বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল শহর নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সাড়ে আট মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও জোহরান মামদানি এখনো ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাননি। এই তথ্য বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
মামদানি জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র পেতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে নিউইয়র্ক শহরের প্রায় ৮৫ লাখ মানুষের নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ এবং অন্যান্য হুমকিসংক্রান্ত গোপন তথ্য সম্পর্কে তাকে অবহিত করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
তবে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়ায় এতটা সময় লাগা ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার’ অংশ।
মামদানি আরও বলেন, ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। প্রশাসনের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ছাড়পত্র লাভ করেছেন। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ নিয়মিতভাবে তাকে এমন গোয়েন্দা তদন্তের বিষয়ে অবহিত করে, যেগুলো ফেডারেলভাবে গোপনীয় তথ্যের আওতাভুক্ত নয়।
নিউইয়র্কের কোনো মেয়রের ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র নিয়ে জটিলতা এবারই প্রথম নয়। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবেক মেয়র বিল ডি ব্লাসিও ২০১৪ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর একই সময়ের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাননি। প্রথম মেয়াদের শুরুতে তিনি এ ছাড়পত্রের জন্য আবেদনও করেননি। পরে তাকে ছাড়পত্র দিতে ফেডারেল সরকারের এক বছরের কিছু বেশি সময় লেগেছিল।
অন্যদিকে সাবেক মেয়র এরিক অ্যাডামস ২০২৪ সালে ফেডারেল ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি হওয়ার পর নিউইয়র্কের প্রথম দায়িত্বশীল মেয়র হিসেবে তার নিরাপত্তা ছাড়পত্র বাতিল করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ফেডারেল নিরাপত্তা ছাড়পত্র দেওয়ার দায়িত্বে থাকা এফবিআইয়ের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় প্রথমবারের মতো সরকারি দায়িত্বে আসা কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
মামদানির জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা ছাড়পত্র না থাকার বিষয়টি এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শহরটিতে আসছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ গোপন তথ্য পাওয়ার সুযোগ না থাকলে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে মেয়রের তাৎক্ষণিক সরকারি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত হতে পারে এবং আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতেও বিলম্ব হতে পারে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমানে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাস্কাটে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ বিদেশি কর্মীদের জন্য আকাবা-ব্যবস্থার বৈধকরণ ও নিয়মিতকরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে হবে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে। গৃহকর্মীসহ ওমানে অবস্থানরত সকল অবৈধ বিদেশি কর্মী এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এছাড়া, ভিজিট ভিসায় আগত বিদেশিরাও এই সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে, পরিবারের সদস্যরা এই সুবিধার আওতায় থাকবেন না।
এই ব্যবস্থার অধীনে কর্মস্থল বা কফিল পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। এর জন্য পূর্ববর্তী নিয়োগকর্তার অনুমতি বা ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে না।
দূতাবাস জানায়, যারা বর্তমানে এএসইজেডএ জোনে কাজ করছেন, তারা যদি বর্তমান বা নতুন নিয়োগকর্তার সঙ্গে ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বিলম্বজনিত জরিমানা সম্মুখীন হন, তবে তারা পুরোপুরি মওকুফের সুযোগ পাবেন। তবে, এজন্য নতুন ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন করতে হবে।
এছাড়া, যারা জর্দান সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে যেতে চান, তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য জরিমানা মওকুফের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
অবৈধ বিদেশি কর্মীদের সুবিধা প্রদানের জন্য এএসইজেডএ তাদের অফিসের নিয়মিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত সময় সেবা প্রদান করছে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা এবং শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সেবা দেওয়া হচ্ছে। পূর্বে যারা এ ধরনের সুবিধা গ্রহণ করেছেন, তারাও পুনরায় এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, এ বিষয়ে আরও তথ্যের প্রয়োজন হলে সরাসরি এএসইজেডএ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দূতাবাসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পক্ষ থেকে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে ডা. এস এম মঞ্জুর এ এলাহীর বদলি ও পদায়নের আদেশ বাতিল করা হয়েছে। এই তথ্য ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে সিভিল সার্জনের অফিসের সূত্রে নিশ্চিত করা হয়। এর আগে,
