ফিরে আসার বিষয়টি অনেকাংশে ট্রাম্পের ওপর নির্ভর করছে। রিয়াদ ভেবেছিল, ট্রাম্পের ওপর তাদের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। আমেরিকায় বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে তারা ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতে চেয়েছিল। তাছাড়া, ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তিও করা হয়েছিল। সৌদির অর্থায়নে আয়োজিত টুর্নামেন্টগুলোর জন্য ট্রাম্পের গলফ কোর্স ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের প্রতিষ্ঠানে দুই বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু এত কিছুর পরও ট্রাম্পকে মহাবিপর্যয়ের যুদ্ধে জড়ানো থেকে আটকানো যায়নি। রিয়াদের রাজনীতি বোঝেন এমন একজন সৌদি ক্ষোভের সঙ্গে বলছিলেন, ‘তিনি তো বেশি দিন কারো প্রতি অনুগত থাকেন না।’

সৌদি আরবে নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপ চালানোর কোনো উপায় নেই। তবে এটি নিশ্চিত যে বেশিরভাগ সৌদি নাগরিক তাদের সরকারকে ভরসা করেন। তবুও বিগত কয়েক সপ্তাহের ঘটনাগুলো অনেকের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করেছে। ইয়েমেন যুদ্ধ সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করেছে। অথচ ১০ অক্টোবরের পর থেকে প্রিন্স সালমানকে একপ্রকার দেখা যাচ্ছে না। সেদিন রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় ১৩ জন নিহত হন। এরপর ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনা দেওয়া এবং জনগণকে আশ্বস্ত করার কাজটি মন্ত্রীদের কাঁধে এসে পড়েছিল।

আরও পড়ুন: মস্কোয় পুতিন ও ইরানের নিরাপত্তা প্রধানের বৈঠক

পশ্চিমা বিশ্লেষকদের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, পরপর সংকটে আচ্ছন্ন একটি বছর কি ক্রাউন প্রিন্সের ক্ষমতার ভিত্তিটাই কাঁপিয়ে দিয়েছে? তবে রিয়াদের কূটনীতিবিদদের মতে, এই ধরনের আশঙ্কা কিছুটা বাড়াবাড়ি। একজন পশ্চিমা দূত বলছিলেন, ‘সাত বা আট বছর আগে তিনি এর চেয়েও কঠিন সময় পার করেছেন।’

সেই সময়ে প্রিন্স সালমান ছিলেন নতুন ক্রাউন প্রিন্স। তখনো তিনি নিজের ক্ষমতা শক্তিশালীভাবে গুছিয়ে নিতে পারেননি। ইয়েমেন যুদ্ধ তখন এক চোরাবালিতে পরিণত হয়েছিল, কাতার অবরোধ নিয়ে আমেরিকা ক্ষুব্ধ ছিল এবং ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করার পর বিশ্বজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছিল। সেই তুলনায় আজকের দিনে মোহাম্মদের ক্ষমতার দখল অনেক বেশি নিরাপদ। তিনি তার সব প্রতিদ্বন্দ্বীকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। আধুনিক সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজের পর ক্ষমতাকে যেভাবে এককেন্দ্রমুখী করেছেন, তেমনটি আর কেউ করতে পারেনি। তার সমালোচক নিশ্চয়ই আছেন। কিন্তু হঠাৎ অভ্যুত্থান ঘটানোর শক্তি কারো নেই।

এমনিতেই মিত্রদের পক্ষ থেকে তিনি খুব একটা কড়া সমালোচনার মুখে পড়ছেন না। ইয়েমেনে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর মিত্রদের প্রতিক্রিয়া দেখলেই তা বোঝা যায়। যারা আগে এই যুদ্ধের কঠোর সমালোচক ছিলেন, তারাও এখন মেনে নিচ্ছেন যে সৌদির সামনে যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি এই মাসেই রিয়াদে গিয়ে ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি বলছিলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি ২০১৮ বা ২০২০ সালের পরিস্থিতির সঙ্গে আজকের সময়টা মিলবে না। হুথিরা যেভাবে এগিয়ে আসছে এবং রকেট হামলা চালাচ্ছে, সৌদিকে সেটি সামলাতেই হবে। আমাদের এই বাস্তবতা স্বীকার করা উচিত।’

