ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিল বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬


মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিল বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬

সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনকে সহজতর করার উদ্দেশ্যে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভা প্রদান করেছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে এই খসড়া অধ্যাদেশটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিদ্যুৎ খাতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমানো, ভর্তুকির চাপ হ্রাস করা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে নিষিদ্ধ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

আগামী গ্রীষ্মের পূর্বে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কোম্পানির স্থাপনার ছাদে বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে অপারেশনাল এক্সপেনডিচার (ওপেক্স) মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয় রয়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ আয় বিবেচনায় ক্যাপিটাল এক্সপেনডিচার (ক্যাপেক্স) মডেলেও সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ওপেক্স মডেলে সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে ১৫ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণ, ছাদের ভাড়া হিসেবে বিদ্যুতের অংশ প্রদান এবং রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান নেই। অন্যদিকে, ক্যাপেক্স মডেলে সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান আইনে সুনির্দিষ্ট বিধানের ঘাটতি রয়েছে।

এই কারণে বিনিয়োগ, চুক্তি, বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে অধ্যাদেশটির খসড়া প্রণয়ন করে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬, ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬ এবং বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-তে সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান না থাকার বিষয়টি খসড়া প্রণয়নের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় নেওয়া রাবি শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা আর নেই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেতানিয়াহুর ভাগ্য মনসুর আব্বাসের হাতে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


নেতানিয়াহুর ভাগ্য মনসুর আব্বাসের হাতে?

ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় থাকা না থাকার সমীকরণে ইসলামপন্থি আরব নেতা মনসুর আব্বাস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন। বিরোধী জোটের সরকার গঠনে তার সমর্থন একটি নির্ধারক ভূমিকা পালন করতে পারে। এ কারণে তাকে ঘিরে ইসরাইলের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

মনসুর আব্বাস, যিনি ইসরাইলের ইউনাইটেড আরব লিস্ট (রাম) দলের নেতা, দেশটির রাজনীতিতে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে তার অবস্থান এবং আরব নাগরিকদের অধিকার নিয়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি আলোচনায় রয়েছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তাকে ইহুদিদের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ইসরাইলের বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সরকার গঠনের জন্য বিভিন্ন দলের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি বিরোধী জোট মনসুর আব্বাসের সমর্থন না পায়, তাহলে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করা কঠিন হয়ে পড়বে। এর আগে ২০২১ সালে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে জোটে যোগ দিয়েছিলেন আব্বাস। ওই রাজনৈতিক সমীকরণেই নেতানিয়াহুর সরকারের পতন ঘটে।

অনেকে মনসুর আব্বাসকে ইসরাইলের অন্যতম কৌশলী রাজনীতিক হিসেবে মনে করেন। তবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর তার রাজনৈতিক অবস্থান আরও জটিল হয়ে ওঠে। ওই হামলার পর ইসরাইলের অনেক ইহুদি নাগরিক আরব ও ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখতে শুরু করেন।

এ পরিস্থিতিতে ৫২ বছর বয়সী মনসুর আব্বাস ইহুদি নাগরিকদের কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। হামাসের হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, "সহিংসতা ফিলিস্তিনিদের জন্যই ক্ষতি ডেকে আনবে।" এ অবস্থানের কারণে হামাসের সমালোচনার মুখেও পড়েন তিনি।

আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়ছেন আব্বাস। নেতানিয়াহু ও তার সহযোগীরা তাকে সন্ত্রাসীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে অভিযোগ করছেন। অন্যদিকে, হামাসের হামলার নিন্দা জানানোর কারণে কেউ কেউ তাকে বিশ্বাসঘাতক বলেও আখ্যা দিয়েছেন। আরব দলগুলোর নেতারাও তার কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখছেন।

গ্যালিলি অঞ্চলের দ্রুজ, খ্রিষ্টান ও মুসলিম অধ্যুষিত শহর মাঘারে জন্মগ্রহণ করেন মনসুর আব্বাস। শুরুতে রাজনীতিতে আসার পরিকল্পনা ছিল না তার। তিনি দন্ত চিকিৎসক হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। পরে মানুষের জন্য কাজ করার আগ্রহ থেকে রাজনীতিতে যুক্ত হন। ২০১৯ সালে ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে প্রবেশ করেন তিনি।

আসন্ন নির্বাচনে মনসুর আব্বাসের অবস্থান শেষ পর্যন্ত কী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তার সমর্থন নেতানিয়াহুর বিরোধীদের জন্য সরকার গঠনের পথ সহজ করতে পারে, আবার সেই সমর্থনকে ঘিরেই ইসরাইলের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কও তৈরি হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীর মাদ্রাসাটিতে শিক্ষক-কর্মচারীর চাইতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ এম


পটুয়াখালীর মাদ্রাসাটিতে শিক্ষক-কর্মচারীর চাইতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম

একটি মাদ্রাসায় ১৫ জন শিক্ষক কর্মচারী রয়েছে, কিন্তু শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১২ জন। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় এমন অবস্থা দেখা গেছে। শিক্ষার্থীর তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা বেশি। মাদ্রাসার সুপার ও প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন, অবকাঠামো সংকট এবং অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে না। তবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৯টি ক্লাসরুম রয়েছে। এর মধ্যে তিনটিতে ১ জন থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান চলছে, অন্যগুলো শিক্ষার্থীদের অভাবে খালি পড়ে আছে। শিক্ষার্থী না থাকায় শিক্ষকরা অলস সময় কাটাচ্ছেন।

১৯৯৪ সালে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নে পূর্ব ইন্দ্রকুল ফিরোজা কামাল বালিকা দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৪ সালে এটি এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছোট দুটি জরাজীর্ণ টিনসেট ঘরে মাদ্রাসাটিতে ১২ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করা হচ্ছে। যদিও শিক্ষার্থী ও কর্মচারীর সংখ্যা ১৫ জন। শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম হলেও, প্রতিষ্ঠনটি অন্য বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখা হচ্ছে।

মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, যোগাযোগের অনুন্নত ব্যবস্থা এবং কাঁচা সড়ক, পাশাপাশি মাদ্রাসার চারপাশে অসংখ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।

মাদ্রাসাটির সুপার মাফুজা বেগম জানিয়েছেন, অবকাঠামো সংকট এবং যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থী উপস্থিতির সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছে না। তবে আমাদের ১ শতর বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে, অনেকেই অসুস্থ থাকায় আসতে পারেনি।

জেলা শিক্ষা অফিসার মুহাঃ মজিবুর রহমান বলেন, আমি শিক্ষার্থীর বিষয়টি খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। শিক্ষার্থী থাকবে না এবং শিক্ষকরা বসে বসে বেতন নেবে, এটা হতে পারে না।

উল্লেখ্য, পূর্ব ইন্দ্রকুল গ্রামের ১ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে আরও ৩টি মাদ্রাসা ও ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। জেলায় মোট মাদ্রাসা রয়েছে ২৪৬টি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ-ওমরাহ নিয়ে ভয়ানক বাণিজ্য, উঠছে যাত্রী বিক্রির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ এম


হজ-ওমরাহ নিয়ে ভয়ানক বাণিজ্য, উঠছে যাত্রী বিক্রির অভিযোগ

হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের নিয়ে ভয়ানক বাণিজ্য শুরু করেছে কিছু এজেন্সি। অভিযোগ উঠেছে যে, একটি প্রতিষ্ঠান অর্থের বিনিময়ে আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছে যাত্রী বিক্রি করছে। হাত বদলের মাধ্যমে একেক জনের কাছ থেকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে আত্মসাৎ করছে চক্রটি। এই তথ্যগুলো সময় সংবাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

সম্প্রতি ওমানের মাস্কাট বিমানবন্দরে দেখা গেছে, ক্লান্তিতে নুয়ে পড়েছেন ওমরাহ যাত্রীরা। যাতায়াতে তাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। ওমরাহ পালনকারীরা অভিযোগ করেছেন যে, একাধিক এজেন্সি তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

তারা জানাচ্ছেন, সরাসরি ফ্লাইট দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ট্রানজিটের মাধ্যমে তাদের যাত্রা করতে হয়েছে। এতে প্রায় ১৬ ঘণ্টা সময় লেগেছে। বিমানে খাবারও প্রদান করা হয়নি। এছাড়া, কথা ছিল মদিনার পাশাপাশি হোটেল দেওয়ার। কিন্তু তাদের এমন জায়গায় হোটেল দেওয়া হয়েছে, যেখান থেকে আধা ঘণ্টা পথ হেঁটে আসতে হয়।

বক্তব্যের সূত্র ধরে অনুসন্ধান শুরু করে সময় সংবাদ। কয়েকজন ওমরাহ পালনকারীর তথ্য পর্যালোচনা করে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। জনপ্রতি ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা নেওয়ার পর প্রথম এজেন্সি একে একে আরও তিনটি এজেন্সির কাছে যাত্রীদের ডকুমেন্ট বিক্রি করে দেয়। সবশেষ যে এজেন্সির মাধ্যমে ওমরাহ পালনকারীরা সৌদি গিয়েছিলেন, সেই এজেন্সি পেয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। বাকি ৪৩ হাজার টাকা ভাগ করে নেয় তিনটি এজেন্সি।

সবশেষ এজেন্সি জানিয়েছে, তাদের ফুল প্যাকেজ ছিল ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। অন্য কোনো এজেন্সি অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে থাকলে, সেটার জন্য তারা জবাব দিতে বাধ্য।

এবার প্রতারণার শিকার দুজনকে নিয়ে রাজধানীর পল্টনে চায়না টাওয়ারে মাস্ক হজ গ্রুপের অফিসে যায় সময় সংবাদ। অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার প্রমাণ তুলে ধরলে প্রতিষ্ঠানটি দুজনকে ১৫ হাজার টাকা করে ফেরত দেয়।