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর পদায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অংশ বাতিল করা হয়।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর জারি করা স্মারকমূলে ডা. এস এম মঞ্জুর এ এলাহীকে ওএসডি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা থেকে সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব), ফরিদপুর হিসেবে বদলি/পদায়নের ক্ষেত্রে তাঁর জন্য প্রযোজ্য অংশ নির্দেশক্রমে বাতিল করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন হিসেবে পদায়ন বাতিলের দাবিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন ছাত্র সমাজ। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগ তুলে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। তাঁরা একই সঙ্গে তাঁকে স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে না রাখার দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ওই সময় নবনিযুক্ত সিভিল সার্জনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের উপস্থিতিও দেখা যায়। পরে আপাতত অবরোধ স্থগিত করে আন্দোলনকারীরা পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে সতর্ক করেন।
এর দুই দিন পরই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে ডা. মঞ্জুর এ এলাহীর ফরিদপুরের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে বদলি পদায়নের আদেশ বাতিলের কথা জানানো হলো।
প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), ফরিদপুরের সিভিল সার্জন/সহকারী পরিচালক এবং জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের আকাশসীমায় উড্ডয়নের কিছু সময় পর, সেপেহরান এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান চরম যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হয়। বিমানের কেবিনের ছাদের অংশ খসে পড়ে যাত্রীদের ওপর, যা আকাশে প্রচণ্ড কম্পনের ফলে ঘটে। তবে পাইলটের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বিমানটি ইরানের মাশহাদ বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় কোনো যাত্রী আহত হননি।
রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইরানের মাশহাদ থেকে কেরমানশাহগামী বিমানটি উড্ডয়ন করার পরপরই এর ল্যান্ডিং-গিয়ারের একটি টায়ার ফেটে যায়। এর ফলে বিমানের ইঞ্জিনে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয় এবং মাঝ-আকাশে বিমানটি প্রচণ্ডভাবে কাঁপতে শুরু করে। এই তীব্র ঝাঁকুনির ফলে কেবিনের ভেতরের ছাদের আস্তরণ খসে পড়ে এবং ভেতরের কাঠামো উন্মুক্ত হয়ে যায়। ফলে ওপরের লাগেজ রাখার কম্পার্টমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং যাত্রীদের মালামাল নিচে পড়ে যায়।
বিমানটি তীব্রভাবে কেঁপে উঠলে যাত্রীরা ভয়ে চিৎকার করতে শুরু করেন এবং চারদিকে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। কেবিনের ভেতরের এই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করেন এক যাত্রী, যা পরবর্তীতে অনলাইনে প্রকাশিত হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পাইলট জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং বিমানটিকে আবার মাশহাদ বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। রানওয়েতে সফলভাবে অবতরণের পর যাত্রীদের নিরাপদে বের করে আনা হয়।
অবতরণের পর মাশহাদ বিমানবন্দরের রানওয়েটি সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে পরীক্ষা করা হয় এবং পরে তা আবার চালু করা হয়। অক্ষত যাত্রীদের অন্য একটি ফ্লাইটে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারিগরি ত্রুটির সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্টও সেপেহরান এয়ারলাইনসের আরেকটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান মাশহাদ বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়েছিল। তবে সে যাত্রাতেও সব যাত্রী নিরাপদে ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেসে একটি নিউজ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাস দুর্ঘটনার সংবাদ সংগ্রহের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের চ্যাটসওয়ার্থ এলাকায় এটি ঘটে বলে জানায় লস অ্যাঞ্জেলেস ফায়ার ডিপার্টমেন্ট (এলএফডি)।
এনবিসি লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি নিউজকপ্টার৪ নামে পরিচিত, যা অ্যাঞ্জেল সিটি এয়ার পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারটি একটি মেট্রো বাস ও এসইউভির সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করছিল।
এলএফডি জানায়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে নর্থ ম্যাসন অ্যাভিনিউয়ের ৯১০০ ব্লকের মধ্যে দুটি বাণিজ্যিক ভবনের মাঝে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর সেখানে আগুন ধরে যায়, যা চারটি গাড়ি ও দুটি স্টোরেজ কনটেইনারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পরে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হন এবং একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। এলএফডি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত একজন হেলিকপ্টারের বাইরে পার্কিং এলাকায় ছিলেন। অন্য দুজন কি দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারের ভেতরে ছিলেন, তা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
এনবিসি৪-এর সংবাদ উপস্থাপিকা কলিন উইলিয়ামস সরাসরি সম্প্রচারে হেলিকপ্টারটি তাদের স্টেশনের বলে নিশ্চিত করেন। দুর্ঘটনার খবর জানাতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে এনবিসি৪-এর সম্প্রচার সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে একই এলাকায় একটি মেট্রো বাসের সঙ্গে একটি এসইউভির সংঘর্ষে দুজন নিহত ও ছয়জন আহত হন। ওই দুর্ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে বেশ কয়েকটি টেলিভিশন নিউজ হেলিকপ্টার ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান করছিল। বাস দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে নিউজকপ্টার৪ বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি। হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের কারণ অনুসন্ধানে ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ও ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) তদন্ত শুরু করেছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি, এপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