তবে অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে প্রিন্স মোহাম্মদের জন্য এটি আগের চেয়ে বড় পরীক্ষার সময়। কারণ তার প্রথম জীবনের সমস্যাগুলো ছিল তার নিজেরই তৈরি। ফলে সেগুলো সামলে নেওয়া তার জন্য সহজ ছিল। ২০২১ সালের মধ্যেই তিনি সৌদি পররাষ্ট্রনীতিকে একটি বাস্তববাদী মোড় দিতে পেরেছিলেন। তিনি কাতারের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেন এবং হুথিদের সঙ্গে সমঝোতায় আসার চেষ্টা করেন। এমনকি বাইডেন প্রশাসনও, যারা ক্ষমতায় আসার সময় প্রিন্সকে বিশ্বমঞ্চে একঘরে করার শপথ নিয়েছিল, তাদেরও অনিচ্ছা সত্ত্বেও তার নতুন নীতির প্রশংসা করতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: নিউইয়র্ক টাইমস: ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল

সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের আরো প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে।

চলতি বছরের সমীকরণটা ভিন্ন। কারণ সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তের চাবিকাঠি এখন আর প্রিন্স মোহাম্মদের হাতে নেই। তিনি ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ না বাড়াতে। কিন্তু আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্প যদি তার কথা না শুনে আবার বোমাবর্ষণ শুরু করেন, তবে পরিস্থিতি জটিল হবে। সৌদি কর্মকর্তারা ভয় পাচ্ছেন, তখন সব দিক থেকে আঘাত এসে পড়বে তাদের ওপর। দক্ষিণে হুথি, উত্তরে ইরাকি মিলিশিয়া এবং পূর্বে খোদ ইরান। সৌদিকে রক্ষা করার জন্য তাদের বিশাল একটি ভূখণ্ড রয়েছে, যা আয়তনে ফ্রান্সের চেয়ে চারগুণ বড়। অথচ তা পাহারার জন্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অভাব।

নিজের শাসনকালের প্রথম দশকে ক্রাউন প্রিন্স সামাজিক সংস্কারের ক্ষেত্রে কিছু প্রশংসনীয় কাজ করেছেন। দেশের নারীরা এখন গাড়ি চালাতে পারছেন। কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। যে দেশে একসময় ‘বিনোদন’ শব্দটাই নিষিদ্ধ ছিল, সেখানে এখন সিনেমা হল এবং কনসার্ট খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। অল্প কিছু উচ্চবিত্ত বিদেশি এমনকি বৈধভাবে মদ খাওয়ার সুযোগও পাচ্ছেন। কিন্তু এত কিছুর পরও সৌদি রাষ্ট্রের মূল চরিত্র খুব একটা বদলায়নি। দেশের অর্থনীতি এখনো তেলের ওপরই নির্ভরশীল। তাদের সেনাবাহিনী এখনো রাজত্ব সামলানোর জন্য তৈরি, পুরোদস্তুর যুদ্ধ লড়ার জন্য নয়। আর তাদের পররাষ্ট্রনীতি এখনো সেই আমেরিকার প্রতিরক্ষার ওপরই ভরসা করে বসে আছে।

হয়তো কোনো এক দিন এই বিষয়গুলোতেও বড় বদল আসবে। পাকিস্তানের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি বা তুরস্কের সঙ্গে মক্কা চুক্তি হলো নতুন কিছু মিত্র খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা, যাতে অনির্ভরযোগ্য আমেরিকাকে ছাড়াই কাজ চালিয়ে নেওয়া যায়। তবে এই পরিবর্তনগুলো ঘটতে দীর্ঘ সময় লাগবে। ক্ষমতায় নিজের দ্বিতীয় দশকে এসে সৌদি শাসকের আসল পরীক্ষা হবে ব্যবস্থার ওপরের প্রলেপ বা পলিশ বদলানো নয়, বরং পুরো কাঠামোটাই বদলে ফেলা।

