প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের আকাশসীমায় উড্ডয়নের কিছু সময় পর, সেপেহরান এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান চরম যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হয়। বিমানের কেবিনের ছাদের অংশ খসে পড়ে যাত্রীদের ওপর, যা আকাশে প্রচণ্ড কম্পনের ফলে ঘটে। তবে পাইলটের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বিমানটি ইরানের মাশহাদ বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় কোনো যাত্রী আহত হননি।
রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইরানের মাশহাদ থেকে কেরমানশাহগামী বিমানটি উড্ডয়ন করার পরপরই এর ল্যান্ডিং-গিয়ারের একটি টায়ার ফেটে যায়। এর ফলে বিমানের ইঞ্জিনে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয় এবং মাঝ-আকাশে বিমানটি প্রচণ্ডভাবে কাঁপতে শুরু করে। এই তীব্র ঝাঁকুনির ফলে কেবিনের ভেতরের ছাদের আস্তরণ খসে পড়ে এবং ভেতরের কাঠামো উন্মুক্ত হয়ে যায়। ফলে ওপরের লাগেজ রাখার কম্পার্টমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং যাত্রীদের মালামাল নিচে পড়ে যায়।
বিমানটি তীব্রভাবে কেঁপে উঠলে যাত্রীরা ভয়ে চিৎকার করতে শুরু করেন এবং চারদিকে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। কেবিনের ভেতরের এই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করেন এক যাত্রী, যা পরবর্তীতে অনলাইনে প্রকাশিত হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পাইলট জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং বিমানটিকে আবার মাশহাদ বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। রানওয়েতে সফলভাবে অবতরণের পর যাত্রীদের নিরাপদে বের করে আনা হয়।
অবতরণের পর মাশহাদ বিমানবন্দরের রানওয়েটি সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে পরীক্ষা করা হয় এবং পরে তা আবার চালু করা হয়। অক্ষত যাত্রীদের অন্য একটি ফ্লাইটে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারিগরি ত্রুটির সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্টও সেপেহরান এয়ারলাইনসের আরেকটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান মাশহাদ বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়েছিল। তবে সে যাত্রাতেও সব যাত্রী নিরাপদে ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন