ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাশিয়ার ইয়ুথ ফেস্টিভ্যালে যাচ্ছে মুক্তা


রাশিয়ার ইয়ুথ ফেস্টিভ্যালে যাচ্ছে মুক্তা

বাংলাদেশের যুব প্রতিনিধি হিসেবে রাশিয়ার ইয়াকেতিনবার্গ শহরে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’ এ অংশ নেবেন হালিমা ইয়াসমিন মুক্তা। বর্তমানে তিনি লিথুয়ানিয়ার কনাস শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ‘লিথুয়ানিয়ান স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি’তে ‘ট্যুরিজম অ্যান্ড স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট’ বিভাগের মাস্টার্স প্রোগ্রামে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যয়ন করছেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বের ১৯১টি দেশের যুব প্রতিনিধিদের কাছে আবেদন নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে ফেস্টিভ্যালের আয়োজক যুব বিষয়ক রাশিয়ার কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘রজমলোদেজ’ এবং ‘ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল অধিদপ্তর’। মুক্তা সফলভাবে জমা দেওয়া আবেদনের মধ্যে থেকে প্রতিযোগিতামূলক বাছাই প্রক্রিয়ায় ‘ফুল ফান্ডেড পার্টিসিপেন্ট’ হিসেবে নির্বাচিত হন। অর্থাৎ, ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণের জন্য মুক্তার সব যাতায়াত এবং হোটেলে অবস্থানের খরচ আয়োজক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

আয়োজক কর্তৃপক্ষ সৃজনশীল শিল্প, জনপ্রশাসন, বিজ্ঞান ও শিক্ষা, খেলাধুলা, উদ্যোক্তা, মিডিয়া-ডিজিটালাইজেশন ও আইটি এবং সামাজিক খাতের দুই ক্যাটেগরিতে যুব প্রতিনিধিদের আবেদন গ্রহণ ও অনুমোদন করে। এর মধ্যে ‘সৃজনশীল শিল্প’ এবং ‘মিডিয়া-ডিজিটালাইজেশন ও আইটি’ ক্যাটেগরিতে আবেদন করে নির্বাচিত হন মুক্তা।

আরও পড়ুন: এখন আর দিনের ভোট রাতে হয় না: ত্রাণমন্ত্রী

তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন লালমাটিয়া মহিলা কলেজ থেকে একাউন্টিং বিষয়ে সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি গ্রহণ করেন এবং ট্যুরিজম খাতে ক্যারিয়ার শুরু করেন। মুক্তা ‘ভিসা প্রসেসিং এনালিস্ট’ হিসেবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় স্টার্টআপ ‘শেয়ার ট্রিপ’ এবং শ্রীলংকাভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ‘উইংস ট্রাভেলস’-এ কাজ করেন। গত বছরের ডিসেম্বরে মুক্তা ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি বিষয়ে অধিকতর পড়াশোনা করার জন্য লিথুয়ানিয়াতে যান।

তিনি বলেন, “ফেব্রুয়ারিতে আবেদনের পর ফেস্টিভ্যালের কথা একরকম ভুলেই গিয়েছিলাম। আমি যে নির্বাচিত হবো, তাও ফুল ফান্ডেড; বিন্দুমাত্র আশা ছিল না। তবে এখন খুবই ভালো লাগছে। বিশেষ করে এটা ভেবে গর্ব হচ্ছে যে, এত বড় একটি প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে, বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে পারবো। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সম্মানের অনুভূতি সত্যিই দারুণ”।

মুক্তা এই ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের তরুণদের মাঝে যে প্রতিভা, সততা ও পরিশ্রমের মানসিকতা রয়েছে; সেটিকে সার্থক ও সফল রূপ দিতে পারে সম্ভাবনাময় এই আয়োজন। তাই আমার মতো তরুণদের জন্য সুযোগ আছে এখান থেকে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়ানো, বিশেষ করে অন্যান্য দেশের তরুণ প্রতিনিধির সাথে মেলবন্ধন করার। এছাড়াও, রাশিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যে সফল পেশাজীবী, মেন্টররা আসবেন; তাদের থেকে শেখার এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ কাজে লাগাতে চাই। লিথুয়ানিয়ায় পড়াশুনা শেষে দেশে ফিরে নিজের একটি স্টার্টআপ দেওয়ার স্বপ্ন আছে। সে বিষয়ে বিনিয়োগকারী এবং আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপ পাওয়ার চেষ্টা থাকবে আমার।

