ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তানোরে স্কুলের জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন


তানোরে স্কুলের জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

রাজশাহীর তানোর উপজেলার চৌবাড়িয়া মালশিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের জমি জবরদখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে স্কুলের সামনে চৌবাড়িয়া-দেলুয়াবাড়ি রাস্তার দুই পাশে এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চৌবাড়িয়া মালশিরা স্কুলের পশ্চিম পাশে রাস্তার ধারের খতিয়ান নম্বর ১, জেল নম্বর ১৬৩, মৌজা চৌবাড়িয়া, দাগ নম্বর ৪৬৫, শ্রেণী স্কুল, পরিমাণ ২০ শতক জমি ১৯৬২ ও ১৯৭২ সালে স্কুলের নামে রেকর্ড করা হয়। ওই জমি স্কুল কর্তৃপক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছে। দীর্ঘদিন আগে স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই ২০ শতক জমির উপর পাকা ভবন নির্মাণ শুরু করলে মান্দা উপজেলার ভারশো ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের আব্দুলের দুই পুত্র বেলাল এবং হোসেন আলী ওই জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করেন। ২০২৬ সালের ২৪ মে আদালত তাদের পক্ষে রায় দেয়। এর পর স্কুল কর্তৃপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করেছে, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে আব্দুলের দুই পুত্র বেলাল ও হোসেন টিনের বেড়া দিয়ে ঘর নির্মাণ করেন। এর পর রোববার স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ওই অবৈধ ঘর ভেঙে দেয়। এই ঘটনার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। এলাকাবাসী জানান, গভীর রাতে আব্দুল ও তার দুই পুত্র বেলাল এবং হোসেন আলী বহিরাগত ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে স্কুলের পাকা বাউন্ডারী ওয়াল ভেঙে সেখানে টিন দিয়ে ঘর নির্মাণ করেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন বলেন, "আব্দুল নামের এক ব্যক্তি জাল দলিল তৈরি করে স্কুলের জমি জবরদখলের জন্য স্কুলের প্রাচীর ভেঙে রাতারাতি টিন দিয়ে ঘর নির্মাণ করছে।" তিনি প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আব্দুলের পুত্র বেলাল উদ্দীন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "পৈতৃক সূত্রে ওই জমি আমাদের। আমরা আদালতের রায় পেয়ে দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা শুরু করি। কিন্তু স্কুলের লোকজন এবং এলাকার কিছু লোকজন এসে দোকান ঘর ভাঙচুর করেছে এবং প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বীপপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এমপি ডা. আব্দুল বারীর পথসভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১১ পি.এম


দ্বীপপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এমপি ডা. আব্দুল বারীর পথসভা

মঙ্গলবার বিকেলে দ্বীপপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আব্দুল বারী সরদার। তিনি তাদের খোঁজখবর নেন এবং পথসভা আয়োজন করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

পথসভায় এমপি ডাঃ আব্দুল বারী সরদার বলেন, "জনগণের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। বাগমারার মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের যেকোনো সমস্যা সমাধানে আমি সবসময় পাশে থাকতে চাই।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা করা। এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। বাগমারাকে একটি সুন্দর, উন্নত ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এমপি আব্দুল বারী সরদার জনগণের উদ্দেশে বলেন, "আপনারা আপনাদের সমস্যার কথা সরাসরি জানাবেন। জনগণের সমস্যা শুনে তা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কাজ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব।" এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ইব্রাহীম আলী, সাবেক সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক অহিদুল ইসলাম, ভবানীগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর আশরাফুল ইসলাম আশিক, দ্বীপপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হারুনুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রহিদুল ইসলাম, কাচারি কোয়ালি পাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাহবুর রহমান, জামায়াত নেতা ইউসুফ আলীসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

পথসভা ও গণসংযোগকালে স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন এলাকার মানুষ এমপির সঙ্গে কথা বলে নিজেদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তানোরে জলবায়ু সহনশীল বুক্ষরোপন ও বীজ বপনের উদ্ধোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


