ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

খরা সহনশীলতা জোরদারে আঞ্চলিক সহযোগিতা, ন্যায্য পানি বণ্টন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর


খরা সহনশীলতা জোরদারে আঞ্চলিক সহযোগিতা, ন্যায্য পানি বণ্টন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর

ঢাকা, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ : খরা সহনশীলতা জোরদার করার জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা, ন্যায্য পানি বণ্টন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

আজ মঙ্গোলিয়ার উলানবাটরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশন (ইউএনসিসিডি) -এর ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ ১৭)-এর ‘একসিলারেটিং ড্রট রিজাইলেন্স’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে তিনি এ আহ্বান জানান।

আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

এছাড়া সভায় আবদুল আউয়াল মিন্টু খরা মোকাবেলায় কার্যকর আঞ্চলিক সহযোগিতা, ন্যায্য পানি বণ্টন, টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে খরা ও ভূমি অবক্ষয় পরস্পর সম্পর্কিত। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিয়মিতভাবে খরা এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ কৃষিজমি ও মিঠাপানির উৎসের ক্ষতি করছে। বন্যা ও নদীভাঙনের প্রভাব এ সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

মন্ত্রী জানান, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় ৫ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি খরাপ্রবণ। সেখানে প্রায় ১৬ হাজার গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে অনেক এলাকায় পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। এসব এলাকায় নতুন সেচ কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-মেটিওরোলজিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমস (বিএএমআইএস)-এর মাধ্যমে খরার সূচক পর্যবেক্ষণ করে কৃষকদের এসএমএস, ভয়েস কল ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ফসলভিত্তিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে : তারেক রহমান

মন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল গ্রিন মিশন-এর আওতায় সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রকৃতিনির্ভর খরা মোকাবিলার অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল, নদী ও জলাশয় খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভূপৃষ্ঠের পানির প্রাপ্যতা বাড়বে এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এই অভিজ্ঞতা অন্যান্য পানিসংকটপ্রবণ দেশের কাজে লাগবে।

উপকূলীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ কমে যাওয়ার ফলে লবণাক্ত পানি কৃষিজমি ও খাবার পানির উৎসে প্রবেশ করছে, যা লাখো মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলছে। এ সংকট মোকাবিলায় ন্যাশনাল গ্রিন মিশনের আওতায় উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন সম্প্রসারণ কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করা ভূমি অবক্ষয় মোকাবিলারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন

তিনি খরা সহনশীলতা গড়ে তুলতে অববাহিকাভিত্তিক সহযোগিতা ও ন্যায্য পানি বণ্টনকে মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাশনাল এডাপটেশন প্ল্যান) -এ ২০৫০ সাল পর্যন্ত খরা মোকাবিলার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি ইন্টারন্যাশনাল ড্রট রিজাইলেন্স অবজারভেটরি চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের বিএএমআইএস -এর তথ্য এ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রস্তাব দেন।

একই সঙ্গে খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল ফসলের জাত উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে প্রযুক্তি হস্তান্তর আরও জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের দাবি, মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলায় জড়িত মাদক কারবারিরা

মন্ত্রী বাংলাদেশ খরা ও ভূমি অবক্ষয়ের তীব্র ঝুঁকির মুখোমুখি বলে উল্লেখ করেন এবং একটি আগাম প্রস্তুতিমূলক, পর্যাপ্ত অর্থায়নসমৃদ্ধ এবং কার্যকর আঞ্চলিক সহযোগিতাভিত্তিক আন্তর্জাতিক খরা সহনশীলতা কাঠামো গড়ে তুলতে ইউএনসিসিডি -এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, উপমন্ত্রী, প্রতিনিধি দলের প্রধানরা অংশ নেন।

এছাড়া এফএও, ইএসসিএপি, আইওএম, ইউনিসেফ, ইউএনডিআরআর, ইউএনডিপি, ইফাদ, এআইআইবি, আফ্রিকান ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: খুলনার আইন-শৃঙ্খলা উন্নতির আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জবাবে যেভাবে প্রতিশোধ নিতে পারে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জবাবে যেভাবে প্রতিশোধ নিতে পারে ইরান

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রতিশোধ নিতে ইরান কীভাবে পদক্ষেপ নিতে পারে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান যুদ্ধের পরিস্থিতি প্রায় ছয় মাস অতিক্রম করেছে। এই প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে তাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করার জন্য ইতিহাসের ‘সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুমকি প্রদান করেছে।

