শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৫ পি.এম
কুড়িগ্রাম সীমান্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ২১ লাখ ২৭ হাজার ৫৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোন, ইয়াবা ট্যাবলেট, গবাদিপশু ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্ত সুরক্ষায় কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে আনুমানিক ২১ লাখ ২৭ হাজার ৫৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোন, ইয়াবা ট্যাবলেট, গবাদিপশু ও অন্যান্য চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়।
বিজিবি জানায়, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপরাধ, মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি অক্ষুণ্ণ রেখে চোরাকারবারিদের অপতৎপরতা প্রতিহত করার পাশাপাশি জনসাধারণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি বজায় রাখতে বিজিবির আভিযানিক তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক, পিএসসি স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে র্যাব বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আরসার একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম জহির (১৯), যিনি উখিয়ার ময়নারঘোনা ১২নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রশিদ আহম্মদের ছেলে।র্যাব-১৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন ১১নং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের মরাগাছতলা এলাকায় মাল্টিপারপাস কমিউনিটি অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টারের সামনে একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানের সময় সন্দেহভাজন মোহাম্মদ জহিরকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন এবং ৪ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃত ব্যক্তি মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সক্রিয় সদস্য এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অস্ত্র বহন ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বহনের অভিযোগে নিয়মিত মামলা রুজু করে তাকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট বিভাগের মধ্যে হামের পরিস্থিতি ক্রমাগত উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে ১১৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এখন পর্যন্ত চলতি বছরে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১৫৭ জনে পৌঁছেছে।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের ৫ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে মারা যাওয়া দুই শিশুর একজন সিলেটের এবং অন্যজন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিন্দা। তাদের চিকিৎসা শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে নতুন ১১৯ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৪৮ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৭ জন ভর্তি হয়েছেন। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১৮ জন, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৪ জনসহ বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও রোগী ভর্তি হয়েছে।
নতুন রোগী ভর্তির পাশাপাশি, বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৯৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২০৫ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ৪২ জন, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ২৯ জন এবং সিলেটের পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০ জন রোগী ভর্তি আছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৬৩ জন, হবিগঞ্জে ১৫৩ জন, মৌলভীবাজারে ১৫৮ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তদের মধ্যে দুজন রুবেলা রোগীও রয়েছেন।
মৃত্যুর হিসাব অনুযায়ী সিলেট বিভাগের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে দেখা যায়, এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে সিলেটে ৬০ জন, হবিগঞ্জে ১৭ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫৮ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আর নিশ্চিত হাম রোগে সিলেটে ৪ জন, হবিগঞ্জে ৪ জন, মৌলভীবাজারে ১ জন এবং সুনামগঞ্জে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে বিভাগের মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১৫৭ জন।
নতুন করে দুই শিশুর মৃত্যু এবং এক দিনে ১১৯ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনায় বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতির তীব্রতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সিলেট ও সুনামগঞ্জে মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এ দুই জেলায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে শুধুমাত্র সিলেট জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে শত শত সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে রোগীর চাপ সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা প্রদানে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ হিসাব বলছে, ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন করে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে সন্দেহজনক রোগী হিসেবে বিপুলসংখ্যক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারি ও চিকিৎসাব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া হকার্স মার্কেটের নিকটবর্তী এলাকা থেকে শুভ দাস (৩২) নামক এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শুভ দাস চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার মতলব বাজার এলাকার হরি চন্দ্র দাসের পুত্র। তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, হকার্স মার্কেটের সংলগ্ন রাস্তার মাথায় খোকন সাহেবের বাড়ির সামনে তিন রাস্তার মোড়ে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করেন।
পুলিশের কাছে খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কাজল মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের (ভিক্টোরিয়া) মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা তারেক আল মেহেদী আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বিতর্কিত সাইবার আইন বাতিল ও সংস্কারের যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তা কতটা কার্যকর হয়েছে—এখন সেই প্রশ্নই জোরদার হয়ে উঠেছে। আইন বাতিলের আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও অতীতের মামলায় জড়িয়ে থাকা সাংবাদিকদের আইনি জটিলতা, হয়রানি ও আদালতে হাজিরার ভোগান্তি এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক সমাজে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও সংশয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৮ সালে বিতর্কিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ এবং পরবর্তীতে ২০২৩ সালে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করা হয়। এসব আইনের একাধিক দমনমূলক ধারার কারণে সাংবাদিকদের স্বাধীন সাংবাদিকতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ, সংবাদ উপস্থাপন কিংবা সাধারণ মতপ্রকাশের জের ধরে অসংখ্য সাংবাদিককে মামলা, গ্রেপ্তার, কারাবাস ও দীর্ঘদিন ধরে আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হয়েছে।
সমালোচকদের মতে, সাইবার অপরাধ দমনের দোহাই দিয়ে এসব আইন করা হলেও বাস্তবে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা স্তব্ধ করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনেক সাংবাদিকের কাছেই আইনগুলো চরম আতঙ্ক ও হয়রানির সমার্থক হয়ে উঠেছিল।
পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল এবং এর বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ধারা রহিত করার উদ্যোগ নেয়। নতুন অধ্যাদেশে আগের আইনের আলোচিত ৯টি ধারা বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলে সাংবাদিক সমাজে প্রাথমিকভাবে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। তবে এই আইনি সংস্কার বাস্তবে কতটুকু স্বস্তি আনবে—তা নিয়ে রয়ে গেছে বড় ধরনের প্রশ্ন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি আইন বাতিল বা কয়েকটি ধারা বাদ দেওয়াই যথেষ্ট নয়। এই আইনের আওতায় দায়ের হওয়া পুরোনো মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ কী, বছরের পর বছর ধরে আদালতে হাজিরা দেওয়া সাংবাদিকরা কবে নাগাদ পুরোপুরি আইনি যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন এবং ভবিষ্যতে নতুন কোনো আইনের নামে একই ধরনের অপব্যবহার রোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনো মেলেনি।
সাংবাদিকদের একটি বড় অংশের অভিযোগ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে—এমন প্রচারণার চেয়ে বাস্তবে সাংবাদিকরা কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন, সেটিই আসল বিষয়। কেবল আনুষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল বা ‘ব্র্যান্ডিং’ করার চেষ্টা না করে এমন একটি কার্যকর আইন ও প্রয়োগব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে তথ্য প্রকাশ বা মতপ্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে অপরাধী হিসেবে দেখার সুযোগ থাকবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, সাইবার অপরাধ দমনে সুনির্দিষ্ট আইন থাকার প্রয়োজনীয়তা সর্বজনস্বীকৃত। তবে সেই আইন যেন কোনোভাবেই সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করা, সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়া কিংবা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ারে পরিণত না হয়—তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
বিতর্কিত আইনে দায়ের হওয়া পুরোনো মামলাগুলোর দ্রুত ও সম্মানজনক নিষ্পত্তিই এখন বড় পরীক্ষা। অতীতের অশুভ অধ্যায়ের ইতি টেনে একজন সাংবাদিক যখন কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই সত্য ও জনস্বার্থমূলক সংবাদ প্রকাশ করতে পারবেন এবং তার জন্য তাকে আর আদালতের বারান্দায় বছরের পর বছর ঘুরতে হবে না—ঠিক তখনই বোঝা যাবে, আইনি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