তানোরে জলবায়ু সহনশীল বুক্ষরোপন ও বীজ বপনের উদ্ধোধন

 

রাজশাহীর তানোর এবং খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীলতা এবং স্থানীয় বিভিন্ন প্রাণ বৈচিত্র্যের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বৃক্ষরোপন ও তাল বীজ বপনের কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চলে, বিশেষ করে রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ১০ লক্ষ দেশি প্রজাতির ফলজ, বনজ এবং ঔষধী বৃক্ষের বীজ বপনের লক্ষ্যে রাজশাহীর তানোর উপজেলার তালন্দ গ্রামের ২ কিলোমিটার রাস্তায় তাল বীজ বপন করে এই কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক, গ্রিন কোয়ালিশন এবং তালন্দ আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে বৃক্ষরোপন ও তাল বীজ বপনের উদ্বোধন করেন জাতীয় কৃষিপদক প্রাপ্ত স্বশিক্ষিত কৃষি গবেষক ও গ্রিন কোয়ালিশন তানোর উপজেলার আহবায়ক কৃষক নুর মোহাম্মদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মৃনাল কুমার পাল, মনিরা খাতুন, জয়ন্তী রানীসহ স্কুলটির সকল শিক্ষক এবং প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী।

দুপুরে স্কুল ছুটির পর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, এলাকার কৃষক ও কৃষাণীরা, গ্রিন কোয়ালিশনের সদস্যরা মিলে তালন্দ গ্রামের দুই কিলোমিটার রাস্তার দুই ধারে দুই হাজার তাল বীজ, এক হাজার দেশি বড়ই বীজ, পাঁচশত নিম বীজ, তেঁতুল বীজ একশত, দেশি খেজুর দুইশত, কাঠালে বীজ একশত পঞ্চাশ এবং প্রায় চারশত জামের বীজ বপন করেন। উদ্বোধনী পর্বে জাতীয় কৃষিপদক প্রাপ্ত স্বশিক্ষিত কৃষি গবেষক ও গ্রিন কোয়ালিশন তানোর উপজেলার আহবায়ক কৃষক নুর মোহাম্মদ মন্তব্য করেন “বরেন্দ্র অঞ্চলে আগে অনেক তাল খেজুরের গাছ ছিলো। এই গাছগুলো বর্জ্যপাতরোধী এবং পরিবেশ বান্ধব, এই গাছগুলোতে নানা ধরনের পাখি বাসা বাঁধতো, বিশেষ করে বাবুই পাখির বাসা বেশি বাধতো।"

তিনি আরও বলেন, "দেশি গাছ কমে যাওয়ায় পাখিসহ মানুষের খাদ্যবৈচিত্র্য যেমন কমেছে তেমনি আমাদের পাখিদের বাসাবাধার জায়গাও কমে গেছে।" জাতীয় কৃষিপদক প্রাপ্ত এই কৃষক বরেন্দ্র অঞ্চলে তাল খেজুর গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান। তালন্দ আনন্দমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মৃনাল কুমার পাল জানান- “গাছ থাকলে পরিবেশ ভালো থাকে, কিন্তু গাছ কমে যাবার কারণে বরেন্দ্র অঞ্চলে তাপমাত্রা বেড়েছে এবং বৃষ্টিপাতও কমেছে আগের তুলনায়।”

তিনি আরও দাবি করেন- বরেন্দ্র অঞ্চলে বড় বড় বা শতবছরী বৃক্ষগুলো সুরক্ষা করা প্রয়োজন সরকারের পক্ষ থেকে। বারসিকের নৃবিজ্ঞানী ও আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বলেন- “বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষিপ্রতিবেশ অঞ্চলে বিভিন্ন জাতের বৃক্ষবৈচিত্র্যও বিদ্যমান, সেই বৃক্ষ এবং প্রাণবৈচিত্র্যের মধ্যে দিয়েই সেই অঞ্চলের খাদ্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য গড়ে ওঠে এবং টেকসই হয়, কিন্তু এইসকল বৈচিত্র্য কমে গেলে পরিবেশ এবং বাস্তুসংস্থানিকসহ নানা ধরনের সংকট তৈরী হয়।”