 

এই পরিস্থিতি উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি করেছে। অর্থনৈতিক চাপের মোকাবেলা করার জন্য ইরান সম্ভাব্য কিছু পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা বার্তা সংস্থা রয়টার্সের মাধ্যমে জানা গেছে।

তেল রপ্তানিতে বাধা

অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি কিংবা পারস্য উপসাগরের অন্য কোনো রুট দিয়ে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন ইরানের সাবেক রেভল্যুশনারি গার্ডস প্রধান (আইআরজিসি) ও দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই।

কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার একটি বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানি হামলা ও হুমকির কারণে ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

 

জাহাজে হামলার ঝুঁকি

উপসাগর থেকে বেরিয়ে আসা তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা দ্রুতগতির নৌযান দ্বারা হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ছয় মাসে এ ধরনের হামলা ও হুমকির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বারবার বৃদ্ধি পেয়েছে।

লোহিত সাগরে বাড়তি চাপ

এদিকে, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে ইরানের মিত্র ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। তারা সৌদি আরবের জাহাজ চলাচল অবরোধের হুমকিও দিয়েছে।

 

লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি বাব আল-মান্দাবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে এশিয়ামুখী তেল সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নতুন চাপের মুখে পড়তে পারে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা

যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করে ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করার চেষ্টা করলে প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ‘ভূমিকম্পের মতো’ জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান।

যুদ্ধ চলাকালে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পানি স্থাপনায় হামলা

ইরান যদি তেল ও গ্যাস উৎপাদন স্থাপনা, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা পানি বিশুদ্ধকরণ কারখানার মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা জোরদার করে, তাহলে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এটি বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে।

সাইবার হামলা

পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের প্রধান ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার বাইরে থাকলেও সাইবার হামলা বা অন্যান্য পরোক্ষ উপায়ে চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার জন্য ইরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকারদের দায়ী করেছে, যদিও তেহরান এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

এ ছাড়া পশ্চিমা নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজনকে ব্যবহার করে পশ্চিমা দেশগুলোতে হামলা বা হত্যাচেষ্টার অভিযোগও করেছে। তবে ইরান এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

সামগ্রিকভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ বাড়লে ইরান সরাসরি সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি, জ্বালানি সরবরাহ, উপসাগরীয় অবকাঠামো ও সাইবার ক্ষেত্রকে পাল্টা চাপ সৃষ্টির প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাড়ালজানী ব্রিজের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


চাড়ালজানী ব্রিজের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরশহরের চাড়ালজানী ব্রিজের উত্তর পাশে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলার ফলে এক বিশাল ময়লার ভাগাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থার কারণে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এসব ময়লার পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়। বিশেষত, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দুর্গন্ধের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীকে সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় নাকে হাত দিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ময়লার পচা দুর্গন্ধ শুধু সড়কেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি আশপাশের বাড়িঘরেও ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে বসবাস করা অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ময়লা পড়ে থাকার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সুধীজনদের মতে, লোকালয়ের পাশে এভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলার ফলে দুর্গন্ধের পাশাপাশি জীবাণু ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তারা দ্রুত ময়লার ভাগাড়টি অপসারণ করে নির্দিষ্ট ও লোকালয় থেকে দূরে নিরাপদ স্থানে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মধুপুর পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং সড়কের পাশে ময়লা ফেলা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনের সামর্থ্য নেই সরকারের: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনের সামর্থ্য নেই সরকারের: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনের পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

ঢাকায় অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের সম্ভাব্য প্রীতি ম্যাচের আলোচনা বর্তমানে তুঙ্গে রয়েছে। তবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সেই সম্ভাবনার উপর জল ঢেলে দিয়েছেন।

 

তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার এই ম্যাচ আয়োজনের জন্য অর্থ ব্যয়ের সক্ষমতা রাখে না। তবে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) যদি পৃষ্ঠপোষকদের মাধ্যমে অর্থের ব্যবস্থা করতে পারে, তাহলে সরকার তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকায় বক্সিং কোচিং কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “এককথায় উত্তর দিলে এই মুহূর্তে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এই ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে পারব না। আপনারা জানেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ বিভিন্ন সেক্টর নিয়ে আমাদের অনেক বেশি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।

 

তাহলে একটি ম্যাচকে উপলক্ষ করে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যয় করার মতো মানসিকতা আমাদের নেই।”