আরও পড়ুন: চিনা স্যাটেলাইটে ধরা পড়লো ইরান ঘিরে ৩ মার্কিন রণতরী

দ্য ইকোনমিস্ট থেকে ভাষান্তর জুলফিকার হায়দার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাইগ্রেন: মাথাব্যথার সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ এম


মাইগ্রেন: মাথাব্যথার সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন

মাথাব্যথা নিয়ে সচেতনতা অনেকের মধ্যে কম দেখা যায়। অন্যান্য রোগের মতো মাথাব্যথাকেও অনেকে তেমন গুরুত্ব দেন না, যতক্ষণ না এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় সমস্যা সৃষ্টি করে। মাইগ্রেন একটি বিশেষ ধরনের স্নায়বিক সমস্যা, যা কারণে বারবার তীব্র মাথাব্যথা হতে পারে। সাধারণ টেনশনজনিত মাথাব্যথার তুলনায় মাইগ্রেনের লক্ষণ ও ধরন আলাদা। এটি সাধারণত নির্দিষ্ট বিরতিতে আক্রমণের মতো দেখা দেয়। কারও মাসে একবার, কারও সপ্তাহে একবার, আবার কারও কয়েক মাস পরপর মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে।

মাইগ্রেন সাধারণত ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে এটি যেকোনো বয়সের মানুষের মধ্যে হতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ঘুমের অনিয়ম, হরমোনের পরিবর্তন এবং কিছু পরিবেশগত বিষয় মাইগ্রেনের আক্রমণ উস্কে দিতে পারে। যারা ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে দীর্ঘদিন মানসিক চাপে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে মাথাব্যথার সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। মস্তিষ্কের কিছু রাসায়নিক পদার্থ, বিশেষ করে সেরোটোনিনের কার্যক্রমের পরিবর্তনও মাইগ্রেনের সঙ্গে সম্পর্কিত। নারীদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় হরমোনের ওঠানামার কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা বৃদ্ধি পেতে পারে। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কারও মাথাব্যথার ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। তাই এ ধরনের ওষুধ ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। মাইগ্রেনের ব্যথা মাঝারি থেকে তীব্র হতে পারে।

সাধারণত মাথার এক পাশে ব্যথা অনুভূত হয়, তবে এটি দুই পাশে হতে পারে। ব্যথা অনেক সময় স্পন্দনের মতো অনুভূত হয় এবং হাঁটাচলা বা শারীরিক পরিশ্রমে বেড়ে যেতে পারে। একটি মাইগ্রেনের আক্রমণ সাধারণত চার থেকে ৭২ ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। এ সময় বমি বমি ভাব, বমি, আলো ও শব্দে অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি অন্ধকার ও নীরব ঘরে বিশ্রাম নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

কিছু রোগীর মাথাব্যথা শুরুর আগে চোখের সামনে আলোর ঝলকানি, আঁকাবাঁকা রেখা দেখা কিংবা দৃষ্টিতে সাময়িক পরিবর্তনের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। একে মাইগ্রেনের অরা বলা হয়। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে এমন লক্ষণ থাকে না। প্রথমবার এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে বা হঠাৎ দৃষ্টির সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

মাইগ্রেনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে কিছু অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নিয়মিত খাবার খাওয়া

দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকলে কারও মাইগ্রেনের আক্রমণ শুরু হতে পারে। তাই নিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়া উচিত। সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং অতিরিক্ত ক্ষুধার্ত থাকা এড়িয়ে চলতে হবে। রক্তের শর্করার ওঠানামা এড়াতে দীর্ঘ সময় খাবার বাদ না দেওয়াই ভালো।

ঘুমের নিয়ম বজায় রাখা

প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতিদিন সাত থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। রাত জাগা, ঘুম কম হওয়া কিংবা অতিরিক্ত ঘুম–কোনোটিই কারও কারও ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের আক্রমণ বাড়াতে পারে। ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের পর্দায় তাকিয়ে থাকার অভ্যাস কমানো ভালো।