অনিয়মের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

হাবের সেক্রেটারি জেনারেল ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন,

"মন্ত্রীর কাছে অনেক ওমরাহযাত্রী এসে অভিযোগ করেছেন যে, তাদের ফেরার টিকিট নেই। এগুলো যাচাই করে দেখা গেছে, মাস্ক হজ গ্রুপ নামে একটা গ্রুপ এ যাত্রীদেরকে পাঠিয়েছিল ওয়ানওয়ে টিকিট দিয়ে। হাবের কাছে অভিযোগ আসার পর তাদেরকে ডেকে সমাধানের চেষ্টা করেছি। এগুলোর বিরুদ্ধে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে ভবিষ্যতে যারা প্রতারণার চিন্তা করবে, তারা অন্তত এই চেষ্টা থেকে দূরে থাকবে।"

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অর্থ আত্মসাৎ তো রয়েছেই, লাইসেন্স ছাড়াও কার্যক্রম পরিচালনা করছে অনেক এজেন্সি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রয়েছে আরও গুরুতর অভিযোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এড়াতে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ এম


অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এড়াতে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি নির্দেশনা

শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। সংস্থাটি জানায়, অসাবধানতা ও অসচেতনতার কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়, তাই বেশ কিছু নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের পরামর্শগুলো হলো—

১. আইন মেনে চলুন: ‘অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন, ২০০৩’ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

২. ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: ভবন নির্মাণের সময় ফায়ার সেফটি প্ল্যান গ্রহণ করে এর সব শর্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করুন।

৩. রান্না শেষে গ্যাসের সংযোগ বন্ধ করুন: রান্না শেষে চুলা ও গ্যাসের সংযোগ বন্ধ রাখুন। গ্যাসের চুলা নেভাতে ফুঁ দেবেন না; চুলার নবটি ভালোভাবে বন্ধ করুন।

৪. ধূমপানে সতর্ক থাকুন: বিড়ি-সিগারেটের জ্বলন্ত অংশ সম্পূর্ণ নিভিয়ে নির্ধারিত নিরাপদ স্থানে ফেলুন।

৫. শিশুদের নিরাপদ রাখুন: ছোট শিশুদের আগুন, দিয়াশলাই ও লাইটার নিয়ে খেলতে দেবেন না।

৬. দাহ্যবস্তুর কাছে আগুন ব্যবহার করবেন না: দাহ্যবস্তুর গুদামে খোলা বাতি ও মশার কয়েল ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। অন্যান্য স্থানে এগুলো ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।

৭. রান্নাঘরে বায়ু চলাচল নিশ্চিত করুন: গ্যাসের চুলা জ্বালানোর আগে রান্নাঘরের দরজা-জানালা খুলে দিন। গ্যাস জমে থাকা অবস্থায় চুলা জ্বালানো অত্যন্ত বিপজ্জনক।

৮. বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা বজায় রাখুন: বৈদ্যুতিক সংযোগ, তার, সুইচ ও যন্ত্রপাতি নিয়মিত পরীক্ষা করুন। ত্রুটিপূর্ণ তার ও অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক লোড এড়িয়ে চলুন।

৯. অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রাখুন: বাসাবাড়ি, কলকারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন অনুযায়ী অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপন করুন। এগুলোর ব্যবহার শিখুন এবং নিয়মিত অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া আয়োজন করুন।

১০. প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মাধ্যমে অগ্নিপ্রতিরোধ, অগ্নিনির্বাপণ, উদ্ধারকাজ ও প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন।

১১. দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ঘরে প্রবেশে সতর্ক থাকুন: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ফ্ল্যাট, বসতঘর বা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের পর দরজা-জানালা খুলে পর্যাপ্ত সময় বাতাস চলাচলের সুযোগ দিন। গ্যাসের গন্ধ বা জমে থাকার আশঙ্কা থাকলে বৈদ্যুতিক সুইচ, আগুন বা দিয়াশলাই জ্বালাবেন না। নিরাপদ স্থান থেকে জরুরি সহায়তা নিন।

১২. জরুরি যোগাযোগের নম্বর সংরক্ষণ করুন: নিকটস্থ ফায়ার স্টেশনের যোগাযোগ নম্বর সংগ্রহ করে রাখুন। জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন ১০২ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করুন।

১৩. হোটেল ও রেস্তোরাঁয় সতর্ক থাকুন: গ্যাস সিলিন্ডার, গ্যাসের চুলা ও বৈদ্যুতিক সংযোগ নিয়মিত পরীক্ষা করুন এবং অগ্নিনিরাপত্তাবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করুন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বক্তব্য হলো, অগ্নিদুর্ঘটনা থেকে সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো প্রতিরোধ। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তাবিধি অনুসরণ এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%