তবে, বাফুফে যদি বিভিন্ন উৎস থেকে টাকার ব্যবস্থা করতে পারে, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, “বাফুফের সঙ্গে যেহেতু ব্রাজিলের প্রতিনিধিদলের কথা হয়েছে, তারা যদি বিভিন্ন স্পন্সর এনে সেটাকে পরিপূর্ণতা দিতে পারে, তাহলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।”

ব্রাজিলের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। তবে, ম্যাচের ব্যয়ভার ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এখনো হয়নি

 

আমিনুলের ভাষায়, “বিষয়টি (ব্রাজিল দলের ঢাকায় আসার সম্ভাবনা) একদম প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। বাফুফে সভাপতির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক আলোচনাই করেছি। ব্যয়ভার বহনসহ আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে এখনো খোলামেলা আলোচনা হয়নি।”

ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) প্রতিনিধিদল গত রবিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা পরিদর্শন করেছে এবং তাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে।

 

খেলোয়াড়সহ ৯০ জনের বহর নিয়ে তারা অক্টোবরে ঢাকায় আসতে চেয়েছে।

রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল যদি বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে আসে, তাহলে তা একটি বড় অর্জন হবে বলে মনে করেন আমিনুল হক। তবে, তিনি মনে করেন যে এই একটি ম্যাচ খেললেই দেশের ফুটবলে বড় পরিবর্তন আসবে—এমনটি নয়।

এ বিষয়ে আমিনুল বলেন, “বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জন্য বাংলাদেশে বিপুল সমর্থন দেখা যায়। সেখান থেকে বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ হলে সমর্থকদের ইচ্ছা পূরণ হবে, দর্শকরা আনন্দ পাবেন। কিন্তু এই ম্যাচের পর যে দেশের ফুটবলে পরিবর্তন আসবে, এই বিষয়ের সঙ্গে আমি একমত নই।”

দেশের ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য অবকাঠামো ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির দিকে নজর দিতে হবে বলে মনে করেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্ট জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে চেয়ার-সোফার পেছনে পতাকা রাখার বিরুদ্ধে নির্দেশনা প্রদান করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


হাইকোর্ট জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে চেয়ার-সোফার পেছনে পতাকা রাখার বিরুদ্ধে নির্দেশনা প্রদান করেছে

হাইকোর্ট জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে চেয়ার-সোফার পেছনে পতাকা রাখার বিরুদ্ধে নির্দেশনা প্রদান করেছে।

জাতীয় পতাকার আইন বহির্ভূত ও অবমাননাকর ব্যবহার বন্ধ করতে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

 

জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আইনজীবী শরীফ সরকারের করা এই রিট আবেদনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী শুনানি করেন।

রুলে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে জাতীয় পতাকা পেছনে রেখে বসা এবং এভাবে পতাকার ব্যবহার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আদালত অন্তবর্তীকালীন আদেশে জাতীয় পতাকার ব্যবহার বিধিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

কমিটিতে একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন সরকারি প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কমিটিকে ৬০ দিনের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত অফিস বা দপ্তরে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের আইনগত বৈধতা, পতাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং পতাকার নির্ধারিত দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও অন্যান্য স্পেসিফিকেশন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, এসব বিষয় যাচাই করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসকক্ষে চেয়ারের পেছনে, টেবিলের পাশে কিংবা সোফার পাশে জাতীয় পতাকা রেখে বসতে দেখা যাচ্ছে। অথচ জাতীয় পতাকা ব্যবহারের ‘বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২’-এ সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সরকারি ভবন, বিশেষ কিছু ব্যক্তির বাসস্থান এবং তাদের গাড়ি ও জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিধান রয়েছে। ১৯৭২ সালের পতাকা বিধিমালায় নির্দিষ্ট ১৫ শ্রেণির ব্যক্তিকে বাসস্থানে এবং ৮ শ্রেণির ব্যক্তিকে গাড়ি বা জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে আইনগতভাবে পতাকা ব্যবহারের সুবিধাপ্রাপ্ত নন, এমন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও ব্যক্তিগত অফিসকক্ষে চেয়ারের পেছনে বা পাশে পতাকা রেখে বসছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ ধরনের ছবি আদালতের নজরে আনা হয়েছে। এ ধরনের ব্যবহার জাতীয় পতাকার প্রতি অবমাননাকর এবং বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী।

 

এসব বিষয় তুলে ধরে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%