খাবার ও পানীয় সম্পর্কে সচেতন থাকা

সবার ক্ষেত্রে একই খাবার মাইগ্রেনের কারণ হয় না। কারও ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্যাফেইন, আবার কারও ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট খাবার মাথাব্যথা বাড়াতে পারে। তাই কোন খাবার খেলে সমস্যা হয়, তা খেয়াল রাখা জরুরি। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সব ধরনের চিনি বা খাবার একেবারে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন।

কম্পিউটার ব্যবহারে বিরতি

দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে চাপ, ক্লান্তি ও মাথাব্যথা বাড়তে পারে। কাজের ফাঁকে নিয়মিত বিরতি নিন, চোখকে বিশ্রাম দিন এবং কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করুন। পর্যাপ্ত আলোতে কাজ করা ও সঠিকভাবে বসার অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ।

পানিশূন্যতা এড়িয়ে চলা

শরীরে পানির ঘাটতি কিছু মানুষের মাইগ্রেনের আক্রমণ উস্কে দিতে পারে। বিশেষ করে গরমে, বাইরে কাজ করার সময় বা শারীরিক পরিশ্রমের পর পর্যাপ্ত পানি পান করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী ডাবের পানি বা অন্যান্য পানীয় নেওয়া যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত চিনি মেশানো কোমল পানীয় কম পান করাই ভালো।

আবহাওয়া ও মানসিক চাপ সামলানো

অতিরিক্ত গরম, তীব্র রোদ, আর্দ্রতার পরিবর্তন কিংবা আবহাওয়ার ওঠানামা কারও কারও মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়াতে পারে। বাইরে গেলে ছাতা ব্যবহার করুন, গরমে দীর্ঘক্ষণ থাকা এড়িয়ে চলুন এবং নিয়মিত বিশ্রাম নিন। মানসিক চাপ কমাতে হাঁটাচলা, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ও পছন্দের কাজে সময় দেওয়াও উপকারী হতে পারে।

মাইগ্রেনের আক্রমণ কখন, কতক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে এবং তার আগে কী খাওয়া, কতক্ষণ ঘুমানো বা কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া হয়েছে–এসব লিখে রাখলে সম্ভাব্য কারণ শনাক্ত করতে সুবিধা হয়। তবে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলেই সবার মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণে আসে না; কারও নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।

দীর্ঘদিন মাইগ্রেনে ভুগলে কাজ, ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সাধারণত ব্যথা কমানোর ওষুধ দেওয়া হলেও অতিরিক্ত বা ঘন ঘন এসব ওষুধ সেবনে উল্টো মাথাব্যথা বেড়ে যেতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।

হঠাৎ জীবনের সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে, হাত-পা দুর্বল হয়ে গেলে, কথা বলতে সমস্যা হলে, অজ্ঞান হয়ে পড়লে, জ্বরের সঙ্গে ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে কিংবা মাথায় আঘাতের পর তীব্র ব্যথা হলে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে। মাইগ্রেনের লক্ষণ বারবার দেখা দিলে বা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না।

[সহকারী রেজিস্ট্রার, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল]

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষের পথে ‘কফি উইথ করণ’, স্বস্তিতে কারিনা ও সাইফের প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ এম


শেষের পথে ‘কফি উইথ করণ’, স্বস্তিতে কারিনা ও সাইফের প্রতিক্রিয়া

ভারতের জনপ্রিয় সেলিব্রেটি চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’ বর্তমানে তার শেষ সিজন পরিচালনা করছে। এই খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি কারিনা কাপুর খান এবং সাইফ আলি খান। তাদের প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গেছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, করণের শেষ সিজনের চতুর্থ পর্বে অতিথি হিসেবে দেখা যাবে কারিনা ও সাইফকে। অনুষ্ঠানটি আগামীকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) জিয়ো হটস্টারে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এর আগেই নেটদুনিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে অনুষ্ঠানের প্রথম ঝলক।

অনুষ্ঠানের একটি ঝলকে দেখা যাচ্ছে, করণের শেষ সিজনের কথা শুনে অতিথিরা দুঃখপ্রকাশ করলেও কারিনা এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। অভিনেত্রী তার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "আমি খুব খুশি হয়েছি এবং স্বস্তি পেয়েছি। এ বার আর আমাদের বার বার ‘কফি উইথ করণ’-তে আসতে হবে না।"