আগামী ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে মোট ১০ হাজার যুব প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে পাঁচ হাজার যুব প্রতিনিধি রাশিয়া ব্যতীত বিশ্বের ১৯১টি দেশের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি হিসেবে আমন্ত্রিত হবেন। তরুণ-তরুণীদের নিয়ে আয়োজিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই ফেস্টিভ্যালে যুব প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক মেলবন্ধন, নিজেদের প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী, বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পেশাজীবী এবং গবেষকদের সাথে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন: ‘চান্স পেয়েও ঢাবিতে ভর্তি হইনি’: নুসরাত জাহান

বাছাই প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে নির্বাচিত যুব প্রতিনিধিদের ফেস্টিভ্যালে অংশ নেওয়ার সকল খরচ বহন করবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি আংশিক খরচ বহন করা হবে অন্যান্য নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের জন্য। এই ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণকারী সকল বিদেশি নাগরিকের জন্য রাশিয়া ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় রুশ ভিসার ফিও মওকুফ করা হয়েছে।

ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল অধিদপ্তরের প্রেস টিম নিশ্চিত করেছে যে, বাংলাদেশকে মোট ৯০ জন প্রতিনিধি এবার নির্বাচিত হবেন। তবে প্রতিনিধি বাছাই প্রক্রিয়া এখনও চলমান, তাই বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত নির্বাচিত যুব প্রতিনিধির সংখ্যা জানাতে পারছে না সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ১১২ মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫০ এম


গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ১১২ মরদেহ উদ্ধার

ঢাকা, ২ আগস্ট, ২০২৬ : দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইলি হামলার পর ধ্বংসস্তূপ সরানোর কঠিন অভিযানে গাজা কর্তৃপক্ষ শনিবার জানিয়েছে, তারা আরও ১১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

গাজা সিটির দক্ষিণাঞ্চলের সাবরা এলাকায় ১৩৬ ঘণ্টা ধরে খননকাজ চালিয়ে এসব মরদেহ ও দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে, এমন তথ্য গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের মধ্যে ৪০ শিশু, ৩৮ নারী এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সাতজনের মরদেহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সংস্থাটি হামাসের অধীনে উদ্ধার ও জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে আসছে।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি (আইসিআরসি) জানায়, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই উদ্ধার অভিযানে তারা সহায়তা করেছে।

গাজার আইসিআরসির মুখপাত্র আমানি আল-নাউক বলেন, ‘আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে গাজার হাজারো পরিবার কষ্ট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তারা তাদের প্রিয়জনদের দেহাবশেষ উদ্ধারের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে, যাতে তাদের জন্য শোক পালন করতে পারে এবং মর্যাদার সঙ্গে দাফন করতে পারে।’

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং মানবদেহের দেহাবশেষ উদ্ধার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক বিষয়।’

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার হয়ে ঘটনাস্থলের দায়িত্বে থাকা কর্নেল মোহাম্মদ আবু দান বলেন, ওই এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা আরও ১৫৭টি মরদেহ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি জানান, ধ্বংস হয়ে যাওয়া কংক্রিট ও বাঁকানো ধাতব অংশের মধ্যে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ কাজ।

গাজায় এখনও হাজারো মানুষের দেহাবশেষের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অনেকেই ইসরাইলি বিমান হামলায় ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে।

গাজার গণমাধ্যমের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ এবং সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে এএফপি স্বাধীনভাবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই বা সংঘাতের পরিস্থিতি পুরোপুরি তুলে ধরতে পারছে না।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধে ৭৩ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচনা করে।

গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের যোদ্ধারা দক্ষিণ ইসরাইলে হামলা চালানোর পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় ১ হাজার ২২১ জন নিহত হয়েছিল এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এটি ছিল দেশটির জনগণের ওপর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়। বরং এটি একটি আধুনিক, প্রযুক্তিবান্ধব ও মানবিক সংস্থা, যা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলবে।

রবিবার সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম বিসিএস শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের (প্রথম পর্যায়) প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

ডিজিটাল অপরাধ দমন ও সাইবার নিরাপত্তার লক্ষ্যে কারিগরি দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু ও সেবক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার জন্য তাগিদ দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেবা নিতে এসে যাতে কোনো ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হয়, তা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রথম পর্যায়ের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ।

২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রথম পর্যায়ের ৫৮ জন প্রশিক্ষণার্থী এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করছেন।

একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত সমাপনী কুচকাওয়াজের প্রধান অতিথি হিসেবে অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অভিবাদন গ্রহণের পর বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ড. মো. নূরুল হুদা ভূঁইয়া। তিনি দীর্ঘ প্রশিক্ষণের কৃতিত্বের ধারাবাহিকতায় বেস্ট প্রবেশনার এবং বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাওয়ার্ড—এই দুই ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার গৌরব অর্জন করেন। তাছাড়া শীর্ষ সহকারী পুলিশ সুপার আবু নুমান মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ এ বি এম মামুন বেস্ট শ্যুটার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির এবং পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপ্যাল অ্যাডিশনাল আইজিপি জিএম আজিজুর রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছে ৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:০০ পি.এম


গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছে ৮

হামাস যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির সর্বশেষ ধাপে সম্মতি দেওয়ার কথা জানানোর পরেও গাজায় রাতভর ইসরাইলি হামলায় অন্তত আটজনে প্রাণহানি ঘটেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ রোববার এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ইসরাইলি হামলায় একাধিক আবাসিক ভবন লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন সূত্র।

হামাস শুক্রবার এই বিবৃতি প্রকাশ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনে একটি পরিকল্পনায় তারা সম্মতি দিয়েছে। এই পরিকল্পনায় হামাসের অস্ত্র হস্তান্তর এবং গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলি বাহিনী ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের বিষয়গুলি সন্নিবেশিত রয়েছে।

এদিকে খবরের বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে জানা যায়, তবে ইসরাইল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। দেশটির একটি রাজনৈতিক সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, হামাসের ‘প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ’ ছাড়া ইসরাইলি বাহিনীর ‘কোনো ধরনের প্রত্যাহার হবে না’ বলে মনে করা হচ্ছে।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, রোববার মধ্যরাতের সময়ে চালানো হামলায় একাধিক আবাসিক ভবনে আঘাত এসেছে এবং আটজন নিহত হয়েছে।

গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে চালানো একটি হামলায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে ইসরাইলি সামরিক হেলিকপ্টারের আক্রমণে এক ব্যক্তি ও তার স্ত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।

গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় এক বৃদ্ধ ও একটি শিশু নিহত হয়েছেন। এছাড়া, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অন্য একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় তিনজনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একটি শিশু ছিল।

এর আগে শনিবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ইসরাইলি হামলায় আরও আটজন নিহত হয়েছেন। ওই হামলায় একটি হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি ভবনের ছাদও লক্ষ্যবস্তু করে আক্রমণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবের আলোচিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি রুবেল মিয়া গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:০৩ পি.এম


ভৈরবের আলোচিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি রুবেল মিয়া গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার আকবরনগর ও মিরারচর এলাকার আলোচিত সংঘর্ষ ও হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি রুবেল মিয়া (৩০)-কে গ্রেপ্তার করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২ আগস্ট) ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাজিতপুর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রুবেল মিয়া ভৈরব উপজেলার আকবরনগর এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম আক্তার।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ভৈরবের আকবরনগর ও মিরারচর এলাকার আলোচিত সংঘর্ষ ও হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ করে আইনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর ও অঙ্গীকারবদ্ধ।
পুলিশ আরও জানায়, মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%