তিনি বরেন্দ্র অঞ্চল কেন্দ্রিক ভৌগোলিকতা গুরুত্ব দিয়ে সরকারসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৃক্ষরোপন কার্যক্রমের দাবি জানান। যাতে বিদেশী আগ্রাসী বৃক্ষরোপন বা বীজ বপন না করা হয়। বীজবপন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার (কৃষি) অমৃত কুমার সরকার, সহযোগী প্রোগ্রাম অফিসার উত্তম কুমার সরকার, বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি আতিকুর রহমান প্রমূখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলিল লেখকের বিরুদ্ধে অসহায় জমি বিক্রেতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


দলিল লেখকের বিরুদ্ধে অসহায় জমি বিক্রেতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

চরফ্যাশনের এক অসহায় জমি বিক্রেতার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জমি বিক্রির ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফখর উদ্দিন নামের এক দলিল লেখকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার চরফ্যাশন থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জমি বিক্রেতা চরফ্যাশন উপজেলার হালিমাবাদ গ্রামের মো. আঃ হালিম, যিনি মনির নামেও পরিচিত।

বাদী সূত্রে জানা যায়, হালিম তার মায়ের নামীয় ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ জমি দুলাল নামের এক ব্যক্তির কাছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫শত টাকায় বিক্রি করেন। দলিল লেখক ফখর উদ্দিন লাইসেন্স সনদ নম্বর ২২৮৯/৫৭ এর মাধ্যমে এ দলিল সম্পাদন করেন। জমি ক্রেতা দুলাল দলিল লেখক ফখর উদ্দিনের কাছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫শত টাকা বুঝিয়ে দেন। অভিযোগে হালিম বলেন, দলিল লেখক জমির পুরো টাকা না দিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। বাকি ৩৭ হাজার ৫শত টাকা চাইলে ফখর উদ্দিন জানান যে, ৭ হাজার টাকা ‘পাওয়ার দলিলের’ খরচ হয়েছে এবং ৩০ হাজার ৫শত টাকা চরফ্যাশন সদর সাব রেজিষ্টারকে দিয়েছেন।

এদিকে, চরফ্যাশনের সাব রেজিষ্টার মো. কাওছার খান বলেন, ‘পাওয়ার দলিলের’ সরকারি খরচ মাত্র ৯২০ টাকা। তিনি বলেন, “৩০ হাজার ৫শত টাকা এবং ‘পাওয়ার দলিলের’ খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।” তিনি আরও জানান, জমি বিক্রেতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দলিল লেখক ফখর উদ্দিন সংবাদকর্মীদের জানিয়েছেন, ‘পাওয়ার দলিল’ খরচ বাবদ চরফ্যাশন এবং মনুপুরা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বাকী টাকা তার লেখনি খরচ বাবদ রাখা হয়েছে। তবে সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে খরচের স্বপক্ষে কোনো রশিদ দেখাতে পারেননি। তিনি বলেন, এসবের রশিদ দেওয়া হয় না এবং আন অফিসিয়াল কার্যক্রম হয়। অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ আল ফরিদ ভূইয়া জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছেন এবং তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ আগস্টের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ আগস্টের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত

অনিবার্য কারণে আগামী ২৭ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) তাইয়েবা তাসনীম সিরাজ এ তথ্য জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থগিত করা পরীক্ষাটির পত্রকোড: ২১২১০৯ (নতুন সিলেবাস)। এই পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি পরে জানানো হবে।

স্থগিত করা পত্রের পরীক্ষা ছাড়া অন্য সব বিষয়ের পরীক্ষার সময়সূচি পূর্বঘোষণা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%