কারিনার এমন মন্তব্যের পর রসিকতার সুরে করণও জবাব দেন, "অনুষ্ঠানের শেষ সিজন নিয়ে তোমার এই সংবেদনশীলতার জন্য ধন্যবাদ।"

এদিকে, সাইফ জানান, তিনি নিজেকে এ অনুষ্ঠানে খুব একটা মানানসই মনে করেন না। তাই স্ত্রী ও করণের কথোপকথনের মাঝখানে তিনি বলেন, "আমাকে এ অনুষ্ঠানে ‘বেমানান’ মনে হচ্ছে।"

সাইফের এই মন্তব্যে মুহূর্তেই হাসির রোল ওঠে অনুষ্ঠানে। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পরে ফের একসঙ্গে ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে হাজির হচ্ছেন কারিনা ও সাইফ। তাই এ পর্বটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ‘কফি উইথ করণ’-এর তৃতীয় সিজনে একসঙ্গে এসেছিলেন সাইফ ও কারিনা। তখন তারা প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। এর দু’বছর পর ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে বিয়ে করেন তারা। বর্তমানে তাদের সংসারে তৈমুর ও জেহ্ নামে দুই ছেলে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের রান্নাঘরে ভোগান্তি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ এম


সরকারের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের রান্নাঘরে ভোগান্তি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সরকার জনগণের রান্নাঘর পর্যন্ত ভোগান্তি পৌঁছে দিয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, যদি এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা না হয়, তাহলে খালি সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের সামনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ২৯ দিনের ব্যবধানে দুই দফা এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নাসীরুদ্দীন জনগণকে খালি সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার যেহেতু আমাদের রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, তাই আমাদের খালি সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। তিনি পাড়া-মহল্লার মা-বোনদের খালি গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে প্রতিবাদ শুরু করার জন্য উৎসাহিত করেন।

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকারের কথার সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই। তারা একটি কারিগরি কমিটি গঠন করেছিল, যা গণশুনানির পর মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল। কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত মানা হয়নি। বরং তিন-চারটি কোম্পানির মালিকের কথামতো জনগণকে তোয়াক্কা না করে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি থেকে সরে আসতে হবে।

এনসিপি নেতা আরও বলেন, গ্যাসের সিলিন্ডার এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে আমরা কখনও এমনটি আশা করিনি। আমাদের পার্শ্ববর্তী প্রায় সব দেশেই গ্যাসের দাম কম। অথচ বাংলাদেশে ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য ২ হাজার ৬০ টাকা। তাই সরকার যদি মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করে, তাহলে খালি সিলিন্ডারসহ হাঁড়ি-পাতিল, কলস নিয়ে রাস্তায় নেমে অবরোধ করতে হবে।

পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন বলেন, সরকার দাবি করেছে যে, এ আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে। এটি গোয়েন্দা ব্যর্থতা। ফলে এখানে সরকারও পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, যখন সরকার ব্যর্থ হবে, তখন আওয়ামী লীগ সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এজন্য শ্রমিক অঞ্চলকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে গোয়েন্দা সংস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনবল নেবে মধুমতি ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ এম


জনবল নেবে মধুমতি ব্যাংক

মধুমতি ব্যাংক পিএলসি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। যারা আগ্রহী এবং যোগ্যতা পূরণ করেন, তারা আবেদন করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

পদের নাম ও সংখ্যা: ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার (পিও টু এভিপি), সংখ্যা নির্ধারিত নয়।

আবেদনের যোগ্যতা: প্রার্থীদের স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া, ৬ বছরের অভিজ্ঞতা আবশ্যক। নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন। বয়সসীমা নির্ধারিত নয়। কর্মস্থল হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ফেনী ও সাতক্ষীরা জেলায়।

বেতন: মাসিক বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এবং বিজ্ঞপ্তিটি বিস্তারিতভাবে দেখতে ক্লিক করুন এখানে ।

আবেদনের শেষ সময়: আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%